Shuru
Apke Nagar Ki App…
স্বাস্থ্যকেন্দ্র এর উদবোধন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদবোধন হলো বলাগড় বিধানসভার বাকুলিয়া ধোবা পাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এর ক্ষেত পুর এলাকায়
Journalist Chiranjib Chatter
স্বাস্থ্যকেন্দ্র এর উদবোধন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদবোধন হলো বলাগড় বিধানসভার বাকুলিয়া ধোবা পাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এর ক্ষেত পুর এলাকায়
More news from Nadia and nearby areas
- নতুন বছরের প্রাক মুহুর্তে কৃষ্ণনগর পোস্ট অফিস মোড়ে দেখা গেলে অভিনব দৃশ্য। একদল যুবক-যুবতী রাস্তা পরিষ্কার করে সেই রাস্তার উপরে সাদা রং দিয়ে আলপনা একে নতুন বছরকে স্বাগত জানাচ্ছে।1
- কালিগঞ্জে AJUP ছেড়ে তৃণমূলে যোগ একাধিক শীর্ষ নেতা, উপস্থিত মহুয়া মৈত্র সহ অনেকে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নদিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি। মঙ্গলবার কালিগঞ্জ ব্লকের বড় চাঁদ ঘর, লালদীঘির ধারে তৃণমূলের এক রাজনৈতিক কর্মসূচীতে । AJUP ছেড়ে একাধিক প্রভাবশালী নেতা-কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলো তৃণমূলে এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদ, কৃষ্ণনগর উত্তর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি মহুয়া মৈত্র, কালিগঞ্জ ব্লক সভাপতি দেবব্রত মুখার্জি, শেফালী খাতুন, সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান সহ একাধিক জেলা ও ব্লক স্তরের নেতৃত্ব। তাদের হাত থেকেই নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয় এবং ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। যে নেতারা যোগদান করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আমির হোসেন (ব্লক সভাপতি), ইউসুফ শেখ ওরফে আহানাবি শেখ (যুব সভাপতি), ওয়াসিম রাজ শেখ (যুব সহ-সভাপতি) এবং ফজলুল হক (আঞ্চল সভাপতি, প্লাসি ১ গ্রাম পঞ্চায়েত)। স্থানীয় রাজনীতিতে এদের প্রভাব যথেষ্ট বলেই জানা গিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ধরনের দলবদল শুধুমাত্র সংখ্যাগত নয়, সংগঠনগত দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ব্লক ও যুব নেতৃত্বের একযোগে যোগদান তৃণমূলের সংগঠনকে তৃণমূল স্তরে আরও শক্তিশালী করতে পারে। এদিকে নির্বাচনের আগে এই যোগদান বিরোধী শিবিরে অস্বস্তি বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পরিবর্তন আসন্ন নির্বাচনের ফলাফলেও প্রভাব ফেলতে পারে।1
- Post by Memari Update News1
- নতুন বছরের সূচনা হতেই ভক্তদের ঢল নামল গোবরডাঙ্গার প্রসন্নময়ী কালী মন্দিরে। ভোরের আলো ফোটার আগেই মায়ের দর্শন পেতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন শত শত মানুষ। কেউ সকাল পাঁচটা থেকে, আবার কেউ তারও আগে এসে মন্দিরের দরজার সামনে অপেক্ষা করতে থাকেন। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গোবরডাঙ্গা থানার অন্তর্গত এই প্রসন্নময়ী কালী মন্দিরে নববর্ষ উপলক্ষে সকাল থেকেই চোখে পড়ার মতো ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ভক্তদের বিশ্বাস, বছরের প্রথম দিনে মায়ের আশীর্বাদ নিলে সারা বছর ভালো কাটে, তাই দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসেন এই মন্দিরে। শুধু সাধারণ ভক্তই নন, স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও নতুন বছরের খাতা নিয়ে হাজির হন মায়ের দরবারে। নতুন হিসাবের খাতা পুজো দিয়ে শুভ সূচনার মধ্য দিয়েই শুরু করতে চান তারা তাঁদের