চলতি ২০২৬ সালে ভারতীয় রাজনীতির সমীকরণে দ্রুত পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় নিজেদের আধিপত্য সুনিশ্চিত করতে বিজেপি এক আগ্রাসী রণকৌশল গ্রহণ করেছে। সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন বিরোধী দল থেকে ২৫ জন প্রভাবশালী সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দলবদল কেবল সংখ্যাতত্ত্বের লড়াই নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে গেরুয়া শিবিরের সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক পরিকল্পনা। বিজেপির এই তৎপরতার পেছনে কয়েকটি মূল কারণ রয়েছে। প্রথমত, রাজ্যসভায় শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক বিল এবং সংবিধান সংশোধনী বিলগুলো পাস করানো সহজ হবে, যা আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিরোধীদের বাধা দূর করবে। দ্বিতীয়ত, ২০২৬ সালের রাজ্যসভা নির্বাচন এবং বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের ভিত তৈরি করছে। তৃতীয়ত, বিরোধী শিবির থেকে সাংসদদের দলে টেনে বিজেপি 'ইন্ডিয়া' (INDIA) জোটের মনোবল ভাঙার পাশাপাশি তাদের সাংগঠনিক দুর্বলতাকেও প্রকট করে তুলছে। বর্তমানে বিজেপি কেবল পুরনো নেতাদের ওপর নির্ভর না করে বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা অভিজ্ঞ নেতাদের দলে টেনে রাজ্যসভায় একটি শক্তিশালী টিম গঠন করছে। সাম্প্রতিক বাইপোলগুলোতে দলত্যাগী নেতাদের টিকিট প্রদানের মাধ্যমে তারা জয়ের জন্য 'ক্যালকুলেটেড রিস্ক' নিতেও প্রস্তুত। বিজেপির এই ক্রমবর্ধমান দাপটের ফলে রাজ্যসভায় বিরোধীদের কোনো বিল আটকে দেওয়ার ক্ষমতা বা 'ব্লকিং পাওয়ার' হ্রাস পাচ্ছে, যা তাদের জন্য আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিজেপি উচ্চকক্ষকে এখন নীতি নির্ধারণের চূড়ান্ত ক্ষেত্র হিসেবে দেখছে, যা ভারতীয় গণতন্ত্রের জন্য একটি নতুন মোড়। এখন দেখার বিষয়, এটি বিরোধীদের অস্তিত্বের সংকটের ইঙ্গিত কি না, অথবা গেরুয়া শিবির দীর্ঘস্থায়ী একচ্ছত্র আধিপত্যের দিকে এগোচ্ছে কি না।
চলতি ২০২৬ সালে ভারতীয় রাজনীতির সমীকরণে দ্রুত পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় নিজেদের আধিপত্য সুনিশ্চিত করতে বিজেপি এক আগ্রাসী রণকৌশল গ্রহণ করেছে। সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন বিরোধী দল থেকে ২৫ জন প্রভাবশালী সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দলবদল কেবল সংখ্যাতত্ত্বের লড়াই নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে গেরুয়া শিবিরের সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক পরিকল্পনা। বিজেপির এই তৎপরতার পেছনে কয়েকটি মূল কারণ রয়েছে। প্রথমত, রাজ্যসভায় শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক বিল এবং সংবিধান সংশোধনী বিলগুলো পাস করানো সহজ হবে, যা আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিরোধীদের বাধা দূর করবে। দ্বিতীয়ত, ২০২৬ সালের রাজ্যসভা নির্বাচন এবং বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের ভিত তৈরি করছে। তৃতীয়ত, বিরোধী শিবির থেকে সাংসদদের দলে টেনে বিজেপি 'ইন্ডিয়া' (INDIA) জোটের মনোবল ভাঙার পাশাপাশি তাদের সাংগঠনিক দুর্বলতাকেও প্রকট করে তুলছে। বর্তমানে বিজেপি কেবল পুরনো নেতাদের ওপর নির্ভর না করে বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা অভিজ্ঞ নেতাদের দলে টেনে রাজ্যসভায় একটি শক্তিশালী টিম গঠন করছে। সাম্প্রতিক বাইপোলগুলোতে দলত্যাগী নেতাদের টিকিট প্রদানের মাধ্যমে তারা জয়ের জন্য 'ক্যালকুলেটেড রিস্ক' নিতেও প্রস্তুত। বিজেপির এই ক্রমবর্ধমান দাপটের ফলে রাজ্যসভায় বিরোধীদের কোনো বিল আটকে দেওয়ার ক্ষমতা বা 'ব্লকিং পাওয়ার' হ্রাস পাচ্ছে, যা তাদের জন্য আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিজেপি উচ্চকক্ষকে এখন নীতি নির্ধারণের চূড়ান্ত ক্ষেত্র হিসেবে দেখছে, যা ভারতীয় গণতন্ত্রের জন্য একটি নতুন মোড়। এখন দেখার বিষয়, এটি বিরোধীদের অস্তিত্বের সংকটের ইঙ্গিত কি না, অথবা গেরুয়া শিবির দীর্ঘস্থায়ী একচ্ছত্র আধিপত্যের দিকে এগোচ্ছে কি না।
- হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়া ১ ব্লকের মাধবপুর ১ নম্বর বুথ কমিটির পক্ষ থেকে ডক্টর কেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উদযাপন করা হয়েছে।1
- হাওড়ায় শনিবার দুপুরে আবারও চলল বুলডোজার! ফাঁসিতলা মোড় থেকে শুরু করে বিলেলিয়াস রোড জামা মসজিদ পর্যন্ত এলাকায় এই বুলডোজার চালানো হয়েছে।1
- শুক্রবার হাওড়া জেলার বাগনানের দেউলটিতে আয়োজিত এক দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। দলের ডাকা বিশেষ এই কর্মসূচিতে তার উপস্থিতি কর্মীদের মনোবল বাড়িয়ে তুলেছে।1
- অনশন করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বাম নেত্রী দানিশ আলী। অবশেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই তিনি পুনরায় যন্তর মন্তরে ফিরে এসেছেন। জেএনইউএসইউ (JNUSU) ও সিজেপি (CJP) সংশ্লিষ্ট এই বাম নেত্রী অসুস্থতা কাটিয়ে আবারও যন্তর মন্তরের কর্মসূচিতে যোগ দিতে পৌঁছেছেন।1
- সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের উদ্যোগে শিয়ালদহে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছে।1
- উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ সহ কোন কোন জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তা নিয়ে আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার একটি বড় আপডেট সামনে এসেছে। এই আপডেটে আগামী পাঁচ দিনে কোথায় কোথায় অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে, সেই বিষয়ে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।1
- হাওড়ার গঙ্গাধরপুর গ্রামে ৪০০ বছরের প্রাচীন রীতি মেনে কুমির পুজো করা হচ্ছে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল শহরের তিন নম্বর ওয়ার্ডের কেন্দ্রীয় বাস স্ট্যান্ড চত্বরে পারিবারিক অশান্তির জেরে নিজের স্ত্রীর গলায় ছুরি চালিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। ভর সন্ধ্যায় ঘটা এই ঘটনায় স্ত্রী গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় আক্রান্ত হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় ওই মহিলা আক্রান্ত হওয়ার পর রক্তাক্ত অবস্থায় লুকিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় মানুষ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। একই সময়ে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।1