মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় শনিবার মালদা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে হয়ে গেল জনস্বাস্থ্য সেবায় নিয়োগ মহোৎসব। আর এই মহোৎসবে অংশ নিয়ে মালদায় স্বাস্থ্য দপ্তরের বিভিন্ন পদের নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৪০৭জনের হাতে চাকুরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারী। এদিকে এই নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার প্রাক্কালে সিএইচ.ও-র নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখালেন ওয়েটিং লিস্টে থাকা চাকুরি প্রার্থীদের একাংশ। স্বভাবতই এই ঘটনাকে ঘিরে মালদা কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত জনস্বাস্থ্য সেবায় নিয়োগ মহোৎসব শুরুর প্রাক্কালে কিছুটা ছন্দপতন ঘটে। বিক্ষোভকারীরা নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। বেনিয়মের অভিযোগ তুলে সরব হন। যদিও পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর কলেজ অডিটোরিয়ামের দুর্গাকিংকর সদনে শুরু হয় জনস্বাস্থ্য সেবায় নিয়োগ মহোৎসব।এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারী নারায়ণ স্বরূপ নি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল, জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ ব্যানার্জি, জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুদীপ্ত ভাদুড়ি, বিধায়ক চন্দনা সরকার, ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, পুরাতন মালদা পৌরসভার চেয়ারম্যান বিভূতি ভূষণ ঘোষ সহ' আরও অনেকেই। তারা সকলে মিলে এক এক করে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের বিভিন্ন পদের নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৪০৭ জনের হাতে এদিন নিয়োগপত্র তুলে দেন।অনুষ্ঠান শেষে মালদার জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল এবং রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারী নারায়ণ স্বরূপ নিগমকে বিক্ষোভকারী চাকুরী প্রার্থীদের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তারা সাফ জানান দেন সরকারি নিয়ম মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বেনিয়মের যে অভিযোগ উঠছে তা সঠিক নয়।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় শনিবার মালদা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে হয়ে গেল জনস্বাস্থ্য সেবায় নিয়োগ মহোৎসব। আর এই মহোৎসবে অংশ নিয়ে মালদায় স্বাস্থ্য দপ্তরের বিভিন্ন পদের নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৪০৭জনের হাতে চাকুরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারী। এদিকে এই নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার প্রাক্কালে সিএইচ.ও-র নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখালেন ওয়েটিং লিস্টে থাকা চাকুরি প্রার্থীদের একাংশ। স্বভাবতই এই ঘটনাকে ঘিরে মালদা কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত জনস্বাস্থ্য সেবায় নিয়োগ মহোৎসব শুরুর প্রাক্কালে কিছুটা ছন্দপতন ঘটে। বিক্ষোভকারীরা নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। বেনিয়মের অভিযোগ তুলে সরব হন। যদিও পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর কলেজ অডিটোরিয়ামের দুর্গাকিংকর সদনে শুরু হয় জনস্বাস্থ্য সেবায় নিয়োগ মহোৎসব।এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারী নারায়ণ স্বরূপ নি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল, জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ ব্যানার্জি, জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুদীপ্ত ভাদুড়ি, বিধায়ক চন্দনা সরকার, ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, পুরাতন মালদা পৌরসভার চেয়ারম্যান বিভূতি ভূষণ ঘোষ সহ' আরও অনেকেই। তারা সকলে মিলে এক এক করে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের বিভিন্ন পদের নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৪০৭ জনের হাতে এদিন নিয়োগপত্র তুলে দেন।অনুষ্ঠান শেষে মালদার জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল এবং রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারী নারায়ণ স্বরূপ নিগমকে বিক্ষোভকারী চাকুরী প্রার্থীদের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তারা সাফ জানান দেন সরকারি নিয়ম মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বেনিয়মের যে অভিযোগ উঠছে তা সঠিক নয়।
- ক্ষোভউগড়ে পথ অবরোধ। পথ অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন মৃত যুবকের পরিবারবর্গ সহ পুরাতন মালদা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের চালিশা পাড়ার বাসীন্দারা। রবিবার সন্ধ্যা নাগাদ তারা চালিশা পাড়া সংলগ্ন ওন্ড মালদা রোডের উপর আগুন জ্বালিয়ে তুমুল বিক্ষোভ দেখান পুলিশের বিরুদ্ধে। কেন পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ তা শুনুন বিক্ষোভকারীদের মুখ থেকেই---1
