সীমান্তে আটক দুই বাংলাদেশি নাগরিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ইন্দো নেপাল সীমান্তের খড়িবাড়ি এলাকায় খড়িবাড়ির ইন্দো-নেপাল সীমান্তের পানিট্যাঙ্কি এলাকায় দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে দু’জনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁদের বাংলাদেশি নাগরিকত্বের তথ্য সামনে আসে।ধৃতদের নাম মহম্মদ রফিক ও মহম্মদ জুবির। দু’জনেরই বাড়ি বাংলাদেশের চট্টগ্রামে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাঁরা বাংলাদেশ-ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। এরপর বিভিন্ন এলাকা পেরিয়ে পানিট্যাঙ্কি সীমান্তে পৌঁছনোর পর পুলিশের নজরে পড়েন তাঁরা। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে দু’জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার তাঁদের বিধাননগরের হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের বাংলাদেশে ডিপোর্ট করা হতে পারে।ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
সীমান্তে আটক দুই বাংলাদেশি নাগরিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ইন্দো নেপাল সীমান্তের খড়িবাড়ি এলাকায় খড়িবাড়ির ইন্দো-নেপাল সীমান্তের পানিট্যাঙ্কি এলাকায় দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে দু’জনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁদের বাংলাদেশি নাগরিকত্বের তথ্য সামনে আসে।ধৃতদের নাম মহম্মদ রফিক ও মহম্মদ জুবির। দু’জনেরই বাড়ি বাংলাদেশের চট্টগ্রামে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাঁরা বাংলাদেশ-ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। এরপর বিভিন্ন এলাকা পেরিয়ে পানিট্যাঙ্কি সীমান্তে পৌঁছনোর পর পুলিশের নজরে পড়েন তাঁরা। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে দু’জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার তাঁদের বিধাননগরের হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের বাংলাদেশে ডিপোর্ট করা হতে পারে।ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
- আজ জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী "হবে বাংলার উদয় তবেই বিকশিত হবে ভারতের জয় "1
- মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর মাথাভাঙ্গায় বিভিন্ন দোকানে অভিযান পুলিশ প্রশাসনের,সতর্ক করা হয় ব্যবসায়ীদের মাথাভাঙ্গা,মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর মাথাভাঙ্গায় বিভিন্ন দোকানে অভিযান পুলিশ প্রশাসনের।এদিন মাথাভাঙ্গা বাজারে মুদি খানার হোলসেল দোকানে অভিযান মহকুমা প্রশাসনের ।দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আনতে অভিযান বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।এদিনের এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন মাথাভাঙ্গা মহকুমা শাসক সুশোভন মন্ডল,এসডিপিও সমরেন হালদার সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।চিনি ,চাল সহ অন্যান্য দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে অভিযান বলে জানা গিয়েছে।1
- দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোচবিহার জেলার বিভিন্ন বাজারের পাশাপাশি দিনহাটাতেও শুরু অভিযান বাজারে চিনির দাম লাগামছাড়া। নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যের দাম মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠতেই এবার সক্রিয় প্রশাসন। দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোচবিহার জেলার বিভিন্ন বাজারের পাশাপাশি দিনহাটাতেও শুরু হয়েছে বিশেষ অভিযান। দিনহাটায় মহকুমা শাসক ভরত সিং এবং মহকুমা পুলিশ আধিকারিক প্রশান্ত দেবনাথের নেতৃত্বে প্রশাসনের আধিকারিকরা বিভিন্ন পাইকারি মজুতদারের গোডাউনে অভিযান চালান। মজুত থাকা চিনির পরিমাণ, বিক্রয়মূল্য এবং কোথাও কালোবাজারি হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়। অভিযান চলাকালীন প্রশাসনের তরফে পাইকারি বাজারে চিনির সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য ৫৪ টাকা প্রতি কেজি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান এক চিনি আড়তদার। তাঁর দাবি, অভিযানের আগে তাঁরা ৬০ টাকার বেশি দরে চিনি বিক্রি করছিলেন। নির্ধারিত দামে বিক্রি করলে মুনাফা অনেকটাই কমে যাবে বলেও জানান তিনি। তবে বাজারে চিনির ঘাটতির আশঙ্কা নেই বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে চিনি মজুত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, শুধু চিনিই নয়, অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং কালোবাজারি রুখতে আগামী দিনেও নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান চালানো হবে।1
- বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েতে অনুষ্ঠিত হলো নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েতে অনুষ্ঠিত হলো নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা।1
- চিনির দামে লাগাম টানতে প্রশাসনের অভিযান, দিনহাটায় গোডাউনে হানা চিনির দাম নিয়ে বাজারে অস্বস্তি, এবার নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে কোচবিহারজুড়ে শুরু হয়েছে নজরদারি ও অভিযান। তারই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দিনহাতার বিভিন্ন পাইকারি আড়ত ও মজুতদারদের গোডাউনে হানা দিল প্রশাসনের বিশেষ দল। দিনহাতা মহকুমা শাসক ও মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে চলে এই অভিযান। মূলত চিনির মজুত, বিক্রয়মূল্য এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। অভিযানের সময় ব্যবসায়ীদের নির্দিষ্ট দামে চিনি বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়। এক আড়তদারের দাবি, প্রশাসনের তরফে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি চিনি ৫৪ টাকা দরে বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, এর আগে তাঁরা প্রায় ৬০ টাকা বা তারও বেশি দামে চিনি বিক্রি করছিলেন। নতুন দামে বিক্রি করলে স্বাভাবিকভাবেই লাভের পরিমাণ অনেকটাই কমবে। তবে চিনির ঘাটতি নিয়ে আশঙ্কার কারণ নেই বলেই দাবি ব্যবসায়ীদের। তাঁদের বক্তব্য, বর্তমানে আড়তে পর্যাপ্ত পরিমাণে চিনি মজুত রয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহে বড় ধরনের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট বার্তা, শুধু চিনির বাজার নয়—নিত্যপ্রয়োজনীয় সমস্ত সামগ্রীর দাম এবং মজুতের উপর নজরদারি চলবে। অতিরিক্ত দাম নেওয়া, কৃত্রিম সংকট তৈরি কিংবা কালোবাজারির অভিযোগ উঠলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। প্রশাসনের এই অভিযানে স্বস্তি ফিরবে কি না বাজারে, এখন সেদিকেই নজর সাধারণ ক্রেতাদের।1
- দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি থেকে জমির দলিল, ১০ দফা দাবিতে জেলাশাসককে ডেপুটেশন UCRC র দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি থেকে জমির দলিল, ১০ দফা দাবিতে জেলাশাসককে ডেপুটেশন UCRC র1
- ন্যাশনাল পারমিট থাকা সত্ত্বেও ২,৫০০ টাকা! পুলিশের ‘টোকেন’ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ ট্রাক চালকের সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে অভিযোগ, তদন্তের দাবি ন্যাশনাল পারমিট থাকা সত্ত্বেও কলকাতায় ট্রাক চালাতে গেলে অতিরিক্ত ২,৫০০ টাকা দিতে হচ্ছে—এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হলেন এক ট্রাক চালক। তাঁর দাবি, কলকাতা পুলিশের ‘টোকেন’-এর নামে এই টাকা দিতে হচ্ছে। অভিযোগকারী ট্রাক চালকের বক্তব্য, বৈধ ন্যাশনাল পারমিট ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র কলকাতার রাস্তায় চলাচলের জন্য আলাদা করে ২,৫০০ টাকা দিতে হচ্ছে। এই টাকা আদায়ের বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঘটনার তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন ওই ট্রাক চালক। তাঁর অভিযোগ সত্যি হলে, এই ‘টোকেন’ ব্যবস্থা কীভাবে চলছে এবং এর পিছনে কারা রয়েছে—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। উল্লেখ্য, কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের মূল দায়িত্ব শহরের যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থা পরিচালনা করা। একইসঙ্গে কলকাতা পুলিশের সরকারি ওয়েবসাইটে নাগরিকদের অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থাও রয়েছে। তবে ট্রাক চালকের এই অভিযোগের সত্যতা এবং ২,৫০০ টাকা নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সরকারি নিয়ম বা অনুমোদিত ব্যবস্থা রয়েছে কি না, তা এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেদিকেই নজর এখন।1
- চিনির দাম আকাশছোঁয়া, মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস! দিনহাটায় গুদামে গুদামে হানা প্রশাসনের বিশেষ টিমের চিনির দাম আকাশছোঁয়া, মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস! দিনহাটায় গুদামে গুদামে হানা প্রশাসনের বিশেষ টিমের1