ভোটের আগেই মুর্শিদাবাদের লালগোলায় কংগ্রেসে ভাঙন, কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন লালগোলা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভোটের আগেই মুর্শিদাবাদের লালগোলায় কংগ্রেসে ভাঙন। কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন লালগোলা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, তিন কর্মাধ্যক্ষ ও দুই পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। লোকসভা ভোটে লালগোলা বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে ছিল কংগ্রেস। যদিও কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগদানে উচ্ছ্বসিত তৃণমূল নেতৃত্ব। রবিবার জঙ্গিপুরে সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে জেলা তৃণমূল সভাপতি সাংসদ খলিলুর রহমান, জেলা তৃণমূল চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সহ তৃণমূল নেতৃত্বের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগদান করেন লালগোলা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি লক্ষী সরকার সহ ৩ কর্মাধ্যক্ষ এবং দুই পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির দাবি বিরোধী দলে থেকে জনগনের কাজ করতে সমস্যা হচ্ছিল তাই তৃণমূলে যোগদান। যদিও এই যোগদান নিয়ে লালগোলা ব্লক কংগ্রেস সভাপতি যদুরাম ঘোষের দাবি অর্থ, বল ও প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে যোগদান করাচ্ছে তৃণমূল। উলেখ্য লালগোলা পঞ্চায়েত সমিতির ৩৫ আসনে গত পঞ্চায়েত ভোটে ১৪টি আসনে জয়ী হয় তৃণমূল, কংগ্রেস ১২টি আসন পায়। সিপিএম জয়ী হয় ৮ টি আসনে এবং নির্দল জয়ী হয় একটি আসনে। বাম কংগ্রেস জোট হয়ে বোর্ড গঠন করে।
ভোটের আগেই মুর্শিদাবাদের লালগোলায় কংগ্রেসে ভাঙন, কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন লালগোলা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভোটের আগেই মুর্শিদাবাদের লালগোলায় কংগ্রেসে ভাঙন। কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন লালগোলা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, তিন কর্মাধ্যক্ষ ও দুই পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। লোকসভা ভোটে লালগোলা বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে ছিল কংগ্রেস। যদিও কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগদানে উচ্ছ্বসিত তৃণমূল নেতৃত্ব। রবিবার জঙ্গিপুরে সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে জেলা তৃণমূল সভাপতি সাংসদ খলিলুর রহমান, জেলা তৃণমূল চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সহ তৃণমূল নেতৃত্বের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগদান করেন লালগোলা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি লক্ষী সরকার সহ ৩ কর্মাধ্যক্ষ এবং দুই পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির দাবি বিরোধী দলে থেকে জনগনের কাজ করতে সমস্যা হচ্ছিল তাই তৃণমূলে যোগদান। যদিও এই যোগদান নিয়ে লালগোলা ব্লক কংগ্রেস সভাপতি যদুরাম ঘোষের দাবি অর্থ, বল ও প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে যোগদান করাচ্ছে তৃণমূল। উলেখ্য লালগোলা পঞ্চায়েত সমিতির ৩৫ আসনে গত পঞ্চায়েত ভোটে ১৪টি আসনে জয়ী হয় তৃণমূল, কংগ্রেস ১২টি আসন পায়। সিপিএম জয়ী হয় ৮ টি আসনে এবং নির্দল জয়ী হয় একটি আসনে। বাম কংগ্রেস জোট হয়ে বোর্ড গঠন করে।
- শনিবার সকালে অধীর চৌধুরীর ভোট প্রচারের শুরুতেই তৃণমূলের বিক্ষোভ। উত্তেজনা, ধস্তাধ্বস্তি। পালটা হুঁশিয়ারি অধীরের। এদিন বহরমপুর পৌরসভার ১৯নম্বর ওয়ার্ডে অধীর চৌধুরীর প্রচারের শুরুতেই স্থানীয় কাউন্সিলারের নেতৃত্বে তৃণমূলের বিক্ষোভের মুখে পরেন অধীর। সরু গলিতে হাতাহাতি কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের মধ্যে। পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গেও ধস্তাধ্বস্তি তৃণমূল কংগ্রস কর্মীদের। যদিও বহরমপুর পৌরসভার কাউন্সিলার ভীষ্মদেব কর্মকারের দাবি, অধীর চৌধুরীর সঙ্গে থাকা নিরাপত্তা রক্ষীরা মানুষকে ভয় দেখাচ্ছিলেন। মানুষ বিক্ষোভ দেখায়। ** এই ঘটনায় যদিও প্রাক্তন সাংসদ, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী অধীর চৌধুরীর দাবি, হার বুঝেই এই ধরণের কাজ করছে তৃণমূল। দিয়েছেন হুঁশিয়ারিও। ।1
