পুরীর জগন্নাথদেবের মন্দিরে দেবদাসী প্রথা যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল,তা সাধারণ ভাবে আমাদের জানা।এই দেবদাসীদের কেন্দ্র করে অনেক কাহিনী উপকাহিনী প্রচলিত আছে। তার একটি এইরকম.. মন্দিরের গর্ভগৃহে পুরোহিত এবং মন্দিরের অন্যান্য সেবকরা তো বটেই, সাধারণ পূণ্যার্থীরাও নির্দিষ্ট সময়ে প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু দেবদাসীদের কখনোই সেই অধিকার দেওয়া হয় না।যদিও একটা সময় পর্যন্ত তাদের এই অধিকার ছিল।এমনকি প্রথা ছিল,একজন দেবদাসী প্রতিদিন রাতে জগন্নাথের পালংকের নিচে ঘুমাবে। দেবতাকে শয়ান দেবার সময় সে গর্ভগৃহে প্রবেশ করবে আর দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করা হবে।পরদিন সকালে পুরোহিত দরজা খুলে দিলে তবেই দেবদাসী বেরিয়ে আসতে পারবে। দেবদাসী শুধুমাত্র একটি গেরুয়া বসন পরবে,ফুল ছাড়া কোনো অলংকার বা প্রসাধনদ্রব্য ব্যবহার করবে না,চুলে তেল টুকুও দেবে না। ঘটনার রাত্রে যে দেবদাসী গর্ভগৃহে ছিল তার ঘরে ছিল ছোট ছোট তিনটি দত্তক সন্তান ।ঐ দেবদাসী সেদিন তাদের জন্য কোনো খাবারের ব্যবস্থা করে রাখতে পারে নি। তার মনের এই কষ্ট জগন্নাথদেব বুঝতে পারেন এবং তাঁকে যে সোনার থালায় খাবার দেওয়া হয়ে থাকে,ব্রাহ্মণ বালকের বেশে সেই থালা ভর্তি খাবার তিনি দেবদাসীর বাড়িতে পৌঁছে দেন।শিশু তিনটিকে বলেন তাদের মা তাদের জন্য এইসব পাঠিয়ে দিয়েছেন।তারা খাবার খেয়ে থালাটিকে বাইরেই ফেলে রেখে ঘুমিয়ে যায়। পরদিন সকালে বাড়ি ফিরে দেবদাসীটি বুঝতে পারে প্রকৃত ঘটনা কি ঘটেছে।এদিকে,হারানো থালাটির খোঁজ পড়ে আর সেটিকে তার বাড়িতে পেয়ে রাজার লোকজন তাকে বন্দী করে। সেইদিন ভোগ নিবেদনের সময়ে পুরোহিত তাঁর অঞ্জলীবদ্ধ জলে দেবতার প্রতিবিম্ব দেখতে পেলেন না,যা প্রতিদিন ফুটে ওঠে।এই ঘটনায় বিচলিত পুরোহিত ধ্যানে বসে প্রকৃত ঘটনা জানতে পারেন ও রাজাকে জানান।রাজা তখন দেবদাসীকে মুক্তি দেন। সেই থালাটির সমান অর্থ তাকে দিতে চান। কিন্তু দেবদাসী বলে যে সে অত্যন্ত সাদাসিদে ভাবে থাকে, কমদামী বসন পরে, কোন অলংকার ব্যবহার করে না আর কেবলমাত্র সাদা ভাত খায়। তাই তার অর্থের দরকার নেই। তখন রাজা তাকে বলেন যে এভাবে ব্রহ্মচর্যের জীবন যাপন উচিত নয়। সে অবশ্যই কিছু অলংকার পরুক এবং রাজা ও মন্দিরের পুরোহিত তার দেহ স্পর্শ করতে পারবে। দেবদাসী বুঝতে পারে যে সে তার সতীত্ব হারাতে চলেছে। তখন সে জগন্নাথের পালঙ্কের নিচে ঘুমানোর অধিকারও ত্যাগ করে।এরপর থেকে নিয়ম হয় ভোগদানের সময়ে দেবদাসীরা গর্ভগৃহের বাইরের মন্ডপে নৃত্যগীতে অবশ্যই নিযুক্ত থাকবে, কিন্তু কখনোই ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেনা। পুরীর জগন্নাথদেবের মন্দিরে দেবদাসী প্রথা যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল,তা সাধারণ ভাবে আমাদের জানা।