logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

গোবরডাঙ্গা রেল বাজার"ধ্বংসস্তূপ সরাতে শুরু জেসিবির কাজ, কবে ফিরবে স্বাভাবিক জীবন? উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গোবরডাঙ্গা শহর যেন এখনও আতঙ্ক আর ধোঁয়ার গন্ধে মোড়া। মঙ্গলবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছারখার হয়ে যায় গোবরডাঙ্গা এক নম্বর প্লাটফর্মের পাশের রেল বাজারের একাধিক দোকান। রাতারাতি আগুন গ্রাস করে নেয় বহু বছরের পরিশ্রমে গড়ে তোলা ব্যবসা। মুহূর্তের মধ্যে ছাই হয়ে যায় ব্যবসায়ীদের স্বপ্ন, পুড়ে যায় তাদের শেষ সম্বল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বাজারের পর বাজার আগুনের লেলিহান শিখায় গ্রাস হয়ে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে বহু দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। প্রাথমিক অনুমান, এই অগ্নিকাণ্ডে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। যাদের দোকান পুড়েছে, তাদের চোখে এখন শুধুই হতাশা আর অনিশ্চয়তা। বহু ব্যবসায়ী বলছেন, এই দোকানই ছিল তাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনের পথ। আগুনে সবকিছু পুড়ে যাওয়ায় এখন কীভাবে নতুন করে শুরু করবেন, সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে তাদের মনে। এদিকে বুধবার সকাল থেকে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। ভারী যন্ত্র—জেসিবি ও পোকলেন দিয়ে পুড়ে যাওয়া দোকানের ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ চলছে। প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এলাকাকে ধীরে ধীরে পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যায়। তবে এখনও স্পষ্ট নয়, ঠিক কী কারণে এই ভয়াবহ আগুন লাগলো। শর্ট সার্কিট নাকি অন্য কোনো কারণ—তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। তদন্ত শুরু হয়েছে, আর তারই মাঝে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা তাকিয়ে আছেন সাহায্যের আশায়। গোবরডাঙ্গা রেল বাজার একসময় ছিল এলাকার ব্যস্ততম বাণিজ্য কেন্দ্রগুলির একটি। আজ সেই জায়গায় পড়ে আছে পোড়া কাঠ, ভাঙা টিন আর কালো হয়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ। তবুও আশা ছাড়ছেন না স্থানীয় মানুষ। এখন সবার একটাই প্রশ্ন— কবে আবার আগের মতো ব্যস্ত হয়ে উঠবে গোবরডাঙ্গা রেল বাজার? কবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে গোবরডাঙ্গা?

2 hrs ago
user_Biswaji Bala
Biswaji Bala
Reporter হাবরা 1, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
2 hrs ago
ad6f26dc-20b2-49bd-a3d6-ff059a62a8aa

গোবরডাঙ্গা রেল বাজার"ধ্বংসস্তূপ সরাতে শুরু জেসিবির কাজ, কবে ফিরবে স্বাভাবিক জীবন? উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গোবরডাঙ্গা শহর যেন এখনও আতঙ্ক আর ধোঁয়ার গন্ধে মোড়া। মঙ্গলবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছারখার হয়ে যায় গোবরডাঙ্গা এক নম্বর প্লাটফর্মের পাশের রেল বাজারের একাধিক দোকান। রাতারাতি আগুন গ্রাস করে নেয় বহু বছরের পরিশ্রমে গড়ে তোলা ব্যবসা। মুহূর্তের মধ্যে ছাই হয়ে যায় ব্যবসায়ীদের স্বপ্ন, পুড়ে যায় তাদের শেষ সম্বল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বাজারের পর বাজার আগুনের লেলিহান শিখায় গ্রাস হয়ে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে বহু দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। প্রাথমিক অনুমান, এই অগ্নিকাণ্ডে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। যাদের দোকান পুড়েছে, তাদের চোখে এখন শুধুই হতাশা আর অনিশ্চয়তা। বহু ব্যবসায়ী বলছেন, এই দোকানই ছিল তাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনের পথ। আগুনে সবকিছু পুড়ে যাওয়ায় এখন কীভাবে নতুন করে শুরু করবেন, সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে তাদের মনে। এদিকে বুধবার সকাল থেকে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। ভারী যন্ত্র—জেসিবি ও পোকলেন দিয়ে পুড়ে যাওয়া দোকানের ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ চলছে। প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এলাকাকে ধীরে ধীরে পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যায়। তবে এখনও স্পষ্ট নয়, ঠিক কী কারণে এই ভয়াবহ আগুন লাগলো। শর্ট সার্কিট নাকি অন্য কোনো কারণ—তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। তদন্ত শুরু হয়েছে, আর তারই মাঝে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা তাকিয়ে আছেন সাহায্যের আশায়। গোবরডাঙ্গা রেল বাজার একসময় ছিল এলাকার ব্যস্ততম বাণিজ্য কেন্দ্রগুলির একটি। আজ সেই জায়গায় পড়ে আছে পোড়া কাঠ, ভাঙা টিন আর কালো হয়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ। তবুও আশা ছাড়ছেন না স্থানীয় মানুষ। এখন সবার একটাই প্রশ্ন— কবে আবার আগের মতো ব্যস্ত হয়ে উঠবে গোবরডাঙ্গা রেল বাজার? কবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে গোবরডাঙ্গা?

