Shuru
Apke Nagar Ki App…
মাথাভাঙ্গা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক মঙ্গলকামনায় পুজো দিলেন মাথাভাঙ্গা মদন মোহন মন্দিরে মাথাভাঙ্গা,আগামীকাল বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা।ফল ঘোষণার আগের দিন রবিবার সন্ধ্যায় মাথাভাঙ্গা শিবমন্দির ও মদন মোহন মন্দির সহ বিভিন্ন মন্দিরে পূজা দিলেন মাথাভাঙ্গা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক।পূজা দিয়ে মাথাভাঙ্গা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামানিক সকলের মঙ্গল কামনায় পূজা দিলেন।বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। বাংলায় নতুন সূর্যোদয় হবে ।সাধারণ মানুষের মঙ্গল কামনায় এবং রাজনীতির ঊর্ধ্বে সকল মানুষ যেনো ভালো থাকে তাই পূজা দেওয়া।
Rajesh Das
মাথাভাঙ্গা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক মঙ্গলকামনায় পুজো দিলেন মাথাভাঙ্গা মদন মোহন মন্দিরে মাথাভাঙ্গা,আগামীকাল বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা।ফল ঘোষণার আগের দিন রবিবার সন্ধ্যায় মাথাভাঙ্গা শিবমন্দির ও মদন মোহন মন্দির সহ বিভিন্ন মন্দিরে পূজা দিলেন মাথাভাঙ্গা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক।পূজা দিয়ে মাথাভাঙ্গা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামানিক সকলের মঙ্গল কামনায় পূজা দিলেন।বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। বাংলায় নতুন সূর্যোদয় হবে ।সাধারণ মানুষের মঙ্গল কামনায় এবং রাজনীতির ঊর্ধ্বে সকল মানুষ যেনো ভালো থাকে তাই পূজা দেওয়া।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ফল ঘোষণার আগে কড়া নিরাপত্তা, দিনহাটা কলেজে উচ্চপদস্থদের পরিদর্শন1
- Post by Mansai News1
- রাত পোহালেই গণনা—তার আগে কড়া নিরাপত্তা পরিদর্শন তুফানগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ে কোচবিহার: ভোটের উত্তেজনা এখন চরমে, আর তারই মধ্যে গণনার আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে তুফানগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের স্ট্রং রুম পরিদর্শনে এলেন পুলিশ অবসার্ভার ধ্রুব ধাইয়া। রবিবার সকালে তিনি স্ট্রং রুমের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সিসিটিভি নজরদারি, বাহিনীর মোতায়েন এবং প্রবেশ ও নির্গমন পয়েন্টগুলি বিস্তারিতভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণ শেষে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট মেশিনগুলি এই স্ট্রং রুমেই সুরক্ষিতভাবে রাখা হয়েছে। ফলে গণনার আগে কোনও রকম ত্রুটি বা নিরাপত্তা ঘাটতি যাতে না থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই পরিদর্শন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিক, নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্তারা। স্ট্রং রুম চত্বর ঘিরে ইতিমধ্যেই বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে—গণনা কেন্দ্রের ভিতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী, বাইরে রাজ্য পুলিশ এবং সর্বত্র সিসিটিভির নজরদারি চলছে। পুলিশ অবসার্ভার ধ্রুব ধাইয়া জানান, “গণনার আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা আমাদের দায়িত্ব। এখানে সমস্ত ব্যবস্থাই সঠিকভাবে রয়েছে এবং আমরা সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট।” এদিকে, গণনাকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিরাও স্ট্রং রুমের বাইরে নজরদারি চালাচ্ছেন। প্রশাসনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখেই গণনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। সব মিলিয়ে, গণনার আগে তুফানগঞ্জে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতেই এই পরিদর্শন বলে মনে করছেন প্রশাসনিক মহল।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- Post by Pankaj paul1
- আগামীকাল ভোট গণনা, সকলের শান্তি কামনায় মন্দিরে মন্দিরে পূজা দিলেন সাবিত্রী বর্মন। তিনি মনে করেন এবার রাজ্যের স্বৈরাচারী সরকার চলে যাবে এবং বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। তাই শীতলকুচির সমস্ত শুভানুধ্যায়ী শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষদের তিনি শান্তি কামনা করে মন্দিরে মন্দিরে পুজো দেন।1
- *ফল ঘোষণার আগে কড়া নিরাপত্তা, দিনহাটা কলেজে উচ্চপদস্থদের পরিদর্শন। রাত পোহালেই বিধানসভা নির্বাচনের ফল ।1
- ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনঃনির্বাচন নিয়ে বিধলেন কুনাল ঘোষ1
- কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে পরিদর্শনে এলেন বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার। সীমান্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে তাঁর এই সফর বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। এদিন চ্যাংরাবান্ধা ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট (আইসিপি), কাস্টমস দপ্তর এবং বিএসএফের ৯৮ ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। সীমান্ত বাণিজ্য, যাত্রী পারাপার এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেন। পরিদর্শন শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মনোজ কুমার বলেন, “চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আন্তর্জাতিক গেটওয়ে। এখানে বাণিজ্য ও যাতায়াত আরও সহজ ও স্বচ্ছ করতে আমরা দুই দেশের পক্ষ থেকেই একযোগে কাজ করছি। সীমান্তে নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি বৈধ বাণিজ্য বাড়ানোর দিকেও জোর দেওয়া হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দিন দিন আরও মজবুত হচ্ছে এবং এই ধরনের পরিদর্শন সেই সম্পর্ককে আরও গভীর করতে সহায়ক। সীমান্ত এলাকার উন্নয়ন, অবকাঠামো বৃদ্ধির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সুবিধার কথাও মাথায় রাখা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের প্রশাসনিক সমন্বয় আরও বাড়বে এবং চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।1