নীতি আয়োগের একটি সাম্প্রতিক রিপোর্ট ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক দশকে সারা দেশে প্রায় ৯৪,০০০ সরকারি স্কুল বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার অর্থ ভারতে প্রতিদিন গড়ে ২৫টি স্কুল তাদের দরজা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছে। এই পরিস্থিতির পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীদের ভর্তির হার বা এনরোলমেন্ট কমে যাওয়াকে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত দশ বছরে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সংখ্যা ২.২৬ কোটি হ্রাস পেয়েছে, যা শিক্ষা পরিকাঠামোর ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। এই রিপোর্টটি মূলত গ্রামীণ ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার গভীর সংকটের ওপর আলোকপাত করেছে। গ্রামীণ এলাকায় একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে তাদের ভবিষ্যতের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পরিকাঠামোগত অভাব, সঠিক পরিকল্পনার অনুপস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের অন্য মাধ্যমের প্রতি ঝোঁক—এই বহুমুখী সমস্যার কারণেই শিক্ষা খাত আজ এই সংকটের সম্মুখীন। দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারি স্কুলগুলোর এই করুণ দশা নীতিনির্ধারকদের চিন্তায় ফেলেছে। এই সমস্যা মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।
নীতি আয়োগের একটি সাম্প্রতিক রিপোর্ট ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক দশকে সারা দেশে প্রায় ৯৪,০০০ সরকারি স্কুল বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার অর্থ ভারতে প্রতিদিন গড়ে ২৫টি স্কুল তাদের দরজা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছে। এই পরিস্থিতির পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীদের ভর্তির হার বা এনরোলমেন্ট কমে যাওয়াকে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত দশ বছরে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সংখ্যা ২.২৬ কোটি হ্রাস পেয়েছে, যা শিক্ষা পরিকাঠামোর ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। এই রিপোর্টটি মূলত গ্রামীণ ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার গভীর সংকটের ওপর আলোকপাত করেছে। গ্রামীণ এলাকায় একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে তাদের ভবিষ্যতের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পরিকাঠামোগত অভাব, সঠিক পরিকল্পনার অনুপস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের অন্য মাধ্যমের প্রতি ঝোঁক—এই বহুমুখী সমস্যার কারণেই শিক্ষা খাত আজ এই সংকটের সম্মুখীন। দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারি স্কুলগুলোর এই করুণ দশা নীতিনির্ধারকদের চিন্তায় ফেলেছে। এই সমস্যা মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।
- হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়া ১ ব্লকের মাধবপুর ১ নম্বর বুথ কমিটির পক্ষ থেকে ডক্টর কেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উদযাপন করা হয়েছে।1
- হাওড়ায় শনিবার দুপুরে আবারও চলল বুলডোজার! ফাঁসিতলা মোড় থেকে শুরু করে বিলেলিয়াস রোড জামা মসজিদ পর্যন্ত এলাকায় এই বুলডোজার চালানো হয়েছে।1
- অনশন করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বাম নেত্রী দানিশ আলী। অবশেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই তিনি পুনরায় যন্তর মন্তরে ফিরে এসেছেন। জেএনইউএসইউ (JNUSU) ও সিজেপি (CJP) সংশ্লিষ্ট এই বাম নেত্রী অসুস্থতা কাটিয়ে আবারও যন্তর মন্তরের কর্মসূচিতে যোগ দিতে পৌঁছেছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গে সাপের ছোবলের পর এক যুবকের পাল্টা সাপটিকে কামড়ে দেওয়ার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। সাপের কামড় খাওয়ার পর ওই যুবক পাল্টা সেটিকে কামড়ান, যার জেরে সাপটির মৃত্যু হয়। এরপর ওই মৃত সাপটি হাতে নিয়ে প্রায় ৪ কিলোমিটার পথ হেঁটে হাসপাতালে পৌঁছান ওই যুবক।1
- ডায়মন্ড হারবার লোকসভার অন্তর্গত মহেশতলার ময়নাগড়ে টোটো এবং ম্যাজিক চালকদের মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্বের জেরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। এই ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক দলবদল এবং দলীয় সংস্কৃতির অবক্ষয়কে দায়ী করা হচ্ছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, বিগত ১৫ বছর ধরে আদর্শহীন তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে যে কাটমানি সংস্কৃতি চালু করেছে, সেই তৃণমূলের লোকজন বিজেপিতে যোগ দিলে দলের চরিত্র বদলে যাবে এবং বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে, যারই এক চিত্র এখন ময়নাগড়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ময়নাগড়ের এই এলাকায় টোটো চালকরা তীব্র বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন এবং ম্যাজিক গাড়ি চালকদের সাথে তাদের বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। এই দ্বন্দ্বে সরাসরি অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় মন্ডল সভাপতিদের বিরুদ্ধে। মূলত টোটো স্ট্যান্ড দখল করাকে কেন্দ্র করে এই লড়াই চলছে। জানা গেছে, ময়নাগড় থেকে খালপাড় বা খালের পোল পর্যন্ত অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত রুটে চলে টোটো। অন্যদিকে, ম্যাজিকের রুটটি খালের পোল থেকে জিনজিরা বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত। ভৌগোলিক সীমানার দিক থেকে খালপাড় এলাকাটি কালীতলা থানার অন্তর্গত, ময়নাগড় মহেশতলা থানার অধীনে এবং জিনজিরা বাজার এলাকাটি জিনজিরা বাজার থানার অন্তর্গত। এই রুট ও স্ট্যান্ডের বিরোধের জেরে টোটো চালকরা জোরপূর্বক ম্যাজিক স্ট্যান্ডটি দখল করে নিচ্ছে বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় থানার পক্ষ থেকে মধ্যস্থতার চেষ্টা করা হলেও চালকরা সেই মধ্যস্থতা মানতে সম্পূর্ণ নারাজ। ফলে ময়নাগড়ে এই টোটো ও ম্যাজিক চালকদের দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলা অব্যাহত রয়েছে।3
- হাওড়ার গঙ্গাধরপুর গ্রামে ৪০০ বছরের প্রাচীন রীতি মেনে কুমির পুজো করা হচ্ছে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরের আরিটে ভর দুপুরে চোলাই মদ বিক্রির প্রতিবাদে তুমুল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এই এলাকায় চোলাই মদ বিক্রির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাতে গিয়েই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।1