logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

সমগ্র সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে চলছে জাতীয় স্তরের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল থেকে একাধিক সরকারি কাজ দেবার নামে বিরাট ধরণের প্রতারণা চক্র ভারতবাসীর চিকিৎসার জন্যে দেশের একাধিক প্রান্ত জুড়ে রয়েছে অনেক নাম করা সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতাল যার উদ্ধাবোধন করে থাকেন দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী। যেখানে হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই পাওয়া যায় সঠিক চিকিৎসা। কারণ আমাদের ভারতীয় চিকিৎসকরা নিজের পরিবারের মতন করে রোগীর সেবা করেন। সমস্যা কিন্তু এটা নয় সমস্যা হলো দেশের প্রতিটি রাজ্য জুড়েই কিন্তু বেকারত্বের একটা বড় ঘাটতি ছিলো আর থাকবেই । সেই বেকারত্বের কথা মাথায় রেখেই এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার বানিয়ে চলছে রমরমিয়ে জালিয়াতির কারবার। কেমন সেটাই আমাদের "এখন দিগন্ত পত্রিকার" মাধ্যমে আপনাদের কাছে তুলে ধরলাম। যেমন সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেসবুকে প্রচুর ভিন্ন-ভিন্ন কাজের সন্ধান দেবার গ্রুপ রয়েছে তাই বলে কি সব গ্রুপ খারাপ তা তো নয়। আর সেখানেই কর্মখালীর নামে চলেছে প্রতারণা। কেমন করে ? আসুন জানি, কিছুদিনের ধরেই একটা কর্মখালী পোস্ট খুবই ফেসবুকে ভাইরাল হচ্ছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের তথা তার বাইরের রাজ্য গুলিতেও কোনো এক সরকারি জাতীয় স্তরের হাসপাতালের নাম করে প্লামবার, রাজ মিস্তিরি, ড্রাইভার, ল্যাব এটেন্ডেন্ট, লিফ্ট অপারেটর, X-Ray টেকনিশিয়ান, OT টেকনিশিয়ান, ইলেক্ট্রিসিয়ান সহ আরো নানান পদের জন্যে লোক নিয়োগ হচ্ছে। যোগ্যতা ন্যূমনতম অষ্টম শ্রেণী থেকে উচ্চশিক্ষিত প্রার্থীরা এই আবেদন করতে পারবেন। বয়েস হতে হবে ১৮ - ৪০ বছর, মাসিক বেতন ১৫,০০০/- থেকে ৫০,০০০/- পর্যন্ত। আর সাথে দেওয়া রয়েছে একটি ফোন নাম্বার ও একটি হোয়াটস্যাপ গ্রুপ লিংক এবং সেইখানেই হাসপাতাল কিংবা নার্সিংহোমের সরকারী অনুমোদিত লোগো ও নাম প্রতারকদের বানানো ভুয়ো "Jotbiz ও Google" ফর্ম সেখানেও ব্যবহার করা হচ্ছে জাতীয় স্তরের হাসপাতালের লোগো, নাম ও প্রতারকদের নিজের ভুয়ো নাম্বার এবং একটি UPI এর QR কোড তাতেও আবার হাসপাতালের লোগো লাগানো। কি অবাক লাগলো তো, আপনি হলেও তাই করতেন এমন সুন্দর চাকরি পেলে কেউ কি ছেড়ে দেয়, তাই দেরি না করে আপনি বা আপনারা প্রতারকদের যাচাই না করেই ফোন করেন চাকরি পাবার জন্যে এটা স্বাভাবিক। কারণ আপনি কিংবা আমি বেকারত্বের শিকার তাই চাকরিটা পেলে পরিবার ভালো থাকবে। যখন আজ আমি কাজটা করবো বলে বিষয়টি জানবার জন্যে প্রতারককে ফোন করি, সে আমাকে প্রথমেই বলেন আপনার নিজের ফটো দেওয়া জীবনপঞ্জী আর আধার কার্ড, ব্যাংকের তথ্য তাকে পাঠাতে হোয়াটস্যাপে। তারপর তিনি