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবড়া ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত মছলন্দপুর এলাকায় প্রতিদিন সকাল হলেই দেখা যায় চরম যানজটের চিত্র। গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকাটি ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন হওয়ায় প্রতিদিন বহু মানুষ ও যানবাহনের যাতায়াত ঘটে। ফলে সকাল থেকে শুরু হয় দীর্ঘ যানজট, যা ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে। মছলন্দপুরের তিন রাস্তার মোড় এই সমস্যার মূল কেন্দ্রবিন্দু। এখানেই মিলিত হয়েছে মছলন্দপুর–তেতুলিয়া রোড এবং মছলন্দপুর–মগরা রোড। পাশাপাশি স্থানীয় বাজার, স্কুল, অফিসগামী মানুষ এবং সীমান্তবর্তী এলাকার ব্যবসায়িক যানবাহনের চাপ এই মোড়টিকে আরও ব্যস্ত করে তোলে। সকালবেলা অফিস ও স্কুলের সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ পড়তেই কয়েক মিনিটের মধ্যে রাস্তাজুড়ে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিদিন এই যানজটের কারণে চরম সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অফিসগামী কর্মী—সবারই সময় নষ্ট হয় এই রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে। অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি পরিষেবার গাড়িও আটকে পড়ে এই যানজটে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তোলে। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যার সমাধানের দাবি জানানো হলেও এখনও স্থায়ী কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থায়ী পুলিশ মোতায়েন, রাস্তার সম্প্রসারণ কিংবা বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করলে এই সমস্যার অনেকটাই সমাধান হতে পারে বলে মত স্থানীয়দের। সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হওয়ায় মছলন্দপুর তিন রাস্তার মোড়ে প্রতিদিনের এই যানজট এখন নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগ না নিলে আগামী দিনে এই সমস্যার তীব্রতা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
    1
    উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবড়া ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত মছলন্দপুর এলাকায় প্রতিদিন সকাল হলেই দেখা যায় চরম যানজটের চিত্র। গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকাটি ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন হওয়ায় প্রতিদিন বহু মানুষ ও যানবাহনের যাতায়াত ঘটে। ফলে সকাল থেকে শুরু হয় দীর্ঘ যানজট, যা ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে।
মছলন্দপুরের তিন রাস্তার মোড় এই সমস্যার মূল কেন্দ্রবিন্দু। এখানেই মিলিত হয়েছে মছলন্দপুর–তেতুলিয়া রোড এবং মছলন্দপুর–মগরা রোড। পাশাপাশি স্থানীয় বাজার, স্কুল, অফিসগামী মানুষ এবং সীমান্তবর্তী এলাকার ব্যবসায়িক যানবাহনের চাপ এই মোড়টিকে আরও ব্যস্ত করে তোলে। সকালবেলা অফিস ও স্কুলের সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ পড়তেই কয়েক মিনিটের মধ্যে রাস্তাজুড়ে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিদিন এই যানজটের কারণে চরম সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অফিসগামী কর্মী—সবারই সময় নষ্ট হয় এই রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে। অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি পরিষেবার গাড়িও আটকে পড়ে এই যানজটে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তোলে।
বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যার সমাধানের দাবি জানানো হলেও এখনও স্থায়ী কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থায়ী পুলিশ মোতায়েন, রাস্তার সম্প্রসারণ কিংবা বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করলে এই সমস্যার অনেকটাই সমাধান হতে পারে বলে মত স্থানীয়দের।
সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হওয়ায় মছলন্দপুর তিন রাস্তার মোড়ে প্রতিদিনের এই যানজট এখন নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগ না নিলে আগামী দিনে এই সমস্যার তীব্রতা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
    user_Biswaji Bala
    Biswaji Bala
