Shuru
Apke Nagar Ki App…
রেল কর্তৃপক্ষ ১লা জুনের মধ্যে বলাগড় রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত সমস্ত দোকান ও গুমটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য উচ্ছেদের নোটিশ জারি করেছে। এই নির্দেশিকা বলাগড় রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকার জন্য প্রযোজ্য। এই রেলের নোটিশকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সূত্র মারফত খবর, ১লা জুনের পরে রেল কর্তৃপক্ষ একটি ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে এলাকাটিকে দখলদারমুক্ত করতে পারে। তবে, আদৌ এই অভিযান চালানো হবে নাকি দখলদাররা নিজেরাই তাদের গুমটি ও দোকান সরিয়ে নেবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সমগ্র পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে, তা ১লা জুন তারিখের পরেই পরিষ্কার হবে।
Journalist Chiranjib Chatter
রেল কর্তৃপক্ষ ১লা জুনের মধ্যে বলাগড় রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত সমস্ত দোকান ও গুমটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য উচ্ছেদের নোটিশ জারি করেছে। এই নির্দেশিকা বলাগড় রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকার জন্য প্রযোজ্য। এই রেলের নোটিশকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সূত্র মারফত খবর, ১লা জুনের পরে রেল কর্তৃপক্ষ একটি ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে এলাকাটিকে দখলদারমুক্ত করতে পারে। তবে, আদৌ এই অভিযান চালানো হবে নাকি দখলদাররা নিজেরাই তাদের গুমটি ও দোকান সরিয়ে নেবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সমগ্র পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে, তা ১লা জুন তারিখের পরেই পরিষ্কার হবে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- সোমবার দুপুর দুটো নাগাদ নাকাশিপাড়ায় ট্রাফিক পুলিশ গার্ড এবং মানবাধিকার কমিশনের যৌথ উদ্যোগে একটি পথ নিরাপত্তা সচেতনতামূলক 'সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ' কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। নাকাশিপাড়া ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে প্রায়শই পথদুর্ঘটনা ঘটে, যার অধিকাংশই বাইক দুর্ঘটনা। এসব দুর্ঘটনায় অনেকেই হেলমেট ব্যবহার করেন না, যার ফলে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এই গুরুতর পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যেই এই কর্মসূচি পালিত হয়। এই উপলক্ষে নাকাশিপাড়া থানার সামনে থেকে একটি রেলি বের করা হয়। রেলিটি বেথুয়াডহরী জাতীয় সড়ক পরিক্রমা করে আবার বেথুয়াডহরী গান্ধী মোড়ে ফিরে আসে। এই সচেতনতামূলক কর্মসূচির সময় হেলমেটবিহীন বাইক চালক ও আরোহীদের জরিমানা করা হয় এবং একইসাথে তাদের পথ নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্কতামূলক বার্তা দেওয়া হয়।1
- বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের জমি মাপাকে কেন্দ্র করে BGR এবং BFS-এর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ বাহিনীর স্পষ্ট দাবি, সে দেশের সীমান্তে ভারতের কোনো জমি মাপা যাবে না, যা এই বিবাদের মূল কারণ।1
- মূল পোস্টে গঙ্গায় বানের সময় মা গঙ্গার এক ভয়ংকর রূপের বর্ণনা করা হয়েছে, যা দেখে বুক ভয়ে ভরে ওঠে। এই চিত্রটি প্রকৃতির রুদ্র রূপকে স্পষ্ট করে তোলে, যেখানে মা গঙ্গা তার স্বাভাবিক সুন্দর রূপে না থেকে এক ভীতিকর চেহারা ধারণ করেছেন। পোস্টটি জোর দিয়ে বলেছে যে প্রকৃতি দেখতে ভীষণ সুন্দর হলেও, যখন সে রুষ্ট হয়, তখন এইরকম ভাবেই সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে। তাই সকলকে আবারো সতর্ক হতে এবং প্রকৃতির যত্ন নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- জনতার দরবারে এসে সাধারণ মানুষ তাদের মনের কথা তুলে ধরেছেন, যেখানে তারা স্পষ্টত জানিয়েছেন যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাদের কোনো কথাই কর্ণপাত করেননি। যদিও বিগত দিনে তাদের কথা শোনা হয়নি, তবে এবার তারা নতুন আশার আলো দেখছেন এবং বর্তমান পরিস্থিতি থেকে তাদের সমস্যার সমাধান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন।1
- একটি নির্মাণ কাজে তিনজন মিস্ত্রি এবং তিনজন হেল্পার মিলে অনেকটা কাজ সম্পন্ন করেছেন, যেখানে মোট ১৪ বস্তা সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। পোস্টটিতে দর্শকদের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে যে, যদি ভিডিওটি ভালো লাগে তবে তারা যেন লাইক করেন এবং পেজটি ফলো করেন।1
- সোমবার আরামবাগ লিংক রোডে একটি ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় তীরো মহন ভান্ডারী নামের এক ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। গড়বেতার অর্জুন বেরিয়ার গ্রামের বাসিন্দা তীরো মহন ভান্ডারী গোঘাটের ব্যঙ্গাই এলাকায় তাঁর মেয়ের বাড়িতে এসেছিলেন ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে। তিনি তাঁর জামাইয়ের সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে আরামবাগে ডাক্তার দেখাতে এসেছিলেন। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে লিংক রোডে একটি লরি তাঁদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা মারে। এই দুর্ঘটনায় তীরো মহন ভান্ডারী এবং তাঁর জামাই দু'জনেই গুরুতর জখম হন। স্থানীয় মানুষের তৎপরতায় তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তীরো মহন ভান্ডারীকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত জামাইয়ের চিকিৎসা চলছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।1
- রাজ্যে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে পথে নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন হিন্দু ভাই-বোনেরা। তাদের মূল অভিযোগ, তারা তাদের গরু দেখতে পারছেন না। এর পাশাপাশি, মুসলমানেরা তাদের গরু কিনছেন না বলেও তারা জানিয়েছেন।1
- হাওড়ার সালকিয়ার পিলখানা এলাকায় এসে পৌঁছেছে সরকারের বুলডোজার, যা দেখে স্থানীয় দোকানদার এবং পথ ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রবল উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বুলডোজার দেখামাত্রই এলাকায় ভিড় জমতে শুরু করে এবং ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন যে তাদের দোকানপাট যেকোনো সময় ভেঙে দেওয়া হতে পারে। এই মুহূর্তে বুলডোজার আতঙ্কে ব্যবসায়ী ও অবৈধ লোকজনের ঘুম উড়ে গেছে, তাদের মনে একটাই চিন্তা, কখন কার দোকান ভাঙা পড়বে।1
- সাধারণ মানুষের বক্তব্যে দৈনন্দিন সংসার চালাতে গিয়ে যে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে, তার তীব্র যন্ত্রণার কথা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।1