ভরসন্ধ্যেয় গৃহস্থের বাড়িতে হামলা রামলালের! লোধাশুলি বাজারে দরজা ভেঙে খাবারের খোঁজ ঝাড়গ্রাম: ভরসন্ধ্যেয় হাতির হানায় তুমুল আতঙ্ক ছড়াল ঝাড়গ্রাম ব্লকের লোধাশুলি এলাকায়। শুক্রবার সন্ধে নাগাদ লোধাশুলি বাজারের কাছে হানা দেয় ‘রামলাল’ নামে পরিচিত একটি দলছুট দাঁতাল হাতি। খাবারের খোঁজে একটি গৃহস্থ বাড়ির দরজা ভেঙে সটান ভেতরে ঢুকে পড়ে সে। আচমকা ঘরের সামনে হাতিটিকে দেখে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই লোধাশুলি ও তার পার্শ্ববর্তী জঙ্গল এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই দাঁতালটি। এদিন সন্ধ্যে নামতেই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে সোজা লোকালয়ে চলে আসে রামলাল। লোধাশুলি বাজারের পাশে অবস্থিত একটি বাড়িতে খাবারের গন্ধ পেয়ে চড়াও হয় সেটি। শুঁড় দিয়ে ধাক্কা মেরে এবং পা দিয়ে লাথি মেরে মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে ফেলে বাড়ির সদর দরজা। এরপর ঘরের ভেতরে ঢুকে চাল, ডাল ও অন্যান্য মজুত খাদ্যসামগ্রী সাবাড় করতে শুরু করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বন দফতরের কর্মীরা। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় হাতিটিকে লোধাশুলির জঙ্গল এলাকার দিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। তবে হাতিটি চলে গেলেও এলাকায় এখনও তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতে ফের রামলাল লোকালয়ে ফিরবে কিনা, সেই চিন্তায় ঘুম উড়েছে বাজার এলাকার বাসিন্দাদের। বন দফতরের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
ভরসন্ধ্যেয় গৃহস্থের বাড়িতে হামলা রামলালের! লোধাশুলি বাজারে দরজা ভেঙে খাবারের খোঁজ ঝাড়গ্রাম: ভরসন্ধ্যেয় হাতির হানায় তুমুল আতঙ্ক ছড়াল ঝাড়গ্রাম ব্লকের লোধাশুলি এলাকায়। শুক্রবার সন্ধে নাগাদ লোধাশুলি বাজারের কাছে হানা দেয় ‘রামলাল’ নামে পরিচিত একটি দলছুট দাঁতাল হাতি। খাবারের খোঁজে একটি গৃহস্থ বাড়ির দরজা ভেঙে সটান ভেতরে ঢুকে পড়ে সে। আচমকা ঘরের সামনে হাতিটিকে দেখে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই লোধাশুলি ও তার পার্শ্ববর্তী জঙ্গল এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই দাঁতালটি। এদিন সন্ধ্যে নামতেই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে সোজা লোকালয়ে চলে আসে রামলাল। লোধাশুলি বাজারের পাশে অবস্থিত একটি বাড়িতে খাবারের গন্ধ পেয়ে চড়াও হয় সেটি। শুঁড় দিয়ে ধাক্কা মেরে এবং পা দিয়ে লাথি মেরে মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে ফেলে বাড়ির সদর দরজা। এরপর ঘরের ভেতরে ঢুকে চাল, ডাল ও অন্যান্য মজুত খাদ্যসামগ্রী সাবাড় করতে শুরু করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বন দফতরের কর্মীরা। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় হাতিটিকে লোধাশুলির জঙ্গল এলাকার দিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। তবে হাতিটি চলে গেলেও এলাকায় এখনও তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতে ফের রামলাল লোকালয়ে ফিরবে কিনা, সেই চিন্তায় ঘুম উড়েছে বাজার এলাকার বাসিন্দাদের। বন দফতরের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
- ঝাড়গ্রাম শহরের রাধানগরে অবস্থিত দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের (SBSTC) বাস ডিপো থেকে লক্ষাধিক টাকার যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে। এই ঘটনায় বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, এই সরকারি বাস ডিপোটি চোর ও পাচারকারীদের অবাধ চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। সরকারি বাসে ব্যবহৃত ক্রিস্টাল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ গোপনে বের করার সময় চেকিং গেটে সেগুলি আটক করা হয়। জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরেই ডিপোর ভেতরে সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। অভিযোগ রয়েছে যে, শনি ও রবিবার ওয়ার্কশপ বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দামি বাসের সরঞ্জাম পাচার করা হচ্ছিল, যার বাজার মূল্য অনেক। ঘটনার খবর পেয়ে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ইতিমধ্যেই বেশ কিছু সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করেছে এবং এই পাচার চক্রের মূল হোতাদের সন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। ডিপোর কর্মীদের দাবি, এই চুরি ও পাচারের ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁদের বিস্ফোরক অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এখানে একটি সুসংগঠিত চক্র সক্রিয় রয়েছে এবং দফায় দফায় বাসের মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হচ্ছে। কর্মীরা জানিয়েছেন যে, হিসাব অনুযায়ী প্রায় ১২০টি বাসের ব্যাটারির কোনো খোঁজ নেই, এছাড়াও প্রচুর যন্ত্রাংশ গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা রক্ষী থাকা সত্ত্বেও কীভাবে দিনের পর দিন এত বড় চুরির চক্র চলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই চুরির পেছনে ডিপোর ভেতরের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা, সে বিষয়েও বিস্তারিত ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় সরকারি বাস ডিপোতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে।1
- বেলপাহাড়িতে বিধায়ক কার্যালয়ে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ মনোযোগ সহকারে শুনলেন ডাক্তার প্রণত টুডু। তিনি সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলি শোনেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেন।1
- ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশের তৎপরতায় ৪৯ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে প্রায় ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ একটি সন্দেহজনক লরিকে আটকানোর চেষ্টা করলে চালক গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়, এরপরই লরিটি থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশের একটি বড় সাফল্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঝাড়গ্রাম থানার সাব-ইন্সপেক্টর উমাশঙ্কর পইড়া টহলদারির সময় লরিটিকে সন্দেহজনক মনে করে আটকাতে গেলে চালক দ্রুত গাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে পেঁয়াজ বোঝাই ওই লরির কেবিন থেকে একাধিক বস্তা উদ্ধার হয়, যার মধ্যে প্রায় ৬০ কেজি গাঁজা রাখা ছিল। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ঝাড়খণ্ড সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশের সময়ই গাড়িটিকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ঝাড়গ্রামের এসডিপিও স্বামীম বিশ্বাস, ঝাড়গ্রাম থানার আইসি কৌশিক সাও এবং মানিকপাড়া ফাঁড়ির ওসি সৈকত সেনাপতি। গাঁজা উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং কোথায় এই বিপুল পরিমাণ মাদক পাচার করা হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখতে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পলাতক চালকের খোঁজেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে।1
- একটি শিশুর জলে ডুবে মৃত্যুর মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মন্ত্রী রাজেশ মাহাতো। তিনি শোকস্তব্ধ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং তাদের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন।1
- বেলপাহাড়িতে অভাব-অভিযোগ শোনার পর বিনপুরের বিধায়ক তৃণমূল জমানার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। বিধায়ক অভিযোগ করেছেন যে, তৃণমূল শাসনামলে যোগ্য ব্যক্তিরা ঘর পাননি এবং স্বজনপোষণ হয়েছে। এই আবাসের বঞ্চনা নিয়ে বিধায়ক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন যে, তৃণমূল জমানার সব ফাইল খোলা হবে।1
- ঝাড়গ্রাম ডিস্ট্রিক্ট ভলেন্টিয়ারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের উদ্যোগে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।1
- আজ ঝাড়গ্রাম সাংগঠনিক জেলা যুব মোর্চার উদ্যোগে নগর যুব মোর্চার পক্ষ থেকে ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে একটি স্বচ্ছতা অভিযান চালানো হয়েছে। এই কর্মসূচিতে ঝাড়গ্রাম সাংগঠনিক জেলা যুব মোর্চার সভাপতি রণজিৎ সেন এবং নগর মণ্ডলের যুব সভাপতি পীযূষ বেরা উপস্থিত ছিলেন।1
- ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ একটি বড়সড় সাফল্য অর্জন করেছে। জাতীয় সড়কে চালানো অভিযানে একটি লরি থেকে বিপুল পরিমাণ ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের এই পদক্ষেপকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।1
- खड़গপুরে অবৈধ পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে ট্রাফিক পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে বেআইনিভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের সমস্যার সমাধানে পুলিশ প্রশাসন সক্রিয় হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, ট্রাফিক পুলিশ অবৈধ পার্কিং করা গাড়ির চালকদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।1