"আজ তোমার লোকেরাই হুঁকে পড়েছে, তুমি গিরগিটির মতো রং পালটাও"— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া আক্রমণ অধীর চৌধুরীর রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ফের তীব্র ভাষায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। এক জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেসের বহু নেতা-কর্মী দল ছাড়ছেন বা অন্য রাজনৈতিক শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটেই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে অধীর বলেন, "আজ তোমার লোকেরাই হুঁকে পড়েছে, তুমি গিরগিটির মতো রং পালটাও।" অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার সময় তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী দলগুলিকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি পাল্টে যাওয়ায় একই নেতারা নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান বদলাচ্ছেন। তাঁর দাবি, মানুষ রাজ্যের পরিবর্তন চেয়েছেন এবং সেই কারণেই তৃণমূলের সংগঠনের ভিত নড়ে গিয়েছে। বক্তৃতায় অধীর আরও বলেন, ক্ষমতায় থাকাকালীন যাঁরা বিরোধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন, আজ তাঁদের অনেকেই নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। সেই কারণেই বিভিন্ন জায়গায় দলবদল এবং রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে বলে তাঁর দাবি। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, পরিস্থিতি বুঝে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করা মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলকে সামনে রেখে অধীরের বক্তব্যে উঠে আসে তৃণমূলের সাংগঠনিক সংকটের প্রসঙ্গও। তাঁর মতে, দলীয় কর্মীদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং তারই প্রতিফলন বিভিন্ন জেলায় দেখা যাচ্ছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ভিন্ন মত প্রকাশ করা হয়েছে এবং তারা দাবি করেছে, দল এখনও সুসংগঠিত রয়েছে। অধীর চৌধুরীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিরোধী দলগুলি একে অপরকে আক্রমণ করে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে তৃণমূল শিবিরের দাবি, বিরোধীদের এই ধরনের মন্তব্য সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বাস্তবের সঙ্গে তার মিল নেই। এখন দেখার বিষয়, অধীর চৌধুরীর এই মন্তব্যের জবাবে তৃণমূল নেতৃত্ব কী প্রতিক্রিয়া জানায় এবং আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে এই বিতর্ক কতটা প্রভাব ফেলে।
"আজ তোমার লোকেরাই হুঁকে পড়েছে, তুমি গিরগিটির মতো রং পালটাও"— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া আক্রমণ অধীর চৌধুরীর রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ফের তীব্র ভাষায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। এক জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেসের বহু নেতা-কর্মী দল ছাড়ছেন বা অন্য রাজনৈতিক শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটেই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে অধীর বলেন, "আজ তোমার লোকেরাই হুঁকে পড়েছে, তুমি গিরগিটির মতো রং পালটাও।" অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার সময় তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী দলগুলিকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি পাল্টে যাওয়ায় একই নেতারা নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান বদলাচ্ছেন। তাঁর দাবি, মানুষ রাজ্যের পরিবর্তন চেয়েছেন এবং সেই কারণেই তৃণমূলের সংগঠনের ভিত নড়ে গিয়েছে। বক্তৃতায় অধীর আরও বলেন, ক্ষমতায় থাকাকালীন যাঁরা বিরোধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন, আজ তাঁদের অনেকেই নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। সেই কারণেই বিভিন্ন জায়গায় দলবদল এবং রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে বলে তাঁর দাবি। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, পরিস্থিতি বুঝে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করা মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলকে সামনে রেখে অধীরের বক্তব্যে উঠে আসে তৃণমূলের সাংগঠনিক সংকটের প্রসঙ্গও। তাঁর মতে, দলীয় কর্মীদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং তারই প্রতিফলন বিভিন্ন জেলায় দেখা যাচ্ছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ভিন্ন মত প্রকাশ করা হয়েছে এবং তারা দাবি করেছে, দল এখনও সুসংগঠিত রয়েছে। অধীর চৌধুরীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিরোধী দলগুলি একে অপরকে আক্রমণ করে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে তৃণমূল শিবিরের দাবি, বিরোধীদের এই ধরনের মন্তব্য সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বাস্তবের সঙ্গে তার মিল নেই। এখন দেখার বিষয়, অধীর চৌধুরীর এই মন্তব্যের জবাবে তৃণমূল নেতৃত্ব কী প্রতিক্রিয়া জানায় এবং আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে এই বিতর্ক কতটা প্রভাব ফেলে।
