এই গল্পটা পড়ার পর চোখ দিয়ে পানি চলে আসছে। মায়েরা সন্তানদের সুখের জন্য সব করতে পারেন। এই গল্পটা পড়ার পর চোখ দিয়ে পানি চলে আসছে। মায়েরা সন্তানদের সুখের জন্য সব করতে পারেন। আজ বলবো তেমন একটা ঘটনা। একজন মায়ের গল্প -তিনি হলেন মেরি অ্যান বেভান যিনি "পৃথিবীর সবচেয়ে কু*শ্রী মহিলা" হিসাবে পরিচিত ছিলেন কিন্তু আপনি তার সমন্ধে জানবেন, তখন আপনি তাকে "পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ব্যক্তি" এবং সুন্দরী মা বলে ডাকবেন। ম্যারি অ্যান অ্যাক্রোমেগালিতে ভু*গ*ছি*লেন, যার কারণে তার মুখের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ছিল এবং মুখ ছিল লম্বা আকৃতির! তার স্বামীর মৃ*/ত্যু*/র পর, ঘরে কোন উপার্জনকারী না থাকায়, ঋণ জমা এবং তার চার সন্তানের আর্থিক চাহিদার কারণে, তিনি অ*প*মা*ন*জ*ন*ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এবং "বিশ্বের সবচেয়ে কু*শ্রী মহিলা" এর আপত্তিকর খেতাব জিতেছিলেন। পরে তাকে একটি সার্কাস পার্টিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। যেখানে তিনি বিভিন্ন শহরে ভ্রমণ করতেন এবং লোকেরা তাকে দেখলেই হাসতো এবং অ*প*মা*ন করতো। মানুষ সন্তানদের জন্য কিনা করতে পারে ভাবুন তো। তিনি তার সন্তানদের লালন-পালন করতে এবং তাদের একটি উন্নতমানের জীবন দেওয়ার জন্য অন্যদের উ*প*হা*স, অ*প*মা*ন রোজ সহ্য করেছিলেন। তিনি 1933 সালে মা*/রা যান। আজ অবধি, সমাজ মানুষকে তাদের শারীরিক গঠনের উপর বিচার করে, আমাদের চোখ যদি দেহের অসুন্দর চেহারার পরিবর্তে তার আত্মা সৌন্দর্য দেখতে পেত, তবে মেরি অ্যান বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা হতেন। আমার চোখে তিনি সবচেয়ে সুন্দর মানুষ এবং মা। মায়েরা কখনও অসুন্দর হয় না।❤️❤️ #abtabalam27 #abtabalam #HumanityFirst #humanity #todaybestphotochallenge #একটুসহায়তা #জান্নাতেরখোঁজে #মানবতার_ডাক
এই গল্পটা পড়ার পর চোখ দিয়ে পানি চলে আসছে। মায়েরা সন্তানদের সুখের জন্য সব করতে পারেন। এই গল্পটা পড়ার পর চোখ দিয়ে পানি চলে আসছে। মায়েরা সন্তানদের সুখের জন্য সব করতে পারেন। আজ বলবো তেমন একটা ঘটনা। একজন মায়ের গল্প -তিনি হলেন মেরি অ্যান বেভান যিনি "পৃথিবীর সবচেয়ে কু*শ্রী মহিলা" হিসাবে পরিচিত ছিলেন কিন্তু আপনি তার সমন্ধে জানবেন, তখন আপনি তাকে "পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ব্যক্তি" এবং সুন্দরী মা বলে ডাকবেন। ম্যারি অ্যান অ্যাক্রোমেগালিতে ভু*গ*ছি*লেন, যার কারণে তার মুখের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ছিল এবং মুখ ছিল লম্বা আকৃতির! তার স্বামীর মৃ*/ত্যু*/র পর, ঘরে কোন উপার্জনকারী না থাকায়, ঋণ জমা এবং তার চার সন্তানের আর্থিক চাহিদার কারণে, তিনি অ*প*মা*ন*জ*ন*ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এবং "বিশ্বের সবচেয়ে কু*শ্রী মহিলা" এর আপত্তিকর খেতাব জিতেছিলেন। পরে তাকে একটি সার্কাস পার্টিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। যেখানে তিনি বিভিন্ন শহরে ভ্রমণ করতেন এবং লোকেরা তাকে দেখলেই হাসতো এবং অ*প*মা*ন করতো। মানুষ সন্তানদের জন্য কিনা করতে পারে ভাবুন তো। তিনি তার সন্তানদের লালন-পালন করতে এবং তাদের একটি উন্নতমানের জীবন দেওয়ার জন্য অন্যদের উ*প*হা*স, অ*প*মা*ন রোজ সহ্য করেছিলেন। তিনি 1933 সালে মা*/রা যান। আজ অবধি, সমাজ মানুষকে তাদের শারীরিক গঠনের উপর বিচার করে, আমাদের চোখ যদি দেহের অসুন্দর চেহারার পরিবর্তে তার আত্মা সৌন্দর্য দেখতে পেত, তবে মেরি অ্যান বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা হতেন। আমার চোখে তিনি সবচেয়ে সুন্দর মানুষ এবং মা। মায়েরা কখনও অসুন্দর হয় না।