*কুণাল ঘোষ* বিধানসভা প্রেস কর্ণার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে পুলিশ দিয়ে দিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্ক স্ট্রিটের ওই পরিবারকে। শনিবার মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গিয়েছিলেন, সেখানে যেভাবে ধমক দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গরীব কেউ শখ করে হয় না। ভোটের আগে গরীব বাচ্ছাদের জড়িয়ে ধরে ছবি তুলতে ভাল লাগে। আর ভোটের পর ওই দাপটে সরিয়ে দেওয়া। আমাদের নেত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল(রবিবার) বলার পর সময় হল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর? শনিবারের পর রবিবার ছিল, সোমবার ছিল, কি করলেন। যেই মুহুর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন দায়িত্ব নেবেন তারপরেই পুলিশকে দিয়ে তুলে আনা হল কেন ? কেন সেদিন বলেন নি মুখ্যমন্ত্রী যে তারা দায়িত্ব নিচ্ছেন। মমতাদি বলার পর ঘুম ভাঙলো ? আপনারা একটা অমানবিক কাজ করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানবিক মুখ দেখিয়েছেন। ক্ষমতায় থাকলেও দেখিয়েছেন, না থাকলেও দেখিয়েছেন। সোমবার অত বড় বড় কথা বললেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে বাড়ি থেকে বের হতে না পারে দেখবেন। উনি(শুভেন্দু অধিকারী) তো স্পটে যান না, পুলিশ দিয়ে তুলে আনেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষনার পর চাপে পড়ে। এর মানে একটা জিনিশ প্রমাণিত হল অগ্নি মিত্রা পাল ভুল করেছিলেন। *দ্বিতীয় বিষয়* পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যানার পিছনে নিয়ে গতকাল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটা কথা বললেন যে আপনি যাতে রাস্তায় বের হতে না পারেন সেটা আমি দেখব। এটা চূড়ান্ত নারী বিদ্বেষ। এমন এর আগে কখনও হয়নি যে একজন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিচ্ছেন ! মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, রাষ্ট্রপতি কোথায়? এটা তো গুণ্ডাদের ভাষা। আসলে আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামলাতে পারছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স তুলে কথা বলছেন কেন ? এটা কোনও কথা! বয়স হচ্ছে বিশ্রাম নিন। মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি *প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে একটা হাঁটার কম্পিটিশন হোক* সারা পৃথিবী দেখুক। এক্সারসাইজ আর হাঁটার প্রতিযোগিতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাগজে কলমে যা বয়স বাস্তবে তার থেকে বয়স অনেকটাই কম। মমতাদির থেকে তো কয়েক বছরের বড় নরেন্দ্র মোদীর আর শুভেন্দু অধিকারী ক্যাম্প করেন অমিত শাহের। *এটা নরেন্দ্র মোদীকে সরানোর জন্য অমিত শাহের ক্যাম্প থেকে করানো হচ্ছে না তো? শুভেন্দু অধিকারী হয়তো চাইছেন অমিত শাহকে প্রোজেক্ট করতে।* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে তো অনেকটাই বড় নরেন্দ্র মোদী, তাই কি নরেন্দ্র মোদী কে সরাতে চাইছেন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বললেন। *২০ সাংসদদের নোটিশ। প্রসঙ্গে* সুপ্রিম কোর্টের বিষয়ে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় সবিস্তারে বলেছেন। আইনটা এতটাই আমাদের পক্ষে যে এই কুড়ি জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল থেকে জেতা, চার তারিখের পর বিজেপির সঙ্গে ঘুরছে, বলছে এনসিপিআই। গোটাটাই আইন বহির্ভূত, নীতি বহির্ভূত। *ছাত্র দিবসের প্রতিষ্ঠা দিবসের স্থান* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে, তৃণমূল কংগ্রেস সেখানে। ২১ জুলাইয়েও আমরা দেখেছি কোথায় জন জোয়ারে উপচে গিয়েছিল আর কোথায় চেয়ার খালি পড়ে ছিল। বিজেপির গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব, তোলাবাজি থেকে এখন দেখা যাচ্ছে নিজেদের কর্মীকেই খুনের অভিযোগ উঠছে। পুলিশের কোনও ক্ষমতাই নেই। পুলিশ অফিসাররা কাজ করতে পারছেন না। বিধায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন সারারাত তাণ্ডব চলবে, আরেক বিধায়ক থানায় গিয়ে অফিসারকে হুমকি দিচ্ছে। কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশ বিরোধী কোনও শ্লোগান উঠলে আমরা সেটা সমর্থন করি না। দিলীপ ঘোষ প্রচারে পিছিয়ে পড়েছেন। একটা বিয়ে করে সবাইকে আউট করে দিয়েছিলেন প্রচার থেকে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্যরা যা শুরু করেছেন তাতে তিনি প্রচারে পিছিয়ে পড়ছেন। তাই এন কে সলিলের মত বক্তব্য বলে প্রচারে ভেসে থাকতে চাইছেন। *কুণাল ঘোষ* বিধানসভা প্রেস কর্ণার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে পুলিশ দিয়ে দিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্ক স্ট্রিটের ওই পরিবারকে। শনিবার মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গিয়েছিলেন, সেখানে যেভাবে ধমক দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গরীব কেউ শখ করে হয় না। ভোটের আগে গরীব বাচ্ছাদের জড়িয়ে ধরে ছবি তুলতে ভাল লাগে। আর ভোটের পর ওই দাপটে সরিয়ে দেওয়া। আমাদের নেত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল(রবিবার) বলার পর সময় হল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর? শনিবারের পর রবিবার ছিল, সোমবার ছিল, কি করলেন। যেই মুহুর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন দায়িত্ব নেবেন তারপরেই পুলিশকে দিয়ে তুলে আনা হল কেন ? কেন সেদিন বলেন নি মুখ্যমন্ত্রী যে তারা দায়িত্ব নিচ্ছেন। মমতাদি বলার পর ঘুম ভাঙলো ? আপনারা একটা অমানবিক কাজ করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানবিক মুখ দেখিয়েছেন। ক্ষমতায় থাকলেও দেখিয়েছেন, না থাকলেও দেখিয়েছেন। সোমবার অত বড় বড় কথা বললেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে বাড়ি থেকে বের হতে না পারে দেখবেন। উনি(শুভেন্দু অধিকারী) তো স্পটে যান না, পুলিশ দিয়ে তুলে আনেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষনার পর চাপে পড়ে। এর মানে একটা জিনিশ প্রমাণিত হল অগ্নি মিত্রা পাল ভুল করেছিলেন। *দ্বিতীয় বিষয়* পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যানার পিছনে নিয়ে গতকাল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটা কথা বললেন যে আপনি যাতে রাস্তায় বের হতে না পারেন সেটা আমি দেখব। এটা চূড়ান্ত নারী বিদ্বেষ। এমন এর আগে কখনও হয়নি যে একজন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিচ্ছেন ! মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, রাষ্ট্রপতি কোথায়? এটা তো গুণ্ডাদের ভাষা। আসলে আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামলাতে পারছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স তুলে কথা বলছেন কেন ? এটা কোনও কথা! বয়স হচ্ছে বিশ্রাম নিন। মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি *প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে একটা হাঁটার কম্পিটিশন হোক* সারা পৃথিবী দেখুক। এক্সারসাইজ আর হাঁটার প্রতিযোগিতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাগজে কলমে যা বয়স বাস্তবে তার থেকে বয়স অনেকটাই কম। মমতাদির থেকে তো কয়েক বছরের বড় নরেন্দ্র মোদীর আর শুভেন্দু অধিকারী ক্যাম্প করেন অমিত শাহের। *এটা নরেন্দ্র মোদীকে সরানোর জন্য অমিত শাহের ক্যাম্প থেকে করানো হচ্ছে না তো? শুভেন্দু অধিকারী হয়তো চাইছেন অমিত শাহকে প্রোজেক্ট করতে।* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে তো অনেকটাই বড় নরেন্দ্র মোদী, তাই কি নরেন্দ্র মোদী কে সরাতে চাইছেন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বললেন। *২০ সাংসদদের নোটিশ। প্রসঙ্গে* সুপ্রিম কোর্টের বিষয়ে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় সবিস্তারে বলেছেন। আইনটা এতটাই আমাদের পক্ষে যে এই কুড়ি জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল থেকে জেতা, চার তারিখের পর বিজেপির সঙ্গে ঘুরছে, বলছে এনসিপিআই। গোটাটাই আইন বহির্ভূত, নীতি বহির্ভূত। *ছাত্র দিবসের প্রতিষ্ঠা দিবসের স্থান* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে, তৃণমূল কংগ্রেস সেখানে। ২১ জুলাইয়েও আমরা দেখেছি কোথায় জন জোয়ারে উপচে গিয়েছিল আর কোথায় চেয়ার খালি পড়ে ছিল। বিজেপির গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব, তোলাবাজি থেকে এখন দেখা যাচ্ছে নিজেদের কর্মীকেই খুনের অভিযোগ উঠছে। পুলিশের কোনও ক্ষমতাই নেই। পুলিশ অফিসাররা কাজ করতে পারছেন না। বিধায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন সারারাত তাণ্ডব চলবে, আরেক বিধায়ক থানায় গিয়ে অফিসারকে হুমকি দিচ্ছে। কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশ বিরোধী কোনও শ্লোগান উঠলে আমরা সেটা সমর্থন করি না। দিলীপ ঘোষ প্রচারে পিছিয়ে পড়েছেন। একটা বিয়ে করে সবাইকে আউট করে দিয়েছিলেন প্রচার থেকে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্যরা যা শুরু করেছেন তাতে তিনি প্রচারে পিছিয়ে পড়ছেন। তাই এন কে সলিলের মত বক্তব্য বলে প্রচারে ভেসে থাকতে চাইছেন।
*কুণাল ঘোষ* বিধানসভা প্রেস কর্ণার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে পুলিশ দিয়ে দিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্ক স্ট্রিটের ওই পরিবারকে। শনিবার মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গিয়েছিলেন, সেখানে যেভাবে ধমক দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গরীব কেউ শখ করে হয় না। ভোটের আগে গরীব বাচ্ছাদের জড়িয়ে ধরে ছবি তুলতে ভাল লাগে। আর ভোটের পর ওই দাপটে সরিয়ে দেওয়া। আমাদের নেত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল(রবিবার) বলার পর সময় হল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর? শনিবারের পর রবিবার ছিল, সোমবার ছিল, কি করলেন। যেই মুহুর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন দায়িত্ব নেবেন তারপরেই পুলিশকে দিয়ে তুলে আনা হল কেন ? কেন সেদিন বলেন নি মুখ্যমন্ত্রী যে তারা দায়িত্ব নিচ্ছেন। মমতাদি বলার পর ঘুম ভাঙলো ? আপনারা একটা অমানবিক কাজ করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানবিক মুখ দেখিয়েছেন। ক্ষমতায় থাকলেও দেখিয়েছেন, না থাকলেও দেখিয়েছেন। সোমবার অত বড় বড় কথা বললেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে বাড়ি থেকে বের হতে না পারে দেখবেন। উনি(শুভেন্দু অধিকারী) তো স্পটে যান না, পুলিশ দিয়ে তুলে আনেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষনার পর চাপে পড়ে। এর মানে একটা জিনিশ প্রমাণিত হল অগ্নি মিত্রা পাল ভুল করেছিলেন। *দ্বিতীয় বিষয়* পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যানার পিছনে নিয়ে গতকাল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটা কথা বললেন যে আপনি যাতে রাস্তায় বের হতে না পারেন সেটা আমি দেখব। এটা চূড়ান্ত নারী বিদ্বেষ। এমন এর আগে কখনও হয়নি যে একজন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিচ্ছেন ! মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, রাষ্ট্রপতি কোথায়? এটা তো গুণ্ডাদের ভাষা। আসলে আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামলাতে পারছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স তুলে কথা বলছেন কেন ? এটা কোনও কথা! বয়স হচ্ছে বিশ্রাম নিন। মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি *প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে একটা হাঁটার কম্পিটিশন হোক* সারা পৃথিবী দেখুক। এক্সারসাইজ আর হাঁটার প্রতিযোগিতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাগজে কলমে যা বয়স বাস্তবে তার থেকে বয়স অনেকটাই কম। মমতাদির থেকে তো কয়েক বছরের বড় নরেন্দ্র মোদীর আর শুভেন্দু অধিকারী ক্যাম্প করেন অমিত শাহের। *এটা নরেন্দ্র মোদীকে সরানোর জন্য অমিত শাহের ক্যাম্প থেকে করানো হচ্ছে না তো? শুভেন্দু অধিকারী হয়তো চাইছেন অমিত শাহকে প্রোজেক্ট করতে।* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে তো অনেকটাই বড় নরেন্দ্র মোদী, তাই কি নরেন্দ্র মোদী কে সরাতে চাইছেন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বললেন। *২০ সাংসদদের নোটিশ। প্রসঙ্গে* সুপ্রিম কোর্টের বিষয়ে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় সবিস্তারে বলেছেন। আইনটা এতটাই আমাদের পক্ষে যে এই কুড়ি জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল থেকে জেতা, চার তারিখের পর বিজেপির সঙ্গে ঘুরছে, বলছে এনসিপিআই। গোটাটাই আইন বহির্ভূত, নীতি বহির্ভূত। *ছাত্র দিবসের প্রতিষ্ঠা দিবসের স্থান* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে, তৃণমূল কংগ্রেস সেখানে। ২১ জুলাইয়েও আমরা দেখেছি কোথায় জন জোয়ারে উপচে গিয়েছিল আর কোথায় চেয়ার খালি পড়ে ছিল। বিজেপির গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব, তোলাবাজি থেকে এখন দেখা যাচ্ছে নিজেদের কর্মীকেই খুনের অভিযোগ উঠছে। পুলিশের কোনও ক্ষমতাই নেই। পুলিশ অফিসাররা কাজ করতে পারছেন না। বিধায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন সারারাত তাণ্ডব চলবে, আরেক বিধায়ক থানায় গিয়ে অফিসারকে হুমকি দিচ্ছে। কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশ বিরোধী কোনও শ্লোগান উঠলে আমরা সেটা সমর্থন করি না। দিলীপ ঘোষ প্রচারে পিছিয়ে পড়েছেন। একটা বিয়ে করে সবাইকে আউট করে দিয়েছিলেন প্রচার থেকে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্যরা যা শুরু করেছেন তাতে তিনি প্রচারে পিছিয়ে পড়ছেন। তাই এন কে সলিলের মত বক্তব্য বলে প্রচারে ভেসে থাকতে চাইছেন। *কুণাল ঘোষ* বিধানসভা প্রেস কর্ণার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে পুলিশ দিয়ে দিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্ক স্ট্রিটের ওই পরিবারকে। শনিবার মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গিয়েছিলেন, সেখানে যেভাবে ধমক দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গরীব কেউ শখ করে হয় না। ভোটের আগে গরীব বাচ্ছাদের জড়িয়ে ধরে ছবি তুলতে ভাল লাগে। আর ভোটের পর ওই দাপটে সরিয়ে দেওয়া। আমাদের নেত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল(রবিবার) বলার পর সময় হল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর? শনিবারের পর রবিবার ছিল, সোমবার ছিল, কি করলেন। যেই মুহুর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন দায়িত্ব নেবেন তারপরেই পুলিশকে দিয়ে তুলে আনা হল কেন ? কেন সেদিন বলেন নি মুখ্যমন্ত্রী যে তারা দায়িত্ব নিচ্ছেন। মমতাদি বলার পর ঘুম ভাঙলো ? আপনারা একটা অমানবিক কাজ করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানবিক মুখ দেখিয়েছেন। ক্ষমতায় থাকলেও দেখিয়েছেন, না থাকলেও দেখিয়েছেন। সোমবার অত বড় বড় কথা বললেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে বাড়ি থেকে বের হতে না পারে দেখবেন। উনি(শুভেন্দু অধিকারী) তো স্পটে যান না, পুলিশ দিয়ে তুলে আনেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষনার পর চাপে পড়ে। এর মানে একটা জিনিশ প্রমাণিত হল অগ্নি মিত্রা পাল ভুল করেছিলেন। *দ্বিতীয় বিষয়* পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যানার পিছনে নিয়ে গতকাল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটা কথা বললেন যে আপনি যাতে রাস্তায় বের হতে না পারেন সেটা আমি দেখব। এটা চূড়ান্ত নারী বিদ্বেষ। এমন এর আগে কখনও হয়নি যে একজন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিচ্ছেন ! মানবাধিকার কমিশন, মহিলা কমিশন, রাষ্ট্রপতি কোথায়? এটা তো গুণ্ডাদের ভাষা। আসলে আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামলাতে পারছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স তুলে কথা বলছেন কেন ? এটা কোনও কথা! বয়স হচ্ছে বিশ্রাম নিন। মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি *প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে একটা হাঁটার কম্পিটিশন হোক* সারা পৃথিবী দেখুক। এক্সারসাইজ আর হাঁটার প্রতিযোগিতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাগজে কলমে যা বয়স বাস্তবে তার থেকে বয়স অনেকটাই কম। মমতাদির থেকে তো কয়েক বছরের বড় নরেন্দ্র মোদীর আর শুভেন্দু অধিকারী ক্যাম্প করেন অমিত শাহের। *এটা নরেন্দ্র মোদীকে সরানোর জন্য অমিত শাহের ক্যাম্প থেকে করানো হচ্ছে না তো? শুভেন্দু অধিকারী হয়তো চাইছেন অমিত শাহকে প্রোজেক্ট করতে।* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে তো অনেকটাই বড় নরেন্দ্র মোদী, তাই কি নরেন্দ্র মোদী কে সরাতে চাইছেন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বললেন। *২০ সাংসদদের নোটিশ। প্রসঙ্গে* সুপ্রিম কোর্টের বিষয়ে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় সবিস্তারে বলেছেন। আইনটা এতটাই আমাদের পক্ষে যে এই কুড়ি জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল থেকে জেতা, চার তারিখের পর বিজেপির সঙ্গে ঘুরছে, বলছে এনসিপিআই। গোটাটাই আইন বহির্ভূত, নীতি বহির্ভূত। *ছাত্র দিবসের প্রতিষ্ঠা দিবসের স্থান* মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে, তৃণমূল কংগ্রেস সেখানে। ২১ জুলাইয়েও আমরা দেখেছি কোথায় জন জোয়ারে উপচে গিয়েছিল আর কোথায় চেয়ার খালি পড়ে ছিল। বিজেপির গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব, তোলাবাজি থেকে এখন দেখা যাচ্ছে নিজেদের কর্মীকেই খুনের অভিযোগ উঠছে। পুলিশের কোনও ক্ষমতাই নেই। পুলিশ অফিসাররা কাজ করতে পারছেন না। বিধায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন সারারাত তাণ্ডব চলবে, আরেক বিধায়ক থানায় গিয়ে অফিসারকে হুমকি দিচ্ছে। কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশ বিরোধী কোনও শ্লোগান উঠলে আমরা সেটা সমর্থন করি না। দিলীপ ঘোষ প্রচারে পিছিয়ে পড়েছেন। একটা বিয়ে করে সবাইকে আউট করে দিয়েছিলেন প্রচার থেকে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্যরা যা শুরু করেছেন তাতে তিনি প্রচারে পিছিয়ে পড়ছেন। তাই এন কে সলিলের মত বক্তব্য বলে প্রচারে ভেসে থাকতে চাইছেন।
- মসজিদে মাইক বাজানোর প্রসঙ্গে , আরব দেশের প্রসঙ্গ টানলেন পশ্চিমবঙ্গে ধর্মীয় ও জনসমাবেশে তারস্বরে মাইক বা লাউডস্পিকার বাজানো এবং শব্দদূষণ রোধ প্রসঙ্গে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ২০২৬ সালের মে মাসে নবান্নে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের (ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং সমস্ত জেলার এসপি ও সিপি) নিয়ে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই বিষয়ে স্পষ্ট এবং কড়া নির্দেশিকা জারি করেন। শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়েছেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কোনো মন্দির, মসজিদ বা বিশেষ ধর্মীয় স্থানকে আলাদা ছাড় দেওয়া হবে না। আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। শব্দসীমা লঙ্ঘন করলেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক অনুষ্ঠানে নির্ধারিত ডেসিবেল বা শব্দসীমা ছাড়িয়ে জোরে মাইক বা লাউডস্পিকার বাজালে পুলিশকে অবিলম্বে কড়া আইনি পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।1
- Dilip Ghosh’s Exclusive Press Meet: Key Updates, Major Statements and Latest Political Developments Take Centre Stage1
