Shuru
Apke Nagar Ki App…
জগদ্দলের আতপুরের বাসিন্দা পাপ্পু রজক গতকাল প্রতিদিনের মতো তারাতলায় নিজের কাজে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু বিকেলে তার বাড়িতে পৌঁছায় মর্মান্তিক খবর। পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এবং পরবর্তীতে এসএসকেএম হাসপাতালে ছুটে যান। সেখানে দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর তারা নিশ্চিত হন যে তাদের বাড়ির লোক আর জীবিত নেই। পাপ্পু রজক একজন দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন এবং তার আয়ের ওপরই পরিবারের দৈনন্দিন জীবন নির্ভর করত। এক মাস আগেই তিনি তারাতলার ওই বিল্ডিংয়ের কাজে যোগ দিয়েছিলেন। তার এমন আকস্মিক মৃত্যুতে একদিকে যেমন এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে, তেমনি তার পরিবার অকুল পাথারে পড়েছে। তারাতলা বিপর্যয়ের নিহতদের তালিকায় এবার পাপ্পু রজকের নামও যুক্ত হয়েছে।
DEB SARKAR
জগদ্দলের আতপুরের বাসিন্দা পাপ্পু রজক গতকাল প্রতিদিনের মতো তারাতলায় নিজের কাজে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু বিকেলে তার বাড়িতে পৌঁছায় মর্মান্তিক খবর। পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এবং পরবর্তীতে এসএসকেএম হাসপাতালে ছুটে যান। সেখানে দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর তারা নিশ্চিত হন যে তাদের বাড়ির লোক আর জীবিত নেই। পাপ্পু রজক একজন দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন এবং তার আয়ের ওপরই পরিবারের দৈনন্দিন জীবন নির্ভর করত। এক মাস আগেই তিনি তারাতলার ওই বিল্ডিংয়ের কাজে যোগ দিয়েছিলেন। তার এমন আকস্মিক মৃত্যুতে একদিকে যেমন এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে, তেমনি তার পরিবার অকুল পাথারে পড়েছে। তারাতলা বিপর্যয়ের নিহতদের তালিকায় এবার পাপ্পু রজকের নামও যুক্ত হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- শিবদাসপুর থানার পুলিশ নৈহাটি যুব তৃণমূল নেতা অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে, যিনি তোলাবাজি, ধর্ষণ, গুন্ডাগিরি এবং অন্যের জমি-পুকুর ভয় দেখিয়ে দখল করার মতো একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাকে নিয়ে জগদ্দল বিধানসভার মামুদপুর অঞ্চলে পুনর্নির্মাণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করেছে। অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায় নৈহাটি পৌরসভার প্রাক্তন পৌর প্রধান অশোক চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র। পুলিশ মূলত তাকে সেই সমস্ত পুকুর ও জমিতে ঘুরিয়ে এনেছে যা তিনি ভয় দেখিয়ে দখল করেছেন বলে অভিযোগ। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অভিযোগ হলো, এই মামুদপুর অঞ্চলে যেখানে একটি ফিল্ম সিটি তৈরি হওয়ার কথা ছিল, সেই জায়গার পুকুরে অবৈধভাবে মাছ চাষ করে তিনি কোটি কোটি টাকা ব্যবসা করেছেন। অভিযুক্তকে সেই এলাকাতেও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল পুনর্নির্মাণের জন্য। অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে গত ১২ জুন ২০২৬ তারিখে নৈহাটি থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এরপর ২২ জুন শিবদাসপুর থানার পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং এই পুনর্নির্মাণ সম্পন্ন করে।3
- কল্যাণীর গয়েশপুরে 'ডিম থেরাপি'র ঘটনা ঘটেছে, যেখানে তৃণমূল নেতা মিন্টু দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর নেপাল সাহা আক্রান্ত হয়েছেন।1
- মোহনপুর পঞ্চায়েতের মোহনপুর থানার ঠিক আগে টায়ার ফেটে উল্টে গেল টমেটো বোঝাই একটি ৪০৭ গাড়ি। এই দুর্ঘটনায় গাড়ির চালক ও খালাসী অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও সামান্য আঘাত পেয়েছেন। দুর্ঘটনার পর গাড়ির সুন্দর লাল রঙের টমেটো সারা রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে। মহারাজা হোটেলের মালিক ও তাঁর কর্মচারীরা এই উদ্ধারকার্যে এগিয়ে এসে রাস্তায় ছড়িয়ে থাকা টমেটোগুলি কুড়িয়ে গাড়িতে তুলতে সাহায্য করেন, যা একটি মানবিক নজির সৃষ্টি করে। এ সময় মোহনপুর থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। মোহনপুর থানার আধিকারিকরা দাঁড়িয়ে থেকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা টমেটোগুলি অন্য একটি গাড়িতে তুলে দিতে সহায়তা করেন। দীর্ঘদিন পর পুলিশের এমন একটি মানবিক চরিত্র দেখে আমরা আনন্দিত।2
- স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তাদের এলাকায় একটি পুকুর ছিল, যা বুজিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই পুকুরটিকে পুনরায় পুকুরে পরিণত করার জন্য তাঁরা প্রাক্তন প্রধান গিরধারী সাহেবের কাছে আর্জি জানিয়েছেন। বাসিন্দারা আরও জানিয়েছেন যে, তাঁরা এই বিষয়ে প্রাক্তন প্রধানকে চিঠি দেবেন।1
- বৃহস্পতিবার বিকেলের ব্যস্ত সময়ে আচমকাই কলকাতায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। এই আকস্মিক ও ব্যাপক বর্ষণের ফলে ইডেন গার্ডেন এবং সংলগ্ন এলাকাগুলি সম্পূর্ণভাবে জলমগ্ন হয়ে পড়ে। রাস্তায় জল জমে যাওয়ায় সাধারণ নিত্যযাত্রীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।1
- কলকাতা শহরে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর ফলে সারা কলকাতা জুড়েই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।1
- গয়েশপুর অঞ্চলে একসময় তৃণমূলের ত্রাস হিসেবে পরিচিত প্রাক্তন টাউন সভাপতি মিন্টু দে-কে তৃণমূলের যুব অফিসে বসে থাকতে দেখে সাধারণ মানুষ ও বিজেপি কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ জনতা তাকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায়, চর-থাপ্পড় মারা হয়, মারধর করে তার গেঞ্জি খুলে নেওয়া হয় এবং শুরু হয় 'ডিম থেরাপি'। মিন্টু দে-র বিরুদ্ধে মানুষকে ভয় দেখানো, মারধর করা এবং সরকারি জমি বিক্রি করে লোক বসানোর মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তিনি গয়েশপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মরণ দে-র ভাই। এই ঘটনায় তৃণমূলের নেপাল নামে আরেকজনকেও সাধারণ মানুষ মারধর করে, তবে সে কোনোমতে সেখান থেকে পালিয়ে বাঁচেন। অন্যদিকে, গতকাল রাতে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর টুম্পার বাড়িতে চড়াও হয় এলাকার প্রায় ৫০-৬০ জন লোক। পম্পার অভিযোগ, জনতা বাড়ি ঘেরাও করে ভাঙচুর চালায়, জানালার কাঁচ ভেঙে দেয় এবং বাইরে রাখা মোটর বাইকও ভাঙচুর করে। সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও সেগুলিও ভেঙে ফেলা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।1