পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে গত শনিবার বালুরঘাটের অযোধ্যা কালিদাসী বিদ্যানিকেতনে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি পালিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের উদ্যোগে সকালে অযোধ্যা বুড়িতলা প্রাঙ্গণ পর্যন্ত একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। এই শোভাযাত্রায় ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতি, পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট মনীষীদের স্মরণে প্ল্যাকার্ড এবং ‘বৈচিত্র্যের পশ্চিমবঙ্গ, আমাদের পশ্চিমবঙ্গ, সমৃদ্ধির পশ্চিমবঙ্গ’ শীর্ষক ব্যানার বহন করেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীরা। কর্মসূচি ঘিরে গ্রামবাসী ও পথচলতি মানুষের মধ্যেও যথেষ্ট উৎসাহ দেখা গেছে। শোভাযাত্রা শেষে বিদ্যালয়ে 'নিজের রাজ্যকে জানো' শীর্ষক একটি ক্যুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয়, যা পরিচালনা করেন পরিবেশকর্মী ও সহ-শিক্ষক তুহিনশুভ্র মণ্ডল। এই প্রতিযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস, রাজ্যের গঠন, পশ্চিমবঙ্গ দিবসের তাৎপর্য, রাজ্যের প্রতীক, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কিত নানা প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বৃদ্ধি করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নন্দিতা দাস জানান, শিক্ষার্থীদের কাছে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই ছিল এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য। বিদ্যালয়ের এই কর্মসূচি রাজ্যের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে আরও আগ্রহী করে তুলেছে।
পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে গত শনিবার বালুরঘাটের অযোধ্যা কালিদাসী বিদ্যানিকেতনে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি পালিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের উদ্যোগে সকালে অযোধ্যা বুড়িতলা প্রাঙ্গণ পর্যন্ত একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। এই শোভাযাত্রায় ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতি, পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট মনীষীদের স্মরণে প্ল্যাকার্ড এবং ‘বৈচিত্র্যের পশ্চিমবঙ্গ, আমাদের পশ্চিমবঙ্গ, সমৃদ্ধির পশ্চিমবঙ্গ’ শীর্ষক ব্যানার বহন করেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীরা। কর্মসূচি ঘিরে গ্রামবাসী ও পথচলতি মানুষের মধ্যেও যথেষ্ট উৎসাহ দেখা গেছে। শোভাযাত্রা শেষে বিদ্যালয়ে 'নিজের রাজ্যকে জানো' শীর্ষক একটি ক্যুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয়, যা পরিচালনা করেন পরিবেশকর্মী ও সহ-শিক্ষক তুহিনশুভ্র মণ্ডল। এই প্রতিযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস, রাজ্যের গঠন, পশ্চিমবঙ্গ দিবসের তাৎপর্য, রাজ্যের প্রতীক, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কিত নানা প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বৃদ্ধি করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নন্দিতা দাস জানান, শিক্ষার্থীদের কাছে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই ছিল এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য। বিদ্যালয়ের এই কর্মসূচি রাজ্যের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে আরও আগ্রহী করে তুলেছে।
- মালদা জেলার গাজোলে রবিবার সকালে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করা হয়েছে। গাজোলের কোদুবাড়ি মোড় বাজার এলাকায় উলু-শঙ্খ ধ্বনি সহযোগে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই যোগা অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।1
- শনিবার হরিশ্চন্দ্রপুর মণ্ডল-২ বিজেপি তাদের দলীয় কার্যালয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করেছে। এই অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, দেশাত্মবোধক গান এবং বাংলার ঐতিহ্যকে বিশেষ গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও ভারতমাতার ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে বাংলার সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানান দিক তুলে ধরা হয়। এই আয়োজনে হরিশ্চন্দ্রপুর মন্ডল ২ সভাপতি অজয় পাসওয়ান, জেলা যুব সহ-সভাপতি মনোজ দাস, মণ্ডল-৩ সভাপতি ভরত কুমার মণ্ডল, জেলা মহিলা মোর্চার সহ-সভাপতি অনামিকা পাণ্ডে, বিজেপি নেতা রতন দাস, কৌশিক মিশ্র, বাবলু কর্মকার, গোপাল শর্মা-সহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব, কর্মী-সমর্থক এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন একটি ষাঁড় দলীয় কার্যালয় চত্বরে চলে এলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাকে বিস্কুট খাইয়ে আদর করেন, যা সবার মধ্যে কৌতূহল ও আনন্দের সৃষ্টি করে। সভায় বক্তারা বাংলার গৌরবময় ইতিহাস, ভাষা এবং সংস্কৃতির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বক্তারা আরও জানান যে, ভবিষ্যতেও এমন কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।2