❤️❤️ #abtabalam27 #abtabalam #HumanityFirst #humanity #todaybestphotochallenge #একটুসহায়তা #জান্নাতেরখোঁজে #মানবতার_ডাক
- ১৫ বছর বয়সে বাবা হারা অন্ধ মাকে নিয়ে কিভাবে কাটছে জীবন ! 😭 #abtabalam27 #abtabalam #humanity #emotional #FamilyLove #viralpost #public #everyoneシ゚1
- গুপ্তিপাড়ার দেশকালীকা তলায় এক্সক্লুসিভ সাংবাদিক চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় WhatsApp 7059664100 Media Centre 97325901041
- বেড়াচাঁপা কুচিয়ামোড়া ফুটবল খেলার মাঠ থেকে সরাসরি পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী ভাইজানের বক্তব্য কেউ যদি জেতার আগে চাল চুরি করে সে তাহলে যে তারপরে কি করবে আপনারাই বলুন #News1
- Post by Memari Update News1
- Post by SUMAN KUMAR DEY1
- Post by Kolkata News Times1
- *ভোটের আগে ‘গ্রাউন্ড জিরো’-তে জেলা শাসক- পুলিশ সুপার! স্পর্শকাতর বুথ সহ এলাকায় পরিদর্শনে জেলা প্রশাসন। ভোটের আগে ‘গ্রাউন্ড জিরো’-তে নেমে পড়ল প্রশাসন। নদিয়া জেলায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৎপরতা এখন তুঙ্গে। লক্ষ্য একটাই— যেন কোনোভাবেই অশান্তি বা সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি না হয়, আর সাধারণ ভোটাররা নির্ভয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। বুধবার সকালে জেলা শাসক শ্রাকন্ত পাল্লী এবং কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার ওয়াইং রঘুবংশীয় একযোগে জেলার একাধিক স্পর্শকাতর বুথ ও অশান্তিপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন। বিশেষ করে কৃষ্ণনগরের নাজিরা পাড়া এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বুথে গিয়ে খতিয়ে দেখা হয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আশপাশের পরিবেশ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি। শুধু পরিদর্শনেই থেমে থাকেননি আধিকারিকরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের সমস্যা, অভিজ্ঞতা এবং উদ্বেগের কথাও শোনেন তাঁরা। এলাকায় কোনো ভয়ভীতি বা রাজনৈতিক চাপ রয়েছে কি না, তা বিস্তারিতভাবে জানার চেষ্টা করা হয়। জেলা শাসক স্পষ্ট জানিয়ে দেন— ভোট দেওয়া প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার, আর সেই অধিকার প্রয়োগে কোনো রকম বাধা বরদাস্ত করা হবে না। অন্যদিকে পুলিশ সুপার আশ্বাস দেন, স্পর্শকাতর বুথগুলিতে বাড়ানো হবে পুলিশ মোতায়েন, টহল এবং নজরদারি। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহায়তাও নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে জেলার সমস্ত বুথকে সুপার সেনসেটিভ, ক্রিটিক্যাল, ভলনারেবল এবং নরমাল— এই চার ভাগে ভাগ করে নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। তবে ভোটের দিন পরিস্থিতি কেমন থাকে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা নদিয়া জেলা।1
- Post by Memari Update News1