যোগ্যতা যাচাই করে আপনাকে চাকরির পদ নির্বাচন জন্যে ফোন করে কিছুক্ষনের মধ্যে জানাবেন চাকরিটা আপনি পেয়ে গেছেন। কিন্তু শর্ত আপনি যদি যোগ্যব্যাক্তি হন তাহলে মাত্র একটা ছোট্ট রেজিস্ট্রেশন চার্জ ৩৫০/- টাকা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কে দিতে হবে ওই তাঁদের দেওয়া জাল QR কোডের মাধ্যমে যেখানে ব্যবহার করা হয়েছে হাসপাতালের লোগো কিন্তু যখন আপনি তাকে টাকা পাঠাবেন সেখানে দেখাবে একজন ব্যাক্তিগত মানুষের নাম ও তার UPI ID. বিষয়টি বুঝতে পেড়ে প্রতারককে প্রশ্ন করি কেন এমন স্ক্যাম তিনি করছেন ? কারণ আমার জানা আছে সরকারি চাকরির জন্যে রীতিমতো বিজ্ঞপ্তি বের হয় পরীক্ষাতেও বসতে হয়। প্রতারক শুনে বলেন এটা হাসপাতালের ইউনিয়ন থেকে বের করা হয়েছে এই কাজের বিজ্ঞপ্তি। কিছুতেই সে হারমানতে রাজি হয়না সে প্রতারণা করেছে। আমি তখন তাকে বলি কিছুক্ষন ফোনটা ধরুন আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে লাইন নিচ্ছি সেটা শুনতেই সে আমাকে গালিগালাজ দিতে শুরু করে। শেষে আমি তাকে আমার পরিচয় জানাই যে আমি একজন সংবাদিক এই স্ক্যামটি ধরবার জন্যেই তাকে ফোন করি। প্রতারক আমাকে বলেন হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ কে কাজের বিজ্ঞপ্তির জন্যে ফোন করতে যে, এমন কাজ তারা দিচ্ছে কিনা? কারণ তিনি ওই হাসপাতালের নিয়োগ বিভাগের কর্মী। আমি আবারও তাকে বলি সে কেন স্ক্যাম করছেন ? তারপরই সত্যতা যাচাই করতে তার ফোন কেটে আমি ওই জাতীয় স্তরের হাসপাতালের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ কে ফোন করে প্রতারনার বিষয়টি সম্পূর্ণ বিবরণ জানাই। সেটা শুনেই তারা বলেন দীর্ঘ বছর ধরে অর্থাৎ (২০২০) থেকে একাধিক মানুষ তাঁদের অভিযোগ জানিয়েছেন যে, ওই হাসপাতালে কাজ দেবার নাম করে একাধিক প্রতারণাচক্র চলছে। কিন্তু তারা হাফিয়ে গেছে এবং এই বিষয়ে সরকারি দপ্তরের এবং প্রশাসন কে জানানো রয়েছে। কিন্তু কিছুতেই আটকাতে পারছেনা। তখন হাসপাতালের ওই ব্যাক্তির অনুমতি নিয়ে এই খবরটি করতে বাধ্য হই যার কথোপকথন এর রেকর্ডিং রয়েছে এবং প্রতারকের কথোপকথনের রেকর্ডিং ও আমাদের কাছে রয়েছে। এখন একটা প্রশ্ন যদি একদিনে একজন প্রতারক ৩৫০/- টাকা করে ৫০ জন ব্যাক্তিকে কাজ দেবার নাম করে টাকা তোলেন তাহলে হিসেব দাঁড়ায় দিনের শেষে ১৭,৫০০/- টাকা, আর মাসের ইনকাম ৫,২৫০০০/- টাকা আর বছরে ৬৩,০০,০০০/- টাকা। একবার ভেবে দেখেছেন হয়ত এতটা ইনকাম প্রতারকের হয়না, কিন্তু এটাই আবার ভাবায় আমাদের কে । লক্ষ লক্ষ ছেলে-মেয়ে আজ কর্মহীন হয়ে এই প্রতারণার শিকার হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনোরকম আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না প্ররতারকদের বিরুদ্ধে। তাই তারা মনে করছে এইভাবেই স্ক্যাম চালিয়ে যাবে সদৃশ্য ভাবে। তাই বারংবার আমরা আমাদের পত্রিকার মাধ্যমে তুলে ধরছি সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার