দ্বাদশতম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে পূর্ব বর্ধমান জেলা স্পোর্টস অ্যান্ড ফিজিক্যাল কালচার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে রবিবার জেলাজুড়ে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে দিনটি উদযাপিত হয়েছে। স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, শারীরিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং মানসিক সুস্থতার বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই ছিল এই বিশেষ উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। এই অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রীড়াবিদ, প্রশিক্ষক, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী, যুবক-যুবতী এবং প্রবীণ নাগরিকরা অংশগ্রহণ করেন। দিনের শুরুতে যোগের গুরুত্ব ও উপকারিতা নিয়ে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন যে, আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা, মানসিক চাপ এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার কারণে মানুষের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক সমস্যা বাড়ছে, এবং নিয়মিত যোগচর্চা সুস্থ ও সুষম জীবনযাপনের পথ দেখাতে পারে। আলোচনা সভার পর অভিজ্ঞ যোগ প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন যোগাসন, প্রাণায়াম ও ধ্যানের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারীরা সক্রিয়ভাবে এই যোগাভ্যাসে অংশ নিয়ে সুস্থ জীবনযাপনের অঙ্গীকার করেন। শিশু থেকে প্রবীণ—সব বয়সের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও উৎসাহ অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে। পূর্ব বর্ধমান জেলা স্পোর্টস অ্যান্ড ফিজিক্যাল কালচার অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, ক্রীড়া ও শরীরচর্চার পাশাপাশি যোগচর্চাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ শিবির, কর্মশালা এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। তাঁদের মতে, যোগ শুধুমাত্র শরীরকে সুস্থ রাখে না, বরং মনকে শান্ত ও একাগ্র করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে জাতিসংঘ ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি ভারতেও দিনটি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে। এই ধারাবাহিকতায়, পূর্ব বর্ধমান জেলা স্পোর্টস অ্যান্ড ফিজিক্যাল কালচার অ্যাসোসিয়েশনের এই বছরের আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
দ্বাদশতম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে পূর্ব বর্ধমান জেলা স্পোর্টস অ্যান্ড ফিজিক্যাল কালচার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে রবিবার জেলাজুড়ে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে দিনটি উদযাপিত হয়েছে। স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, শারীরিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং মানসিক সুস্থতার বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই ছিল এই বিশেষ উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। এই অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রীড়াবিদ, প্রশিক্ষক, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী, যুবক-যুবতী এবং প্রবীণ নাগরিকরা অংশগ্রহণ করেন। দিনের শুরুতে যোগের গুরুত্ব ও উপকারিতা নিয়ে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন যে, আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা, মানসিক চাপ এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার কারণে মানুষের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক সমস্যা বাড়ছে, এবং নিয়মিত যোগচর্চা সুস্থ ও সুষম জীবনযাপনের পথ দেখাতে পারে। আলোচনা সভার পর অভিজ্ঞ যোগ প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন যোগাসন, প্রাণায়াম ও ধ্যানের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারীরা সক্রিয়ভাবে এই যোগাভ্যাসে অংশ নিয়ে সুস্থ জীবনযাপনের অঙ্গীকার করেন। শিশু থেকে প্রবীণ—সব বয়সের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও উৎসাহ অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে। পূর্ব বর্ধমান জেলা স্পোর্টস অ্যান্ড ফিজিক্যাল কালচার অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, ক্রীড়া ও শরীরচর্চার পাশাপাশি যোগচর্চাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ শিবির, কর্মশালা এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। তাঁদের মতে, যোগ শুধুমাত্র শরীরকে সুস্থ রাখে না, বরং মনকে শান্ত ও একাগ্র করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে জাতিসংঘ ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি ভারতেও দিনটি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে। এই ধারাবাহিকতায়, পূর্ব বর্ধমান জেলা স্পোর্টস অ্যান্ড ফিজিক্যাল কালচার অ্যাসোসিয়েশনের এই বছরের আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দীর্ঘ ১৫ বছরের কার্যকাল নিয়ে জনমত জানতে চাওয়া হয়েছে। এই প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে যে, তাঁর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ১৫ বছরের কাজের পর, জনগণ তাঁকে ১ থেকে ১০ এর মধ্যে কত নম্বর দেবেন।1
- জয়পুর, রাজস্থানে সম্প্রতি ‘নিয়োগ দিবস’ পালন করা হয়েছে, যা একটি 'গুড নিউজ' হিসেবে বিবেচিত। এই বিশেষ দিনে, বিভিন্ন ধরনের ক্রিকেটার নিউ গেটের সামনে এসে ভিডিও শুট করেছেন।1
- সম্প্রতি আবারও একটি পূর্ণবয়স্ক গোখরা সাপ এবং তার ডিম উদ্ধার করা হয়েছে।1