    Reporter হাবরা 1, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    3 hrs ago
  • Post by MR KOUSHIK DEBNATH
    1
    Post by MR KOUSHIK DEBNATH
    user_MR KOUSHIK DEBNATH
    MR KOUSHIK DEBNATH
    Youth organisation হাবরা 1, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    16 hrs ago
  • এসআইআর-এ নাম বাদ ও ‘বিবেচনাধীন’ নিয়ে ক্ষোভ, গোবরডাঙ্গার নকপুল মোড়ে গ্রামবাসীদের রাস্তা অবরোধ। প্রায় ঘন্টাখানেক অবরোধের পর পুলিশি আশ্বাসে অবরোধকারীরা অবরোধ তুলে নেয়।
    1
    এসআইআর-এ নাম বাদ ও ‘বিবেচনাধীন’ নিয়ে ক্ষোভ, গোবরডাঙ্গার নকপুল মোড়ে গ্রামবাসীদের রাস্তা অবরোধ। প্রায় ঘন্টাখানেক অবরোধের পর পুলিশি আশ্বাসে অবরোধকারীরা অবরোধ তুলে নেয়।
    user_Atmajit Chakraborty
    Atmajit Chakraborty
    Local News Reporter Habra - I, 24 Parganas North•
    22 hrs ago
  • ইসরাইলের গোয়েন্দা গুলো যারা গোপনে ইরানে বসে ড্রোন তৈরি করেছিল
    1
    ইসরাইলের গোয়েন্দা গুলো যারা গোপনে 
ইরানে বসে ড্রোন তৈরি করেছিল
    user_খবর পেজ ২৪
    খবর পেজ ২৪
    Local News Reporter স্বরূপনগর, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    2 hrs ago
  • মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বড়জোর কলকাতার রাস্তায় তিন মিনিটে গিয়েছে এয়ারপোর্ট থেকে বাম মহিলা ও অন্যান্য কর্মীদের কালো পত বিক্ষোভের মুখে পড়তে হলেও কমিশনারের সাংবিধানিক দায়িত্ব ভুলে রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করতে এ রাজ্যের ৬৮ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে ভোটার তালিকা থেকে কমিশনারকে জবাব দিতে হবে সবার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে নইলে ভোট ঘোষণা করা যাবে না
    1
    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বড়জোর কলকাতার রাস্তায় তিন মিনিটে গিয়েছে এয়ারপোর্ট থেকে বাম মহিলা ও অন্যান্য কর্মীদের কালো পত বিক্ষোভের মুখে পড়তে হলেও কমিশনারের সাংবিধানিক দায়িত্ব ভুলে রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করতে এ রাজ্যের ৬৮ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে ভোটার তালিকা থেকে কমিশনারকে জবাব দিতে হবে সবার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে নইলে ভোট ঘোষণা করা যাবে না
    user_Jio Tv News
    Jio Tv News
    Barasat - I, 24 Parganas North•
    3 hrs ago
  • হুগলি জেলা পুনে ইজতেমা INDIA 🇮🇳🫂🥰🥰
    4
    হুগলি জেলা পুনে ইজতেমা  INDIA 🇮🇳🫂🥰🥰
    user_Nurselim Molla
    Nurselim Molla
    Tailor Basirhat - I, 24 Parganas North•
    13 hrs ago
  • ফুরফুরা শরীফ ঈসালে সোয়াব তৃতীয় দিনের লোকের সমাগম প্রচুর লোকের সমাগম
    1
    ফুরফুরা শরীফ ঈসালে সোয়াব তৃতীয় দিনের লোকের সমাগম প্রচুর লোকের সমাগম
    user_MAHAMUDUL HASAN MOLLA
    MAHAMUDUL HASAN MOLLA
    Video Creator মিনাখান, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    3 hrs ago
  • উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙ্গা শহরের এক পুরনো স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল নতুন করে আতঙ্কের ছায়া নিয়ে। সালটা সম্ভবত ১৯৯৫ কিংবা ১৯৯৬—ঠিক এমনই এক ফেব্রুয়ারি বা মার্চের সকাল। সেই সময় গোবরডাঙ্গার একই গলিতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল একাধিক দোকান। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল ধ্বংসস্তূপ আর অসহায় মানুষের আর্তনাদ। প্রায় তিরিশ বছর কেটে গেছে। কিন্তু সেই ভয়াবহ স্মৃতিকে যেন আবারও মনে করিয়ে দিল সাম্প্রতিক এই অগ্নিকাণ্ড। সকালের নীরবতা ভেঙে হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে আগুন লাগার খবর। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। স্থানীয়দের কথায়, আগুন এতটাই দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল যে বেশ কয়েকটি দোকান মুহূর্তের মধ্যেই দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে। আগুনের লেলিহান শিখা আর ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। খবর পেয়ে সকাল সকাল অনেকেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান। চারদিকে তখন শুধু ধোঁয়া, পোড়া গন্ধ আর পুড়ে যাওয়া দোকানের ধ্বংসাবশেষ। যাদের জীবিকা ছিল এই ছোট ছোট দোকানগুলো, তাদের চোখে তখন শুধু অসহায়তা আর হতাশা। স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, সকালবেলায় আগুন লাগায় বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। যদি একই ঘটনা গভীর রাতে ঘটত, তাহলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও ভয়াবহ হতে পারত। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকটি দোকানের পিছনে বড় অংশ জুড়ে প্লাস্টিকের স্তূপ জমা ছিল। যদি আগুন সেই প্লাস্টিকের স্তূপে পৌঁছে যেত, তাহলে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারত বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। আগুনের তীব্রতা তখন কয়েকগুণ বেড়ে যেত—যার পরিণতি কী হতে পারত, তা ভেবেই অনেকের বুক কেঁপে উঠছে। বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে গোবরডাঙ্গা থানার পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা। কীভাবে এই আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল—এক মুহূর্তের আগুন কত মানুষের বছরের পর বছর গড়ে তোলা স্বপ্নকে মুহূর্তে ছাই করে দিতে পারে। গোবরডাঙ্গার মানুষ আজও সেই পুরনো আগুনের স্মৃতি ভুলতে পারেনি। আর ত্রিশ বছর পর ফের একই জায়গায় আগুনের এই তাণ্ডব যেন নতুন করে সেই দুঃস্বপ্নকেই ফিরিয়ে দিলো।
    1
    উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙ্গা শহরের এক পুরনো স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল নতুন করে আতঙ্কের ছায়া নিয়ে। সালটা সম্ভবত ১৯৯৫ কিংবা ১৯৯৬—ঠিক এমনই এক ফেব্রুয়ারি বা মার্চের সকাল। সেই সময় গোবরডাঙ্গার একই গলিতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল একাধিক দোকান। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল ধ্বংসস্তূপ আর অসহায় মানুষের আর্তনাদ।
প্রায় তিরিশ বছর কেটে গেছে। কিন্তু সেই ভয়াবহ স্মৃতিকে যেন আবারও মনে করিয়ে দিল সাম্প্রতিক এই অগ্নিকাণ্ড।
সকালের নীরবতা ভেঙে হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে আগুন লাগার খবর। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। স্থানীয়দের কথায়, আগুন এতটাই দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল যে বেশ কয়েকটি দোকান মুহূর্তের মধ্যেই দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে। আগুনের লেলিহান শিখা আর ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা।
খবর পেয়ে সকাল সকাল অনেকেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান। চারদিকে তখন শুধু ধোঁয়া, পোড়া গন্ধ আর পুড়ে যাওয়া দোকানের ধ্বংসাবশেষ। যাদের জীবিকা ছিল এই ছোট ছোট দোকানগুলো, তাদের চোখে তখন শুধু অসহায়তা আর হতাশা।
স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, সকালবেলায় আগুন লাগায় বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। যদি একই ঘটনা গভীর রাতে ঘটত, তাহলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও ভয়াবহ হতে পারত।
একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকটি দোকানের পিছনে বড় অংশ জুড়ে প্লাস্টিকের স্তূপ জমা ছিল। যদি আগুন সেই প্লাস্টিকের স্তূপে পৌঁছে যেত, তাহলে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারত বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। আগুনের তীব্রতা তখন কয়েকগুণ বেড়ে যেত—যার পরিণতি কী হতে পারত, তা ভেবেই অনেকের বুক কেঁপে উঠছে।
বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে গোবরডাঙ্গা থানার পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা। কীভাবে এই আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল—এক মুহূর্তের আগুন কত মানুষের বছরের পর বছর গড়ে তোলা স্বপ্নকে মুহূর্তে ছাই করে দিতে পারে।
গোবরডাঙ্গার মানুষ আজও সেই পুরনো আগুনের স্মৃতি ভুলতে পারেনি। আর ত্রিশ বছর পর ফের একই জায়গায় আগুনের এই তাণ্ডব যেন নতুন করে সেই দুঃস্বপ্নকেই ফিরিয়ে দিলো।
    user_Biswaji Bala
    Biswaji Bala
    Reporter হাবরা 1, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    22 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.