পূর্ব বর্ধমানে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ উপলক্ষে জেলাশাসকের সাংবাদিক বৈঠক সুজিত দত্ত, বর্ধমান, ১৫ সেপ্টেম্বর: পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত উদযাপিত হবে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’। এই উপলক্ষে মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের তরফে একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে অভিযানের বিস্তারিত কর্মসূচি তুলে ধরেন জেলাশাসক শ্বেতা আগারওয়াল। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জেলা, মহকুমা, ব্লক এবং পঞ্চায়েত স্তরে মোট ১০টি কর্মসূচি পালিত হবে। অভিযানের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায়। জেলার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ৫০ হাজার সুবিধাভোগীর বাড়িতে প্রদীপ বা দিয়া পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ওই দিন সন্ধ্যা ৭টায় জেলার সমস্ত বাসিন্দাকে নিজ নিজ বাড়িতে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের আহ্বান জানানো হয়েছে। স্কুলের শিক্ষার্থী এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির মাধ্যমেও এই বার্তা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে, যাতে পূর্ব বর্ধমানের ১০০ শতাংশ পরিবার এই উদ্যোগে অংশ নিতে পারে। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্কুল শিক্ষা ও উচ্চ শিক্ষা দফতরের সহযোগিতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রচনা ও অঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এছাড়া ১৭ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর জেলাস্তরে এবং ২ অক্টোবর রাজ্যস্তরে বিভিন্ন এলাকায় নুক্কড় নাটক বা পথনাটক এবং গল্পের মাধ্যমে সরকারি প্রকল্পের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে। ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর জেলার সমস্ত অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের জন্য বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের আয়োজন করা হবে। এই কর্মসূচিতে নোডাল বিভাগ হিসেবে কাজ করবে নারী ও শিশু কল্যাণ দফতর এবং স্বাস্থ্য দফতর। এছাড়া ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ‘সেবা কি কাহানি’ উদ্যোগে সাধারণ মানুষ সরকারি প্রকল্পের সুফল নিয়ে ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ডের রিল বা ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। সেই ভিডিও জেলা প্রশাসনের নির্দিষ্ট গুগল ড্রাইভ লিঙ্কে আপলোড করতে হবে। পরবর্তীতে সেরা তিনটি রিলকে জেলা স্তরে পুরস্কৃত করা হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার সমস্ত বাসিন্দাকে ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে উৎসবমুখর ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এ অংশ নেওয়ার আন্তরিক আবেদন জানানো হয়েছে।
পূর্ব বর্ধমানে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ উপলক্ষে জেলাশাসকের সাংবাদিক বৈঠক সুজিত দত্ত, বর্ধমান, ১৫ সেপ্টেম্বর: পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত উদযাপিত হবে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’। এই উপলক্ষে মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের তরফে একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে অভিযানের বিস্তারিত কর্মসূচি তুলে ধরেন জেলাশাসক শ্বেতা আগারওয়াল। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জেলা, মহকুমা, ব্লক এবং পঞ্চায়েত স্তরে মোট ১০টি কর্মসূচি পালিত হবে। অভিযানের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায়। জেলার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ৫০ হাজার সুবিধাভোগীর বাড়িতে প্রদীপ বা দিয়া পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ওই দিন সন্ধ্যা ৭টায় জেলার সমস্ত বাসিন্দাকে নিজ নিজ বাড়িতে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের আহ্বান জানানো হয়েছে। স্কুলের শিক্ষার্থী এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির মাধ্যমেও এই বার্তা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে, যাতে পূর্ব বর্ধমানের ১০০ শতাংশ পরিবার এই উদ্যোগে অংশ নিতে পারে। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্কুল শিক্ষা ও উচ্চ শিক্ষা দফতরের সহযোগিতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রচনা ও অঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এছাড়া ১৭ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর জেলাস্তরে এবং ২ অক্টোবর রাজ্যস্তরে বিভিন্ন এলাকায় নুক্কড় নাটক বা পথনাটক এবং গল্পের মাধ্যমে সরকারি প্রকল্পের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে। ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর জেলার সমস্ত অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের জন্য বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের আয়োজন করা হবে। এই কর্মসূচিতে নোডাল বিভাগ হিসেবে কাজ করবে নারী ও শিশু কল্যাণ দফতর এবং স্বাস্থ্য দফতর। এছাড়া ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ‘সেবা কি কাহানি’ উদ্যোগে সাধারণ মানুষ সরকারি প্রকল্পের সুফল নিয়ে ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ডের রিল বা ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। সেই ভিডিও জেলা প্রশাসনের নির্দিষ্ট গুগল ড্রাইভ লিঙ্কে আপলোড করতে হবে। পরবর্তীতে সেরা তিনটি রিলকে জেলা স্তরে পুরস্কৃত করা হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার সমস্ত বাসিন্দাকে ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে উৎসবমুখর ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এ অংশ নেওয়ার আন্তরিক আবেদন জানানো হয়েছে।
- শহর বর্ধমানের ভেরি খানায় গনেশ পূজা উপলক্ষে বিশেষ ভোগের আয়োজন ভেরীখানা যুবক বৃন্দ আমরা সবাই ক্লাবের উদ্যোগে গণেশ পূজোর আয়োজন আজ মঙ্গলবার রাত্রি আটটা ত্রিশ থেকেই বিশেষ ভোগের আয়োজন। জানা গেছে প্রতিবছরই এই গণেশ পুজো করে থাকেন এলাকার যুবকেরা গতকাল পায়েশ বিতরণ করা হয়েছিল আজ ভেড়িখানা এলাকা সহ শ্যামলাল, ঝাপান তলা এলাকার সাধারণ মানুষ ভোগ খেতে উপস্থিত হয়। পূজার উদ্যোক্তা যুবকেরা জানান প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষের খাবারের আয়োজন করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায়।1
- নন্দীগ্রামে প্রার্থী নির্বাচন করল কালীঘাট পন্থী তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে দুটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে। একটি নন্দীগ্রাম অপরটি রেজিনগর। নন্দীগ্রামে মমতা পন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হলেন সঞ্চিতা দে প্রধান। নন্দীগ্রামে মিরাকেল হবে এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ।1
- লালবাগের গুধিয়া-ই ৮ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজা-সহ : ধৃত পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী সহ আরও ১ জন। লালবাগের গুধিয়া-ই ৮ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজা-সহ : ধৃত পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী সহ আরও ১ জন। লালবাগের গুধিয়া এলাকা থেকে প্রায় ৮ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজা-সহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে মুর্শিদাবাদ থানার গুধিয়া ফাঁড়ির পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের কাছে থাকা ব্যাগ থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়। ধৃত সাজাহান সেখ ও জাব্বার সেখের বাড়ি ইসলামপুর থানার মোক্তারপুর এলাকায় এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, এই মাদক তারা ইসলামপুরে নিয়ে যাচ্ছিল। ধৃত সাজাহান সেখের স্ত্রী পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের টিকিটে জয়ী সদস্যা হলেও, গত বিধানসভা নির্বাচনে তারা কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় এলাকায় কংগ্রেস কর্মী হিসেবেই পরিচিত। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মাদক আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর এই কাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং বিজেপি-র মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলার এক্সিকিউটিভ সদস্য অসীম কুমার মন্ডল ঘটনাটি নিয়ে চরম কটাক্ষ করেছেন।1
