এআই কি সবার চাকরি কেড়ে নেবে? উদ্বেগের মাঝেই আশার বার্তা দিলেন নরেন্দ্র মোদী আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) দ্রুত এগিয়ে চলেছে। প্রযুক্তির এই অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে চাকরিজীবীদের উদ্বেগও। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাঁটাইয়ের খবর সামনে আসায় অনেকেই আশঙ্কা করছেন—ভবিষ্যতে কি মানুষের কাজ দখল করে নেবে এআই? এই প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দিল্লিতে আয়োজিত AI ইন্ডিয়া সামিট শুরুর আগে সংবাদসংস্থা ANI-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এআই অবশ্যই একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা করেছে। তবে একে শুধুই চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখে, সুযোগ হিসেবেও দেখা উচিত। তাঁর মতে, প্রযুক্তি যেমন কাজের ধরন বদলায়, তেমনই নতুন কাজের ক্ষেত্রও তৈরি করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভয় নয়—প্রস্তুতিই হওয়া উচিত প্রধান লক্ষ্য। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা বাড়াতে পারলে যুবসমাজ নতুন অর্থনীতিতে নিজেদের জায়গা তৈরি করতে পারবে। আইটি-সহ একাধিক ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই বদলের ইঙ্গিত মিলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রযুক্তিগত বিবর্তনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, একসময় লাঙল দিয়ে চাষ হতো, পরে এসেছে ট্রাক্টর। প্রযুক্তির এই পরিবর্তন কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়িয়েছে এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। এআই-ও তেমনই সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি জানান, ভারত কেবল প্রযুক্তি ব্যবহারকারী দেশ হয়ে থাকতে চায় না, বরং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনেও অগ্রণী ভূমিকা নিতে চায়। আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে এআই গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হতে পারে। তাঁর আশা, ভবিষ্যতে বিশ্বের শীর্ষ তিনটি এআই শক্তির অন্যতম হয়ে উঠবে ভারত। আঞ্চলিক ভাষায় এআই ব্যবহারের প্রসার ঘটলে স্টার্টআপ ও কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে বলেও তিনি মনে করেন। তবে প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়েও সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ডিপফেক, ডিজিটাল প্রতারণা কিংবা সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ডে এআই ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই প্রযুক্তির সঙ্গে দায়িত্ববোধ ও নৈতিকতার চর্চাও জরুরি বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, এআই যত উন্নতই হোক, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা মানুষের হাতেই থাকবে। এআই মানুষের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে, বিকল্প হয়ে উঠবে না। সব মিলিয়ে, এআইকে ঘিরে দুশ্চিন্তা থাকলেও আশার বার্তাই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী—পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারলেই ভবিষ্যৎ হতে পারে আরও সম্ভাবনাময়।
এআই কি সবার চাকরি কেড়ে নেবে? উদ্বেগের মাঝেই আশার বার্তা দিলেন নরেন্দ্র মোদী আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) দ্রুত এগিয়ে চলেছে। প্রযুক্তির এই অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে চাকরিজীবীদের উদ্বেগও। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাঁটাইয়ের খবর সামনে আসায় অনেকেই আশঙ্কা করছেন—ভবিষ্যতে কি মানুষের কাজ দখল করে নেবে এআই? এই প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দিল্লিতে আয়োজিত AI ইন্ডিয়া সামিট শুরুর আগে সংবাদসংস্থা ANI-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এআই অবশ্যই একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা করেছে। তবে একে শুধুই চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখে, সুযোগ হিসেবেও দেখা উচিত। তাঁর মতে, প্রযুক্তি যেমন কাজের ধরন বদলায়, তেমনই নতুন কাজের ক্ষেত্রও তৈরি করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভয় নয়—প্রস্তুতিই হওয়া উচিত প্রধান লক্ষ্য। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা বাড়াতে পারলে যুবসমাজ নতুন অর্থনীতিতে নিজেদের জায়গা তৈরি করতে পারবে। আইটি-সহ একাধিক ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই বদলের ইঙ্গিত মিলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রযুক্তিগত বিবর্তনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, একসময় লাঙল দিয়ে চাষ হতো, পরে এসেছে ট্রাক্টর। প্রযুক্তির এই পরিবর্তন কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়িয়েছে এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। এআই-ও তেমনই সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি জানান, ভারত কেবল প্রযুক্তি ব্যবহারকারী দেশ হয়ে থাকতে চায় না, বরং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনেও অগ্রণী ভূমিকা নিতে চায়। আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে এআই গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হতে পারে। তাঁর আশা, ভবিষ্যতে বিশ্বের শীর্ষ তিনটি এআই শক্তির অন্যতম হয়ে উঠবে ভারত। আঞ্চলিক ভাষায় এআই ব্যবহারের প্রসার ঘটলে স্টার্টআপ ও কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে বলেও তিনি মনে করেন। তবে প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়েও সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ডিপফেক, ডিজিটাল প্রতারণা কিংবা সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ডে এআই ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই প্রযুক্তির সঙ্গে দায়িত্ববোধ ও নৈতিকতার চর্চাও জরুরি বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, এআই যত উন্নতই হোক, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা মানুষের হাতেই থাকবে। এআই মানুষের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে, বিকল্প হয়ে উঠবে না। সব মিলিয়ে, এআইকে ঘিরে দুশ্চিন্তা থাকলেও আশার বার্তাই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী—পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারলেই ভবিষ্যৎ হতে পারে আরও সম্ভাবনাময়।