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে কোচবিহার জেলার সিতাই বাজার এলাকায় ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে একটি র্যালির আয়োজন করা হয়। সিতাই ১ নং মণ্ডলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই র্যালিতে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। বিজেপি নেতৃবৃন্দ জানান যে, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ঐতিহাসিক নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্তের ফলেই পশ্চিমবঙ্গের জন্ম এবং ভারতের সঙ্গে এর অন্তর্ভুক্তি সুনিশ্চিত হয়েছিল, যা বাঙালির অস্তিত্ব ও পরিচয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণ করতেই পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়। এদিন সিতাই বাজারে অনুষ্ঠিত র্যালিতে দলীয় পতাকা ও ব্যানার হাতে নিয়ে কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কোচবিহার জেলা বিজেপি সম্পাদিকা বিউটি রায় ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং সিতাই কনভেনর দীপক কুমার রায় ভারতীয় জনতা পার্টির পতাকা উত্তোলন করেন। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার বার্তা তুলে ধরা হয় এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। র্যালি শেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ পশ্চিমবঙ্গ দিবসের তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য রাখেন। তাঁরা রাজ্যের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন উপলক্ষে গাজোলে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংখ্যালঘু মোর্চার উদ্যোগে একটি মহতী রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। পান্ডুয়া এ. কে. হাইস্কুলে এই মানবিক কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ দিবসে একটি মানবিক বার্তা দেওয়া হয়েছে।1
- রায়গঞ্জের কর্নজোড়া কালিবাড়ি এলাকায় শনিবার বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ একটি শুকনো গাছের ডাল আচমকা ভেঙে পড়ায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়। এই বিপত্তির জেরে রায়গঞ্জ-বালুরঘাট রাজ্য সড়কে কিছুক্ষণের জন্য যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাস্তার পাশে থাকা গাছটি অনেক দিন ধরেই শুকিয়ে গিয়েছিল। কোনো রকম ঝড়বৃষ্টি ছাড়াই হঠাৎ করে এই শুকনো ডালটি ভেঙে পড়ে বড়সড় সমস্যার সৃষ্টি করে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাঁরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ছিঁড়ে যাওয়া বিদ্যুতের তার মেরামত করেন। কর্মীদের তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই যান চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়।1
- শীতলকুচি অঞ্চলের কার্য্যীর দিঘি এলাকায় আবাস যোজনার টাকা ফেরত দেওয়াকে কেন্দ্র করে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। শনিবার সকালে তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য শরৎচন্দ্র বর্মন গ্রামবাসীদের ডেকে নিজের হাতে তাঁদের হাতে আবাস যোজনার টাকা ফিরিয়ে দেন। এই টাকা ফেরত পেয়ে গ্রামবাসীরা অত্যন্ত খুশি।1
- শনিবার হরিশ্চন্দ্রপুর মণ্ডল-২ বিজেপি তাদের দলীয় কার্যালয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করেছে। এই উপলক্ষে এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, দেশাত্মবোধক গান এবং বাংলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও ভারতমাতার ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়, যার পর বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন দিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়। অনুষ্ঠানে বিজেপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব, কর্মী-সমর্থক এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর মন্ডল ২ সভাপতি অজয় পাসওয়ান, জেলা যুব সহ-সভাপতি মনোজ দাস, মণ্ডল-৩ সভাপতি ভরত কুমার মণ্ডল, জেলা মহিলা মোর্চার সহ-সভাপতি অনামিকা পাণ্ডে, বিজেপি নেতা রতন দাস, কৌশিক মিশ্র, বাবলু কর্মকার, গোপাল শর্মা-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। অনুষ্ঠান চলাকালীন একটি ষাঁড় দলীয় কার্যালয় চত্বরে চলে এলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাকে বিস্কুট খাইয়ে আদর করেন, যা উপস্থিতদের মধ্যে কৌতূহল ও আনন্দের সৃষ্টি করে। বক্তারা তাঁদের ভাষণে বাংলার গৌরবময় ইতিহাস, ভাষা ও সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিক উদযাপন নয়, বরং বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। তাঁরা আরও জানান যে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।1
- শনিবার বিকেলে রায়গঞ্জের কর্নজোড়া কালিবাড়ি এলাকায় আচমকাই একটি শুকনো গাছের বড় ডাল ভেঙে পড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়। এই ঘটনার জেরে রায়গঞ্জ-বালুরঘাট রাজ্য সড়কে বেশ কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলে পথচলতি মানুষ ও বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ভোগান্তির শিকার হতে হয়।1