- কিভাবে প্র*তা"রণার জালে ফেলা হয়েছিল শুনুন মহিলার মুখে ... কিভাবে প্র*তা"রণার জালে ফেলা হয়েছিল শুনুন মহিলার মুখে ...1
- বড়ো খবর এই মুহূর্তের রাতের বেলায় শাঁখামুটি সাপ উদ্ধার বলাগড় থানায় রাতের বেলায় বলাগড় থানায় শাঁখামুটি সাপ উদ্ধার করলেন বনমালী দফাদার দেখতে থাকুন আমাদের ক্যামেরায়1
- কি বললেন রাজ্যে সভাপতি সমীক ভট্টাচার্য,বিজেপি কখনো তোষণের রাজনীতি করে না আমরা ভোটের জন্য মানুষকে ভাগ করার বিরোধী। আমরা কাউকে সংখ্যালঘু মানি না, কাউকে সংখ্যাগুরু মানি না। পশ্চিমবঙ্গের আদিবাসী সহ সবাই আমাদের, সবাই আপন বিজেপি ক্ষমতায় আসার ৩ মাস পার হয়ে গেছে, বাংলায় একটাও দাঙ্গা হয়নি, একজন সংখ্যালঘুরও মৃত্যু হয়নি। কিন্তু গত ৩ বছরের পরিসংখ্যান তুলে দেখুন, তৃণমূল কত মুসলমানকে মেরেছে। যারা মরেছে তারাও মুসলমান, যারা মেরেছে তারাও মুসলমান। মৃত পরিবারগুলোর একটাই দাবি ছিল - `We want CBI Inquiry`। কারণ তৃণমূলের পুলিশ আর CID-র ওপর সংখ্যালঘু পরিবারের কোনো ভরসা ছিল না। কোনো সরকারি হাসপাতালে যান, সবচেয়ে গরীব রোগী কারা? মুসলমান। সবচেয়ে কম সরকারি লোন কারা পেয়েছে? মুসলমান। শিক্ষায় সবচেয়ে পিছিয়ে কারা? মুসলমান। জেলে সবচেয়ে বেশি কারা আছে? মুসলমান গ্রামে গেলে দেখা যায় প্রত্যেক পরিবার থেকে ১-২ জন গায়েব। তারা কোথায়? সবাই বাইরে কাজ করছে - কেউ গুজরাটে, কেউ রাজস্থানে, কেউ উত্তরপ্রদেশে। বাংলা এখন Migrant Labour Producing Constituency হয়ে গেছে। ভারতে কোথাও কোনো বড় বাড়ি ভেঙে পড়লে বা কোনো দুর্ঘটনা হলে নিচে চাপা পড়া লাশগুলো কার বের হয়? বেশিরভাগই বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক, বেশিরভাগই মুসলমান। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। একসাথে থাকতে হবে, একসাথে পড়তে হবে, খেতে হবে। মূলস্রোতের স্কুলে আসুন, নিজের বাচ্চাকে বিজেপি koশিক্ষা দিন। আপনারা বাইরে না এলে সারাজীবন কাঁদতে হবে।2
- আজ থেকে শুরু হলো অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা ২০২৬ মাদরাসা রহমানিয়া মাদানিয়া, জমিয়তনগরে। আজ থেকে শুরু হলো অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা ২০২৬ মাদরাসা রহমানিয়া মাদানিয়া, জমিয়তনগরে। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার থেকে মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলা থানার অন্তর্গত এক ঐতিহ্যবাহী দ্বীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লালগোলা যাহা পীরতলা আমতলা মোড়ে অবস্থিত মাদরাসা রহমানিয়া মাদানিয়া, জমিয়তনগর-এর অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের পড়াশোনা, নিয়মিত অনুশীলন ও শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর আজ শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার হলে বসে নিজেদের অর্জিত জ্ঞান ও মেধার মূল্যায়নে অংশগ্রহণ করছে। প্রত্যেক শিক্ষার্থী অত্যন্ত মনোযোগ, শৃঙ্খলা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে জ্ঞান অর্জনের আগ্রহ, ভালো ফলাফল করার প্রত্যাশা এবং নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের চেষ্টা। কেউ মনোযোগ দিয়ে প্রশ্নপত্র পড়ছে, কেউ সুন্দরভাবে উত্তর লিখছে, আবার কেউ নিজের প্রস্তুতিকে কাজে লাগিয়ে পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনের চেষ্টা করছে। শিক্ষকগণও পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। পরীক্ষা কেবল ভালো নম্বর পাওয়ার মাধ্যম নয়; বরং এটি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, মেধা, মনোযোগ, ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাস যাচাই করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করার অনুপ্রেরণা পায়। বিশেষ করে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য কুরআন-হাদিস, দ্বীনি শিক্ষা, আদব-আখলাক ও নৈতিক চরিত্র গঠনের পাশাপাশি জেনারেল সাধারণ শিক্ষার জ্ঞান অর্জনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাদরাসা রহমানিয়া মাদানিয়া, জমিয়তনগর-এর পক্ষ থেকে সকল পরীক্ষার্থীর জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা ও দোয়া।1
- ব্যাংকের সিকিউরিটি গার্ড এর পরিচয় দিয়ে সংবাদ মাধ্যমকে ভিডিও করতে বাধা ব্যাংকের সিকিউরিটি গার্ড এর পরিচয় দিয়ে সংবাদ মাধ্যমকে ভিডিও করতে বাধা1