ব্যবসা। মন্দির প্রাঙ্গণে ছিল ভক্তদের ভিড়, ধূপ-ধুনোর গন্ধ আর ‘জয় মা কালী’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ। নিরাপত্তার দিকটিও নজরে রেখেছিল স্থানীয় প্রশাসন, যাতে ভিড়ের মধ্যেও শৃঙ্খলা বজায় থাকে। পুজো দিতে আসা এক ভক্ত জানান, “প্রতি বছরই আমরা নববর্ষের সকালে এখানে আসি। মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে বছরটা ভালো কাটুক, এটাই প্রার্থনা করি।” আরেক ব্যবসায়ী বলেন, “নতুন খাতা পুজো দিয়ে শুরু করলে ব্যবসায় উন্নতি হয়—এই বিশ্বাসেই আমরা প্রতি বছর এখানে আসি।” সব মিলিয়ে, নববর্ষের সকালে গোবরডাঙ্গার প্রসন্নময়ী কালী মন্দির পরিণত হয় ভক্তি, বিশ্বাস ও আস্থার এক মিলনক্ষেত্রে।1
- Post by SUMAN KUMAR DEY1
- স্বপন কুমার দাস : বাগদা বিধানসভায় দলবদল ঘিরে পারদ চড়ছে উচ্চ গ্রামে। গতকাল সোমবার সিন্দ্রানী গ্রাম পঞ্চায়েতের পাথুরিয়ায় দশ বছরের পঞ্চায়েত সদস্য মিহির বিশ্বাস তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুরের হাত দিয়ে তিনি বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন ৷ তারই পাল্টা হিসেবে মঙ্গলবার সেই পাথুরিয়া এলাকার ২৯নং বুথের ১৭টি পরিবারের ৭০ জন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে নিলেন। রাজ্যসভার সংসদ মমতা ঠাকুর-এর উপস্থিতিতে সদ্য তৃণমূলের যোগদানকারী দিব্যেন্দু ঘোষ জানান, যিনি গতকাল বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন সেই পঞ্চায়েত সদস্য মিহির বিশ্বাস-এর উপর ক্ষোভে বিজেপিতে চলে গিয়েছিলাম। এখন সে না থাকায় তৃণমূলে ফিরে এলাম। সাংসদ মমতা ঠাকুর বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন এবং SIR-এর হয়রানির প্রতিবাদে আজ তারা তৃণমূলের যোগদান করলেন। বাগদা ৩ নং মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক বিক্রম রায় জানান, ওরা তৃণমূল থেকে তৃণমূলে এলো। এর মধ্যে কোনো দলবদল নেই।1
- দেখতে থাকুন আমাদের শুরু নিউজ এর ক্যামেরায় সাংবাদিক চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় WhatsApp 7059664100 Media Centre 97325901041
- চড়ক পূজা উপলক্ষে উত্তর ২৪ পরগনার হাবরা বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে দেখা গেল ঐতিহ্যবাহী ‘খেজুর ভাঙা’ রীতি। এই বিশেষ আচারকে ঘিরে এলাকাজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়, ভিড় জমায় স্থানীয় মানুষ থেকে শুরু করে দূরদূরান্তের দর্শনার্থীরাও। চড়ক পূজার অন্যতম আকর্ষণ এই খেজুর ভাঙা। সন্ন্যাসীরা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে উঁচু খেজুর গাছে উঠে খেজুর ভেঙে নিচে নিয়ে আসেন। ভক্তদের বিশ্বাস, এই খেজুর প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করলে শুভ ফল লাভ হয় এবং অমঙ্গল দূর হয়। অনুষ্ঠান চলাকালীন সন্ন্যাসীদের সাহসিকতা ও একাগ্রতা মুগ্ধ করে উপস্থিত সকলকে। ঢাকের বাদ্যি, শঙ্খধ্বনি ও ‘বোল বোল মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নজরদারি রাখা হয়। স্থানীয়দের মতে, বহু বছরের পুরনো এই রীতি আজও একইভাবে পালন হয়ে আসছে। আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও গ্রামবাংলার এই লোকাচার এখনো মানুষের বিশ্বাস ও আবেগের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে। চড়ক পূজার এই খেজুর ভাঙা অনুষ্ঠান শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এটি বাংলার লোকসংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা প্রতি বছর নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করে রাখছে।1
- Post by SUMAN KUMAR DEY1