আজ কাঞ্চননগর দীননাথ উচ্চ বিদ্যালয়ে অত্যন্ত মর্যাদা ও উদ্দীপনার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপিত হলো। এই উপলক্ষে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কুইজ, বিতর্ক এবং বক্তৃতা এই তিনটি বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সঙ্গীত শিক্ষিকা দেবলীনা ঘোষ এবং ছাত্রীদের পরিবেশিত উদ্বোধনী সঙ্গীতের মাধ্যমে। এরপর শিক্ষক সামিম মণ্ডল দশটি দলে বিভক্ত সব শ্রেণির প্রতিযোগীদের নিয়ে একটি কুইজ পরিচালনা করেন। এরপর বিদ্যালয়কক্ষ জমজমাট বিতর্কসভা ও বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বক্তৃতায় সরগরম হয়ে ওঠে। ছাত্রীরা বাংলার লোকগানে নৃত্যও পরিবেশন করে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক এবং রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত তাঁর প্রাসঙ্গিক ভাষণে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার সময় দেশভাগের পাশাপাশি বাংলাও বিভক্ত হয়েছিল। সেই সময় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে আগত বাঙালি হিন্দুদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল বা 'হোমল্যান্ড' হিসেবে ভারতের অন্তর্গত একটি স্বতন্ত্র রাজ্যের দাবি ওঠে। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং বহু মানুষের আত্মত্যাগের ফলেই এই রাজ্যটি আত্মপ্রকাশ করে। তিনি জানান, ১৯৪৭ সালের ২০শে জুন বঙ্গীয় আইনসভার সদস্যরা বাংলা ভাগের পক্ষে ভোট দেন, যার ফলস্বরূপ পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সৃষ্টি হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনাকে সম্মান জানাতেই এই দিনটি পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এই সমগ্র দিবস পালনের মূল দায়িত্বে ছিলেন শ্রীযুক্ত দীপ্তসুন্দর মুখোপাধ্যায়, যিনি এই দিবসের তাৎপর্য সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেন। সুনিতা ও সুশ্বেতা ম্যাডামসহ অন্যান্য সকলে দক্ষতার সঙ্গে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।
আজ কাঞ্চননগর দীননাথ উচ্চ বিদ্যালয়ে অত্যন্ত মর্যাদা ও উদ্দীপনার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপিত হলো। এই উপলক্ষে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কুইজ, বিতর্ক এবং বক্তৃতা এই তিনটি বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সঙ্গীত শিক্ষিকা দেবলীনা ঘোষ এবং ছাত্রীদের পরিবেশিত উদ্বোধনী সঙ্গীতের মাধ্যমে। এরপর শিক্ষক সামিম মণ্ডল দশটি দলে বিভক্ত সব শ্রেণির প্রতিযোগীদের নিয়ে একটি কুইজ পরিচালনা করেন। এরপর বিদ্যালয়কক্ষ জমজমাট বিতর্কসভা ও বিভিন্ন বিষয়ের
ওপর বক্তৃতায় সরগরম হয়ে ওঠে। ছাত্রীরা বাংলার লোকগানে নৃত্যও পরিবেশন করে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক এবং রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত তাঁর প্রাসঙ্গিক ভাষণে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার সময় দেশভাগের পাশাপাশি বাংলাও বিভক্ত হয়েছিল। সেই সময় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে আগত বাঙালি হিন্দুদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল বা 'হোমল্যান্ড' হিসেবে ভারতের অন্তর্গত একটি স্বতন্ত্র রাজ্যের দাবি ওঠে। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দূরদর্শী নেতৃত্ব
এবং বহু মানুষের আত্মত্যাগের ফলেই এই রাজ্যটি আত্মপ্রকাশ করে। তিনি জানান, ১৯৪৭ সালের ২০শে জুন বঙ্গীয় আইনসভার সদস্যরা বাংলা ভাগের পক্ষে ভোট দেন, যার ফলস্বরূপ পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সৃষ্টি হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনাকে সম্মান জানাতেই এই দিনটি পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এই সমগ্র দিবস পালনের মূল দায়িত্বে ছিলেন শ্রীযুক্ত দীপ্তসুন্দর মুখোপাধ্যায়, যিনি এই দিবসের তাৎপর্য সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেন। সুনিতা ও সুশ্বেতা ম্যাডামসহ অন্যান্য সকলে দক্ষতার সঙ্গে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।
