রানাঘাট উপ সংশোধনাগারে অন্ধকার কাহিনি, নিন্ম মানের খাবার, টাকার আমদানি আসামীদের নিজস্ব: সংশোধনাগারের ভেতর টাকার জুলুমবাজি আগেও ছিল। এটা কোন ব্যতিক্রমী ঘটনা নয়। কিন্তু রানাঘাট উপ সংশোধনাগারে জোর জুলুম করে টাকা চাওয়ার ঘটনা সামনে আসছে। কিছু জেল কর্মীর প্রত্যক্ষ মদতে টাকা তুলছে দাগী অপরাধীরা। জেলের ভেতরে গাঁজার রমরমা চলছে। আসামীদের পরিবারের কাছ থেকে সারাদিনে পর্যাপ্ত ঢোকে সিগারেট ও বিড়ি। রানাঘাট উপ সংশোধনাগারের ভেতরে ৬ টি সেল রয়েছে। সমস্ত অপরাধীদের এখানেই ভাগ করে রাখা হয়। সব চেয়ে ভি আই পি সেল ১ ন: সেল। এখানে যারা বেশি টাকা দেয় এবং দীর্ঘদিন সংশোধনাগারে আছে তারা রাজার হালে থাকে।ভালো মন্দ খাওয়া,মোটা শয্যায় রাত্রিবাস করে তারা। বাকিরা থাকে ভিখারির মতো। জানা গেছে রানাঘাট উপ সংশোধনাগারে খাবার সরবরাহ করে আই.সি.ডি.এসের খাদ্য সরবরাহকারী তাপস ঘোষ ওরফে ভাই। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি খাবার সরবরাহ করে চলেছেন। জেল সুপারিন্টেন্ডেন্টের সাথে তার গোপন বোঝাপড়ার অভিযোগ শোনা যাচ্ছে রানাঘাটের আকাশে বাতাসে কান পাতলেই। জেল সুপারিন্টেন্ডেন্ট দেবব্রতবাবুর বিরুদ্ধে সংশোধানাগারের ভেতরেই ক্ষোভ অনেক। কিন্তু ভয়ে কেও কিছু বলতে পারেনা। ইনি আসার পর অপরাধীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবারের মান কমেছে বলে জানা গেছে। সকাল বিকেলে চিনি ছাড়া ১ কাপ চা,সকাল ৮ টায় এক বাটি মুড়ি ও গুড়৷ দুপুরে মোটা চালের ভাত,জলের মতো ডাল ও ছন্নছাড়া সবজি। রাতেও সেই একই মেনু। সপ্তাহে ১ দিন ডিম ও একদিন ২ পিস সেদ্ধ মুরগির মাংস। অথচ যারা টাকা সরবরাহ করে ভেতরে তারা আলাদা মানের খাবার পায়। যে সব অপরাধীর পরিবার দাবি মতো টাকা দিতে পারেনা। তাদের সেলে জাগিয়ে রাখা হয় রাত পাহারার জন্য৷ সকালে সেল পরিস্কার করানো হয়। অনেককে বাথরুম, শৌচাগার ও ড্রেইন পরিস্কার করানো হয়। কোন অপরাধী যদি আদালতে গিয়ে বেফাঁস কিছু বলে ফেলে,তাহলে সংশোধনাগারে ফিরতেই বেধড়ক মার দেওয়া হয়। সমস্ত কাজে জেল পুলিশের একাংশের মদত থাকে। সংশোধনাগারের এক মহিলা পুলিশ কর্মী সমস্ত কাজ নিজের হাতে করেন বলে অভিযোগ। আরো অভিযোগ ৪ ন: সেলের রাইটার(ইনচার্জ) সনম বিশ্বাস ও তার সঙ্গী বিভাস ভদ্র আসামীদের থেকে টাকা কালেকশন করে এমনকি সনমের স্ত্রীর ইউ.পি.আই নাম্বারও দেওয়া হয় আসামীদের পরিবারের কাছে। সেখানেও টাকা চলে আসে। জেল সুপারিন্টেন্ডেন্ট সব জানেন তার মদতেই সব কিছু হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু খাবার সরবরাহকারী তাপস ঘোষের সাথে তার রফার বিস্তারিত আগামী সংখ্যায় বিস্তারিত থাকছে। কেন সুপারিন্টেন্ডেন্ট কোয়ার্টার ছেড়ে তাপস বাবুর আস্তানায় পরে রয়েছেন?(প্রতিকী চিত্র)
