Shuru
Apke Nagar Ki App…
মেমারিতে এক গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে।
Memari Update News
মেমারিতে এক গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- শুরু নিউজ এবং স্কাই নিউজ চ্যানেলের কাছে বেশ কিছুদিন ধরে অভিযোগ আসছিল যে, কারেন্ট অফিসের নাম করে ফোন করে অবিলম্বে টাকা পরিশোধ না করলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আজ সকালে ৯টা নাগাদ এমনই একটি হুমকি ফোন আসে তাদের মিডিয়া সেন্টারে, যেখানে নিজেকে 'কারেন্ট অফিস' থেকে পরিচয় দেওয়া হয়। ট্রুকলারে দেখা যায় যে এটি একটি সন্দেহজনক নম্বর। মিডিয়া সেন্টারের কর্মীরা যখন ফোনদাতাকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করেন, তখন তৎক্ষণাৎ 'শালা' বলে গালাগালি দেওয়া হয়। শুরু নিউজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইলেক্ট্রিক অফিসের কর্মীরা কখনো এমন অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন না এবং এই ফোনগুলি ইলেক্ট্রিক অফিসের কেউ করছে না। বিশেষত বলাগড়ে সকালে ইলেক্ট্রিক অফিস বন্ধ থাকা সত্ত্বেও এমন ফোন আসার বিষয়টি প্রতারণার ইঙ্গিত দেয়। জনস্বার্থে প্রচারিত এই বার্তায় শুরু নিউজ সকলকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে এবং এই ধরনের প্রতারণা থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানিয়েছে।1
- হালিশহর পৌরসভার প্রাক্তন পৌরপ্রধান শুভঙ্কর ঘোষকে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সাথে তার ভাই পাপন ঘোষকেও আটক করা হয়েছে। বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাস এই খবর জানিয়েছেন। বিধায়ক সুদীপ্ত দাস আরও বলেন যে, পাপন ঘোষ তার ভাই, অর্থাৎ হালিশহর পৌরসভার চেয়ারম্যানের প্রভাবে পৌর কর্মীদের সবসময় দমিয়ে রাখার চেষ্টা করতেন। এর ফলেই গতকালে জনরোষ সৃষ্টি হয়। এই জনরোষ এবং একাধিক দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতেই হালিশহর থানার পুলিশ এই দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে। সুদীপ্ত দাস নিশ্চিত করেছেন যে, এই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।1
- ইন্দাস পুলিশ অবৈধ বালি পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তিন জনকে নিজেদের জালে আটক করেছে। এই পাচারকারীরা অবৈধভাবে বালি পাচার করার সময়েই ইন্দাস পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।1
- রাজস্থানের জয়পুরে একটি মনোরম ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য একটি সুখবর। এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে সেখানে এক সুন্দর প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাচ্ছে।1
- ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচী নিজেকে বীরেন্দ্র সেহওয়াগের মতো একজন 'স্লগ ওভারের খেলোয়াড়' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অন্যরা তাকে রাহুল দ্রাবিড়ের মতো ভেবেছিল, কিন্তু তিনি তাদের 'যোগ্য জবাব' দিয়েছেন। এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে, ব্যারাকপুর পৌরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের শঙ্খবনিক পাড়ায় যুবসংঘ ক্লাবের উদ্যোগে একটি দিবা-রাত্রির নকআউট ক্রিকেট প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।1
- কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র সম্প্রতি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর পরিচিত স্পষ্টবক্তা ও আক্রমণাত্মক শৈলীতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁর এই বক্তব্য আগামী দিনে বিরোধী শিবিরের রণকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সাংসদ মৈত্র বরাবরের মতোই সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাস্তব সমস্যাগুলি থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘোরাতে এবং বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে এই সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও, তিনি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর প্রতি সরকারের অতিরিক্ত পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ শানান। মহুয়া মৈত্র সংসদের গণতান্ত্রিক রীতিনীতি এবং বিরোধী সাংসদদের অধিকার খর্ব করার চেষ্টার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, কোনো রকম চাপের মুখে মাথা নত না করে তিনি সাধারণ মানুষের পক্ষে সওয়াল করে যাবেন। তিনি বলেন, "ভয় দেখিয়ে বা কণ্ঠরোধ করে সত্যকে চেপে রাখা যাবে না। জনগণের অধিকারের জন্য এই লড়াই সংসদের ভেতরে এবং বাইরে জারি থাকবে।" বিশেষজ্ঞরা মহুয়া মৈত্রের এই সাংবাদিক সম্মেলনকে কেবল সরকারের সমালোচনা নয়, বরং তাঁর রাজনৈতিক দৃঢ়তার এক জোরালো বার্তা হিসেবে দেখছেন, যা রাজ্য তথা দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।1
- হালিশহর পৌরসভায় গুরুত্বপূর্ণ নথি পাচারের চেষ্টার অভিযোগে জনরোষের মুখে পড়েছেন পদত্যাগী পৌরপ্রধান শুভঙ্কর ঘোষের ভাই পাপন ঘোষ। উত্তেজিত জনতার গণপিটুনির শিকার হওয়ার পর পাপনকে গ্রেপ্তার করেছে হালিশহর থানার পুলিশ। এর পাশাপাশি, পৌরপ্রধান থাকাকালীন একাধিক দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে প্রাক্তন পৌরপ্রধান শুভঙ্কর ঘোষকেও। গতকাল সোমবার হালিশহর পৌরসভা থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি পাচার করতে আসেন পাপন ঘোষ। সেই সময়েই উত্তেজিত জনতার রোষানলে পড়েন তিনি এবং তাকে গণপিটুনি দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হালিশহর থানার পুলিশ এবং পাপন ঘোষকে গ্রেপ্তার করে। এরপর হালিশহর থানার পুলিশ শুভঙ্কর ঘোষকেও গ্রেপ্তার করে। শুভঙ্কর ঘোষ হালিশহর পৌরসভার ২৩টি ওয়ার্ডের পৌরপ্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন এবং রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর তিনি পদত্যাগ করেন। তার বিরুদ্ধে পৌরপ্রধান থাকাকালীন দুর্নীতির পাশাপাশি তোলাবাজির মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া শুভঙ্কর ঘোষ এবং পাপন ঘোষ, উভয়কেই আজ ব্যারাকপুর আদালতে পেশ করেছে পুলিশ।2
- নোয়াপাড়া মন্ডল ৪-এর উদ্যোগে তাদের নতুন কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত শ্রম পরিবহনমন্ত্রী অর্জুন সিং উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নোয়াপাড়া মন্ডল ৪-এর সভাপতি প্রকাশ দাস, শিউলি বিরোধী দলনেতা পার্থ ত্রিবেদী, অঞ্জনা সিংহ রায়, শান্তনু সরকার এবং মন্ডল ৪-এর সহ-সভাপতি অতনু চৌধুরী সহ অন্যান্য কার্যকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই আয়োজন ঘিরে মানুষের মধ্যে চোখে পড়ার মতো উন্মাদনা ও আবেগ দেখা যায়। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী মৃত্যুঞ্জয় গুহ সংগীত পরিবেশন করেন, যেখানে তারকনাথ সিং তবলায় সঙ্গত করেন। এছাড়াও, আদিবাসী নৃত্যাঙ্গনের শিল্পীরা ধামসা মাদল নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করেন এবং দেবাঙ্গন মৃত্যু একাডেমীর নৃত্যশিল্পীরাও উপস্থিত ছিলেন।1
- রাজ্য বাজেটে আরামবাগকে অবশেষে জেলার স্বীকৃতি দেওয়ায় দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়েছে, যা সমস্ত জল্পনা ও প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়েছে। এই ঐতিহাসিক ঘোষণার পর থেকেই সমগ্র এলাকায় খুশির ঢেউ লেগেছে। আনন্দের এই আবহে বিজেপি নেতাকর্মীরা রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষের সাথে মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন। আজ, সোমবার, বাজেট পেশের মাধ্যমে আরামবাগকে নতুন জেলা হিসেবে ঘোষণার পরপরই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব উৎসবে মেতে ওঠেন। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে, আরামবাগ হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন এলাকায় বিজেপি কর্মীরা পথচলতি সাধারণ মানুষ এবং টোটো চালকদের সহ শত শত মানুষের হাতে লাড্ডু তুলে দেন। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, আরামবাগকে জেলা করার এই দাবি বহুদিনের ছিল এবং আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, আরামবাগ জেলা হওয়ায় এবার প্রশাসনিক কাজকর্ম আরও সহজ হবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন গতি পাবে। এই খুশির খবর সাধারণ মানুষের সাথে ভাগ করে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই লাড্ডু বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। আরামবাগ জেলা ঘোষিত হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক উল্লাস দেখা গেছে, যেখানে বিজেপি কর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করে সকলের মুখ মিষ্টি করেছেন।1