আজকের দিনে ইন্টারনেট বা যেকোনো অ্যাপে জন্ম তারিখ দিলেই যে সাধারণ ফলাফল সামনে আসে, তা জীবনের সুনির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান দিতে ব্যর্থ। কর্মজীবনের বাধা, পারিবারিক অশান্তি বা মানসিক অস্থিরতার সঠিক কারণ জানতে এবং তার প্রতিকার পেতে ভারতের অন্যতম বিশ্বস্ত বৈদিক জ্যোতিষ কেন্দ্র MyAstrology তাদের প্রিমিয়াম এআই কুষ্ঠি রিপোর্ট নিয়ে এসেছে। MyAstrology-এর কুণ্ডলী রিপোর্টের বিশেষত্ব হলো এর নিখুঁত গাণিতিক গণনা, যা লাহিড়ী অয়নাংশ এবং VSOP87 মডেলের মাধ্যমে গ্রহের ডিগ্রি ও বল সুনির্দিষ্টভাবে পরিমাপ করে। এটি প্র্যাকটিক্যাল কে.পি. পদ্ধতি ব্যবহার করে জীবনের শুভ বা অশুভ ঘটনার সঠিক তারিখভিত্তিক টাইমলাইন প্রদান করে। এছাড়াও, ক্ষণ্ণাড়ী ও সর্বতোভদ্র চক্রের মাধ্যমে শরীর ও মনকে চারপাশের সমস্ত নেতিবাচক শক্তি বা গোপন শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য বিশেষ গাইডলাইন দেওয়া হয়। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ডঃ প্রদ্যুৎ আচার্যের (PhD, Vedic Jyotish) ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধানে এবং সঠিক প্রতিকার পরামর্শ সহ পরিচালিত হয়। কম্পিউটারের যান্ত্রিক মায়াজাল এড়িয়ে নিজের জীবনের জন্য সম্পূর্ণ ব্যক্তিগতকৃত ও নির্ভুল একটি গাইডবুক তৈরি করতে এই প্রিমিয়াম এআই রিপোর্ট মাত্র ৫০০/- টাকা থেকে শুরু হচ্ছে। সরাসরি ডঃ আচার্যের সাথে ফোনে কথা বলার জন্য বিশেষ কল কনসালটেশনও বুক করা যায়। MyAstrology বিশ্বাস করে যে, ললাটের লিখন হয়তো বদলানো যায় না, কিন্তু সঠিক সময়ে সঠিক নির্দেশনায় জীবনের সমস্ত বাধা কাটিয়ে সাফল্যের পথ সুগম করা সম্ভব। বুকিং নিশ্চিত করতে myastrology.in-এ যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আজকের দিনে ইন্টারনেট বা যেকোনো অ্যাপে জন্ম তারিখ দিলেই যে সাধারণ ফলাফল সামনে আসে, তা জীবনের সুনির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান দিতে ব্যর্থ। কর্মজীবনের বাধা, পারিবারিক অশান্তি বা মানসিক অস্থিরতার সঠিক কারণ জানতে এবং তার প্রতিকার পেতে ভারতের অন্যতম বিশ্বস্ত বৈদিক জ্যোতিষ কেন্দ্র MyAstrology তাদের প্রিমিয়াম এআই কুষ্ঠি রিপোর্ট নিয়ে এসেছে। MyAstrology-এর কুণ্ডলী রিপোর্টের বিশেষত্ব হলো এর নিখুঁত গাণিতিক গণনা, যা লাহিড়ী অয়নাংশ এবং VSOP87 মডেলের মাধ্যমে গ্রহের ডিগ্রি ও বল সুনির্দিষ্টভাবে পরিমাপ করে। এটি প্র্যাকটিক্যাল কে.পি. পদ্ধতি ব্যবহার করে জীবনের শুভ বা অশুভ ঘটনার সঠিক তারিখভিত্তিক টাইমলাইন প্রদান করে। এছাড়াও, ক্ষণ্ণাড়ী ও সর্বতোভদ্র চক্রের মাধ্যমে শরীর ও মনকে চারপাশের সমস্ত নেতিবাচক শক্তি বা গোপন শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য বিশেষ গাইডলাইন দেওয়া হয়। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ডঃ প্রদ্যুৎ আচার্যের (PhD, Vedic Jyotish) ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধানে এবং সঠিক প্রতিকার পরামর্শ সহ পরিচালিত হয়। কম্পিউটারের যান্ত্রিক মায়াজাল এড়িয়ে নিজের জীবনের জন্য সম্পূর্ণ ব্যক্তিগতকৃত ও নির্ভুল একটি গাইডবুক তৈরি করতে এই প্রিমিয়াম এআই রিপোর্ট মাত্র ৫০০/- টাকা থেকে শুরু হচ্ছে। সরাসরি ডঃ আচার্যের সাথে ফোনে কথা বলার জন্য বিশেষ কল কনসালটেশনও বুক করা যায়। MyAstrology বিশ্বাস করে যে, ললাটের লিখন হয়তো বদলানো যায় না, কিন্তু সঠিক সময়ে সঠিক নির্দেশনায় জীবনের সমস্ত বাধা কাটিয়ে সাফল্যের পথ সুগম করা সম্ভব। বুকিং নিশ্চিত করতে myastrology.in-এ যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
- পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার গুপ্তিপাড়ায় একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে একটি বিশেষ গ্রামসভায় উন্নয়নের হিসাব চাওয়ার কয়েকদিন পরেই ঢালাই রাস্তার জন্য তৈরি উন্নয়ন ফলক থেকে লেখা মুছে দেওয়া হয়েছে। এই ফলকে ঢালাই রাস্তার নির্মাণে কত টাকা খরচ হয়েছে, সেই সংক্রান্ত তথ্য লেখা ছিল, যা মুছে ফেলার ফলে এখন খরচের বিস্তারিত বিবরণ বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।1