রানাঘাট উপ সংশোধনাগারে অন্ধকার কাহিনি, নিন্ম মানের খাবার, টাকার আমদানি আসামীদের নিজস্ব: সংশোধনাগারের ভেতর টাকার জুলুমবাজি আগেও ছিল। এটা কোন ব্যতিক্রমী ঘটনা নয়। কিন্তু রানাঘাট উপ সংশোধনাগারে জোর জুলুম করে টাকা চাওয়ার ঘটনা সামনে আসছে। কিছু জেল কর্মীর প্রত্যক্ষ মদতে টাকা তুলছে দাগী অপরাধীরা। জেলের ভেতরে গাঁজার রমরমা চলছে। আসামীদের পরিবারের কাছ থেকে সারাদিনে পর্যাপ্ত ঢোকে সিগারেট ও বিড়ি। রানাঘাট উপ সংশোধনাগারের ভেতরে ৬ টি সেল রয়েছে। সমস্ত অপরাধীদের এখানেই ভাগ করে রাখা হয়। সব চেয়ে ভি আই পি সেল ১ ন: সেল। এখানে যারা বেশি টাকা দেয় এবং দীর্ঘদিন সংশোধনাগারে আছে তারা রাজার হালে থাকে।ভালো মন্দ খাওয়া,মোটা শয্যায় রাত্রিবাস করে তারা। বাকিরা থাকে ভিখারির মতো। জানা গেছে রানাঘাট উপ সংশোধনাগারে খাবার সরবরাহ করে আই.সি.ডি.এসের খাদ্য সরবরাহকারী তাপস ঘোষ ওরফে ভাই। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি খাবার সরবরাহ করে চলেছেন। জেল সুপারিন্টেন্ডেন্টের সাথে তার গোপন বোঝাপড়ার অভিযোগ শোনা যাচ্ছে রানাঘাটের আকাশে বাতাসে কান পাতলেই। জেল সুপারিন্টেন্ডেন্ট দেবব্রতবাবুর বিরুদ্ধে সংশোধানাগারের ভেতরেই ক্ষোভ অনেক। কিন্তু ভয়ে কেও কিছু বলতে পারেনা। ইনি আসার পর অপরাধীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবারের মান কমেছে বলে জানা গেছে। সকাল বিকেলে চিনি ছাড়া ১ কাপ চা,সকাল ৮ টায় এক বাটি মুড়ি ও গুড়৷ দুপুরে মোটা চালের ভাত,জলের মতো ডাল ও ছন্নছাড়া সবজি। রাতেও সেই একই মেনু। সপ্তাহে ১ দিন ডিম ও একদিন ২ পিস সেদ্ধ মুরগির মাংস। অথচ যারা টাকা সরবরাহ করে ভেতরে তারা আলাদা মানের খাবার পায়। যে সব অপরাধীর পরিবার দাবি মতো টাকা দিতে পারেনা। তাদের সেলে জাগিয়ে রাখা হয় রাত পাহারার জন্য৷ সকালে সেল পরিস্কার করানো হয়। অনেককে বাথরুম, শৌচাগার ও ড্রেইন পরিস্কার করানো হয়। কোন অপরাধী যদি আদালতে গিয়ে বেফাঁস কিছু বলে ফেলে,তাহলে সংশোধনাগারে ফিরতেই বেধড়ক মার দেওয়া হয়। সমস্ত কাজে জেল পুলিশের একাংশের মদত থাকে। সংশোধনাগারের এক মহিলা পুলিশ কর্মী সমস্ত কাজ নিজের হাতে করেন বলে অভিযোগ। আরো অভিযোগ ৪ ন: সেলের রাইটার(ইনচার্জ) সনম বিশ্বাস ও তার সঙ্গী বিভাস ভদ্র আসামীদের থেকে টাকা কালেকশন করে এমনকি সনমের স্ত্রীর ইউ.পি.আই নাম্বারও দেওয়া হয় আসামীদের পরিবারের কাছে। সেখানেও টাকা চলে আসে। জেল সুপারিন্টেন্ডেন্ট সব জানেন তার মদতেই সব কিছু হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু খাবার সরবরাহকারী তাপস ঘোষের সাথে তার রফার বিস্তারিত আগামী সংখ্যায় বিস্তারিত থাকছে। কেন সুপারিন্টেন্ডেন্ট কোয়ার্টার ছেড়ে তাপস বাবুর আস্তানায় পরে রয়েছেন?(প্রতিকী চিত্র)
- মহাদেবের মূর্তি প্রতীষ্ঠা করা হয়েছে গুপ্তিপাড়ায় মহা শিবরাত্রির সন্ধ্যায় একই সঙ্গে গঙ্গা আরতি র আয়োজন করা হয় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী অসীম মাঝি সহ বিশিষ্টজনেরা বলাগড়ের খবর ও বিজ্ঞাপন আমাদের টেলিফোন 70596641001
- কি বলছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র?1
- রাজ কুমার ঘোষ।কালনা। ডিউটিরত অবস্থায় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল কালনা থানার এক পুলিশ কর্মীর। জানা গিয়েছে ধাত্রীগ্রাম নবদ্বীপ মোড় সংলগ্ন এলাকায় গতকাল রাতে ডিউটি করছিলেন কালনা থানার পুলিশ কর্মী বিশ্বজিৎ রায়।তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানার অন্তর্গত বিটরা এলাকায়। নাইট ডিউটিতে তিনি এবং তার আরও সহযোগী পুলিশ কর্মীরা ছিলেন, বাথরুম করার জন্য গাড়ি থেকে নেমে রাস্তা পেরিয়ে অপর সাইডে যাওয়ার পথেই একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা মেরে দেয়। কিছুক্ষণ পর সহকর্মী পুলিশরা তাকে পড়ে থাকতে দেখে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে নিয়ে আসে কালনা মহকুমা হসপিটাল। সেখানে কিছুক্ষণ চিকিৎসা চলার পরই মৃত্যু হয় পুলিশ কর্মী বিশ্বজিৎ রায়ের। ঘটনার পর এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। এ প্রসঙ্গে মৃত ওই পুলিশকর্মীর ছেলে প্রবীর রায় তিনি জানান, আর পাঁচটা দিনের মতনই রাতে ডিউটিতে ছিলেন বাবা, আর সেই সময় একটি গাড়ি ধাক্কাতে এই ঘটনা।1
- নদীয়া, কৃষ্ণনগর: শিবরাত্রি উপলক্ষে, কৃষ্ণনগরে বেশ কয়েকটি শিব দুর্গা পূজা হয়। তবে সেরকম জাকজমকপূর্ণ নয়! সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হবে এই উপলক্ষে। রইল সেরকমই একটি পূজার ভিডিও, আজ বিকালে তোলা। লেখনী, ভিডিওগ্রাফি ও এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- * মাতৃত্বের স্বপ্ন নিয়ে দীর্ঘ দিন অপেক্ষায় ছিলেন শ্রাবনী পাল দত্ত। প্রায় ১১ মাস ৩ দিন ধরে গর্ভবতী অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। কিন্তু সেই অপেক্ষার পরিণতি হলো হৃদয়বিদারক এক শূন্যতা। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় গর্ভকাল অতিক্রম করার পরও চিকিৎসকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও সময়মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। একাধিকবার শারীরিক অস্বস্তি ও উদ্বেগের কথা জানানো হলেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি চিকিৎসক। শেষ পর্যন্ত প্রসবের সময় জানা যায়, গর্ভস্থ সন্তানের গলায় নাভির নাড়ি পেঁচিয়ে গেছে, যার ফলে প্রাণ হারায় অনাগত শিশুটি। এই ঘটনায় ভেঙে পড়েছেন শ্রাবনী দত্ত ও তাঁর পরিবার। পরিবার দাবি করছে, এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং গুরুতর চিকিৎসা গাফিলতির ফল। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে।2
- মায়াপুরে আসছেন অমিত শাহ - থাকছে একাধিক কর্মসূচী!1
- Post by Memari Update News1
- মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গির প্রাদুর্ভাব রোধে মশা নিধনে স্প্রে তেল নিয়ে সাতসকালে মানুষের দুয়ারে জনপ্রতিনিধি। মঙ্গলবার সকালে নিউ বারাকপুর পুরসভার ১১ নং ওয়ার্ডের পুর প্রতিনিধি সুমন কুমার দে মশা মারার তেল স্প্রে নিয়ে হাজির ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকায়। শুধু রাস্তার ড্রেন নয় আবাসন সহ ফাকা বাড়ির ভিতরে ঢুকে স্তূপাকৃতি আবর্জনা জঞ্জালে এবং রাস্তার কালভার্টে ফাক ফোকরে মশার তেল স্প্রে করল ওয়ার্ডের সাফাইকর্মীরা। দাড়িয়ে থেকে সচেতনতা কর্মসূচির তদারকি করলেন ওয়ার্ডের সহ কর্মীদের সাথে নিয়ে জনপ্রিয় পুর প্রতিনিধি সুমন দে। পুর প্রতিনিধি সুমন দে জানান পুরসভার সাফাই অভিযানের পাশাপাশি এই সময় মশার উপদ্রব রুখতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মশা নিধনে তেল স্প্রে করে থাকি রুটিন মাফিক পরিষেবা। কিছুটা হলেও বাড়বাড়ন্ত রোখা সম্ভব বলে ধারণা পুর প্রতিনিধির।3