মক্কা শরীফের পুণ্যভূমিতে যখন কোনো হাজির শেষ নিঃশ্বাস পড়ে, তখন শুধু একজন মানুষই চলে যান না, বরং হাজারো চোখে অশ্রু বয়ে যায়। পবিত্র হজ যাত্রায় বেরিয়েছিলেন এই তীর্থযাত্রীরা আল্লাহর নাম নিয়ে; কেউ মা'র কাছে দোয়া চেয়েছিলেন, কেউ শিশুদের জড়িয়ে ধরেছিলেন, কিন্তু কেউ জানতেন না যে তাদের মধ্যে কিছু মানুষ আর নিজের মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পারবেন না। মক্কা শরীফে প্রয়াত হাজিদের মৃতদেহ যখন সাদা কাফনে রাখা হয়, তখন সেখানে উপস্থিত সকলের চোখ সজল হয়ে ওঠে। এমনটা বলা হয় যে, হজ চলাকালীন যারা মারা যান, তাদের মাথা ও মুখ ঢাকা হয় না, কারণ হাদিসে আছে যে কিয়ামতের দিন তাদের 'লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক' বলতে বলতে এই অবস্থাতেই ওঠানো হবে। এই দৃশ্য কেবল মৃত্যুর ছিল না, এটি ছিল আল্লাহর মেহমানদের বিদায়ের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। কেউ বাবা হারালেন, কেউ মা হারালেন, আবার কেউ হারালেন জীবনসঙ্গীকে। তবে মনকে সান্ত্বনা দেওয়া হচ্ছে এই ভেবে যে, তাদের শেষ যাত্রা পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র ভূমিতে সম্পন্ন হয়েছে। এই ছবিগুলো দেখে আজ সকল মানুষের চোখ ভরে উঠেছে। জীবনের কোনো নিশ্চয়তা নেই; কে কখন আল্লাহর প্রিয় হয়ে যায়, তা কেউ জানে না। পোস্টে প্রার্থনা জানানো হয়েছে: "হে আল্লাহ, হজে যাওয়া প্রত্যেক মুসাফিরের হেফাজত করো এবং যারা তোমার ঘর থেকে ফিরে আসতে পারেনি, তাদের মাগফিরাত করো।"
মক্কা শরীফের পুণ্যভূমিতে যখন কোনো হাজির শেষ নিঃশ্বাস পড়ে, তখন শুধু একজন মানুষই চলে যান না, বরং হাজারো চোখে অশ্রু বয়ে যায়। পবিত্র হজ যাত্রায় বেরিয়েছিলেন এই তীর্থযাত্রীরা আল্লাহর নাম নিয়ে; কেউ মা'র কাছে দোয়া চেয়েছিলেন, কেউ শিশুদের জড়িয়ে ধরেছিলেন, কিন্তু কেউ জানতেন না যে তাদের মধ্যে কিছু মানুষ আর নিজের মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পারবেন না। মক্কা শরীফে প্রয়াত হাজিদের মৃতদেহ যখন সাদা কাফনে রাখা হয়, তখন সেখানে উপস্থিত সকলের চোখ সজল হয়ে ওঠে। এমনটা বলা হয় যে, হজ চলাকালীন যারা মারা যান, তাদের মাথা ও মুখ ঢাকা হয় না, কারণ হাদিসে আছে যে কিয়ামতের দিন তাদের 'লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক' বলতে বলতে এই অবস্থাতেই ওঠানো হবে। এই দৃশ্য কেবল মৃত্যুর ছিল না, এটি ছিল আল্লাহর মেহমানদের বিদায়ের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। কেউ বাবা হারালেন, কেউ মা হারালেন, আবার কেউ হারালেন জীবনসঙ্গীকে। তবে মনকে সান্ত্বনা দেওয়া হচ্ছে এই ভেবে যে, তাদের শেষ যাত্রা পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র ভূমিতে সম্পন্ন হয়েছে। এই ছবিগুলো দেখে আজ সকল মানুষের চোখ ভরে উঠেছে। জীবনের কোনো নিশ্চয়তা নেই; কে কখন আল্লাহর প্রিয় হয়ে যায়, তা কেউ জানে না। পোস্টে প্রার্থনা জানানো হয়েছে: "হে আল্লাহ, হজে যাওয়া প্রত্যেক মুসাফিরের হেফাজত করো এবং যারা তোমার ঘর থেকে ফিরে আসতে পারেনি, তাদের মাগফিরাত করো।"
- দার্জিলিং জেলার খড়িবাড়ি থানার পুলিশ ডুমুরিয়া নদীতে চলা অবৈধ বালি পাচার রুখে দিয়েছে। এই অভিযানে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে পুলিশ একটি ট্রাক্টর আটক করেছে এবং সেই ট্রাক্টরের চালককে গ্রেফতার করেছে।1
- চারিদিকে 'ককরোচ জনতা পার্টি' ছড়িয়ে পড়ছে, যা একটি নতুন আন্দোলনের সূচনা করেছে। এই আন্দোলনে ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছে এবং দেশ এখন স্বাধীনতার এক নতুন দিক দেখছে। সমগ্র ভারত জেগে উঠছে এবং নতুন প্রজন্মের তরুণরা এই আন্দোলনে যোগ দিচ্ছে, যা এক ব্যাপক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।1