- আজ ২১শে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষ্যে কালনার মন্তেশ্বর সাগর বালা উচ্চ বিদ্যালয়ের ফুটবল ময়দানে এক বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সারা ভারতজুড়ে পালিত হচ্ছে এই বিশেষ দিনটি, আর তারই অংশ হিসেবে মন্তেশ্বরেও মহাসমারোহে এই দিবস পালন করা হয়। ২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জি কর্তৃক এই দিনটি আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে স্বীকৃত পাওয়ার পর থেকে প্রতি বছরই ২১শে জুন তারিখটি যোগ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এই বছর মন্তেশ্বরের যুবসমাজের উদ্যোগে সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এই যোগ দিবসের আয়োজন করা হয়, যেখানে বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীসহ বহু সাধারণ মানুষ যোগ দেন। অনুষ্ঠানে মন্তেশ্বর থানার আইসি সোমনাথ ভট্টাচার্য, বিডিও কেশব দাস, বি এল আর ও সৌম্যজিৎ ব্যানার্জি সহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।1
- বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে সারা দেশব্যাপী বিভিন্ন স্থানে যোগ দিবস উদযাপিত হচ্ছে। এই উপলক্ষে, নদীয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কৃষ্ণনগর ডি এল রায় জেলা স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠান মহা সমারোহে অনুষ্ঠিত হলো।1
- কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ১৮/০৬/২৬ তারিখে চায়না নন্দী এই মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগ উঠেছে যে মহুয়া মৈত্র ডিম-টমেটো হাতে থাকা বিক্ষোভকারীদের অপমান করেছেন। মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, মহুয়া মৈত্র হিন্দুদের বোরখা পরতে বলে তাদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হেনেছেন। এছাড়াও, হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের নাম উল্লেখ করে তিনি ভীতি প্রদর্শন করেছেন বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে। এই ঘটনার সাথে সম্পর্কিত বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে মহুয়া মৈত্রের বলা একটি ভিডিও এই সংবাদ প্রকাশের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে, যা সংগৃহীত। এই লেখনী ও ভিডিও সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- একটি ছবি পাওয়া গেছে যেখানে জগবেশকে একটি ঢালাই গাড়ি থেকে মাল নামাতে দেখা যাচ্ছে। একই ছবিতে টাটা সিমেন্ট মিক্সারের পাশে “GAMER MODE ON” লেখা টি-শার্ট পরা একজন ব্যক্তিও দাঁড়িয়ে আছেন। মিস্টার জবা বর্মন কর্তৃক প্রাপ্ত এই ছবিটির বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ জানতে চাওয়া হয়েছে। পোস্টটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে যে, ছবিটির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা হবে কিনা, অর্থাৎ ট্রাক এবং ওই ব্যক্তিকে ছবি থেকে আলাদা করা হবে কিনা। দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে শুরু (Shuru) বা ইউটিউবের জন্য প্রয়োজনীয় ট্যাগ ও টাইটেল তৈরি করার কথা বলা হয়েছে। তৃতীয়ত, “Online Life Time.O.L.S” লোগো ব্যবহার করে একটি থাম্বনেইল বানানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে, যিনি সিদ্ধান্ত জানাবেন, তার নির্দেশ অনুযায়ী উল্লিখিত কাজগুলির মধ্যে যেকোনো একটি সম্পন্ন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।1
- ধুপড়ি থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, বাড়ি থেকে বেরা এবং জাংগিয়া চুরির একটি অদ্ভুত ঘটনা সবাইকে অবাক করেছে। এই রহস্যময় চুরির ঘটনায় অবশেষে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ধরা পড়েছে। যে ব্যক্তি এই চুরি করেছেন, তার মুখ থেকে জেনে নেওয়া হচ্ছে তিনি কী বলতে চান।1
- মধ্যমগ্রাম পৌরসভার রাস্তার ওপর খোলা জায়গায় নিয়মিতভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। এর ফলে প্রতিদিন এই পথ দিয়ে যাতায়াতকারী হাজার হাজার মানুষ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।2
- পশ্চিমবঙ্গ দিবসের শুভক্ষণে তারকেশ্বরের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গৌরবময় উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে বিশেষ সমৃদ্ধি প্রদান করেছে। এই আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী সহ বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সময় প্রধানমন্ত্রীকে বাবা তারকনাথের একটি ছবি, দুর্গা ঠাকুরের একটি প্রতিকৃতি এবং মিষ্টান্ন উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলায় প্রশ্ন করেন, "কেমন লাগছে? এই পরিবর্তন"। তাঁর এই সোজাসাপ্টা কথোপকথন এবং উপস্থিতি সমগ্র তারকেশ্বরকে একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা দিয়েছে।1