- Kaligang Bazar City Mobile1
- JUP অঞ্চল সভাপতির উপর হামলার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার হুমাইপুর এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জনতা উন্নয়ন পার্টির (JUP) হুমাইপুর অঞ্চল সভাপতি আনিসুর রহমানের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লালনগর এলাকার একটি বুথে মিটিং শেষ করে ফেরার সময় তাঁর উপর চড়াও হন হুমাইপুর তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি আইনুল শেখ। আনিসুর রহমানের দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়, হুমকি দেওয়া হয় এবং অপমানজনক আচরণ করা হয়। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার দুপুরে হরিহরপাড়া জনতা উন্নয়ন পার্টির ব্লক সভাপতি বিজয় শেখ দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে হরিহরপাড়া থানায় যান। অভিযুক্ত আইনুল শেখের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে তাঁর গ্রেফতারের দাবি জানান তাঁরা। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি আইনুল শেখ। তাঁর দাবি, তিনি সম্প্রতি নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, তাই রাজনৈতিকভাবে তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি জানান, এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস যথেষ্ট শক্তিশালী, তাই এই ধরনের অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।1
- মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার স্বরূপপুর সাহাজিপাড়া এলাকায় কলাবাগান থেকে এক প্রতিবন্ধী মহিলার অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম তনুজা খাতুন (৪০)। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন তিনি। পরে বাড়ির কাছের একটি কলাবাগান থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। খুন নাকি আত্মহত্যা— তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।1
- JUP অঞ্চল সভাপতির উপর হামলার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার হুমাইপুর এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জনতা উন্নয়ন পার্টির (JUP) হুমাইপুর অঞ্চল সভাপতি আনিসুর রহমানের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লালনগর এলাকার একটি বুথে মিটিং শেষ করে ফেরার সময় তাঁর উপর চড়াও হন হুমাইপুর তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি আইনুল শেখ। আনিসুর রহমানের দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়, হুমকি দেওয়া হয় এবং অপমানজনক আচরণ করা হয়। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার দুপুরে হরিহরপাড়া জনতা উন্নয়ন পার্টির ব্লক সভাপতি বিজয় শেখ দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে হরিহরপাড়া থানায় যান। অভিযুক্ত আইনুল শেখের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে তাঁর গ্রেফতারের দাবি জানান তাঁরা। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি আইনুল শেখ। তাঁর দাবি, তিনি সম্প্রতি নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, তাই রাজনৈতিকভাবে তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি জানান, এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস যথেষ্ট শক্তিশালী, তাই এই ধরনের অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।1
- রাত পোহালেই প্রথম রোজা শুরু হচ্ছে অগ্রিম রমজান মোবারক সকলকে।1
- বিলকুমারীতে বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে লক্ষ্য করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান ওঠার অভিযোগ উঠেছে দলেরই একাংশ কর্মীর বিরুদ্ধে।1
- রেল ইঞ্জিনের ধাক্কায় রক্তাক্ত শক্তিপুরের প্রৌঢ় : চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদের সালারে1
- রমজানের প্রথম রোজার আগে হরিহরপাড়া ফলের বাজারে উপচে পড়া ভিড়, দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আগামীকাল থেকে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম রোজা শুরু। তার আগেই বুধবার বিকেল থেকে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া ফলের বাজারে দেখা গেল উপচে পড়া ভিড়। ইফতারের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সাধারণ মানুষ। রমজান মাসে ইফতারের অন্যতম প্রধান উপকরণ ফল, বিশেষ করে খেজুর। তাই খেজুর, আপেল, আঙুর, লেবু, বেদানা সহ বিভিন্ন ফল কিনতে বাজারে ভিড় জমান ক্রেতারা। বিক্রেতাদের সঙ্গে দরদাম করতেও দেখা যায় বহু মানুষকে। এবছর বাজারে খেজুরের সর্বনিম্ন দাম কেজি প্রতি ১২০ টাকা, আপেল ২০০ টাকা, আঙুর ১৮০ টাকা, লেবু প্রতি পিস ১৫ টাকা এবং বেদানা ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতাদের একাংশের দাবি, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফলের দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। তবে বিক্রেতাদের বক্তব্য, রমজান মাসে চাহিদা বাড়ার কারণে প্রতি বছরই এই সময়ে ফলের দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকে। রমজানকে কেন্দ্র করে বাজারে যেমন বেড়েছে ভিড়, তেমনই বেড়েছে ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততাও। এখন দেখার, রমজান মাস জুড়ে ফলের দাম কতটা স্থিতিশীল থাকে।1