Shuru
Apke Nagar Ki App…
দেশের সুরক্ষা সবার আগে, এই মূলমন্ত্র নিয়ে উন্মুক্ত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা, যাঁরা এই কাজ শুরু হওয়ায় ব্যাপক আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। জাতীয় নিরাপত্তা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে নেওয়া এই পদক্ষেপ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকার গ্রামগুলির সমর্থন এবং দেশপ্রেমিক নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে এই কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে, যা একটি শক্তিশালী ভারত নির্মাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
Mansai News
দেশের সুরক্ষা সবার আগে, এই মূলমন্ত্র নিয়ে উন্মুক্ত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা, যাঁরা এই কাজ শুরু হওয়ায় ব্যাপক আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। জাতীয় নিরাপত্তা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে নেওয়া এই পদক্ষেপ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকার গ্রামগুলির সমর্থন এবং দেশপ্রেমিক নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে এই কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে, যা একটি শক্তিশালী ভারত নির্মাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বলিউড অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী আলিপুরদুয়ারকে উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উপর জোর দিয়েছেন। শনিবার জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি জানান যে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, অরণ্য, বন্যপ্রাণ এবং সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের জন্য আলিপুরদুয়ারের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁর মতে, এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জেলাটিকে দেশের পর্যটন মানচিত্রে আরও উজ্জ্বল জায়গায় নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। মিঠুন চক্রবর্তী উল্লেখ করেন, ডুয়ার্সের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত আলিপুরদুয়ার শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, গোটা দেশের পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। তিনি মনে করেন যে, পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটলে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং জেলার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। তাই পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়ন ও পর্যটকদের জন্য আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া আবশ্যক। এদিন তিনি জেলার বন ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ নিয়েও আলোচনা করেন। টাইগার প্রজেক্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকায় বর্তমানে পুরুষ বাঘ থাকলেও প্রকল্পকে আরও সফল করতে স্ত্রী বাঘ আনার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত। এতে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি সংরক্ষণ প্রকল্প আরও কার্যকর হবে এবং বনভিত্তিক পর্যটনের আকর্ষণও বাড়বে। বিজেপি নেতা স্বাস্থ্য পরিষেবার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে জানান, আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনীয় উন্নয়নের বিষয়গুলি নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। মিঠুন চক্রবর্তী মন্তব্য করেন যে, জেলার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে পর্যটন, স্বাস্থ্য, বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ—সব ক্ষেত্রেই সমন্বিত পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর মতে, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আলিপুরদুয়ার আগামী দিনে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন ও উন্নয়নের কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম হবে।1
- মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালের সরকারি কোয়ার্টার থেকে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দুজন যুবক কোয়ার্টার থেকে বেশ কিছু প্যাকেট ওষুধ নিয়ে যাওয়ার জন্য এসেছিল। সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রা তাদের বাধা দিলে, ওই দুই যুবক ওষুধ ফেলে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, আলিবার হোসেন নামে এক ব্যক্তি, যিনি হাসপাতালে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করতেন, তিনি সুপারের মদতে বেআইনিভাবে সরকারি কোয়ার্টারে ওষুধ মজুত করেছিলেন। হাসপাতাল প্রাঙ্গণে স্ট্রংরুম থাকা সত্ত্বেও কেন সরকারি কোয়ার্টারে ওষুধ মজুত করা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। বিজেপির দাবি, সুপারের মদতেই বেআইনিভাবে এই ওষুধ মজুত করা হয়েছিল এবং এর উদ্দেশ্য ছিল ওষুধের কালোবাজারি করা। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। ওষুধের কালোবাজারির অভিযোগে তারা সুপারের পদত্যাগ দাবি করেছেন।1
- অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম সংগ্রহের জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তরে উপভোক্তাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।1
- শুক্রবার কালচিনি ব্লকের বিডিও মিঠুন মজুমদার এলাকায় ঘুরে বাসিন্দাদের বাড়ি গিয়ে অন্নপূর্ণা ভান্ডার যোজনার ফর্ম বিলি করেছেন। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, তিনি বিশেষভাবে কালচিনি ব্লকের লতাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত একাধিক বাড়িতে ফর্ম পৌঁছে দেন। ফর্ম বিতরণের পাশাপাশি, বিডিও মহিলাদের ফর্ম পূরণের পদ্ধতি সম্পর্কেও অবগত করেন, যা তাঁদের জন্য সহায়ক হয়েছে।1
- সিতাই ব্লকের আদাবাড়ি অঞ্চলের ৬/১০ নং বুথের পেটলা আদাবারী গ্রামে আবাস যোজনার কাটমানির টাকা দাবিকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা পঞ্চায়েত সদস্য অধীর চন্দ্র দাসের বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মূল দাবি, গরিব মানুষের জন্য সরকারের দেওয়া আবাস যোজনার অর্থ থেকে যে কাটমানি নেওয়া হয়েছে, তা দ্রুত ফেরত দিতে হবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। একই দিনে, স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার প্রাক্তন বুথ সভাপতির বাড়িতেও আবাস যোজনার কাটমানির একই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভকারীরা এই ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও তুলেছেন। জানা গেছে, এই ঘটনার খবর স্থানীয় নেতৃত্ব ও প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে।1
- মাথাভাঙা SD হাসপাতালের সুপারের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে বিজেপি।1
- কোচবিহার জেলার সিতাই ব্লকের ব্রহ্মত্তর চাত্রা অঞ্চলে ভারতীয় জনতা পার্টির একটি নতুন কার্যালয় অফিস ঘরের উদ্বোধন করা হয়েছে। এই কার্যালয়টি উদ্বোধন করেন কোচবিহার জেলা বিজেপির সম্পাদিকা বিউটি রায়। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিতাই বিধানসভার বিজেপি কনভেনর দীপক কুমার রায়, কোচবিহার জেলা বিজেপি মহিলা মোর্চার সহ-সভা নেত্রী সাবিত্রী বর্মন এবং ২ নং মণ্ডল সভাপতি জনার্দন বর্মণ সহ বিজেপির একাধিক নেতা ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন ঘিরে দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্যে সংগঠনকে আরও মজবুত করার এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়।1
- মাথাভাঙ্গা-শীতলকুচি রাজ্য সড়কের গোসাইরহাট বাজার সংলগ্ন এলাকায় ভোররাতে একটি মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ধান কাটার হারভেস্টার বোঝাই একটি ছয় চাকা ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে যায়। জানা গিয়েছে, ট্রাকটি বিহার থেকে শীতলকুচির দিকে আসছিল এবং ধান কাটার কাজে ব্যবহারের জন্য একটি বড় হারভেস্টার মেশিন নিয়ে আসা হচ্ছিল। ভোররাতে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটি রাস্তার ধারের একটি বিদ্যুতের খুঁটিতে সজোরে ধাক্কা মারে। এই ঘটনায় অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেলেও ট্রাক ও হারভেস্টারের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে, গাড়িতে থাকা চালক ও কর্মীদের কোনও শারীরিক ক্ষতি হয়নি। ঘটনার খবর পেয়ে শীতলকুচি থানার পুলিশ দ্রুত এলাকায় পৌঁছয়। পরে দুটি জেসিবি দিয়ে দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িগুলি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।1