- নদীয়ার কৃষ্ণনগর সৎসঙ্গ স্বস্তি শিবিরে, গতকাল 31/07/26 অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ সৎসঙ্গ অনুষ্ঠান ও মাতৃ সম্মেলন। নদীয়ার কৃষ্ণনগর সৎসঙ্গ স্বস্তি শিবিরে, গতকাল 31/07/26 অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ সৎসঙ্গ অনুষ্ঠান ও মাতৃ সম্মেলন। প্রচুর মানুষ সন্ধ্যার এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন। অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রসাদ বিতরণও করা হয়। রইল অনুষ্ঠানের ভিডিও। লেখনী, ভিডিওগ্রাফি ও এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী। (অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেবার জন্য, অথবা কোন সংবাদ প্রকাশের জন্য: হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মেসেজ করুন: +91-9832254656)1
- দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর কলকাতার মাটিতে পা রাখলেন বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন1
- ১ আগষ্ট থেকে শুরু জনগননা, সহযোগিতার আহ্বান জেলাশাসকেরঃ সুজিত দত্ত, বর্ধমান, ৩১ আগষ্টঃ ১ আগষ্ট অর্থাৎ শনিবার থেকে এই রাজ্যে শুরু হচ্ছে জনগননা। শনিবার টাউন হলে এই জনগননা কর্মসূচির সূচনা হবে। দুপুর ১২ টা নাগাদ হবে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এ বিষয়ে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়াল (আই এ এস) সকলকে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন।1
- শান্তিপুরে ট্রাস্ট এর উপর হুমকি! চিন্তিত সকলেই ......... শান্তিপুরে ট্রাস্ট এর উপর হুমকি! চিন্তিত সকলেই । অভিযোগ প্রশাসনকে জানিও কোন লাভ হয়নি1
- করিমপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তার ওপর জল জমে গেছে। ভোগান্তি সাধারণ মানুষের। নদীয়া জেলার করিমপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড সহ অন্যান্য এলাকায় রাস্তার ওপর জল জমে গেছে। ঘন ঘন বৃষ্টির ফলে এমন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে স্থানীয় বিধায়ক সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।1
- আজ থেকে জন গণনা শুরু! দেশবাসীর উদ্দেশে কী বার্তা দিলেন সাংসদ জগন্নাথ সরকার? আজ থেকে জন গণনা শুরু! দেশবাসীর উদ্দেশে কী বার্তা দিলেন সাংসদ জগন্নাথ সরকার? #জনগণনা2026 #JagannathSarkar #জগন্নাথসরকার #Census2026 #Ranaghat #Nadia #WestBengal #বাংলাখবর #BreakingNews #FacebookReels #NewsUpdate #আজকেরখবর #বাংলারখবর #ViralReels #UpdateNews1
- বিধাননগরে জনগণনা কর্মসূচির শুভ সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari বিধাননগরে জনগণনা কর্মসূচির শুভ সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari1
- পদত্যাগের পরও রেহাই নেই! প্রাক্তন কাউন্সিলরকে মারধর, ডিম ছোড়ার অভিযোগ পদত্যাগের পরও রেহাই নেই! প্রাক্তন কাউন্সিলরকে মারধর, ডিম ছোড়ার অভিযোগ নবদ্বীপ: কাউন্সিলর পদ থেকে পদত্যাগ করেও রেহাই মিলল না বলে অভিযোগ। স্কুলের অডিটের কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হলেন নবদ্বীপ পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর ঝন্টুলাল দাস। শনিবার দুপুরে প্রতাপনগরের সুদর্শন হাইস্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময় কয়েকজন তাঁর পথ আটকায় বলে অভিযোগ। এরপর তাঁকে মারধর করার পাশাপাশি ডিম ছোড়া হয় বলে দাবি আহত প্রাক্তন কাউন্সিলরের। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে নবদ্বীপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঝন্টুলাল দাসের অভিযোগ, হামলার সময় তাঁকে উদ্দেশ করে বলা হয়, “তৃণমূল করেছিস, অনেক খেয়েছিস।” তবে হামলাকারীদের কাউকেই তিনি চিনতে পারেননি। তাঁর দাবি, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদ থেকে ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন এবং রাজনীতি থেকে সরে থাকার কথাও জানিয়েছিলেন। তারপরেও কেন তাঁকে নিশানা করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন নবদ্বীপের বিধায়ক শ্রী শ্রুতিশেখর গোস্বামী। দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।1