- মানিকতলায় আচমকা বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ে বিপত্তি মানিকতলা ওয়ার্ডস ইনস্টিটিউটের কাছে হঠাৎই ভেঙে পড়ল একটি দোতলা বাড়ির একাংশ। বাড়িটিতে প্রায় ১৫টি ঘর ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই বাড়িটির জরাজীর্ণ অবস্থা নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন বাসিন্দারা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনার সময় বাড়ির উপরের অংশে কয়েকজন ছিলেন। আচমকাই শব্দ হয় বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ে। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও বাড়িটির অন্য একটি অংশ ভেঙে পড়েছিল। তারপরেও বাড়িটির কাঠামোগত পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে দাবি তাঁদের। ফের বাড়ির অংশ ভেঙে পড়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদার। তিনি জানিয়েছেন এখানে নির্দিষ্টভাবে কিছু বাড়িতে বিপদজনক জানানো হয়েছিল তারপরেও বাড়িওয়ালা পাশাপাশি ভাড়াটিয়ার া এবং পাশাপাশি প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেন নি। বাড়ির মালিকের অভিযোগ এই নোটিশ জানার পরে তারা ভাড়াটিয়ার সাথে বারবার যোগাযোগ করার পরেও কোন সৎ উত্তর মেলেনি। অপরদিকে ভাড়াটিয়াদের অভিযোগ তাদের সাথে কোন যোগাযোগ অথবা বিস্তারিত এই নোটিশ সম্পর্কে কিছু জানানোই হয়নি মানিকতলায় আচমকা বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ে বিপত্তি মানিকতলা ওয়ার্ডস ইনস্টিটিউটের কাছে হঠাৎই ভেঙে পড়ল একটি দোতলা বাড়ির একাংশ। বাড়িটিতে প্রায় ১৫টি ঘর ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই বাড়িটির জরাজীর্ণ অবস্থা নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন বাসিন্দারা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনার সময় বাড়ির উপরের অংশে কয়েকজন ছিলেন। আচমকাই শব্দ হয় বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ে। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও বাড়িটির অন্য একটি অংশ ভেঙে পড়েছিল। তারপরেও বাড়িটির কাঠামোগত পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে দাবি তাঁদের। ফের বাড়ির অংশ ভেঙে পড়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদার। তিনি জানিয়েছেন এখানে নির্দিষ্টভাবে কিছু বাড়িতে বিপদজনক জানানো হয়েছিল তারপরেও বাড়িওয়ালা পাশাপাশি ভাড়াটিয়ার া এবং পাশাপাশি প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেন নি। বাড়ির মালিকের অভিযোগ এই নোটিশ জানার পরে তারা ভাড়াটিয়ার সাথে বারবার যোগাযোগ করার পরেও কোন সৎ উত্তর মেলেনি। অপরদিকে ভাড়াটিয়াদের অভিযোগ তাদের সাথে কোন যোগাযোগ অথবা বিস্তারিত এই নোটিশ সম্পর্কে কিছু জানানোই হয়নি1
- রাজ্যে চিনির দাম ঊর্ধ্বমুখী , রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এই নিয়ে কি বলছেন দিলীপ ঘোষ1
- বাজারদর ও খাবারের মান খতিয়ে দেখতে মানবাজারে প্রশাসনের অভিযান।1
- প্রচারে বাজিমাত করেন মোদি। আর সেই মোদি অমিত শার আশীর্বাদ থাকা সত্ত্বেও বিরম্বনায় পড়ছে বঙ্গ বিজেপি। মিডিয়াতে বাড়ছে বিজেপি নেতা মন্ত্রীদের সমালোচনা । মুখের লাগাম নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।1
- অনেক বড় খুশির খবর কেন্দ্র থেকে সুনীল বানসন জিকে মধ্যপ্রদেশ তেলেঙ্গানা উড়িষ্যা এবং পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। শ্রীরামপুর সংগঠনিক জেলা কার্যালয় বিজেপি শ্রীরামপুর মন্ডল১ এস সি মোর্চা সোশ্যাল মিডিয়া পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই🙏4
- উত্তপ্ত বাঁশদ্রোণীতে থানা ঘেরাও কর্মসূচি নেওয়া হলো তৃণমূল উত্তপ্ত বাঁশদ্রোণী! ১১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ, দোষীদের শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ মিছিলবাঁশদ্রোণীতে পার্টি অফিস ভাঙচুর!! আক্রান্ত অনিতা দি সহ সেই অঞ্চলের সভাপতি ছার পেল না ক্যান্সার আক্রান্ত কর্মীটি ও! বাঁশদ্রোণীতে থানা ঘেরাও কর্মসূচি নেওয়া হলো তৃণমূল থেকে।দাবি করা হয়েছে একটি বিশাল বাইক বাহিনী নিয়ে এই কাজ করা হয়েছে।1