করার পাশাপাশি সতর্ক থাকতে হবে সকলকে যেন এমন কাজের জন্যে নিজের টাকা-পয়সা খুইয়ে সর্বশান্ত না হতে হয়। তাই আগের থেকেই সতর্ক থাকুন সজাগ থাকুন। আর এই ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হলে তার যোগ্য নথিপত্রর প্রমান সংগ্রহ করে আপনার কাছাকাছি সাইবার ক্রাইম পুলিশ বিভাগ ও আপনার স্থানীয় পুলিশ থানায় অভিযোগ নথিভুক্ত করুন। কিন্তু প্রশাসনের আইনি পদক্ষেপ ভূমিকা নিয়ে সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে তারা কি পারবে এই প্রতারণা চক্র কে আটকাতে যারা আজ হাসপাতালে, মেট্রোতে, রেলে, ব্যাংক সহ আরো ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় চাকরি দেবার নামে জালিয়াতি চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন কি পারবে বেলাগাম ভাবে বাজারে বিক্রি হাওয়া জাল সিমকার্ড বিক্রির চক্রকে ধরতে ? সেইসব নিয়েই প্রশাসনের ওপরে একটা প্রশ্ন চিহ্ন রয়েই গেলো ? এতো জোড় প্রতারক পায় কি করে ? আর কেনইবা প্রতারকরা সরকার অনুমোদিত নাম, লোগো, সহ যাবতীয় তথ্য ব্যবহার করবার সুযোগ পাচ্ছে কোথা থেকে। যার দরুণ সোশ্যাল মিডিয়াতে এই ধরণের ক্রিমিনাল অফেন্স কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তাহলে কি তারা প্রশাসন এর সমস্ত কঠোর আইনি ব্যবস্থা কে উপেক্ষা করেই দুর্নীতি করে যাবে আর প্রশাসন ও কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে নির্বিকার থাকবে। #BreakingNews #Hospitalfourd #fakejob #hospitaljob #Police #WBP #Kolkatapolice #Highlights #Vairalreels #LatestNews #AMISKalyani #PMOINDIA #Cybercrimepolice #governmentofindia #Suprimcourt #Fourdalarts

on 7 March
user_SUMAN KUMAR DEY
SUMAN KUMAR DEY
Local News Reporter Bally Jagachha, Howrah•
on 7 March
35c5a6cf-d18a-4fbb-9abd-85134172b808

সমগ্র সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে চলছে জাতীয় স্তরের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল থেকে একাধিক সরকারি কাজ দেবার নামে বিরাট ধরণের প্রতারণা চক্র ভারতবাসীর চিকিৎসার জন্যে দেশের একাধিক প্রান্ত জুড়ে রয়েছে অনেক নাম করা সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতাল যার উদ্ধাবোধন করে থাকেন দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী। যেখানে হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই পাওয়া যায় সঠিক চিকিৎসা। কারণ আমাদের ভারতীয় চিকিৎসকরা নিজের পরিবারের মতন করে রোগীর সেবা করেন। সমস্যা কিন্তু এটা নয় সমস্যা হলো দেশের প্রতিটি রাজ্য জুড়েই কিন্তু বেকারত্বের একটা বড় ঘাটতি ছিলো আর থাকবেই । সেই বেকারত্বের কথা মাথায় রেখেই এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার বানিয়ে চলছে রমরমিয়ে জালিয়াতির কারবার। কেমন সেটাই আমাদের "এখন দিগন্ত পত্রিকার" মাধ্যমে আপনাদের কাছে তুলে ধরলাম। যেমন সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেসবুকে প্রচুর ভিন্ন-ভিন্ন কাজের সন্ধান দেবার গ্রুপ রয়েছে তাই বলে কি সব গ্রুপ খারাপ তা তো নয়। আর সেখানেই কর্মখালীর নামে চলেছে প্রতারণা। কেমন করে ? আসুন জানি, কিছুদিনের ধরেই একটা কর্মখালী পোস্ট খুবই ফেসবুকে ভাইরাল হচ্ছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের তথা তার বাইরের রাজ্য গুলিতেও কোনো এক সরকারি জাতীয় স্তরের হাসপাতালের নাম করে প্লামবার, রাজ মিস্তিরি, ড্রাইভার, ল্যাব এটেন্ডেন্ট, লিফ্ট অপারেটর, X-Ray টেকনিশিয়ান, OT টেকনিশিয়ান, ইলেক্ট্রিসিয়ান সহ আরো নানান পদের জন্যে লোক নিয়োগ হচ্ছে। যোগ্যতা ন্যূমনতম অষ্টম শ্রেণী থেকে উচ্চশিক্ষিত প্রার্থীরা এই আবেদন করতে পারবেন। বয়েস হতে হবে ১৮ - ৪০ বছর, মাসিক বেতন ১৫,০০০/- থেকে ৫০,০০০/- পর্যন্ত। আর সাথে দেওয়া রয়েছে একটি ফোন নাম্বার ও একটি হোয়াটস্যাপ গ্রুপ লিংক এবং সেইখানেই হাসপাতাল কিংবা নার্সিংহোমের সরকারী অনুমোদিত লোগো ও নাম প্রতারকদের বানানো ভুয়ো "Jotbiz ও Google" ফর্ম সেখানেও ব্যবহার করা হচ্ছে জাতীয় স্তরের হাসপাতালের লোগো, নাম ও প্রতারকদের নিজের ভুয়ো নাম্বার এবং একটি UPI এর QR কোড তাতেও আবার হাসপাতালের লোগো লাগানো। কি অবাক লাগলো তো, আপনি হলেও তাই করতেন এমন সুন্দর চাকরি পেলে কেউ কি ছেড়ে দেয়, তাই দেরি না করে আপনি বা আপনারা প্রতারকদের যাচাই না করেই ফোন করেন চাকরি পাবার জন্যে এটা স্বাভাবিক। কারণ আপনি কিংবা আমি বেকারত্বের শিকার তাই চাকরিটা পেলে পরিবার ভালো থাকবে। যখন আজ আমি কাজটা করবো বলে বিষয়টি জানবার জন্যে প্রতারককে ফোন করি, সে আমাকে প্রথমেই বলেন আপনার নিজের ফটো দেওয়া জীবনপঞ্জী আর আধার কার্ড, ব্যাংকের তথ্য তাকে পাঠাতে হোয়াটস্যাপে। তারপর তিনি যোগ্যতা যাচাই করে আপনাকে চাকরির পদ নির্বাচন জন্যে ফোন করে কিছুক্ষনের মধ্যে জানাবেন চাকরিটা আপনি পেয়ে গেছেন। কিন্তু শর্ত আপনি যদি যোগ্যব্যাক্তি হন তাহলে মাত্র একটা ছোট্ট রেজিস্ট্রেশন চার্জ ৩৫০/- টাকা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কে দিতে হবে ওই তাঁদের দেওয়া জাল QR কোডের মাধ্যমে যেখানে ব্যবহার করা হয়েছে হাসপাতালের লোগো কিন্তু যখন আপনি তাকে টাকা পাঠাবেন সেখানে দেখাবে একজন ব্যাক্তিগত মানুষের নাম ও তার UPI ID. বিষয়টি বুঝতে পেড়ে প্রতারককে প্রশ্ন করি কেন এমন স্ক্যাম তিনি করছেন ? কারণ আমার জানা আছে সরকারি চাকরির জন্যে রীতিমতো বিজ্ঞপ্তি বের হয় পরীক্ষাতেও বসতে হয়। প্রতারক শুনে বলেন এটা হাসপাতালের ইউনিয়ন থেকে বের করা হয়েছে এই কাজের বিজ্ঞপ্তি। কিছুতেই সে হারমানতে রাজি হয়না সে প্রতারণা করেছে। আমি তখন তাকে বলি কিছুক্ষন ফোনটা ধরুন আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে লাইন নিচ্ছি সেটা শুনতেই সে আমাকে গালিগালাজ দিতে শুরু করে। শেষে আমি তাকে আমার পরিচয় জানাই যে আমি একজন সংবাদিক এই স্ক্যামটি ধরবার