- হরিহরপাড়ায় তৃণমূলে ভরসা বাড়ছে, সিপিআইএম-কংগ্রেস ছেড়ে ২৫০ পরিবার যোগ দিল শাসক দলে : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে হরিহরপাড়ায় ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। বেশ কিছুদিন আগেই মালোপাড়া অঞ্চল থেকে কংগ্রেসের একাধিক কর্মী-সমর্থক বুথ সভাপতি রা তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। সেই ধারা বজায় রেখে শনিবার বিকেলে ফের বড়সড় ভাঙন দেখা গেল বিরোধী শিবিরে। এদিন হরিহরপাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে সিপিআইএম ও কংগ্রেস ছেড়ে বিরোধী দলনেতা সহ প্রায় ২৫০টি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন । তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখের হাত ধরে নতুন সদস্যরা শাসক দলে নাম লেখান। এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন হরিহরপাড়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জসিমউদ্দিন শেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মীর আলমগীর পলাশ সহ ব্লকের অন্যান্য নেতৃত্বরা। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, উন্নয়নের স্বার্থে এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজের প্রতি আস্থা রেখেই সাধারণ মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরে এই ভাঙন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।1
- *ভগবানগোলায় দেবের ঝড়, হেলিকপ্টারে নেমেই জনস্রোতে ভাসল তৃণমূলের প্রচার* ভগবানগোলা ৬২ নম্বর বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রেয়াত হোসেন সরকারের সমর্থনে প্রচারে এসে পৌঁছালেন টলিউড তারকা ও সাংসদ Dev। শনিবার হেলিকপ্টারে করে ভগবানগোলার পাকা দরগা মাঠে অবতরণ করেন তিনি। তাকে এক ঝলক দেখার জন্য মাঠে উপচে পড়ে ভিড়, হাজার হাজার সমর্থক ও ভক্তদের ঢল নামে এলাকায়। দেবকে ঘিরে সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। মাঠে নামার পরই জনতার অভিবাদন গ্রহণ করেন তিনি এবং সেখান থেকেই শুরু হয় তার প্রচার কর্মসূচি। ভগবানগোলা বিধানসভার অন্তর্গত জাফরের মোড় এলাকা থেকে হুডখোলা গাড়িতে করে রোড শো শুরু করেন তিনি। পথজুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন তাকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান এবং সমর্থনের বার্তা দেন। এই রোড শো জাফরের মোড় থেকে শুরু হয়ে রানিতলা থানা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। গোটা রাস্তাজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ, তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। প্রচারে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদের সাংসদ Abu Taher Khan সহ শহর ও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতৃত্ব। নির্বাচনের আগে এই প্রচার কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট চর্চা শুরু হয়েছে। দেবের উপস্থিতি তৃণমূলের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক2
- নমিনেশনের আগে শ্বশুরের কবর জিয়ারত, শক্তি প্রদর্শনে বহরমপুরে রওনা শাহিনা মমতাজ খানের নওদা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শাহিনা মমতাজ খান শনিবার সকালে নমিনেশন জমা দেওয়ার আগে শ্বশুরের কবর জিয়ারত করেন। সেখানেই দোয়া ও আশীর্বাদ নিয়ে তিনি নমিনেশন জমা দিতে রওনা দেন। এরপর নওদা থেকে প্রায় ৫০টি গাড়ি নিয়ে বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে বহরমপুর মহকুমা শাসকের দফতরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। নমিনেশনকে কেন্দ্র করে এদিন তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন চোখে পড়ার মতো ছিল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।1