এই দেবদাসীদের কেন্দ্র করে অনেক কাহিনী উপকাহিনী প্রচলিত আছে। তার একটি এইরকম.. মন্দিরের গর্ভগৃহে পুরোহিত এবং মন্দিরের অন্যান্য সেবকরা তো বটেই, সাধারণ পূণ্যার্থীরাও নির্দিষ্ট সময়ে প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু দেবদাসীদের কখনোই সেই অধিকার দেওয়া হয় না।যদিও একটা সময় পর্যন্ত তাদের এই অধিকার ছিল।এমনকি প্রথা ছিল,একজন দেবদাসী প্রতিদিন রাতে জগন্নাথের পালংকের নিচে ঘুমাবে। দেবতাকে শয়ান দেবার সময় সে গর্ভগৃহে প্রবেশ করবে আর দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করা হবে।পরদিন সকালে পুরোহিত দরজা খুলে দিলে তবেই দেবদাসী বেরিয়ে আসতে পারবে। দেবদাসী শুধুমাত্র একটি গেরুয়া বসন পরবে,ফুল ছাড়া কোনো অলংকার বা প্রসাধনদ্রব্য ব্যবহার করবে না,চুলে তেল টুকুও দেবে না। ঘটনার রাত্রে যে দেবদাসী গর্ভগৃহে ছিল তার ঘরে ছিল ছোট ছোট তিনটি দত্তক সন্তান ।ঐ দেবদাসী সেদিন তাদের জন্য কোনো খাবারের ব্যবস্থা করে রাখতে পারে নি। তার মনের এই কষ্ট জগন্নাথদেব বুঝতে পারেন এবং তাঁকে যে সোনার থালায় খাবার দেওয়া হয়ে থাকে,ব্রাহ্মণ বালকের বেশে সেই থালা ভর্তি খাবার তিনি দেবদাসীর বাড়িতে পৌঁছে দেন।শিশু তিনটিকে বলেন তাদের মা তাদের জন্য এইসব পাঠিয়ে দিয়েছেন।তারা খাবার খেয়ে থালাটিকে বাইরেই ফেলে রেখে ঘুমিয়ে যায়। পরদিন সকালে বাড়ি ফিরে দেবদাসীটি বুঝতে পারে প্রকৃত ঘটনা কি ঘটেছে।এদিকে,হারানো থালাটির খোঁজ পড়ে আর সেটিকে তার বাড়িতে পেয়ে রাজার লোকজন তাকে বন্দী করে। সেইদিন ভোগ নিবেদনের সময়ে পুরোহিত তাঁর অঞ্জলীবদ্ধ জলে দেবতার প্রতিবিম্ব দেখতে পেলেন না,যা প্রতিদিন ফুটে ওঠে।এই ঘটনায় বিচলিত পুরোহিত ধ্যানে বসে প্রকৃত ঘটনা জানতে পারেন ও রাজাকে জানান।রাজা তখন দেবদাসীকে মুক্তি দেন। সেই থালাটির সমান অর্থ তাকে দিতে চান। কিন্তু দেবদাসী বলে যে সে অত্যন্ত সাদাসিদে ভাবে থাকে, কমদামী বসন পরে, কোন অলংকার ব্যবহার করে না আর কেবলমাত্র সাদা ভাত খায়। তাই তার অর্থের দরকার নেই। তখন রাজা তাকে বলেন যে এভাবে ব্রহ্মচর্যের জীবন যাপন উচিত নয়। সে অবশ্যই কিছু অলংকার পরুক এবং রাজা ও মন্দিরের পুরোহিত তার দেহ স্পর্শ করতে পারবে। দেবদাসী বুঝতে পারে যে সে তার সতীত্ব হারাতে চলেছে। তখন সে জগন্নাথের পালঙ্কের নিচে ঘুমানোর অধিকারও ত্যাগ করে।এরপর থেকে নিয়ম হয় ভোগদানের সময়ে দেবদাসীরা গর্ভগৃহের বাইরের মন্ডপে নৃত্যগীতে অবশ্যই নিযুক্ত থাকবে, কিন্তু কখনোই ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেনা। রাজা ও পুরোহিতের ভোগ্যা হতে হবে এই ই ছিল দেবদাসীর নিয়তি। সব দেশে সব যুগেই কিছু অপ্রীতিকর বাস্তবকে বৈধতা দেবার জন্যে দৈব আখ্যান বা আদেশের মোড়কে মুড়ে দেবার অনেক উদাহরণের একটি এই কাহিনী। তথ্যসূত্র – Wives of the God-King. The rituals of the devadasis of Puri. Frederique Apffel Marglin. Devadasis of India. tradition or travesity…Veenus Jain.
