বারোকোদালি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩২ নং বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী ফ্লেক্স ও পতাকা ছেড়ার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার বিজেপির । বারোকোদালি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩২ নম্বর বুথকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, তাদের নির্বাচনী ফ্লেক্স ও দলীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে, এবং এই ঘটনার জন্য সরাসরি বিজেপি কর্মীদের দায়ী করা হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এবং দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব দাবি করেছে, পরিকল্পিতভাবেই তাদের প্রচারের সামগ্রী নষ্ট করা হয়েছে যাতে ভোটের আগে সংগঠনের শক্তি দুর্বল করা যায়। তাদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীরাই এই কাজ করেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, বিজেপি এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, তারা এই ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবেই জড়িত নয়। বরং তাদের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঢাকতে বিজেপির উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। বিজেপির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের অভিযোগ রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তারের একটি কৌশল মাত্র। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ধরনের ঘটনা নতুন নয়, তবে বারোকোদালি এলাকার এই ঘটনায় রাজনৈতিক পারদ আরও চড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের তদন্তে ঠিক কী উঠে আসে এবং এই ঘটনায় কারা দোষী প্রমাণিত হয়।
বারোকোদালি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩২ নং বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী ফ্লেক্স ও পতাকা ছেড়ার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার বিজেপির । বারোকোদালি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩২ নম্বর বুথকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, তাদের নির্বাচনী ফ্লেক্স ও দলীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে, এবং এই ঘটনার জন্য সরাসরি বিজেপি কর্মীদের দায়ী করা হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এবং দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব দাবি করেছে, পরিকল্পিতভাবেই তাদের প্রচারের সামগ্রী নষ্ট করা হয়েছে যাতে ভোটের আগে সংগঠনের শক্তি দুর্বল করা যায়। তাদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীরাই এই কাজ করেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, বিজেপি এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, তারা এই ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবেই জড়িত নয়। বরং তাদের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঢাকতে বিজেপির উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। বিজেপির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের অভিযোগ রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তারের একটি কৌশল মাত্র। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ধরনের ঘটনা নতুন নয়, তবে বারোকোদালি এলাকার এই ঘটনায় রাজনৈতিক পারদ আরও চড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের তদন্তে ঠিক কী উঠে আসে এবং এই ঘটনায় কারা দোষী প্রমাণিত হয়।
- বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই কোচবিহারের ভেটাগুড়িতে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন। সোমবার বিকেলে ৬/১৫৮ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য বিপ্লব বর্মন বিজেপি ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। তবে এই যোগদানের প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নাটকীয় এবং চাঞ্চল্যকর। বিপ্লব বর্মনের অভিযোগ, রবিবার গভীর রাতে বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁকে রীতিমতো প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তাঁর দাবি, সেই সময় চরম ভয়-ভীতি দেখিয়ে এবং জোরাজুরি করে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। জোরপূর্বক করানো সেই দলবদলের রেশ কাটতে না কাটতেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পালটা জবাব দিলেন তিনি। সোমবার বিকেলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তিনি তৃণমূলে ছিলেন এবং তৃণমূলের সঙ্গেই থাকবেন।1
- তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ-র গ্রেফতারি আশঙ্কা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়। তিনি দাবি করেন, “উনাকে অনেক আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল।” এই মন্তব্য ঘিরে দিনহাটার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।1
