Shuru
Apke Nagar Ki App…
মিছিলে গিয়ে বাইক থেকে পরে আহত মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশ চন্দ্র অধিকারী হলদিবাড়িতে বাইক মিছিলের সময় দুর্ঘটনায় বাইক থেকে পড়ে যান মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশ চন্দ্র অধিকারী সহ আরও দুজন। মঙ্গলবার হলদিবাড়িতে একটি বাইক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সেই মিছিলে অংশ নেওয়ার সময় ভিড়ের মধ্যে দুটি বাইক হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায়। এতে বিধায়ক সহ আরও দুইজন সামান্য আহত হন। পরে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এনিয়ে বিধায়ক পরেশ চন্দ্র অধিকারী বলেন, “তেমন কোনো চোট লাগেনি। মিছিলে ১৮০০–এর অধিক বাইক ছিল। এত সংখ্যায় বাইক থাকায় দুটি বাইক পড়ে যায়। তবে তেমন কোনো চোট কারও লাগেনি। আমি বাইক মিছিল শেষে সন্ধ্যায় মেখলিগঞ্জ কলেজ সংলগ্ন এলাকায় একটি যোগদান কর্মসূচিতে যোগ দিই।”
Tapas Roy
মিছিলে গিয়ে বাইক থেকে পরে আহত মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশ চন্দ্র অধিকারী হলদিবাড়িতে বাইক মিছিলের সময় দুর্ঘটনায় বাইক থেকে পড়ে যান মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশ চন্দ্র অধিকারী সহ আরও দুজন। মঙ্গলবার হলদিবাড়িতে একটি বাইক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সেই মিছিলে অংশ নেওয়ার সময় ভিড়ের মধ্যে দুটি বাইক হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায়। এতে বিধায়ক সহ আরও দুইজন সামান্য আহত হন। পরে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এনিয়ে বিধায়ক পরেশ চন্দ্র অধিকারী বলেন, “তেমন কোনো চোট লাগেনি। মিছিলে ১৮০০–এর অধিক বাইক ছিল। এত সংখ্যায় বাইক থাকায় দুটি বাইক পড়ে যায়। তবে তেমন কোনো চোট কারও লাগেনি। আমি বাইক মিছিল শেষে সন্ধ্যায় মেখলিগঞ্জ কলেজ সংলগ্ন এলাকায় একটি যোগদান কর্মসূচিতে যোগ দিই।”
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- SIR–এর জেরে সাধারণ মানুষের হয়রানির প্রতিবাদে বুধবার হলদিবাড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এক বিশাল বাইক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। হলদিবাড়ি বাস স্ট্যান্ড থেকে এই মিছিলের সূচনা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে। তৃণমূলের ছাত্র, যুব ও ব্লক নেতৃত্বের পাশাপাশি বহু কর্মী-সমর্থক এতে অংশ নেন। প্রত্যাশার চেয়েও বেশি মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় বলে জানান মেখলিগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক পরেশ চন্দ্র অধিকারী। তিনি বলেন, SIR–এর ফলে সাধারণ মানুষ যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, তার প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। মিছিল ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা যায়।1
- Post by Raj roy1
- Post by ASHISH MITRA1
- Post by বাংলা খবর1
- নিখোঁজ ছেলে, ১০ মাস পর মায়ের কোলে ফিরল হারিয়ে যাওয়া ছেলে ছেলে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় দশ মাস পেরিয়ে গিয়েছিল। সকলেই ভেবে নিয়েছিল হয়তো আর খুঁজে পাওয়া যাবে না ছেলেকে। কিন্তু বৃদ্ধা মায়ের মন যেন তাকে ফিরে পাওয়ার আশায় দিন গুনছিল। মায়ের সেই আর্তনাদ হয়তো শুনেছেন ভগবান। আর তাইতো দীর্ঘ দশ মাস পরে খুঁজে পেল ছেলেকে। এমনই ঘটনা ঘটলো ময়নাগুড়ি ব্লকে। জানা গিয়েছে বিহারের সমস্তিপুর জেলার মহদি নগরের বাসিন্দা সোনু কুমার। গত প্রায় দুই বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন তিনি । আর সেই সমস্যার কারণেই প্রায় ১০ মাস আগে হঠাৎই বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা নানা জায়গায় খোঁজ চালালেও তার কোনো সন্ধান মিলছিল না। নিখোঁজের অভিযোগ জমা হয় স্থানীয় থানায়। সকল চেষ্টায় যখন বিফল, সকলেই যখন আশাহত। ঠিক সেই সময়েই নতুন সূর্যের উদয়। ভাগ্যের ফেরে ময়নাগুড়ি থানার অন্তর্গত ভোটপট্টি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার একটি গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয় সোনু কুমার নামের সেই নিখোঁজ ছেলেকে। খবর পৌঁছাতেই সুদূর বিহারের সমস্তিপুর থেকে ছুটে আসেন তার বৃদ্ধা মা। দীর্ঘ ১০ মাস পর ছেলেকে সামনে দেখে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরেন ছেলেকে। চোখ বেয়ে নেমে আসে আনন্দ আর স্বস্তির অশ্রুধারা। সেই মুহূর্ত যেন উপস্থিত সকলের মনকেও নাড়া দেয়। ছেলেকে ফিরে পাওয়ার এই অমূল্য মুহূর্তের জন্য তিনি ময়নাগুড়ি থানার অধীন ভোটপত্তি ফাঁড়ির ওসি অরিজিৎ কুণ্ডু সহ সমস্ত পুলিশ কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।1
- চা-শ্রমিকদের যৌথ মঞ্চের ডাকে মঙ্গলবার জলপাইগুড়ির ডেঙ্গুয়াঝাড় চা-বাগানে গেট মিটিং ও বিক্ষোভ সমাবেশ করলেন চা-শ্রমিকরা। এসআইআর প্রকৃয়ার মাধ্যমে শ্রমিকদের অনেকের নাম বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে সরব হন তারা। পাশাপাশি শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, জমির পাট্টা দেওয়ার দাবি সহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে এই বিক্ষোভ সমাবেশ করেন শ্রমিকরা। চা-শ্রমিক মজদুর ইউনিয়নের জয়েন্ট ফোরামের পক্ষ থেকে গেট মিটিংয়ে অংশ নেন কয়েকশো শ্রমিক। অবিলম্বে চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি চালু করার পাশাপাশি বাগানে জমির পাট্টা দেওয়ার দাবিতে দীর্ঘ আন্দোলনের হুমকি দেন চা-শ্রমিকরা।1
- বিজেপির পরিবর্তন রথকে ঘিরে ধুপগুড়ি বিধানসভা জুড়ে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ধুপগুড়ি থেকে শুরু করে পুরো বিধানসভা এলাকাজুড়ে একাধিক জায়গায় পথসভা কার্যত জনসভায় পরিণত হতে দেখা যায়। দলের কর্মী-সমর্থকদের মতে, এই বিপুল জনসমাগমের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বিজেপি নেতা ঈশ্বরচন্দ্র রায়ের। তবে এই কৃতিত্ব নিজের নামে নিতে চান না তিনি। বরং এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তিনি দলের কর্মী ও সমর্থকদেরই দিতে পছন্দ করেন।1
- Post by Tapas Roy1