Shuru
Apke Nagar Ki App…
নদীয়ার কল্যাণীতে "জয় জয় ভগবান শ্রী রাম", "হর হর মহাদেব" এবং "ভারত মাতা কি জয়" স্লোগান তোলা হয়েছে। একই সাথে সেখানে "ভারতীয় জনতা মজদুর ট্রেড ইউনিয়ন (BJMTU) জিন্দাবাদ" ধ্বনিও দেওয়া হয়েছে।
Jayanta Sarkar
নদীয়ার কল্যাণীতে "জয় জয় ভগবান শ্রী রাম", "হর হর মহাদেব" এবং "ভারত মাতা কি জয়" স্লোগান তোলা হয়েছে। একই সাথে সেখানে "ভারতীয় জনতা মজদুর ট্রেড ইউনিয়ন (BJMTU) জিন্দাবাদ" ধ্বনিও দেওয়া হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- কল্যাণীর নেতাজি সুভাষ স্যানেটারিয়াম টিভি হাসপাতালটি দীর্ঘ দশ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। করোনা মহামারির সময়ে এই সরকারি হাসপাতালটিকে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হলেও, অতিমারীর দিন শেষ হওয়ার পর বর্তমানে এটি ঝোপঝাড় ও জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। এই বন্ধ সরকারি হাসপাতালে এখনও বিভিন্ন মূল্যবান সরকারি জিনিসপত্র রয়ে গেছে, যা এখন দিনে-দুপুরে সেখান থেকে চুরি হয়ে যাচ্ছে। শনিবার দুপুরে হাসপাতালের ভাঙা পাঁচিলের ভেতর দিয়ে ভ্যান রিকশায় করে একটি হুইলচেয়ার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন তা দেখে ফেলেন। স্থানীয়রা ভ্যান রিকশাটিকে আটকালে, দুষ্কৃতীরা হুইলচেয়ার সমেত ভ্যানটি ফেলে রেখেই চম্পট দেয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ওই ভ্যান ও হুইলচেয়ারটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।3
- ২০১৯ সালের সাংসদ কোটার টাকা তৎকালীন তৃণমূল সরকার উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করতে দেয়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন অর্জুন সিং। তিনি জানিয়েছেন, সেই সময়কার বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসকের দপ্তরেই আটকে ছিল। তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে উন্নয়নমূলক কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনে অর্জুন সিং দাবি করেছেন, রাজ্যের উন্নয়ন যাতে না হয়, সেই উদ্দেশ্যেই বিজেপি সাংসদের কোটার টাকায় কাজ করতে দেওয়া হয়নি। বর্তমানে ডাবল ইঞ্জিন সরকার আসার ফলে সরকারি ফান্ডে পড়ে থাকা সেই পুরনো সাংসদ কোটার টাকা অবশেষে ব্যবহারের সুযোগ হয়েছে। এই অর্থ থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জগদ্দল মেঘনা ঘাট, টিটাগড়ের কবরস্থান, হালিশহর ফেরিঘাট এবং দত্তপুকুর এলাকায় সোলার পাওয়ার লাইট বসানো হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ তথা রাজ্যের বর্তমান শ্রম ও পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং নিজের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।2
- বলাগড় থানার পুলিশ বড়সড় সাফল্যের মুখ দেখল। থানার স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (S.O.G) টিমের তৎপরতায় অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার হয়েছে। পুলিশের এই অভিযানে চুরি যাওয়া প্রায় দশ লক্ষ টাকা মূল্যের গহনা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত খবর তুলে ধরেছেন শুরু নিউজের প্রতিনিধি চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়।1
- বাংলা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জিকে উৎক্ষেপ করার প্রতিজ্ঞা নিয়ে ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বাইরে দাঁড়িয়ে শপথ নিয়েছিলেন কৌস্তব বাগচী। সেই প্রতিজ্ঞার আজ এক বছর পূর্ণ হল। এই উপলক্ষে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরের বড়পোল সংলগ্ন অঞ্চলে বসে পুনরায় নিজের চুল কাটলেন কৌস্তব বাগচী। নিজের এই পদক্ষেপ প্রসঙ্গে কৌস্তব বাগচী জানান যে, কথামতো মমতা ব্যানার্জি প্রাক্তন হয়েছেন এবং ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার গঠন করেছে। তাঁর প্রতিজ্ঞা সফল হওয়ার কারণেই আজ তিনি প্রকাশ্যে বড়পোলে বসে পুনরায় চুল কাটার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।1
- বিনোদন প্রেমীদের জন্য সুখবর নিয়ে হাজির হয়েছে অডিশনের সুযোগ। নাচ, গান, অভিনয় এবং অ্যাঙ্করিং—এই বিষয়গুলোতে আগ্রহী প্রার্থীরা এখন অডিশনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এর জন্য কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন নেই, বরং বাড়িতে বসেই অনলাইনে অডিশন দেওয়ার সুবিধা থাকছে।1
- হুগলির ডানকুনিতে ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের লাক্স কোজির দ্বিতীয় ইউনিটের শিলান্যাস করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই অনুষ্ঠানে এসে বিভিন্ন বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে রাজ্যে ১ লক্ষ সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। এই রাজ্যে শুধু লাখপতি দিদি নয়, বরং লক্ষ লক্ষ 'গুড বিজনেসম্যান' তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানান, এই সরকার শিল্পপতি, বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসায়ীদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা, সিন্ডিকেট, কাঠ মানি, তোলাবাজি, দাদাগিরি এবং সব জায়গার রাজনীতিকরণের মতো বেহাল অবস্থার হাল ফেরাতে হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন। ডানকুনিতে এখন আর লম্বা লাইন করে ট্রাকে কেউ হাত পাতে না বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, গত মে মাসের ৪ তারিখের পর লাক্স কোজির কারখানায় এসে কেউ আর 'মান্থলি' দাবি করেনি।1
- নাগাল্যান্ড থেকে গ্রেপ্তার হওয়া তোলাবাজ 'রকি'কে কালনা আদালতে হাজির করার সময় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযুক্তকে আদালত চত্বরে নিয়ে আসার সাথে সাথেই সেখানে উপস্থিত ক্ষুব্ধ জনতা তাকে লক্ষ্য করে "চোর-চোর" স্লোগান দিতে শুরু করেন। উত্তেজিত জনতার এই স্লোগানের জেরে গোটা আদালত চত্বর রীতিমতো উত্তাল হয়ে ওঠে।1