নিষ্ঠা ও দীর্ঘ সেবার স্বীকৃতি,এনটিপিসি ফারাক্কায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বিদায় সংবর্ধনা। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের প্রবৃদ্ধিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ, এনটিপিসি ফারাক্কা আজ অবসরগ্রহণকারী কর্মীদের সম্মানে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অত্যন্ত আন্তরিক ও আবেগঘন পরিবেশে এই বিদায় অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয় টিটিএস (TTS)-এর ‘স্মৃতি বন’-এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানের সাথে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের দীর্ঘ ও অটুট সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে এই চারাগাছগুলো রোপণ করা হয়, যা আগামী দিনেও তাঁদের স্মৃতির স্বাক্ষর বহন করবে। এদিন মোট তিনজন কর্মীকে তাঁদের দীর্ঘ ও নিষ্ঠাবান সেবার জন্য সংবর্ধনা জানানো হয়। শ্রী পরেন্দ্র নাথ রায় ইঞ্জিনিয়ার (রসায়ন), শ্রী মোকলেসুর রহমান জুনিয়র টেকনিশিয়ান (অপারেশন), শ্রী প্রেম কুমার সিংহ সহকারী ব্যবস্থাপক (অ্যাশ ডাইক ম্যানেজমেন্ট) ,বিশেষ কারণে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। বৃক্ষরোপণের পর গীতাঞ্জলি অডিটোরিয়ামে মূল সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনটিপিসি ফারাক্কার প্রকল্প প্রধান শ্রী দেবব্রত কর। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্রী রাজশেখর পলা মহাব্যবস্থাপক (ও অ্যান্ড এম), শ্রী অভাষ রঞ্জন মহান্তি মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন ও এফএম), শ্রী অলোক কুমার রণবীর প্রধান (মানব সম্পদ), বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, কর্মচারী এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পরিবারের সদস্যরা। অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের তিন দশকেরও অধিক সময়ের পরিশ্রম ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁদের হাতে প্রশংসাপত্র, স্মারক ও সম্মানসূচক শাল তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শ্রী দেবব্রত কর বলেন, "এনটিপিসি ফারাক্কার সাথে এই কর্মীদের দীর্ঘ পথচলা অনেকটা একটি পরিবারের মতো। প্রতিষ্ঠানের আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে তাঁদের নিরলস পরিশ্রম ও নিষ্ঠা জড়িয়ে আছে।" তিনি অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের আগামী জীবনের সুস্বাস্থ্য, সুখ এবং সমৃদ্ধি কামনা করে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন। সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানটি ছিল কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধার এক মেলবন্ধন, যা কর্মীদের প্রতি প্রতিষ্ঠানের গভীর মমত্ববোধকে পুনরায় প্রতিফলিত করে।
নিষ্ঠা ও দীর্ঘ সেবার স্বীকৃতি,এনটিপিসি ফারাক্কায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বিদায় সংবর্ধনা। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের প্রবৃদ্ধিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ, এনটিপিসি ফারাক্কা আজ অবসরগ্রহণকারী কর্মীদের সম্মানে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অত্যন্ত আন্তরিক ও আবেগঘন পরিবেশে এই বিদায় অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয় টিটিএস (TTS)-এর ‘স্মৃতি বন’-এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানের সাথে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের দীর্ঘ ও অটুট সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে এই চারাগাছগুলো রোপণ করা হয়, যা আগামী দিনেও তাঁদের স্মৃতির স্বাক্ষর বহন করবে। এদিন মোট তিনজন কর্মীকে তাঁদের দীর্ঘ ও নিষ্ঠাবান সেবার জন্য সংবর্ধনা জানানো হয়। শ্রী পরেন্দ্র নাথ রায় ইঞ্জিনিয়ার (রসায়ন), শ্রী মোকলেসুর রহমান জুনিয়র টেকনিশিয়ান (অপারেশন), শ্রী প্রেম কুমার সিংহ সহকারী ব্যবস্থাপক (অ্যাশ ডাইক ম্যানেজমেন্ট) ,বিশেষ কারণে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। বৃক্ষরোপণের পর গীতাঞ্জলি অডিটোরিয়ামে মূল সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনটিপিসি ফারাক্কার প্রকল্প প্রধান শ্রী দেবব্রত কর। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্রী রাজশেখর পলা মহাব্যবস্থাপক (ও অ্যান্ড এম), শ্রী অভাষ রঞ্জন মহান্তি মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন ও এফএম), শ্রী অলোক কুমার রণবীর প্রধান (মানব সম্পদ), বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, কর্মচারী এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পরিবারের সদস্যরা। অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের তিন দশকেরও অধিক সময়ের পরিশ্রম ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁদের হাতে প্রশংসাপত্র, স্মারক ও সম্মানসূচক শাল তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শ্রী দেবব্রত কর বলেন, "এনটিপিসি ফারাক্কার সাথে এই কর্মীদের দীর্ঘ পথচলা অনেকটা একটি পরিবারের মতো। প্রতিষ্ঠানের আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে তাঁদের নিরলস পরিশ্রম ও নিষ্ঠা জড়িয়ে আছে।" তিনি অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের আগামী জীবনের সুস্বাস্থ্য, সুখ এবং সমৃদ্ধি কামনা করে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন। সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানটি ছিল কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধার এক মেলবন্ধন, যা কর্মীদের প্রতি প্রতিষ্ঠানের গভীর মমত্ববোধকে পুনরায় প্রতিফলিত করে।
- বালুরঘাট, ৩০ এপ্রিল: আগামী ৮ই মে, পরিতোষ কুমার দে’র ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বালুরঘাটে মাল্যদান-স্মরণসভা ও মোমবাতি মিছিলের প্রস্তুতি চলছে। মৎস্য আড়ৎদার সমিতি সকাল ৮টায় মাল্যদান ও স্মরণসভা, আর সন্ধ্যায় মোমবাতি মিছিলের আয়োজন করবে। সকলকে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- free fire khelty khelty pagol hoya geya chi #news bangla1
- রোডের লাইট এর কার আন্ধার রোডে লাইট নয় সৈয়দপুর নয়াপাড়া বেশ করছি রোডে রোডে লাইট এর জন্য হয়ে যায়1
- গ্রামটা গ্রামীন সড়ক রাস্তায় প্রচুর পরিমাণে খারাপ রাস্তা প্রচুর পরিমাণে জল জমে থাকা লোকে যাতায়াত অসুবিধা স্কুলের বাচ্চাদের যাতায়াতের অসুবিধা1
- Post by 💌MD.SAKIL AHMED-9775611511🏳️1
- খেলার মাঠ আছে, আছে খেলোয়াড়দের উন্মাদনাও। কিন্তু নেই উপযুক্ত পরিকাঠামো। মুর্শিদাবাদ জেলার ফারাক্কায় অবস্থিত সৈয়দ নুরুল হাসান কলেজ ময়দানের স্টেডিয়ামটি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় ক্ষোভ দানা বাঁধছে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে। ফারাক্কার এই কলেজ মাঠটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সারাবছর এখানে ফুটবল থেকে ক্রিকেট—নানা ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা লেগেই থাকে। শুধু খেলাধুলাই নয়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জনসভা বা বড় কোনো অনুষ্ঠানের জন্যও এই মাঠটিই প্রধান ভরসা। অথচ, মাঠের এক কোণে কঙ্কালের মতো দাঁড়িয়ে থাকা অসমাপ্ত স্টেডিয়ামটি আজ প্রশাসনের উদাসীনতার এক মূর্ত প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।1
- ভবানীপুরে বর্তমানে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে স্লোগান ওঠেভবানীপুরে বর্তমানে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে স্লোগান ওঠে। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা 'জয় বাংলা' স্লোগান দিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে, এবং শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে 'গো ব্যাক' স্লোগানও ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো এলাকা জুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে, এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কি বললেন শুনুন1
- Post by Jayashree Mondal1