- জনজোয়ার আর উৎসবের আমেজে মনোনয়ন জমা দিলেন : ভরতপুরের তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে, আর এরই মাঝে উৎসবের আমেজ ও কর্মী-সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে কান্দি এসডিও অফিসে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন ৬৯ নম্বর ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। শনিবার সকালে সালার কিষান মান্ডি থেকে শুরু হওয়া এক বিশাল মোটরসাইকেল মিছিলের অগ্রভাগে হুডখোলা গাড়িতে চড়ে প্রার্থী মহকুমা শাসকের দপ্তরে পৌঁছান। মনোনয়ন জমা দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আবেগঘন কণ্ঠে মুস্তাফিজুর রহমান জানান, এটি সত্যিই এক অনন্য অনুভূতি। আগে দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে তৃণমূল স্তরে কাজ করেছি, আর দল আজ সেই কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ আমাকে প্রার্থী করেছে। তবে আমি আজও একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবেই নিজেকে মনে করি। জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী এই নেতা আরও বলেন যে, আগামী ২৩শে এপ্রিলের ভোটে ভরতপুরে ঘাসফুল শিবিরের জয়জয়কার হবে এবং ৪ঠা মে ফলাফল ঘোষণার পর মানুষের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে। বিপুল জনসমর্থন আর অগণিত দলীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এদিনের এই কর্মসূচিটি কার্যত এক বিশাল রাজনৈতিক উৎসবে পরিণত হয়।1
- বিরোধীশূন্য টার্গেটের লক্ষ্যে তৃণমূল! আর সেই লক্ষ্য ভেদ করতে চমক দিল শাসক শিবির। রীতিমতো ঝটিকা সফরে এদিন মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভগবানগোলা বিধানসভা কেন্দ্র ও পরবর্তীতে বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের অধীন বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে হাজির হন টলিউড সুপার স্টার দেব। সাংসদ দেব এদিন রীতিমতো রাজনীতির আঙিনা ছাড়িয়ে আট সকল বয়সের মানুষের মন জয় করে নেন।2
- হাঁসন বিধানসভায় পঞ্চমুখী লড়াই, সোস্যালিস্ট পার্টির প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের মনোনয়ন সোমবার আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আবহেই সোস্যালিস্ট পার্টি তাদের প্রার্থী হিসেবে লোহাপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের নাম ঘোষণা করেছে। দলের রাজ্য সভাপতি আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নাম ঘোষণা করে জানান, আগামী সোমবার রামপুরহাট মহকুমা শাসকের (এসডিও) দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন জাহাঙ্গীর আলম। এদিকে, এই কেন্দ্রকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শক্তিশালী প্রার্থী তালিকা সামনে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে রয়েছেন কাজল শেখ, বিজেপির প্রার্থী নিখিল ব্যানার্জী, কংগ্রেসের মিল্টন রশিদ এবং সিপিআই(এম)-এর প্রার্থী কামাল হাসান। ফলে হাঁসন বিধানসভায় এবার পঞ্চমুখী লড়াই প্রায় নিশ্চিত। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে। সোস্যালিস্ট পার্টির প্রার্থী ঘোষণা ঘিরে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এখন দেখার, এই বহু কোণার লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসে।1
- দোয়া-আশীর্বাদ নিয়ে নমিনেশন যাত্রা, ৫০ গাড়ির মিছিলে শক্তি প্রদর্শন শাহিনা মমতাজ খানের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী থাকল নওদা। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শাহিনা মমতাজ খান শনিবার সকালে প্রথমে শ্বশুরের কবর জিয়ারত করেন। সেখানে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করে দোয়া ও আশীর্বাদ নেন তিনি। পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই আধ্যাত্মিক পর্বের পরেই শুরু হয় তাঁর নমিনেশন যাত্রা। এরপর নওদা থেকে বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে বহরমপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। প্রায় ৫০টি গাড়ির বিশাল কনভয়ে সাজানো ছিল এই যাত্রা, যা কার্যত শক্তি প্রদর্শনে পরিণত হয়। পথে বিভিন্ন জায়গায় সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। বহরমপুর মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেবেন বলে জানা গেছে। তৃণমূলের এই শো অফ স্ট্রেংথ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।3