রাজ্য বিভাজনের বিরোধিতায় নাটাবাড়ি ও সিতাই কেন্দ্রে মানুষ ভোট দেবে দাবি জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির রাজ্য বিভাজনের ইস্যুকে সামনে রেখেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে নাটাবাড়ি ও সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রে মানুষ রাজ্য বিভাজনের বিরোধিতায় ভোট দেবেন বলেই দাবি করেছেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। তিনি জানান, বাংলাকে ভাগ করার যে কোনও চেষ্টার বিরোধিতা করছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের মানুষের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, নাটাবাড়ি ও সিতাই—এই দুই কেন্দ্রেই ভোটাররা উন্নয়ন ও ঐক্যের পক্ষে রায় দেবেন এবং বিভাজনের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করবেন। অভিজিৎ দে ভৌমিক আরও বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস সবসময়ই রাজ্যের অখণ্ডতা বজায় রাখার পক্ষে। তাই এই ইস্যুতে দল মানুষের পাশে রয়েছে এবং ভোটের ফলেই তার প্রতিফলন দেখা যাবে বলে তিনি আশাবাদী।
রাজ্য বিভাজনের বিরোধিতায় নাটাবাড়ি ও সিতাই কেন্দ্রে মানুষ ভোট দেবে দাবি জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির রাজ্য বিভাজনের ইস্যুকে সামনে রেখেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে নাটাবাড়ি ও সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রে মানুষ রাজ্য বিভাজনের বিরোধিতায় ভোট দেবেন বলেই দাবি করেছেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। তিনি জানান, বাংলাকে ভাগ করার যে কোনও চেষ্টার বিরোধিতা করছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের মানুষের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, নাটাবাড়ি ও সিতাই—এই দুই কেন্দ্রেই ভোটাররা উন্নয়ন ও ঐক্যের পক্ষে রায় দেবেন এবং বিভাজনের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করবেন। অভিজিৎ দে ভৌমিক আরও বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস সবসময়ই রাজ্যের অখণ্ডতা বজায় রাখার পক্ষে। তাই এই ইস্যুতে দল মানুষের পাশে রয়েছে এবং ভোটের ফলেই তার প্রতিফলন দেখা যাবে বলে তিনি আশাবাদী।
- চিলাখানা পশ্চিম পালপাড়া শীতলা পূজা আমরা তুলে ধরলাম1
- ভোটের আবহে কোচবিহার জেলার বিভিন্ন পুলিশ স্টেশন পরিদর্শন করলেন জলপাইগুড়ি রেঞ্জের ডিআইজি অঞ্জলি সিং। এদিন দিনহাটায় এসে তিনি জানান এমসিসির গাইডলাইন অনুযায়ী ভোটারেরা যেন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারে সেই লক্ষ্যেই বিভিন্ন থানায় ভিজিট করা হচ্ছে।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- আলিপুরদুয়ার জেলার বিবেকানন্দ কলেজ সংলগ্ন রাজ্য সড়কে উত্তেজনা ছড়াল স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভে। অভিযোগ, এস আই আর (SIR) প্রক্রিয়ায় একাধিক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এর প্রতিবাদে এদিন রাস্তায় নেমে পথ অবরোধ করেন ক্ষুব্ধ মানুষজন। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই এলাকায় বসবাস করলেও হঠাৎ করেই ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী। দ্রুত নাম পুনর্বহালের আশ্বাস না পেলে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারিও দেন বিক্ষোভকারীরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অবরোধের জেরে রাজ্য সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ বাহিনী এবং প্রশাসনের আধিকারিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালানো হয় এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়। যদিও বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, লিখিতভাবে নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর।1
- Post by Jakir Islam1
- 🛑নয়ারহাট পুঁটিমারিতে শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃনমুল প্রার্থী হরিহর দাসের সমর্থনে সভায় বক্তব্য রাখছেন মাথাভাঙা ১ ব্লক সভাপতি মহেন্দ্র বর্মণ1
- North gopal pur primary school coochbehar 2 no block chola chal Kora khuboi kharap2
- তুফানগঞ্জে নির্বাচনী প্রচারকে ঘিরে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে একটি স্কুলকে কেন্দ্র করে। তুফানগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত বোচামারি হাই স্কুলে পঠন-পাঠন বন্ধ রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তুফানগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে অংশ নিতে অভিনেতা-সাংসদ দীপক অধিকারী (দেব) ওই এলাকায় আসেন। অভিযোগ, তাঁর সভায় যোগ দিতে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা বড় সংখ্যায় জড়ো হন এবং কর্মীদের নিয়ে আসা বাসও স্কুল ক্যাম্পাসের ভিতরে রাখা হয়। এদিকে, অভিভাবকদের একাংশের অভিযোগ—স্কুলের স্বাভাবিক পঠন-পাঠন ব্যাহত করে এই রাজনৈতিক কর্মসূচি করা হয়েছে, যা একেবারেই অনুচিত। তাঁদের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার না করে পড়াশোনার পরিবেশ বজায় রাখা উচিত। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। সিপিএম ও বিজেপির তরফে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করা হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, নির্বাচনী স্বার্থে শিক্ষাঙ্গনকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের অসুবিধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।1