পুরীর জগন্নাথদেবের মন্দিরে দেবদাসী প্রথা যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল,তা সাধারণ ভাবে আমাদের জানা।এই দেবদাসীদের কেন্দ্র করে অনেক কাহিনী উপকাহিনী প্রচলিত আছে। তার একটি এইরকম.. মন্দিরের গর্ভগৃহে পুরোহিত এবং মন্দিরের অন্যান্য সেবকরা তো বটেই, সাধারণ পূণ্যার্থীরাও নির্দিষ্ট সময়ে প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু দেবদাসীদের কখনোই সেই অধিকার দেওয়া হয় না।যদিও একটা সময় পর্যন্ত তাদের এই অধিকার ছিল।এমনকি প্রথা ছিল,একজন দেবদাসী প্রতিদিন রাতে জগন্নাথের পালংকের নিচে ঘুমাবে। দেবতাকে শয়ান দেবার সময় সে গর্ভগৃহে প্রবেশ করবে আর দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করা হবে।পরদিন সকালে পুরোহিত দরজা খুলে দিলে তবেই দেবদাসী বেরিয়ে আসতে পারবে। দেবদাসী শুধুমাত্র একটি গেরুয়া বসন পরবে,ফুল ছাড়া কোনো অলংকার বা প্রসাধনদ্রব্য ব্যবহার করবে না,চুলে তেল টুকুও দেবে না। ঘটনার রাত্রে যে দেবদাসী গর্ভগৃহে ছিল তার ঘরে ছিল ছোট ছোট তিনটি দত্তক সন্তান ।ঐ দেবদাসী সেদিন তাদের জন্য কোনো খাবারের ব্যবস্থা করে রাখতে পারে নি। তার মনের এই কষ্ট জগন্নাথদেব বুঝতে পারেন এবং তাঁকে যে সোনার থালায় খাবার দেওয়া হয়ে থাকে,ব্রাহ্মণ বালকের বেশে সেই থালা ভর্তি খাবার তিনি দেবদাসীর বাড়িতে পৌঁছে দেন।শিশু তিনটিকে বলেন তাদের মা তাদের জন্য এইসব পাঠিয়ে দিয়েছেন।তারা খাবার খেয়ে থালাটিকে বাইরেই ফেলে রেখে ঘুমিয়ে যায়। পরদিন সকালে বাড়ি ফিরে দেবদাসীটি বুঝতে পারে প্রকৃত ঘটনা কি ঘটেছে।এদিকে,হারানো থালাটির খোঁজ পড়ে আর সেটিকে তার বাড়িতে পেয়ে রাজার লোকজন তাকে বন্দী করে। সেইদিন ভোগ নিবেদনের সময়ে পুরোহিত তাঁর অঞ্জলীবদ্ধ জলে দেবতার প্রতিবিম্ব দেখতে পেলেন না,যা প্রতিদিন ফুটে ওঠে।এই ঘটনায় বিচলিত পুরোহিত ধ্যানে বসে প্রকৃত ঘটনা জানতে পারেন ও রাজাকে জানান।রাজা তখন দেবদাসীকে মুক্তি দেন। সেই থালাটির সমান অর্থ তাকে দিতে চান। কিন্তু দেবদাসী বলে যে সে অত্যন্ত সাদাসিদে ভাবে থাকে, কমদামী বসন পরে, কোন অলংকার ব্যবহার করে না আর কেবলমাত্র সাদা ভাত খায়। তাই তার অর্থের দরকার নেই। তখন রাজা তাকে বলেন যে এভাবে ব্রহ্মচর্যের জীবন যাপন উচিত নয়। সে অবশ্যই কিছু অলংকার পরুক এবং রাজা ও মন্দিরের পুরোহিত তার দেহ স্পর্শ করতে পারবে। দেবদাসী বুঝতে পারে যে সে তার সতীত্ব হারাতে চলেছে। তখন সে জগন্নাথের পালঙ্কের নিচে ঘুমানোর অধিকারও ত্যাগ করে।