- বর্ষা শুরু হতেই এলাকার একাধিক রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নাগরিক অধিকার মঞ্চ মঙ্গলবার বিডিওকে স্মারকলিপি প্রদান করেছে। খারাপ রাস্তাঘাট এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী সংস্থার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মঞ্চের সদস্যরা বিডিও অফিসে হাজির হন। নাগরিক অধিকার মঞ্চের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু রাস্তার সংস্কারের দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নয়াহাট থেকে পিডাবলুডি হাইরোড পুনঃনির্মাণ, জোরপাখরী রেলের আন্ডারপাসে নিকাশীনালার ব্যবস্থা করা, নয়াহাট থেকে উল্লাজোত হয়ে বিন্নাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার এবং জোরপাখরী থেকে গাজিজোত পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার। এছাড়াও, মঞ্চের সদস্যরা পূর্বের সংস্কার করা রাস্তাগুলির পুনরায় খারাপ হয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী ঠিকাদারী সংস্থার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এই সকল সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যেই এদিন মঞ্চের সদস্যরা বিডিওর দ্বারস্থ হন।1
- দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আজ থেকে সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ম মেনে নদী থেকে বালি ও পাথর তোলার কাজ শুরু হয়েছে। এর ফলে শ্রমিক মহলে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং স্বস্তির নিশ্বাস পড়েছে। আজ থেকে ডুয়ার্স অঞ্চলের চেল, ঘিস এবং লিস নদী থেকে আইনসম্মতভাবে বালি-পাথর উত্তোলনের কাজ শুরু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া মেনেই এই তিন নদী থেকে বালি-পাথর তোলার কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয় শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক খুশি লক্ষ্য করা গেছে।1
- জলপাইগুড়ি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিষেবা উন্নয়নে এক বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে জলপাইগুড়ির সাংসদ ডা. জয়ন্ত কুমার রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। মঙ্গলবার এই বৈঠকটি জলপাইগুড়ি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধীনস্থ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে অনুষ্ঠিত হয়। রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর থেকে স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও সুসংগঠিত এবং কার্যকর করার জন্য প্রশাসন সচেষ্ট। এই বৃহত্তর লক্ষ্যের অংশ হিসেবেই সাংসদ ডা. জয়ন্ত কুমার রায়ের নেতৃত্বে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।1
- কোচবিহারের পুলিশ সুপার জসপ্রীত সিং সম্প্রতি হলদিবাড়ি থানা পরিদর্শন করেছেন।1
- মুম্বইয়ের মিরা রোডের পুনম এস্টেট ক্লাস্টার সোসাইটিতে বকরিদের আগে ছাগল রাখা নিয়ে শুরু হওয়া বিবাদ এখন রাস্তায় পৌঁছেছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, ক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীরা কথিতভাবে ‘শূকর’ নিয়ে সোসাইটির দিকে মিছিল করার চেষ্টা করেছে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশকে রাস্তার মাঝখানে প্রতিরোধ গড়তে হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কড়া বন্দোবস্ত করতে হয়। জানা যাচ্ছে, সোসাইটির কিছু লোক ক্যাম্পাসে ছাগল রাখার বিরোধিতা করেছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ মুখোমুখি চলে আসে এবং মুহূর্তের মধ্যে স্লোগান, ধাক্কাধাক্কি ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। ভাইরাল ভিডিওতে পুলিশকে লোকজনকে আটকাতে এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা গেছে। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, উৎসব এবং আস্থার নামে সমাজকে বিভক্ত করার চেষ্টা আর কতদিন চলবে? যেখানে মানুষের শান্তি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা দেওয়া উচিত, সেখানেই কিছু লোক পরিবেশকে বারুদে পরিণত করতে ব্যস্ত। যেমনটি বলা হয়েছে, “ধর্ম যদি মানবতা থেকে বড় হয়ে যায়, তাহলে সমাজ দাঙ্গার দিকে এগোতে থাকে।” প্রশাসন মানুষকে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছে এবং এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।1
- ঝড়ের এক রাতে বাবুচাঁদ জোতের 'স্বপ্নের ছাউনি' ভেঙে পড়েছে। এর ফলে অসহায় পরিবারটিকে এখন খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাতে হচ্ছে।1
- কল্যাণীতে একটি প্রশাসনিক বৈঠক শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে সরব হলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁদের করা প্রশ্নগুলির জবাব দেন।1