Shuru
Apke Nagar Ki App…
পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ গবাদি পশু পাচার রুখতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৮৫টি পশু উদ্ধার করেছে এবং ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই অভিযানে পাচারে ব্যবহৃত ৬টি বড় ও মাঝারি যানবাহনও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পাশাপাশি পুলিশ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এই ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
Sujit dutta
পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ গবাদি পশু পাচার রুখতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৮৫টি পশু উদ্ধার করেছে এবং ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই অভিযানে পাচারে ব্যবহৃত ৬টি বড় ও মাঝারি যানবাহনও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পাশাপাশি পুলিশ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এই ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
- GANESH GHOSHGalsi - I, Purba Bardhamanjay shee ramon 17 May
- User4618West Bengal😡on 16 May
- User4618West Bengal😡on 16 May
- User4618West Bengal😡on 16 May
- User4618West Bengal😡on 16 May
- User4618West Bengal😡on 16 May
- User4618West Bengal😡on 16 May
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- নাকাশিপাড়ায় অঞ্চল তৃণমূল সভাপতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি ধনঞ্জয়পুর তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীও। গ্রেফতারের পর পুলিশ তাকে আদালতে পাঠিয়েছে।1
- নদিয়া জেলার নবদ্বীপে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে একটি তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয় ও সংলগ্ন বাড়ি থেকে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। নবদ্বীপ পৌরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্ণকালীতলা এলাকার এই কার্যালয় ভেঙে দেওয়ার পর সেখান থেকে সরকারি ত্রাণের ত্রিপল এবং সাদা থান কাপড় উদ্ধার হয়। একইসাথে, স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখলে থাকা একটি বাড়িও প্রশাসনের উদ্যোগে দখলমুক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার সকাল থেকেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এবং বহু মানুষ ভিড় জমান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। স্থানীয়দের একাংশ অভিযোগ করেন, এই সরকারি সামগ্রী দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো হয়নি। যে বাড়িটি দখল করে দলীয় কার্যালয় চালানোর অভিযোগ উঠেছে, তার অন্যতম মালিক চিকিৎসক ডা. সুদীপ্ত সরকার বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তাঁর মতে, এটি তাঁদের প্রায় অর্ধশতাব্দী প্রাচীন পৈতৃক সম্পত্তি এবং যৌথ পারিবারিক মালিকানার অধীনে। ডা. সরকার জানান, কর্মসূত্রে দীর্ঘ সময় নবদ্বীপের বাইরে থাকার সুযোগে সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ তৈরি হয়। তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৬ সালের দিকে কোনো লিখিত অনুমতি বা সম্মতি ছাড়াই তাঁর বাড়ির একাংশে একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয় চালু করা হয়। সেই সময় বিভিন্ন চাপ ও ভয়ভীতির কারণে তিনি কার্যকরভাবে প্রতিবাদ করতে পারেননি এবং নিজের বাড়িতে স্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করতেও পারেননি, ফলে তাঁর সম্পত্তির অধিকার খর্ব হয়েছিল। তিনি রাজনৈতিক প্রতিশোধ নয়, বরং নিজের পৈতৃক সম্পত্তির অধিকার ফিরে পেতে চান। এই ঘটনার জেরে উত্তেজনা শুধু দলীয় কার্যালয় ঘিরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ক্ষুব্ধ জনতার একাংশ ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গোষ্ঠ ভট্টাচার্যের বাড়ির সামনেও বিক্ষোভ দেখায় এবং অভিযোগ অনুযায়ী, বাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়া হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে। কাউন্সিলরের পরিবারের সদস্যরা পাল্টা দাবি করেন যে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিজেপি সমর্থকরা তাঁদের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, বাড়ির মহিলারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং পুলিশ তাঁদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। কাউন্সিলরের পরিবারের আরও দাবি, বাড়ি দখলের অভিযোগ প্রসঙ্গে পরিবারের সকল সদস্য অবগত ছিলেন না। অন্যদিকে, এলাকার বহু বাসিন্দা কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ উগরে দেন, যেখানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, সরকারি পরিষেবা প্রদানে অনীহা এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমি-বাড়ি দখলের মতো অভিযোগ ওঠে। যদিও এসব অভিযোগের পক্ষে এখনও কোনো সরকারি নথি বা প্রশাসনিক রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসেনি, তবে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মানুষ নির্ভয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছে। উল্লেখ্য, মাত্র একদিন আগেই নবদ্বীপ পৌরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই নবদ্বীপের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এমনিতেই উত্তপ্ত ছিল। তার মধ্যেই এই দলীয় কার্যালয় ভেঙে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনা নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। প্রশাসনের তরফে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর উৎস, সংরক্ষণের কারণ এবং এর জন্য কারা দায়ী, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই তদন্তের অগ্রগতির উপর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের নজর রয়েছে। বর্তমানে এলাকায় পুলিশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং গোটা ঘটনা ঘিরে নবদ্বীপের রাজনৈতিক পারদ আরও চড়েছে।1
- পৃথিবীর ইতিহাসে এমন এক বিস্ময়কর ঘটনা ঘটেছিল যখন ক্যালেন্ডার থেকে হঠাৎ করে ১২ দিন উধাও হয়ে যায়। মানুষ একদিন ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখে যে তাদের ক্যালেন্ডার থেকে যেন অনেকগুলো দিন হারিয়ে গেছে। এই ১২ দিন উধাও হয়ে যাওয়ার আসল রহস্য কী ছিল, তা আজও এক প্রশ্ন।1
- মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের রাজধানী ছিল কৃষ্ণনগর, যার রাজবাড়ীকে ঘিরে এক বিশাল দীঘি অবস্থিত। কৃষ্ণনগরের বাসিন্দাদের কাছে এটি রাজদীঘি নামেই পরিচিত। কথিত আছে যে এই দীঘি জলঙ্গী নদীর সাথে সংযুক্ত ছিল, এবং মহারাজা স্বয়ং এই জলপথ ব্যবহার করে রাজকার্যে এবং রাজ্য ভ্রমণে যেতেন। এই রাজদীঘি আজও মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের স্মৃতি বহন করে চলেছে, যা তাঁর শাসনামলের এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।1
- শনিবার বিকেলে মুর্শিদাবাদের সালারে এক সুবিশাল প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেয় সিপিআইএম। হকার উচ্ছেদের তীব্র বিরোধিতা, বিজেপি সরকারের অন্নপূর্ণা প্রকল্পের বারো পাতার ফর্মে অতিরিক্ত পারিবারিক তথ্য সংগ্রহের প্রতিবাদ এবং দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে এই কর্মসূচি পালিত হয়। সালার সিপিআইএম কার্যালয় থেকে একটি সুবিশাল 'সুবিচার মিছিল' বের হয়ে এলাকার প্রধান প্রধান রাস্তা পরিক্রমা করে এবং শেষে সালার পুরাতন বাসস্টপেজে সমবেত হয়। এই কর্মসূচির মূল আকর্ষণ ছিল সিপিআইএমের শাখা সংগঠন সিআইটিইউ (CITU)-এর একটি পুরনো কার্যালয় পুনরুদ্ধার, যা বিগত শাসকদলের দ্বারা প্রায় ১৪ বছর ধরে তালাবদ্ধ ছিল। মিছিল শেষে সিপিআইএমের শীর্ষ নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেই বন্ধ অফিসের তালা খুলে কার্যালয়টি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন এবং সেখানে লাল পতাকা উত্তোলন করেন। ভরতপুর ২ নম্বর ব্লকের সিপিআইএমের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটে। এই প্রতিবাদী কর্মসূচি ও দলীয় কার্যালয় উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা সালার এলাকায় ব্যাপক রাজনৈতিক আলোড়ন ও উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।1
- পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক চট্টোপাধ্যায়ের পূর্বস্থলীর বাড়ি থেকে রবিবার সাতসকালে সরকারি ত্রিপল, ফুটবল ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে রাজ্য পুলিশ এই তল্লাশি অভিযান চালায়, যেখানে বেশ কিছু সরকারি ত্রিপল এবং বাচ্চাদের খেলার ফুটবলসহ অন্যান্য জিনিসপত্র পাওয়া যায়। এই ঘটনার পর পুলিশ প্রাক্তন বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। তাকে গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার সময় উপস্থিত জনতা তাকে ঘিরে 'চোর চোর' স্লোগান দিতে শুরু করে। তবে, ঠিক কত পরিমাণ ত্রিপল, ফুটবল বা অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।1
- আজ হুগলিতে তীব্র জনরোষের মুখে পড়ে প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন। তিনি একটি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে ওখানকার চণ্ডীতলা থানায় যাচ্ছিলেন। পথেই উত্তেজিত জনতা তাঁকে কালো পতাকা দেখায় এবং 'চোর-চোর' স্লোগান দিতে শুরু করে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সাংসদের উপর হামলা চালানো হয়, যার ফলে তিনি মাথায় হাত দিয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে নিরাপত্তারক্ষী ও সহকারীরা তাঁকে উদ্ধার করেন। এই ঘটনার সময়ের একটি সংগৃহীত ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে, যার লেখনী ও ভিডিও এডিটিং করেছেন অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1