এরপর থেকে নিয়ম হয় ভোগদানের সময়ে দেবদাসীরা গর্ভগৃহের বাইরের মন্ডপে নৃত্যগীতে অবশ্যই নিযুক্ত থাকবে, কিন্তু কখনোই ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেনা। পুরীর জগন্নাথদেবের মন্দিরে দেবদাসী প্রথা যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল,তা সাধারণ ভাবে আমাদের জানা।এই দেবদাসীদের কেন্দ্র করে অনেক কাহিনী উপকাহিনী প্রচলিত আছে। তার একটি এইরকম.. মন্দিরের গর্ভগৃহে পুরোহিত এবং মন্দিরের অন্যান্য সেবকরা তো বটেই, সাধারণ পূণ্যার্থীরাও নির্দিষ্ট সময়ে প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু দেবদাসীদের কখনোই সেই অধিকার দেওয়া হয় না।যদিও একটা সময় পর্যন্ত তাদের এই অধিকার ছিল।এমনকি প্রথা ছিল,একজন দেবদাসী প্রতিদিন রাতে জগন্নাথের পালংকের নিচে ঘুমাবে। দেবতাকে শয়ান দেবার সময় সে গর্ভগৃহে প্রবেশ করবে আর দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করা হবে।পরদিন সকালে পুরোহিত দরজা খুলে দিলে তবেই দেবদাসী বেরিয়ে আসতে পারবে। দেবদাসী শুধুমাত্র একটি গেরুয়া বসন পরবে,ফুল ছাড়া কোনো অলংকার বা প্রসাধনদ্রব্য ব্যবহার করবে না,চুলে তেল টুকুও দেবে না। ঘটনার রাত্রে যে দেবদাসী গর্ভগৃহে ছিল তার ঘরে ছিল ছোট ছোট তিনটি দত্তক সন্তান ।ঐ দেবদাসী সেদিন তাদের জন্য কোনো খাবারের ব্যবস্থা করে রাখতে পারে নি। তার মনের এই কষ্ট জগন্নাথদেব বুঝতে পারেন এবং তাঁকে যে সোনার থালায় খাবার দেওয়া হয়ে থাকে,ব্রাহ্মণ বালকের বেশে সেই থালা ভর্তি খাবার তিনি দেবদাসীর বাড়িতে পৌঁছে দেন।শিশু তিনটিকে বলেন তাদের মা তাদের জন্য এইসব পাঠিয়ে দিয়েছেন।তারা খাবার খেয়ে থালাটিকে বাইরেই ফেলে রেখে ঘুমিয়ে যায়। পরদিন সকালে বাড়ি ফিরে দেবদাসীটি বুঝতে পারে প্রকৃত ঘটনা কি ঘটেছে।এদিকে,হারানো থালাটির খোঁজ পড়ে আর সেটিকে তার বাড়িতে পেয়ে রাজার লোকজন তাকে বন্দী করে। সেইদিন ভোগ নিবেদনের সময়ে পুরোহিত তাঁর অঞ্জলীবদ্ধ জলে দেবতার প্রতিবিম্ব দেখতে পেলেন না,যা প্রতিদিন ফুটে ওঠে।এই ঘটনায় বিচলিত পুরোহিত ধ্যানে বসে প্রকৃত ঘটনা জানতে পারেন ও রাজাকে জানান।রাজা তখন দেবদাসীকে মুক্তি দেন। সেই থালাটির সমান অর্থ তাকে দিতে চান। কিন্তু দেবদাসী বলে যে সে অত্যন্ত সাদাসিদে ভাবে থাকে, কমদামী বসন পরে, কোন অলংকার ব্যবহার করে না আর কেবলমাত্র সাদা ভাত খায়। তাই তার অর্থের দরকার নেই। তখন রাজা তাকে বলেন যে এভাবে ব্রহ্মচর্যের জীবন যাপন উচিত নয়। সে অবশ্যই কিছু অলংকার পরুক এবং রাজা ও মন্দিরের পুরোহিত তার দেহ স্পর্শ করতে পারবে। দেবদাসী বুঝতে পারে যে সে তার সতীত্ব হারাতে চলেছে। তখন সে জগন্নাথের পালঙ্কের নিচে ঘুমানোর অধিকারও ত্যাগ করে।