লক্ষীর ভান্ডারের টাকা ঢুকল না বহু অ্যাকাউন্টে, হাবড়া ১ ব্লকে বাড়ছে উদ্বেগ চলতি মাসে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া ১ ব্লকের অধীনে থাকা বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এখনও পর্যন্ত ঢোকেনি লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের টাকা। রাজ্য সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রকল্পের অর্থ প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সময়ে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাওয়ার কথা থাকলেও, এই মাসে অনেকেই সেই টাকা না পাওয়ায় তৈরি হয়েছে উদ্বেগ ও ক্ষোভ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাবড়া ১ ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতের বহু মহিলা উপভোক্তা জানিয়েছেন যে প্রতি মাসে নিয়মিতভাবে টাকা পেলেও মার্চ মাসে এখনও পর্যন্ত তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়েনি। ফলে অনেকেই ব্যাংকে গিয়ে বারবার খোঁজ নিচ্ছেন, কেউ আবার দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বা সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন। উপভোক্তাদের দাবি, সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ চালাতে এই প্রকল্পের টাকার ওপর অনেকটাই নির্ভর করতে হয়। তাই নির্দিষ্ট সময়ে টাকা না ঢোকায় স্বাভাবিকভাবেই সমস্যায় পড়েছেন বহু পরিবার। এদিকে প্রশাসনিক মহলের একটি অংশের মতে, অনেক সময় ব্যাঙ্কের প্রযুক্তিগত সমস্যা, তথ্য যাচাই বা তালিকা হালনাগাদের কারণে টাকা পাঠাতে কিছুটা দেরি হতে পারে। তবে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, ঠিক কী কারণে এই মাসে হাবড়া ১ ব্লকের এত সংখ্যক উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা পৌঁছায়নি? প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত বিষয়টি পরিষ্কার করা হলে উপভোক্তাদের উদ্বেগ অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতিতে উপভোক্তাদের অনেকেই আশা করছেন, খুব শীঘ্রই সমস্যার সমাধান হবে এবং বকেয়া টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। এখন সকলের নজর প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
লক্ষীর ভান্ডারের টাকা ঢুকল না বহু অ্যাকাউন্টে, হাবড়া ১ ব্লকে বাড়ছে উদ্বেগ চলতি মাসে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া ১ ব্লকের অধীনে থাকা বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এখনও পর্যন্ত ঢোকেনি লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের টাকা। রাজ্য সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রকল্পের অর্থ প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সময়ে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাওয়ার কথা থাকলেও, এই মাসে অনেকেই সেই টাকা না পাওয়ায় তৈরি হয়েছে উদ্বেগ ও ক্ষোভ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাবড়া ১ ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতের বহু মহিলা উপভোক্তা জানিয়েছেন যে প্রতি মাসে নিয়মিতভাবে টাকা পেলেও মার্চ মাসে এখনও পর্যন্ত তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়েনি। ফলে অনেকেই ব্যাংকে গিয়ে বারবার খোঁজ নিচ্ছেন, কেউ আবার দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বা সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন। উপভোক্তাদের দাবি, সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ চালাতে এই প্রকল্পের টাকার ওপর অনেকটাই নির্ভর করতে হয়। তাই নির্দিষ্ট সময়ে টাকা না ঢোকায় স্বাভাবিকভাবেই সমস্যায় পড়েছেন বহু পরিবার। এদিকে প্রশাসনিক মহলের একটি অংশের মতে, অনেক সময় ব্যাঙ্কের প্রযুক্তিগত সমস্যা, তথ্য যাচাই বা তালিকা হালনাগাদের কারণে টাকা পাঠাতে কিছুটা দেরি হতে পারে। তবে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, ঠিক কী কারণে এই মাসে হাবড়া ১ ব্লকের এত সংখ্যক উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা পৌঁছায়নি? প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত বিষয়টি পরিষ্কার করা হলে উপভোক্তাদের উদ্বেগ অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতিতে উপভোক্তাদের অনেকেই আশা করছেন, খুব শীঘ্রই সমস্যার সমাধান হবে এবং বকেয়া টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। এখন সকলের নজর প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
- উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবড়া ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত মছলন্দপুর এলাকায় প্রতিদিন সকাল হলেই দেখা যায় চরম যানজটের চিত্র। গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকাটি ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন হওয়ায় প্রতিদিন বহু মানুষ ও যানবাহনের যাতায়াত ঘটে। ফলে সকাল থেকে শুরু হয় দীর্ঘ যানজট, যা ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে। মছলন্দপুরের তিন রাস্তার মোড় এই সমস্যার মূল কেন্দ্রবিন্দু। এখানেই মিলিত হয়েছে মছলন্দপুর–তেতুলিয়া রোড এবং মছলন্দপুর–মগরা রোড। পাশাপাশি স্থানীয় বাজার, স্কুল, অফিসগামী মানুষ এবং সীমান্তবর্তী এলাকার ব্যবসায়িক যানবাহনের চাপ এই মোড়টিকে আরও ব্যস্ত করে তোলে। সকালবেলা অফিস ও স্কুলের সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ পড়তেই কয়েক মিনিটের মধ্যে রাস্তাজুড়ে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিদিন এই যানজটের কারণে চরম সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অফিসগামী কর্মী—সবারই সময় নষ্ট হয় এই রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে। অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি পরিষেবার গাড়িও আটকে পড়ে এই যানজটে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তোলে। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যার সমাধানের দাবি জানানো হলেও এখনও স্থায়ী কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থায়ী পুলিশ মোতায়েন, রাস্তার সম্প্রসারণ কিংবা বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করলে এই সমস্যার অনেকটাই সমাধান হতে পারে বলে মত স্থানীয়দের। সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হওয়ায় মছলন্দপুর তিন রাস্তার মোড়ে প্রতিদিনের এই যানজট এখন নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগ না নিলে আগামী দিনে এই সমস্যার তীব্রতা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।1
- Post by MR KOUSHIK DEBNATH1
- ইসরাইলের গোয়েন্দা গুলো যারা গোপনে ইরানে বসে ড্রোন তৈরি করেছিল1
- মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বড়জোর কলকাতার রাস্তায় তিন মিনিটে গিয়েছে এয়ারপোর্ট থেকে বাম মহিলা ও অন্যান্য কর্মীদের কালো পত বিক্ষোভের মুখে পড়তে হলেও কমিশনারের সাংবিধানিক দায়িত্ব ভুলে রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করতে এ রাজ্যের ৬৮ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে ভোটার তালিকা থেকে কমিশনারকে জবাব দিতে হবে সবার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে নইলে ভোট ঘোষণা করা যাবে না1
- হুগলি জেলা পুনে ইজতেমা INDIA 🇮🇳🫂🥰🥰4
- ফুরফুরা শরীফ ঈসালে সোয়াব তৃতীয় দিনের লোকের সমাগম প্রচুর লোকের সমাগম1
- গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগ এবং নৈহাটি থানার পুলিশের যৌথ উদ্যোগে গভির রাতে আর বি সি রোড গৌরীপুর চৌমাথা এলাকায় হানা দিয়ে সেখান থেকে ৩৬ বছরের মনোজ পাশওয়ান ওরফে মার্কো নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে এবং তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১৪৩ লিটার দেশী এবং বিদেশী মদ এবং নগদ কুড়ি হাজার টাকা। অভিযুক্তকে ব্যারাকপুর আদলাতে পাঠালো নৈহাটি থানার পুলিশ। তবে কি কারণে তার কাছে এত লিটার মদ মজুদ ছিল তার তদন্ত শুরু করেছে গোয়েন্দা বিভাগের পাশাপাশি থানার পুলিশ।3
- তোমার ভিডিও1