জন্যেই তাকে ফোন করি। প্রতারক আমাকে বলেন হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ কে কাজের বিজ্ঞপ্তির জন্যে ফোন করতে যে, এমন কাজ তারা দিচ্ছে কিনা? কারণ তিনি ওই হাসপাতালের নিয়োগ বিভাগের কর্মী। আমি আবারও তাকে বলি সে কেন স্ক্যাম করছেন ? তারপরই সত্যতা যাচাই করতে তার ফোন কেটে আমি ওই জাতীয় স্তরের হাসপাতালের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ কে ফোন করে প্রতারনার বিষয়টি সম্পূর্ণ বিবরণ জানাই। সেটা শুনেই তারা বলেন দীর্ঘ বছর ধরে অর্থাৎ (২০২০) থেকে একাধিক মানুষ তাঁদের অভিযোগ জানিয়েছেন যে, ওই হাসপাতালে কাজ দেবার নাম করে একাধিক প্রতারণাচক্র চলছে। কিন্তু তারা হাফিয়ে গেছে এবং এই বিষয়ে সরকারি দপ্তরের এবং প্রশাসন কে জানানো রয়েছে। কিন্তু কিছুতেই আটকাতে পারছেনা। তখন হাসপাতালের ওই ব্যাক্তির অনুমতি নিয়ে এই খবরটি করতে বাধ্য হই যার কথোপকথন এর রেকর্ডিং রয়েছে এবং প্রতারকের কথোপকথনের রেকর্ডিং ও আমাদের কাছে রয়েছে। এখন একটা প্রশ্ন যদি একদিনে একজন প্রতারক ৩৫০/- টাকা করে ৫০ জন ব্যাক্তিকে কাজ দেবার নাম করে টাকা তোলেন তাহলে হিসেব দাঁড়ায় দিনের শেষে ১৭,৫০০/- টাকা, আর মাসের ইনকাম ৫,২৫০০০/- টাকা আর বছরে ৬৩,০০,০০০/- টাকা। একবার ভেবে দেখেছেন হয়ত এতটা ইনকাম প্রতারকের হয়না, কিন্তু এটাই আবার ভাবায় আমাদের কে । লক্ষ লক্ষ ছেলে-মেয়ে আজ কর্মহীন হয়ে এই প্রতারণার শিকার হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনোরকম আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না প্ররতারকদের বিরুদ্ধে। তাই তারা মনে করছে এইভাবেই স্ক্যাম চালিয়ে যাবে সদৃশ্য ভাবে। তাই বারংবার আমরা আমাদের পত্রিকার মাধ্যমে তুলে ধরছি সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার করার পাশাপাশি সতর্ক থাকতে হবে সকলকে যেন এমন কাজের জন্যে নিজের টাকা-পয়সা খুইয়ে সর্বশান্ত না হতে হয়। তাই আগের থেকেই সতর্ক থাকুন সজাগ থাকুন। আর এই ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হলে তার যোগ্য নথিপত্রর প্রমান সংগ্রহ করে আপনার কাছাকাছি সাইবার ক্রাইম পুলিশ বিভাগ ও আপনার স্থানীয় পুলিশ থানায় অভিযোগ নথিভুক্ত করুন। কিন্তু প্রশাসনের আইনি পদক্ষেপ ভূমিকা নিয়ে সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে তারা কি পারবে এই প্রতারণা চক্র কে আটকাতে যারা আজ হাসপাতালে, মেট্রোতে, রেলে, ব্যাংক সহ আরো ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় চাকরি দেবার নামে জালিয়াতি চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন কি পারবে বেলাগাম ভাবে বাজারে বিক্রি হাওয়া জাল সিমকার্ড বিক্রির চক্রকে ধরতে ? সেইসব নিয়েই প্রশাসনের ওপরে একটা প্রশ্ন চিহ্ন রয়েই গেলো ? এতো জোড় প্রতারক পায় কি করে ? আর কেনইবা প্রতারকরা সরকার অনুমোদিত নাম, লোগো, সহ যাবতীয় তথ্য ব্যবহার করবার সুযোগ পাচ্ছে কোথা থেকে। যার দরুণ সোশ্যাল মিডিয়াতে এই ধরণের ক্রিমিনাল অফেন্স কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তাহলে কি তারা প্রশাসন এর সমস্ত কঠোর আইনি ব্যবস্থা কে উপেক্ষা করেই দুর্নীতি করে যাবে আর প্রশাসন ও কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে নির্বিকার থাকবে। #BreakingNews #Hospitalfourd #fakejob #hospitaljob #Police #WBP #Kolkatapolice #Highlights #Vairalreels #LatestNews #AMISKalyani #PMOINDIA #Cybercrimepolice #governmentofindia #Suprimcourt #Fourdalarts

More news from West Bengal and nearby areas
  • Post by Kolkata News Times
    1
    Post by Kolkata News Times
    user_Kolkata News Times
    Kolkata News Times
    Local News Reporter Kolkata, West Bengal•
    10 hrs ago
  • ঠিকই শুনছেন ২ই ঘন্টার জন্যে সুলভ শৌচালয় বন্ধ করে দিয়ে গুটকা খেতে ব্যাস্ত শৌচালয় কর্মী মহিলা। তার হুশ নেই ভেতরে একজন কলেজ পড়ুয়া আটকে রয়েছে। কলেজ পড়ুয়া যখন বাথরুমে করে বেরোতে যাবে আচমকাই দেখে মেন গেট সুলভের তালা বন্ধ করা। মারাত্মক চিন্তায় পরে যায়। দুই ঘন্টা আটকে থাকে ওই শৌচালয়ের ভেতরে। পরে স্থানীয় লোকজনের তৎপরতায় উদ্ধার যুবক। স্থানীয়র অভিযোগ করে কি করে একজন মানুষ কে আটকে রেখে শৌচালয় কর্মী গুটকা খেতে চলে যায়। যদি কোনো বড় বিপদ ঘটত তার দায়িত্ব কার। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয়রা এও অভিযোগ তুলছে যেখান সুলভ শৌচালয়ে সরকারী দপ্তর থেকে নির্দিষ্ট অঙ্কের মূল্য শৌচালয় ব্যবহার করার জন্যে কর্মীদের নিতে বলা হয়েছে তার সেটাই উপেক্ষা করে যেমন ইচ্ছে টাকা দাবি করেন। না দিলে হুমকি দেন মারতেও আসেন ছুটে। এমন কি রেট চার্ট তাও কখন গামছা দিয়ে আবার কখনো স্টিকার মেরে ঢেকে রাখা হয়। আর ঠিক তারপরে চলে জড়জুলুম । তাই এদের জন্যে অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। #Vairalnews #LatestNews #Breakingnews #Highlights #Flowers #kolkata #Westbengale #Crimenews
    1
    ঠিকই শুনছেন ২ই ঘন্টার জন্যে সুলভ শৌচালয় বন্ধ করে দিয়ে গুটকা খেতে ব্যাস্ত শৌচালয় কর্মী মহিলা। তার হুশ নেই ভেতরে একজন কলেজ পড়ুয়া আটকে রয়েছে। কলেজ পড়ুয়া যখন বাথরুমে করে বেরোতে যাবে আচমকাই দেখে মেন গেট সুলভের তালা বন্ধ করা। মারাত্মক চিন্তায় পরে যায়। দুই ঘন্টা আটকে থাকে ওই শৌচালয়ের ভেতরে। পরে স্থানীয় লোকজনের তৎপরতায় উদ্ধার যুবক। স্থানীয়র অভিযোগ করে কি করে একজন মানুষ কে আটকে রেখে শৌচালয় কর্মী গুটকা খেতে চলে যায়। যদি কোনো বড় বিপদ ঘটত তার দায়িত্ব কার। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয়রা এও অভিযোগ তুলছে যেখান সুলভ শৌচালয়ে সরকারী দপ্তর থেকে নির্দিষ্ট অঙ্কের মূল্য শৌচালয় ব্যবহার করার জন্যে কর্মীদের নিতে বলা হয়েছে তার সেটাই  উপেক্ষা করে যেমন ইচ্ছে টাকা দাবি করেন। না দিলে হুমকি দেন মারতেও আসেন ছুটে। এমন কি রেট চার্ট তাও কখন গামছা দিয়ে আবার কখনো স্টিকার মেরে ঢেকে রাখা হয়। আর ঠিক তারপরে চলে জড়জুলুম । তাই এদের জন্যে অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
