সপ্তম বেতন কমিশন ও কেন্দ্রীয় হারে ডিএ নিয়ে বাড়ছে জল্পনা, নতুন সরকারের দিকে তাকিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীরা বিশ্বদর্পণ ওয়েব ডেক্স : পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে সপ্তম বেতন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ নিয়ে। দীর্ঘদিন ধরে এই দুই দাবিকে ঘিরে আন্দোলন চালিয়ে আসা কর্মীদের একাংশের আশা, নতুন সরকারের আমলে এবার বড় কোনও সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর থেকেই নবান্ন থেকে বিভিন্ন সরকারি দফতরে কর্মচারীদের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে বেতন কাঠামো ও ডিএ প্রসঙ্গ। কারণ বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন একাধিকবার সরকারি কর্মীদের আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছিল শুভেন্দুকে। সেই কারণেই কর্মীদের প্রত্যাশা আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল সপ্তম বেতন কমিশন দ্রুত কার্যকর করা হোক। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের সমপরিমাণ ডিএ প্রদানের দাবিতেও দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন, বিক্ষোভ ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মচারীরা। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে এবং সুপ্রিম কোর্টেও এই নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সামনে এসেছে। সূত্রের খবর, ডিএ সংক্রান্ত মামলায় নতুন সরকার আদালতের কাছে নিজেদের বক্তব্য পেশ করার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে সরকারি কর্মীদের নজর এখন আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং রাজ্যের অবস্থানের উপরেই। নির্বাচনী প্রচারের সময় বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করা হবে। সেই প্রতিশ্রুতির জেরেই এখন অনেক কর্মচারীর মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, নতুন সরকার বকেয়া ডিএ মেটানোর পাশাপাশি নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কিংবা নবান্ন থেকেও এ নিয়ে স্পষ্ট বার্তা মেলেনি। তবু কর্মচারীদের একাংশের বিশ্বাস, বিরোধী রাজনীতির সময় যেহেতু তিনি এই বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন, তাই সরকারে এসেও বিষয়টি অগ্রাধিকার পেতে পারে। রাজ্যে নতুন প্রশাসনিক অধ্যায় শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে প্রত্যাশা ও জল্পনা— দুটোই ক্রমশ বাড়ছে। এখন সকলের নজর সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
সপ্তম বেতন কমিশন ও কেন্দ্রীয় হারে ডিএ নিয়ে বাড়ছে জল্পনা, নতুন সরকারের দিকে তাকিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীরা বিশ্বদর্পণ ওয়েব ডেক্স : পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে সপ্তম বেতন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ নিয়ে। দীর্ঘদিন ধরে এই দুই দাবিকে ঘিরে আন্দোলন চালিয়ে আসা কর্মীদের একাংশের আশা, নতুন সরকারের আমলে এবার বড় কোনও সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর থেকেই নবান্ন থেকে বিভিন্ন সরকারি দফতরে কর্মচারীদের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে বেতন কাঠামো ও ডিএ প্রসঙ্গ। কারণ বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন একাধিকবার সরকারি কর্মীদের আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছিল শুভেন্দুকে। সেই কারণেই কর্মীদের প্রত্যাশা আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল সপ্তম বেতন কমিশন দ্রুত কার্যকর করা হোক। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের সমপরিমাণ ডিএ প্রদানের দাবিতেও দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন, বিক্ষোভ ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মচারীরা। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে এবং সুপ্রিম কোর্টেও এই নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সামনে এসেছে। সূত্রের খবর, ডিএ সংক্রান্ত মামলায় নতুন সরকার আদালতের কাছে নিজেদের বক্তব্য পেশ করার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে সরকারি কর্মীদের নজর এখন আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং রাজ্যের অবস্থানের উপরেই। নির্বাচনী প্রচারের সময় বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করা হবে। সেই প্রতিশ্রুতির জেরেই এখন অনেক কর্মচারীর মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, নতুন সরকার বকেয়া ডিএ মেটানোর পাশাপাশি নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কিংবা নবান্ন থেকেও এ নিয়ে স্পষ্ট বার্তা মেলেনি। তবু কর্মচারীদের একাংশের বিশ্বাস, বিরোধী রাজনীতির সময় যেহেতু তিনি এই বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন, তাই সরকারে এসেও বিষয়টি অগ্রাধিকার পেতে পারে। রাজ্যে নতুন প্রশাসনিক অধ্যায় শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে প্রত্যাশা ও জল্পনা— দুটোই ক্রমশ বাড়ছে। এখন সকলের নজর সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
- দয়াকরে একটা ঘর দিন Krishna Ghosh ke Bolbo1
- নবদ্বীপের নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক শ্রুতি শেখর গোস্বামী প্রথম বিজয় মিছিলে যোগ দিয়ে কড়া বার্তা দিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূলের কিছু লোক বিজেপির নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে এবং পুলিশকে নবদ্বীপে কোনো হিংসা বরদাস্ত না করার নির্দেশ দেন। বিধায়ক আরও জানান যে, নবদ্বীপের মানুষের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য।1
- পশ্চিমবঙ্গের ভরতপুরে স্থানীয় প্রার্থী হারলেও, রাজ্যে বিজেপির প্রথমবার ক্ষমতায় আসাকে ঘিরে এক বিশাল বিজয় মিছিল বের হয়। পরাজয়ের বিষাদ ভুলে বুথকর্মীরা প্রার্থীকে বরণ করে নেন, গেরুয়া আবিরে রাঙিয়ে তোলেন এলাকার আকাশ-বাতাস। অনামিকা ঘোষ জানান, ব্যক্তিগত হার সত্ত্বেও এটি সাধারণ মানুষের জয় এবং তিনি ভরতপুরের উন্নয়নে কাজ করবেন।1
- নবান্নে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ।। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের পক্ষ থেকে "গার্ড অফ অনার" | মুখ্য সচিবালয়, নবান্ন।।1
- গতকাল 10/05/26- নদীয়ার কৃষ্ণনগর সৎসঙ্গ স্বস্তি শিবিরে, সৎসঙ্গ অনুষ্ঠানে হলো প্রসাদ বিতরণ। গতকাল 10/05/26 নদীয়ার কৃষ্ণনগর সৎসঙ্গ স্বস্তি শিবিরে, অনুষ্ঠিত হলো সৎসঙ্গ অনুষ্ঠান। সেই উপলক্ষে প্রচুর ভক্তকে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। প্রসাদের মেনু ছিল- এঁচোড় ও নাজনেডাটা দেয়া মুগ ডাল, আলু-পটল-সয়াবিন-পনিরের তরকারি ও চাটনী। অনুষ্ঠান শেষে মধ্যাহ্নে এই প্রসাদ বিতরণ করা হয়। লেখনী, ভিডিওগ্রাফি ও এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী। ( বিজ্ঞাপন দেবার জন্য, অথবা কোন সংবাদ প্রকাশের জন্য, whatsapp নম্বরে মেসেজ করুন: 9832254656 )1
- পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলার ৮টি বিধানসভা আসনে বিজেপি এগিয়ে থাকার খবর সামনে এসেছে। এই ফলাফলের আবহে এলাকায় জোরদার ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি শোনা যাচ্ছে, যা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।1
- আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পশ্চিমবাংলায় সারাদিন আকাশ মেঘলা থাকবে এবং সন্ধ্যায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের পাঁচটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে।1
- পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সল্টলেক কার্যালয়ে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্য ।1