Shuru
Apke Nagar Ki App…
রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, যদি সরকারি ভ্যাকসিন গ্রহণ না করা হয়, তাহলে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্ত সরাসরি সরকারি ভ্যাকসিন গ্রহণের সঙ্গে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের কার্যক্রমকে যুক্ত করেছে।
SK SANOWAR ALI
রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, যদি সরকারি ভ্যাকসিন গ্রহণ না করা হয়, তাহলে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্ত সরাসরি সরকারি ভ্যাকসিন গ্রহণের সঙ্গে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের কার্যক্রমকে যুক্ত করেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান লাল্টু চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। পদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে চাকরি দেওয়ার নামে তিনি বহু মানুষের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা তুলেছেন বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, শুধু চাকরির নাম করে প্রতারণা নয়, টাকা ফেরত চাইতে গেলে অভিযোগকারীকে মারধরও করা হয়েছে। এই ঘটনায় দাসপুর থানার অভিযোগ দায়ের করেছেন দাসপুরের লাওদা গ্রামের বাসিন্দা রাজকুমার মাইতি। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত তৃণমূল প্রধান লাল্টু চক্রবর্তী উধাও হয়েছেন, এবং গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের প্রধানের চেয়ারটিও ফাঁকা রয়েছে।2
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান লাল্টু চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, পদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি এই অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। দাসপুর থানায় এই সংক্রান্ত একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দাসপুরের লাওদা গ্রামের বাসিন্দা রাজকুমার মাইতি এই অভিযোগ দায়ের করেছেন। রাজকুমার মাইতি জানিয়েছেন যে, তাঁকে হাসপাতালের গ্রুপ ডি পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য মোট ১৪ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা হয়েছিল। এই চুক্তি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বর তিনি অভিযুক্ত প্রধানকে ১ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা দেন। রাজকুমার মাইতির অভিযোগ, পরে যখন তিনি নিজের টাকা ফেরত চাইতে যান, তখন তাঁকে মারধরও করা হয়। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা লাল্টু বাবু নিখোঁজ রয়েছেন। বর্তমানে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের প্রধানের চেয়ারও ফাঁকা।1
- সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার নিহত কর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে দেখা করতে গেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জনতা ঘিরে ধরে। এসময় জনতার সঙ্গে তাঁর চরম ধস্তাদ্ধতি হয়। এই ঘটনা প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া শোনার কথা বলা হয়েছে।1
- পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সৈকত শহর দীঘায় মে মাসে পর্যটকদের ভিড় দেখা গেছে।1
- তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি কড়া রাজনৈতিক মন্তব্য করে অভিযোগ করেছেন যে তাকে 'চোর' স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। একই সাথে তিনি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেছেন যে, তাকে 'নির্লজ্জ দু’কান কাটার মতো' ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ নিতে টিভির পর্দায় দেখা গেছে।1
- বিধানসভা নির্বাচনের পর ঘাটালের মনশুকা তিন নম্বর অঞ্চলে একটি বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উদযাপনের মিছিলে স্থানীয় বিধায়ক শীতল কপাটও পা মেলান এবং অংশগ্রহণ করেন।1
- একটি জনসভা বা কর্মসূচির সময় হঠাৎই বিক্ষোভ ও বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতার একাংশের এই বিক্ষোভের মাঝে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিতে, সেখানে উপস্থিত প্রবীণ সাংবাদিক উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায়কে বুম হাতে সামনে এগিয়ে আসতে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিগুলিতে দাবি করা হচ্ছে যে, উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার অথবা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আড়াল করার চেষ্টা করছিলেন। তবে ঘটনাটি সম্পর্কে বিভিন্ন পক্ষের ভিন্ন ভিন্ন দাবি রয়েছে, যা তুমুল বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কী কারণে এই উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, আদৌ কোনো হামলার চেষ্টা হয়েছিল কি না, এবং সাংবাদিকের ভূমিকা ঠিক কী ছিল—এসব বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এই পুরো ঘটনাটির সঠিক ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য বর্তমানে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।1