#Vairalnews #LatestNews #Breakingnews #Highlights 
#Flowers #kolkata #Westbengale #Crimenews
    user_SUMAN KUMAR DEY
    SUMAN KUMAR DEY
    Local News Reporter Bally Jagachha, Howrah•
    20 hrs ago
  • ভোটের প্রচারে বেরিয়ে কি না করেন প্রার্থীরা! কেউ অন্যের রান্নাঘরে ঢুকে রান্না করে দেন, আবার কেউ সেলুনে ঢুকে দাড়ি কেটে দেন। এবার চায়ের দোকানে ঢুকে চা বানালেন সোনারপুর উত্তরের বিধায়ক তথা তৃনমূলের প্রার্থী ফিরদৌসী বেগম।শনিবার বিকালে ভোট প্রচারে বেরিয়ে বোরাল রক্ষিতের মোড়ে একটি চায়ের দোকানে ঢুকে চা বানালেন তিনি। শুধু বানালেন না চা পরিবেশন করলেন তিনি।
    1
    ভোটের প্রচারে বেরিয়ে কি না করেন প্রার্থীরা! কেউ অন্যের রান্নাঘরে ঢুকে রান্না করে দেন, আবার কেউ সেলুনে ঢুকে দাড়ি কেটে দেন। এবার চায়ের দোকানে ঢুকে চা বানালেন সোনারপুর উত্তরের বিধায়ক তথা তৃনমূলের প্রার্থী ফিরদৌসী বেগম।শনিবার বিকালে ভোট প্রচারে বেরিয়ে বোরাল রক্ষিতের মোড়ে একটি চায়ের দোকানে ঢুকে চা বানালেন তিনি। শুধু বানালেন না চা পরিবেশন করলেন তিনি।
    user_BARUIPUR UPDATE
    BARUIPUR UPDATE
    Baruipur, 24 Paraganas South•
    22 min ago
  • সপ্তাহান্তের প্রচারে নামলেন হাওড়ার শ্যামপুরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নদেবাসী জানা। শনিবার সকালে বাছরি গ্রাম পঞ্চায়েতের ভগবতীপুর , মোহনপুরএবং কাঠালদহ এই দুটি গ্রাম টোটো চেপে এলাকায় পরিক্রমা করেন। সবুজ ঘেরা বিস্তীর্ণ ধানক্ষেতের উপর ঢালাই রাস্তার মধ্য দিয়ে সুদৃশ্য মিছিল সকলের নজর কাড়ে। উল্লেখ্য এই কেন্দ্রে অর্থাৎ শ্যামপুরে এবারই প্রথম প্রার্থী বদল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। পাঁচবারের বিধায়ক কালিপদ মণ্ডলকে সরিয়ে নদেবাসী জানাকে এবার প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রচারে ছিলেন হাওড়া জেলা গ্ৰামীন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী মোল্লা,বাছরি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা পঞ্চায়েত প্রধান শ্যামসুন্দর মেটিয়া,দীপ প্রামানিক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    4
    সপ্তাহান্তের প্রচারে নামলেন হাওড়ার শ্যামপুরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নদেবাসী জানা। শনিবার সকালে বাছরি গ্রাম পঞ্চায়েতের ভগবতীপুর , মোহনপুরএবং কাঠালদহ এই দুটি গ্রাম টোটো  চেপে এলাকায় পরিক্রমা করেন।
সবুজ ঘেরা বিস্তীর্ণ ধানক্ষেতের উপর ঢালাই রাস্তার মধ্য দিয়ে সুদৃশ্য মিছিল সকলের নজর কাড়ে। উল্লেখ্য এই কেন্দ্রে অর্থাৎ শ্যামপুরে এবারই প্রথম প্রার্থী বদল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। পাঁচবারের বিধায়ক কালিপদ মণ্ডলকে সরিয়ে নদেবাসী জানাকে এবার প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
