Shuru
Apke Nagar Ki App…
চ্যানেল প্রচার প্লিজ আমার চ্যানেল টিকে সাবস্ক্রাইব করে পাসে থাকুন🙏🙏🙏🙏🙏😭😭🙏
Suham Sk
চ্যানেল প্রচার প্লিজ আমার চ্যানেল টিকে সাবস্ক্রাইব করে পাসে থাকুন🙏🙏🙏🙏🙏😭😭🙏
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বাবরি মসজিদ বাঁধা দিতে আসলে দু একশো জনের সমাধিস্থল করে দেব, অমিত শাহ ও মমতাকে কড়া হুশিয়ারি হুমায়ুনের।বাবরি মসজিদ বাঁধা দিতে আসলে দু একশো জনের সমাধিস্থল করে দেব, অমিত শাহ ও মমতাকে কড়া হুশিয়ারি হুমায়ুনের1
- আমজনতা পার্টির চেয়ারম্যান রেজিনগরে সাংবাদিক বৈঠক করে ,কয়লা চোর বালি চোর টাকা চোর বলে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীকে1
- নববর্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বহরমপুরে পদযাত্রার মধ্যে দিয়ে জনসংযোগে তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জী। বুধবার বহরমপুরের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মোড় থেকে শুরু হয় পদযাত্রা। কাউন্সিলরকে সাথে নিয়ে শহরবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু হয় প্রচার। এদিন এই পদযাত্রা মোহন মোড়, কলেজ ঘাট মোর সহ বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে। পদযাত্রায় নববর্ষে কী বললেন বহরমপুরের তৃণমূল প্রার্থী ।1
- পায়ে হেঁটে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তৃণমূল প্রার্থী শাহিনা মমতাজ খানের জোরদার প্রচার নওদায়। মুর্শিদাবাদের নওদা থানার কেদার চাঁদপুর এক নম্বর অঞ্চলের ঝাউবোনা এলাকায় ভোটের আবহে জোর প্রচারে নামলেন নওদা বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সাহিনা মমতাজ খান । শুক্রবার বিকেলে ঝাউবোনা বাজারে এবং পাড়ায় পাড়ায় বাড়ি বাড়ি পায়ে হেঁটে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যান তিনি। এদিন তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সদস্য শ্রাবণী মোদক, মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি মোশাররফ হোসেন, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সাহিনাম মমতাজ খানের মেয়ে নাজনীন খান ওরফে টুম্পা সহ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বরা। প্রচার চলাকালীন স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যা ও চাহিদার কথা শোনেন প্রার্থী। পাশাপাশি আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে সমর্থন চেয়ে প্রচার চালান তিনি। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই প্রচারের গতি বাড়াচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি। সেই তালিকায় পিছিয়ে নেই তৃণমূল কংগ্রেসও1
- ভোটের দামামা বাজছে... আর জলঙ্গীতে সিপিআই(এম)-এর ঝড় উঠছে! 🔥💪 ভোট যত এগোচ্ছে, ইয়ানুস আলী সরকার ততই ময়দান কাঁপিয়ে দিচ্ছেন! জলঙ্গীর ৭৬ নম্বর বিধানসভায় সিপিআই(এম) প্রার্থী ইয়ানুস আলী সরকার বুধবার সকাল থেকেই পুরোদমে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন জনসংযোগে। কাটাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের কাটাবাড়ি বাজার থেকে শুরু করে রাজাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২ নম্বর বুথ — সর্বত্র তাঁর তুমুল প্রচার! বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনছেন, তাদের সমস্যা মন দিয়ে শুনছেন এবং স্পষ্ট আশ্বাস দিচ্ছেন — “ভোটে জিতলে আমি তোমাদের পাশে থাকবো, প্রতিটি দিন, প্রতিটি সমস্যায়!” গ্রামের রাস্তায়-ঘাটে, মাটির সঙ্গে মিশে যাচ্ছেন ইয়ানুসদা। শয়ে শয়ে, হাজারে হাজারে কর্মী-সমর্থক তাঁর সঙ্গে ঢল নামিয়ে হাঁটছেন। প্রতিটি এলাকায় দেখা যাচ্ছে বিপুল জনসমর্থন আর উচ্ছ্বাস! মানুষ বলছেন — “ইয়ানুস আলী আমাদের লোক। আমাদের দুঃখ-কষ্ট বোঝেন। এবার জলঙ্গীতে বদল আসবেই!” জলঙ্গীতে এখন একটাই স্লোগান উঠছে — ইয়ানুস আলীকে চাই! 🌾❤️ ভোট হবে ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। ফল ঘোষণা ৪ঠা মে। শেষ পর্যন্ত কী হয় দেখার জন্য অপেক্ষা করতেই হবে... কিন্তু এখন যা হাওয়া বইছে, তাতে জলঙ্গীতে লাল ঝড়ের সম্ভাবনা প্রবল! আলোকিত বাংলা সত্যের সাথে মানুষের পাশে1