এরপর থেকে নিয়ম হয় ভোগদানের সময়ে দেবদাসীরা গর্ভগৃহের বাইরের মন্ডপে নৃত্যগীতে অবশ্যই নিযুক্ত থাকবে, কিন্তু কখনোই ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেনা। রাজা ও পুরোহিতের ভোগ্যা হতে হবে এই ই ছিল দেবদাসীর নিয়তি। সব দেশে সব যুগেই কিছু অপ্রীতিকর বাস্তবকে বৈধতা দেবার জন্যে দৈব আখ্যান বা আদেশের মোড়কে মুড়ে দেবার অনেক উদাহরণের একটি এই কাহিনী। তথ্যসূত্র – Wives of the God-King. The rituals of the devadasis of Puri. Frederique Apffel Marglin. Devadasis of India. tradition or travesity…Veenus Jain.
- মঙ্গলবারে ফের ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগের দমকা ঝড়ো হাওয়া। বুধবার পহেলা এপ্রিল ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা ফের কমবে।1
- মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে সুজয় হাজরা, খড়্গপুর (গ্রামীণ) কেন্দ্রে দীনেন রায়, শালবনী কেন্দ্রে শ্রীকান্ত মাহাত এবং গড়বেতা কেন্দ্রে উত্তরা সিংহ (হাজরা)-কে সমর্থনের ডাক দেওয়া হয়েছে। #MamataBanerjee #WestMedinipur #ElectionCampaign #BanglarVote #TMC #JoraPhool #BengalPolitics #VoteForChange #ElectionUpdate #PoliticalNews #Midnapore #Kharagpur #Salboni #Garbeta #BreakingNews #IndiaPolitics #TrendingNow #BengalNews #vote20261
- #trainrestoration : रद्द ट्रेनों की वापसी: अप्रैल में फिर दौड़ेंगी शालीमार-मुंबई एक्सप्रेस। #southeasternrailway #kharagpurraildivision #shalimarlttkurlaexpress #restoration #kharagpurnews91
- তালদা ১ নম্বর অঞ্চলের নন্দকুড়িয়াতে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন উপস্থিত ছিলেন দাঁতন ৪ নং মন্ডলের সভাপতি লক্ষীকান্ত দাস সহ অন্যান্যরা।1
- Post by Ankit Banerjee1
- চন্দ্রকোনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভার আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা,হাতাহাতি1
- রাহুলের মৃত্যু নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া1
- সাধারণ মানুষ দিলীপ ঘোষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, তবে তাঁদের একটাই আবেদন—প্রতিশ্রুতি যেন বাস্তবে রূপ পায়। দেওয়াল লিখনে লেখা রয়েছে, “দূষণ বন্ধ করতে চান, ভোট দিয়ে বিজেপিকে জেতান।” মানুষ বলছেন, শুধু কথা দিয়ে হবে না, বাস্তবে কাজ করে দেখাতে হবে। বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি তাদের আশা—পরিবেশ মুক্ত খড়গপুর গড়ে তুলতে হবে, নির্বাচনের পর সেই প্রতিশ্রুতি যেন বাস্তবায়িত হয়। #Kharagpur #BJP #DilipGhosh #WallWriting #SadharanManush #PollutionFreeKharagpur #Election20261