প্রচারে ছিলেন হাওড়া জেলা গ্ৰামীন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী মোল্লা,বাছরি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা পঞ্চায়েত প্রধান শ্যামসুন্দর মেটিয়া,দীপ প্রামানিক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    user_Matiar Rahaman, ph7003693038,
    Matiar Rahaman, ph7003693038,
    সাংবাদিক উলুবেড়িয়া ১, হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    1 hr ago
  • বিশ্ব ইতিহাসের এক বর্ণময় চরিত্র তিনি। ছোটবেলায় মা বাবাকে হারিয়ে হাল ছাড়েননি। বারবার নির্বাচনে দাঁড়িয়ে হেরেছেন কিন্তু নিজের উপর বিশ্বাস হারান নি।শেষ পর্যন্ত তিনি হয়ে উঠেছেন সারা বিশ্বের অন্যতম সেরা রাজনীতিবিদ,রাষ্ট্রনায়ক।
    1
    বিশ্ব ইতিহাসের এক বর্ণময় চরিত্র তিনি। ছোটবেলায় মা বাবাকে হারিয়ে হাল ছাড়েননি। বারবার নির্বাচনে দাঁড়িয়ে হেরেছেন কিন্তু নিজের উপর বিশ্বাস হারান নি।শেষ পর্যন্ত তিনি হয়ে উঠেছেন সারা বিশ্বের অন্যতম সেরা রাজনীতিবিদ,রাষ্ট্রনায়ক।
    user_Ashok Paul
    Ashok Paul
    Teacher হাবরা 1, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    3 hrs ago
  • উত্তর ২৪ পরগনার কদমগাছি থেকে সরাসরি দেগঙ্গার বিধানসভার ১২০ ISF ও সংযুক্ত মোর্চার জনসভা উপস্থিত ছিলেন পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী ও দেগঙ্গার সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী মফিদুল হক সাহাজি ( মিন্টু সাহাজি )
    1
    উত্তর ২৪ পরগনার কদমগাছি থেকে সরাসরি দেগঙ্গার বিধানসভার ১২০ ISF ও সংযুক্ত মোর্চার জনসভা
উপস্থিত  ছিলেন পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী ও দেগঙ্গার সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী মফিদুল হক সাহাজি ( মিন্টু সাহাজি )
    user_Jio Tv News
    Jio Tv News
    Barasat - I, 24 Parganas North•
    4 hrs ago
  • ভোটার তালিকায় নাম নেই ক্ষোভে ফুঁসছে উঃ 24 পরগনা জেলার গোবরডাঙ্গা থানার বেড়গুম 1 নং গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষজন
    1
    ভোটার তালিকায় নাম নেই ক্ষোভে ফুঁসছে  উঃ 24 পরগনা জেলার গোবরডাঙ্গা থানার বেড়গুম 1 নং গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষজন
    user_Atmajit Chakraborty
    Atmajit Chakraborty
    Local News Reporter Habra - I, 24 Parganas North•
    6 hrs ago
  • Post by Kolkata News Times
    1
    Post by Kolkata News Times
    user_Kolkata News Times
    Kolkata News Times
    Local News Reporter Kolkata, West Bengal•
    11 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.