২০ শে জুন ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিশেষ নির্দেশে রাজ্যজুড়ে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির স্মরণে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি পালিত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বর্ধমান দুই ব্লকের আটাগর তাজপুর হাই মাদ্রাসায় এই দিনটি বিশেষ উৎসাহ-উদ্দীপণার সঙ্গে উদযাপন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কুইজ, সঙ্গীত সহ নানা ধরনের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, সমাজসেবী ও নাট্য ব্যক্তিত্ব সৌরিন কোনার, বিশিষ্ট শিক্ষক শেখ ফিরোজ আলী, শেখ জাহির আব্বাস, কৌশিক দে, শিক্ষিকা কবিতা রায়কেশ সহ অন্যান্য ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বৃক্ষবন্ধু ডঃ সোমনাথ গুপ্ত। অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বলেন, আজকের দিনটি আপামর বাঙালির কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং সরকারি এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করতে পেরে তাঁরা গর্বিত। বৃক্ষবন্ধু ডঃ সোমনাথ গুপ্ত জানান, অনুষ্ঠানটি খুবই অনবদ্য ছিল এবং বিশেষ কুইজ কম্পিটিশন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিনটির তাৎপর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং হাই মাদ্রাসার সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষা কর্মীবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ডঃ সোমনাথ গুপ্ত আরও বলেন যে, ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ছিলেন তদানীন্তন পশ্চিমবঙ্গের আদর্শ রূপকার, এবং তিনি না থাকলে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ অনেক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন। তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে জেলা তথা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় 'বৃক্ষের টানে বৃক্ষবন্ধু ২০২৬' অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বৃক্ষচারা তুলে দেওয়া হচ্ছে এবং সেগুলি পরিচর্যার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ এই অনুষ্ঠানটিকে ছাত্র-ছাত্রী তথা সমাজের জন্য একটি সহায়ককারী অনুষ্ঠান হিসেবে মনে করছেন। এলাকার শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন সকল মানুষজন আজকের অনুষ্ঠানটিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। আটাগর তাজপুর হাই মাদ্রাসায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির স্মরণে 'বৃক্ষের টানে' বৃক্ষরোপণও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০ শে জুন ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিশেষ নির্দেশে রাজ্যজুড়ে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির স্মরণে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি পালিত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বর্ধমান দুই ব্লকের আটাগর তাজপুর হাই মাদ্রাসায় এই দিনটি বিশেষ উৎসাহ-উদ্দীপণার সঙ্গে উদযাপন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কুইজ, সঙ্গীত সহ নানা ধরনের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, সমাজসেবী ও
নাট্য ব্যক্তিত্ব সৌরিন কোনার, বিশিষ্ট শিক্ষক শেখ ফিরোজ আলী, শেখ জাহির আব্বাস, কৌশিক দে, শিক্ষিকা কবিতা রায়কেশ সহ অন্যান্য ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বৃক্ষবন্ধু ডঃ সোমনাথ গুপ্ত। অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বলেন, আজকের দিনটি আপামর বাঙালির কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং সরকারি এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করতে পেরে তাঁরা গর্বিত। বৃক্ষবন্ধু ডঃ সোমনাথ গুপ্ত জানান, অনুষ্ঠানটি খুবই অনবদ্য ছিল এবং
বিশেষ কুইজ কম্পিটিশন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিনটির তাৎপর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং হাই মাদ্রাসার সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষা কর্মীবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ডঃ সোমনাথ গুপ্ত আরও বলেন যে, ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ছিলেন তদানীন্তন পশ্চিমবঙ্গের আদর্শ রূপকার, এবং তিনি না থাকলে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ অনেক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন। তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে জেলা তথা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় 'বৃক্ষের
টানে বৃক্ষবন্ধু ২০২৬' অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বৃক্ষচারা তুলে দেওয়া হচ্ছে এবং সেগুলি পরিচর্যার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ এই অনুষ্ঠানটিকে ছাত্র-ছাত্রী তথা সমাজের জন্য একটি সহায়ককারী অনুষ্ঠান হিসেবে মনে করছেন। এলাকার শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন সকল মানুষজন আজকের অনুষ্ঠানটিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। আটাগর তাজপুর হাই মাদ্রাসায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির স্মরণে 'বৃক্ষের টানে' বৃক্ষরোপণও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- বাঁকুড়া শহরের আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস নির্ধারিত দিনের একদিন আগেই পালন করা হয়েছে। নীট পরীক্ষা থাকায় এই অগ্রিম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।1
- দিলখানের সৌজন্যে, ছয় জন মহাপুরুষের কথা তুলে ধরা হয়েছে, যাঁরা তাঁদের সারা জীবন মানুষের সেবায় উৎসর্গ করেছেন। এই মহাপুরুষেরা আজীবন মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই করে সেবার আলোয় ভাস্বর হয়ে আছেন।1
- রায় বাহাদুর রোডের বেহাল অবস্থা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগ, ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রাস্তাটি কীভাবে মেরামত করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। এই দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তার পরিস্থিতি না বদলানোয় ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয়রা রাস্তাটি দ্রুত ঠিক করে দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন, এই দাবিকে 'ভারতমাতা কি জয়' এবং 'রাস্তা মেরামৎ' স্লোগানের মাধ্যমে আরও জোরালো করা হয়েছে।1
- হুগলির গুপ্তিপাড়ার আমতলা এলাকায় সম্প্রতি একটি অদ্ভুত আলোর দেখা মিলেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, এই আলোটি কেবলমাত্র দিনের বেলায় আলো বিকিরণ করে এবং রাতের বেলায় অন্যান্য পাঁচটি আলোর মতোই নিভে যায়।1
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমবায় বন ও পরিবেশ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামী সোনামুখীর অমৃতপাড়া জুনিয়র হাই স্কুলে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করেছেন।1
- জগদ্দল বিধানসভা এলাকার শিবদাসপুর থানার অন্তর্গত পুরনো বাজাজ শোরুমের নিকটস্থ বড়া গ্রামে নিজের জমিতে বিল্ডিং নির্মাণ করতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হুমকিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন জমির মালিক দীপক সাউ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তিনি সম্পূর্ণ বৈধভাবে এই নির্মাণ কাজ করছেন এবং কোনো বেআইনি কার্যকলাপ করছেন না। দীপক সাউ এই হুমকির বিষয়ে শিবদাসপুর থানাকে অবহিত করার পাশাপাশি প্রাক্তন সাংসদ তথা নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক অর্জুন সিংকেও বিষয়টি জানিয়েছেন। সংবাদ মাধ্যমের সামনে এসে দীপক সাউ প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন যেন তারা এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং তিনি যাতে তার বৈধ নির্মাণ কাজ চালিয়ে যেতে পারেন, তার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেছেন যে, বৈধভাবে কাজ করতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হুমকিতে তিনি আতঙ্কগ্রস্থ।2
- সাঁইতারা গ্রামের একজন প্রতিবন্ধী ছেলেকে কাজ পেতে কোনো প্রকার সাহায্য করা হয়নি। তার এই অবস্থাতেও কর্মসংস্থানের জন্য কেউ এগিয়ে আসেনি, যার ফলে তাকে কাজ পেতে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।3