- তৃণমূলের তিনটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে গেল। এটি একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা যা প্রকাশ্যে এসেছে।1
- বিশ্ব যোগ দিবসকে সামনে রেখে দেবরাজ জিমন্যাস্টিক ট্রেনিং সেন্টার আজ একটি যোগ ব্যায়ামের আয়োজন করেছিল।1
- রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামী মন্দির নগরী বিষ্ণুপুরে জামাইষষ্ঠী উদযাপনের জন্য লাল বাতি গাড়িতে চড়ে উপস্থিত হয়েছিলেন।1
- পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম সর্ববৃহৎ মেগা ড্রোন শো আয়োজিত হয়েছে। এই ঐতিহাসিক এবং নজরকাড়া অনুষ্ঠানের ছবি সরাসরি তুলে ধরা হচ্ছে।1
- হাওড়া জেলার জগৎবল্লভপুর এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানে প্রায় ২০০০ লিটার চোলাই মদ নষ্ট করা হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবসের শুভক্ষণে তারকেশ্বরের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গৌরবময় উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে বিশেষ সমৃদ্ধি প্রদান করেছে। এই আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী সহ বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সময় প্রধানমন্ত্রীকে বাবা তারকনাথের একটি ছবি, দুর্গা ঠাকুরের একটি প্রতিকৃতি এবং মিষ্টান্ন উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলায় প্রশ্ন করেন, "কেমন লাগছে? এই পরিবর্তন"। তাঁর এই সোজাসাপ্টা কথোপকথন এবং উপস্থিতি সমগ্র তারকেশ্বরকে একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা দিয়েছে।1
- বাঁকুড়া জেলার কোতুলপুর থানা আসন্ন ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে সামনে রেখে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিশ্বজুড়ে সুস্থ জীবনের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে, কোতুলপুর থানার পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা নিয়মিত যোগাভ্যাস করছেন। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই উদ্যোগের মূলমন্ত্র হলো— "যোগ হোক প্রতিদিনের অভ্যাস, সুস্থ ও স্বনির্ভর থাকুক সর্বদা"। থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক বিন্দেশ্বর গড়াই এবং সার্কেল ইন্সপেক্টরের সক্রিয় তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন সকালে থানা চত্বরেই এই যোগচর্চা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা নিষ্ঠার সঙ্গে প্রাণায়াম, সূর্য নমস্কার এবং বিভিন্ন আসনের অনুশীলন করছেন। পুলিশের পেশার চরম কর্মব্যস্ততা, মানসিক চাপ এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের পরিপ্রেক্ষিতে শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক দৃঢ়তা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। কোতুলপুর থানার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাসের ফলে কর্মীদের মধ্যে একাগ্রতা, ধৈর্য ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে ২১ জুন কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত রাজ্যস্তরের বৃহৎ যোগ অনুষ্ঠানের কথা মাথায় রেখে কোতুলপুর থানাও তাদের যোগাভ্যাস ও স্বাস্থ্য সচেতনতার কর্মসূচিকে আরও জোরদার করেছে। থানার এই উদ্যোগ কেবল পুলিশ কর্মীদের সুস্থ রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, তারা সাধারণ মানুষের মধ্যেও যোগাভ্যাসের গুরুত্ব ও সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এই ইতিবাচক পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। থানার ওসি বিন্দেশ্বর গড়াই বলেছেন যে, সুস্থ শরীরে সুস্থ মন থাকে এবং তারা চান যে তাদের বাহিনী শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট থাকুক, যাতে তারা আরও ভালোভাবে জনগণকে পরিষেবা দিতে পারে। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, যোগ দিবস শুধু একদিনের জন্য নয়, যোগ হোক প্রতিদিনের অভ্যাস।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে ................................1