- মাথাভাঙ্গা,মাথাভাঙ্গা হাজরাহাট এলাকায় বিজেপির প্রচার ঘিরে তৃণমূল বিজেপি উত্তেজনা ।বিজেপির অভিযোগ এদিন এলাকায় প্রচারে বেরহোল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা প্রচারে বাধা দেয় এবং মারধর করে বিজেপি কর্মীদের। তৃণমূলের দাবি বিজেপির বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাতৃশক্তি কার্ড বিলি করছে বলছে ৩০০০ টাকা পাবে। পাশাপাশি আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড জেরক্স নিচ্ছে। নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করছে বিজেপি।সেটার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।উল্টে বিজেপির লোকজন তৃণমূল কর্মীকে মারধর করেছে।1
- *উদয়ন গুহরে গ্রেফতারি আশঙ্কা প্রসঙ্গে পাল্টা সুর অজয় রায় “অনেক আগেই গ্রেফতার হওয়া উচিত ছিল”1
- 📍হরিহর দাসের সমর্থনে গোপালপুরে কর্মীসভা তৃণমূল কংগ্রেসের1
- প্রশাসনিক ব্যর্থতার জেরে মাঝপথেই কার্যত থমকে গেল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার কর্মসূচি। অভিযোগ, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাবেই নির্ধারিত রোড শো কর্মসূচি শেষ না করেই ফিরে যেতে বাধ্য হন অভিনেতা-সাংসদ দীপক অধিকারী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলিপুরদুয়ার এলাকায় তৃণমূল প্রার্থী সুমন কাঞ্জিলাল এর সমর্থনে বড়সড় রোড শোয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু শুরু থেকেই বিশৃঙ্খলা, সময়সূচির গরমিল এবং প্রশাসনিক সমন্বয়ের অভাব প্রকট হয়ে ওঠে। অভিযোগ, নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণে কার্যত ভেঙে পড়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা। এর জেরে নির্ধারিত রুট সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের একাংশ সরাসরি প্রশাসনিক ব্যর্থতাকেই দায়ী করেছে। তাদের দাবি, আগাম প্রস্তুতির অভাব এবং স্থানীয় স্তরে সমন্বয়ের ঘাটতির কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে যেমন হতাশা তৈরি হয়েছে, তেমনি কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। এর আগেও অনুরূপ ঘটনার নজির রয়েছে। যেমন পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারে কর্মসূচিতে দেরি ও ব্যবস্থাপনার সমস্যার কারণে দীপক অধিকারী-এর রোড শো মাঝপথে সংক্ষিপ্ত করতে হয়েছিল, যা নিয়ে স্থানীয় স্তরে অসন্তোষ দেখা দেয় । সেই অভিজ্ঞতা থেকেও শিক্ষা নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ রাজনৈতিক মহলের একাংশের। বিরোধীরা অবশ্য এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূলের সংগঠন ও প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের দাবি, বড় মাপের কর্মসূচি সামলানোর সক্ষমতা না থাকায় বারবার এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে এই ধরনের বিশৃঙ্খলা তৃণমূলের ভাবমূর্তিতে ধাক্কা দিতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।1
- গ্রেফতারি আশঙ্কা প্রকাশ উদয়ন গুহর! নিজের মুখেই জানালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী উদয়ন গুহ1
- বিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচনে বিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে মহকুমা প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী উদয়ন গুহ। সোমবার দুপুরে দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী উদয়ন গুহ দিনহাটার মহকুমা শাসক অর্থাৎ রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তৃণমূলের অভিযোগ, নির্বাচনের বিধি ভঙ্গ করে বিজেপি বিভিন্ন জায়গায় অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের নামে ফর্ম ফিলাপ করাচ্ছে। ইতিমধ্যেই দিনহাটা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা ভিলেজ দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় হাতেনাতে তা ধরেছে বলে তৃণমূলের দাবি। কি করে নির্বাচনের আদর্শ আচরণ বিধি চলাকালীন এভাবে ফরম ফিলাপ করতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলের প্রার্থী উদয়ন গুহ। পাশাপাশি এদিন মহাকুমা শাসক দপ্তরে এসে আধিকারিকদের সাথে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের কংগ্রেস প্রার্থী উদয়ন গুহ আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিধানসভা নির্বাচনের মুখে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই এরকম 800 জনের তালিকা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন বলেও তিনি জানান। যার মধ্যে দিনহাটা ও মেখলিগঞ্জ কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থীর নাম রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, গোটা বিষয়টি দলের রাজ্য নেতৃত্ব দেখছে। ইতিমধ্যে হাইকোর্টে এ বিষয় নিয়ে মামলা করা হয়েছে দলের তরফ থেকেও বলে তিনি জানান। স্বাভাবিকভাবেই বিধানসভা নির্বাচনের দুদিন আগেই আবারও আর গরম দিনহাটার রাজনীতি।1