- সাহেবনগরে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন! বাবর আলীর জয় নিশ্চিত করতে বড় পথসভা জলঙ্গী ৭৬ নম্বর বিধানসভা এলাকায় ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার। আজ সাহেবনগর বাজার এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এক বিশাল পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সাহেবনগর অঞ্চলের নির্বাচনী কনভেনার আবু কাউসারের নেতৃত্বে প্রথমে একটি বড় মিছিল বের হয়, এরপর বাজার এলাকায় পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভা থেকে মূল লক্ষ্য ছিল—কিভাবে তৃণমূল মনোনীত প্রার্থী বাবর আলীর জয় নিশ্চিত করা যায়। বক্তারা সেই দিকেই কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। এদিন সভা থেকে বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেসকে একাধিক ইস্যুতে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন আবু কাউসার, শেখ ডলার আহমেদ, আফজাল হোসেন, কবিরুল ইসলাম, বিজন কুমার মন্ডল সহ একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব। 📍 ভোটের লড়াই জমে উঠেছে, সাহেবনগরে তৃণমূলের এই শক্তি প্রদর্শন নতুন বার্তা দিচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। 👉 আপনি কি মনে করেন, এই পথসভা বাবর আলীর জয় নিশ্চিত করতে পারবে? কমেন্টে জানান 👇1
- ভরতপুরের আলুগ্রাম অঞ্চলের একাধিক গ্রামে : জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকে মঙ্গলবার দিনভর বর্ণাঢ্য নির্বাচনী প্রচার চালালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। এ দিন আলুগ্রাম অঞ্চলের করাইল গ্রাম থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের বর্ণাঢ্য এই প্রচার অভিযান শুরু হয়, যেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে পুষ্পবৃষ্টি, মিষ্টিমুখ ও ফুলের মালায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বাজনার তালে কর্মীদের উল্লাস আর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে এদিন আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়ে ওঠে। প্রার্থী কেবল রাজপথেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং রাজারামপুর, মন্ডলপুর, চুঁয়াতোর, আঙ্গারপুর, আলুগ্রাম, সুনিয়া, মদনপুর ও মাসলা সহ একাধিক গ্রামের অলিতে-গলিতে ঢুকে ৮ থেকে ৮০ তথা সর্বস্তরের মানুষের সাথে সৌজন্য বিনিময় করেন। এই নিবিড় জনসংযোগ অভিযানে প্রার্থীর পাশে থেকে পা মিলিয়েছেন অঞ্চল সভাপতি নিছার উদ্দিন সেখ, জেলা পরিষদ সদস্য বাবর আলী সেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সালমা সুলতানা ও তাঁর স্বামী সেলিম সেখ, এবং পঞ্চায়েত প্রধান জাহিরুল সেখ সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব। গ্রামবাসীর উপচে পড়া ভিড় আর কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আগামী নির্বাচনে তৃণমূল শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।1
- নওদার হরিকানায় তৃণমূলে যোগদান, বিরোধী শিবির ছেড়ে প্রায় ৩০০ কর্মীর যোগ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মুর্শিদাবাদের নওদা ব্লকে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আবহেই বড়সড় ভাঙন দেখা গেল বিরোধী শিবিরে। নওদা ব্লকের বালি ২ নম্বর অঞ্চলের হরিকানা গ্রামে কংগ্রেস, AJUP ও বিজেপি ছেড়ে প্রায় তিন শতাধিক কর্মী-সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন। জানা গেছে, নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সফিউজ্জামান সেখ-এর নেতৃত্বে এবং তৃণমূল প্রার্থী শাহিনা মমতাজ খানের উপস্থিতিতে এই যোগদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দলীয় পতাকা হাতে তুলে দিয়ে নতুন সদস্যদের স্বাগত জানান নেতৃত্ব। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই যোগদান আগামী নির্বাচনে তাদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে। অন্যদিকে, বিরোধীদের একাংশ এই ঘটনাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। নির্বাচনের আগে এই ধরনের যোগদান যে রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে, তা বলাই বাহুল্য।1