- জামাইষষ্ঠীর উৎসবের রাতেই ভয়াবহ চুরির শিকার হয়েছেন মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থানার শিমুলগাছি গ্রামের বাসিন্দা সুভাষ মণ্ডল। সপরিবারে শ্বশুরবাড়িতে থাকায় তাঁর ফাঁকা বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি করে একদল দুষ্কৃতী, যার ফলে উৎসবের আনন্দ নিমেষেই বিষাদে পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, শনিবার রাতে সুভাষবাবু সপরিবারে শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। এই সুযোগে দুষ্কৃতীরা লোহার শাবল দিয়ে একতলার ছাদের গেটের লক ও চারপাশের ইট উপড়ে বাড়িতে ঢোকে। এরপর সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে ঘরের আলমারি ও শোকেসের তালা ভেঙে প্রায় চার ভরি সোনার গহনা এবং নগদ ১০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। চোরেরা কাজ হাসিল করে সোনা রাখার খালি বাক্সগুলো খাটের বিছানায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে চম্পট দেয়। রবিবার সকালে সুভাষবাবুর মা আহ্লাদী মণ্ডল প্রথম বিষয়টি টের পান এবং ছেলেকে ফোনে খবর দেন। বাড়ি ফিরে সুভাষবাবু সর্বস্বান্ত অবস্থা দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভরতপুর থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে তাদের ধরতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।1
- জামাইষষ্ঠীর উৎসবের দিনেই নবদ্বীপের ইদ্রাকপুর গ্রামের মাঠের রাস্তায় এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় দুই যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। শনিবার বিকেল প্রায় সাড়ে ৫টা নাগাদ দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই ঘটনা ঘটে, যেখানে আরও দুই বাইক আরোহী গুরুতর আহত অবস্থায় রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা চৈতন্য ঘোষ জানিয়েছেন, দুটি বাইকই অত্যন্ত দ্রুত গতিতে আসছিল এবং সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে বাইক দুটি প্রায় চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়, যার যন্ত্রাংশ ও চাকা রাস্তায় ছিটকে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই রাহুল ঘোষ ও পীযূষ ঘোষ নামে দুই যুবকের মৃত্যু হয়। মৃত রাহুল ঘোষ পূর্ব বর্ধমান জেলার নাদনঘাট থানা এলাকা থেকে জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে ইদ্রাকপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে এসেছিলেন। অপর মৃত পীযূষ ঘোষ ইদ্রাকপুর গ্রামেরই বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। দুর্ঘটনায় গোপাল ঘোষ ও সুজিত ঘোষ নামে আরও দুই যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তাঁদের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র স্থানান্তর করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আহত দুই যুবকই নবদ্বীপ থানার ইদ্রাকপুর এলাকার বাসিন্দা। নবদ্বীপ থানার পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাগ্রস্ত মোটরসাইকেল দুটি উদ্ধার করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী কারণে এই ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গোটা ইদ্রাকপুর এলাকায় জামাইষষ্ঠীর আনন্দ মুহূর্তে শোকে পরিণত হয়েছে।1
- আজ ২১শে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষ্যে কালনার মন্তেশ্বর সাগর বালা উচ্চ বিদ্যালয়ের ফুটবল ময়দানে এক বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সারা ভারতজুড়ে পালিত হচ্ছে এই বিশেষ দিনটি, আর তারই অংশ হিসেবে মন্তেশ্বরেও মহাসমারোহে এই দিবস পালন করা হয়। ২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জি কর্তৃক এই দিনটি আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে স্বীকৃত পাওয়ার পর থেকে প্রতি বছরই ২১শে জুন তারিখটি যোগ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এই বছর মন্তেশ্বরের যুবসমাজের উদ্যোগে সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এই যোগ দিবসের আয়োজন করা হয়, যেখানে বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীসহ বহু সাধারণ মানুষ যোগ দেন। অনুষ্ঠানে মন্তেশ্বর থানার আইসি সোমনাথ ভট্টাচার্য, বিডিও কেশব দাস, বি এল আর ও সৌম্যজিৎ ব্যানার্জি সহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গা থানার অন্তর্গত পুলিন্দা (সারগাছি) গ্রামের এক বাসিন্দা সেখানকার প্রধান রাস্তায় সঠিক জল নিকাশি ব্যবস্থার অভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গ্রামটির পরিচিতি হিসেবে পুলিন্দা (সারগাছি) গ্রাম, বেলডাঙ্গা থানা ও মুর্শিদাবাদ জেলার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি জমে যায় এবং দীর্ঘদিন ধরে এই জল জমে থাকার ফলে সাধারণ মানুষ, স্কুলপড়ুয়া এবং রোগীদের যাতায়াত করতে চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এই গুরুতর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন। দ্রুত রাস্তাটি মেরামত করা এবং একটি স্থায়ী ড্রেন তৈরি করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি দাবি তুলেছেন।2
- কালনা মহকুমা শাসকের দপ্তরের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক যোগা দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানটি কালনা পুরাতন বাস স্ট্যান্ড সুইমিং পুলের ইনডোর স্টেডিয়ামের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সুইমিং পুলের জলের মধ্যেই যোগের একটি বিশেষ পর্ব পালিত হয়। এই আয়োজনে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, মহকুমা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সমাজ সেবীরা অংশ নেন। সকাল সকাল এই যোগা দিবস পালনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহকুমা শাসক অহিংসা জৈন, বিধায়ক সিদ্ধার্থ মজুমদার সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা। বিধায়ক সিদ্ধার্থ মজুমদার রবিবার আনুমানিক বেলা সাতটা নাগাদ বলেন যে, প্রত্যেক মানুষেরই প্রতিদিন যোগা করা উচিত। তিনি আরও জানান যে, আজকের এই যোগা দিবস পালনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পেরে তাঁর ভালো লাগছে।1