Shuru
Apke Nagar Ki App…
এখন থেকে স্কুল, কলেজ এবং মন্দিরের এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনো মদের লাইসেন্স দেওয়া হবে না। এই নিয়ম অনুযায়ী, এই নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে কোনো মদের দোকান বা ব্যবসা খোলার অনুমতি মিলবে না।
RKD Siliguri
এখন থেকে স্কুল, কলেজ এবং মন্দিরের এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনো মদের লাইসেন্স দেওয়া হবে না। এই নিয়ম অনুযায়ী, এই নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে কোনো মদের দোকান বা ব্যবসা খোলার অনুমতি মিলবে না।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- চারিদিকে 'ককরোচ জনতা পার্টি' ছড়িয়ে পড়ছে, যা একটি নতুন আন্দোলনের সূচনা করেছে। এই আন্দোলনে ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছে এবং দেশ এখন স্বাধীনতার এক নতুন দিক দেখছে। সমগ্র ভারত জেগে উঠছে এবং নতুন প্রজন্মের তরুণরা এই আন্দোলনে যোগ দিচ্ছে, যা এক ব্যাপক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।1
- দার্জিলিং জেলার খড়িবাড়ি থানার পুলিশ ডুমুরিয়া নদীতে চলা অবৈধ বালি পাচার রুখে দিয়েছে। এই অভিযানে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে পুলিশ একটি ট্রাক্টর আটক করেছে এবং সেই ট্রাক্টরের চালককে গ্রেফতার করেছে।1
- উত্তর প্রদেশের গোন্ডা জেলা আদালত থেকে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে, আদালতের কার্যক্রম চলাকালীন একজন কর্মকর্তা নিজের আসনে বসে গুডকা খাচ্ছিলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে, যেখানে মূল প্রশ্ন উঠেছে: “যখন ন্যায়ের আসনে বসা লোকেরাই নিয়ম ভুলে যান, তখন সাধারণ মানুষ কার কাছে আশা করবে?” ভিডিওটি সামনে আসার পর জনগণের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ প্রশ্ন তুলছে যে, যদি কোনো সাধারণ ব্যক্তি সরকারি দপ্তর বা জনসমক্ষে এই ধরনের কাজ করে, তবে সঙ্গে সঙ্গে জরিমানা ও ব্যবস্থা নেওয়া হয়; কিন্তু উচ্চ পদে বসে থাকা ব্যক্তিদের জন্য কি আইন আলাদা? সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই লিখছেন, “যে আদালত থেকে সুবিচারের আশা করা হয়, যদি সেখানেই শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়, তাহলে জনগণের আস্থা কীভাবে বাঁচবে?” যদিও ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওটির স্বতন্ত্রভাবে এখনও কোনো নিশ্চিতকরণ হয়নি, তবুও এই ঘটনাটি বিচার ব্যবস্থার মর্যাদা, সরকারি দপ্তরের কর্মসংস্কৃতি এবং কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার ওপর একটি বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে। 'আপনার যুদ্ধ' (আপ কি জং) জিজ্ঞাসা করছে: “আইন কি কেবল সাধারণ মানুষের জন্য? চেয়ার বড় হলেই কি নিয়ম ছোট হয়ে যায়?”1
- দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আজ থেকে সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ম মেনে নদী থেকে বালি ও পাথর তোলার কাজ শুরু হয়েছে। এর ফলে শ্রমিক মহলে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং স্বস্তির নিশ্বাস পড়েছে। আজ থেকে ডুয়ার্স অঞ্চলের চেল, ঘিস এবং লিস নদী থেকে আইনসম্মতভাবে বালি-পাথর উত্তোলনের কাজ শুরু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া মেনেই এই তিন নদী থেকে বালি-পাথর তোলার কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয় শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক খুশি লক্ষ্য করা গেছে।1
- মঙ্গলবার সকালে জলপাইগুড়ির আমগুড়ি এবং পানবাড়ি বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি বাইসন লোকালয়ে তাণ্ডব চালায়। সাত সকালে বাইসনের এই দাপাদাপিতে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরবর্তীতে বাইসনটি জলঢাকা নদী পার হয়ে পুনরায় জঙ্গলের দিকে চলে যায়।1
- কোচবিহারের পুলিশ সুপার জসপ্রীত সিং সম্প্রতি হলদিবাড়ি থানা পরিদর্শন করেছেন।1
- কল্যাণীতে একটি প্রশাসনিক বৈঠক শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে সরব হলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁদের করা প্রশ্নগুলির জবাব দেন।1
- আজকের মুম্বাই যেন নিজের গতির নিচেই চাপা পড়ছে, যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন বাড়ি থেকে বের হয় ঠিকই, কিন্তু সন্ধ্যায় নিরাপদে ফিরবে কিনা তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। মুম্বাই লোকাল ট্রেনগুলো এখন 'লাইফলাইন' কম, বরং 'প্রাণঘাতী লাইন' বেশি হয়ে উঠেছে। ট্রেনের কামরাগুলোতে এতটাই ভিড় যে মানুষের শ্বাস নেওয়ার মতো জায়গাও থাকে না, যাত্রীরা দরজার ওপর ঝুলে যাতায়াত করতে বাধ্য হয়। অথচ প্রশাসন শুধুই দুর্ঘটনাগুলির পরিসংখ্যান গুনতে ব্যস্ত। ভয়াবহ তথ্য হলো, ২০২৫ সালে মুম্বাই লোকাল সম্পর্কিত দুর্ঘটনায় ২২০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে। ভিড়, ট্র্যাক পারাপার এবং ট্রেন থেকে পড়ে যাওয়ার মতো ঘটনাগুলি হাজার হাজার পরিবারের আনন্দ কেড়ে নিয়েছে। সবচেয়ে বেদনাদায়ক সত্য হলো, এই দুর্ঘটনাগুলি এখন 'সাধারণ' ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। কারো ছেলে হয়তো কাজে গিয়ে আর ফেরেনি, কারো মা হারিয়েছে তার একমাত্র অবলম্বন, আবার কোনো বাবা প্রতিদিন মৃত্যুর সাথে লড়ে ঘরে ফিরছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ প্রশ্ন তুলছে— 'মুম্বাইয়ে গরীব মানুষের প্রাণের কি কোনো মূল্য নেই?' রেলওয়ে এবং সরকার কোটি কোটি টাকার প্রকল্পের দাবি করে, কিন্তু আজও সাধারণ যাত্রীরা 'আরশোলাদের মতো' ঠেসেঠুসে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছে। ভিড় এতটাই বেশি যে পা রাখার জায়গাও নেই, আর সুরক্ষা এমন যে প্রতিটি স্টেশনে মৃত্যু যেন ওত পেতে থাকে। মুম্বাই এগিয়ে চলেছে ঠিকই, কিন্তু এই দৌড়ের মধ্যে প্রতিদিন কেউ না কেউ পিষ্ট হচ্ছে, যা 'দেশের অর্থনৈতিক রাজধানী' হিসেবে পরিচিত মুম্বাই লোকাল ট্রেনকে আর ভ্রমণ নয়, যেন এক 'মৃত্যুর ফাঁদ' করে তুলেছে।1
- ঝড়ের এক রাতে বাবুচাঁদ জোতের 'স্বপ্নের ছাউনি' ভেঙে পড়েছে। এর ফলে অসহায় পরিবারটিকে এখন খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাতে হচ্ছে।1