- Post by MALDA SANGBAD1
- মানিকচকের মথুরাপুরের রাজ্য সড়কের দুর্ঘটনাগ্রস্থ ভিন্ন রাজ্যের লরি। রবিবার ভোরে মানিকচক রতুয়া রাজ্য সড়কের জগন্নাথ মোড় সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনা সম্পর্কে জানা গেছে এদিন ভোর নাগাদ এই লরিটি রতুয়া থেকে মানিকচক ঘাটের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। সেই সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাজ্য সড়কের ওপরে থাকা একটি কালভার্টের ব্যারিকেড ভেঙে গর্ততে পড়ে লরিটি। বিকট শব্দের আওয়াজে ঘুম ভাঙ্গে পার্শ্ববর্তী বাসিন্দাদের। তড়িঘড়ি তারা গাড়িতে থাকা চালক ও খালাসিকে উদ্ধার করে পাঠায় মানিকচক গ্রামীন হাসপাতালে। স্থানীয়দের দাবি দ্রুত গতিতে এবং বেপরোয়া ভাবে লরি চালানো এই দুর্ঘটনা। ভোর নাগাদ দুর্ঘটনা ঘটায় কোন প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি তবে দিনের এই ঘটনা ঘটলে অনেক কিছুই হতে পারতো।বিষয়টি পুলিশ প্রশাসন খতিয়ে দেখুক তার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।1
- দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর শহরের ব্লক পাড়া এলাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতিকে আরও সুসংগঠিত ও লক্ষ্যভিত্তিক করে তুলতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল Fusion Classes নামক একটি নতুন কোচিং সেন্টার। ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সম্পূর্ণ বিজ্ঞান বিভাগকে কেন্দ্র করেই এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সূচনা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফিতে কাটা ও প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে কোচিং সেন্টারের শুভ সূচনা করেন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা অভিজিৎ বসাক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্বরা। উদ্যোক্তার বক্তব্যে তিনি জানান, বর্তমান সময়ে বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সঠিক দিকনির্দেশ, নিয়মিত অনুশীলন এবং মানসম্মত প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই প্রয়োজনীয়তা থেকেই গঙ্গারামপুরে এই বিজ্ঞানভিত্তিক কোচিং সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোচিং সেন্টার সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নতুন শিক্ষা বর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। সম্পূর্ণভাবে বিজ্ঞান বিভাগ—বিশেষত গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান—বিষয়গুলির উপর জোর দিয়ে পাঠদান করা হবে। নিয়মিত ক্লাসের পাশাপাশি অধ্যায়ভিত্তিক পরীক্ষা, মডেল টেস্ট এবং পারফরম্যান্স মূল্যায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিশেষ করে সর্বভারতীয় স্তরের ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা যেমন JEE (Joint Entrance Examination) ও NEET (National Eligibility cum Entrance Test)-এর প্রস্তুতির জন্য পৃথক ব্যাচ ও পরিকল্পিত পাঠক্রম চালু করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলিতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দ্বারা পাঠদান করানো হবে বলে জানানো হয়েছে। নিয়মিত ডাউট ক্লিয়ারিং সেশন, উন্নতমানের স্টাডি ম্যাটেরিয়াল এবং মক টেস্টের ব্যবস্থাও থাকবে। উদ্যোক্তার দাবি, গঙ্গারামপুর ও আশপাশের এলাকার বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের বড় শহরে না গিয়েও মানসম্মত কোচিং পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়াই Fusion Classes-এর মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি ও প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদানের মাধ্যমে আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানা গেছে। শিক্ষানুরাগী মহলের মতে, বিজ্ঞান বিভাগকে কেন্দ্র করে এ ধরনের বিশেষায়িত উদ্যোগ এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন দিশা দেখাবে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্যের পথকে আরও সুগম করে তুলবে।1
- মন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের উপস্থিতিতে রায়গঞ্জের মহীপুর পঞ্চায়েতে অনুষ্ঠিত হোল তৃনমুল কংগ্রেসের কর্মী সম্মেলন। রবিবার বিকালে মন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মন ছাড়াও এই সম্মেলন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃনমুল মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী চৈতালী ঘোষ সাহা সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা। এদিন এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে জেলা তৃনমুল মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী চৈতালী ঘোষ সাহা কেন্দ্রীয় সরকারের রাজ্যের প্রতি বঞ্চনার বিরদ্ধে সোচ্চার হন। অন্য দিকে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে ৪র্থ বার মুখ্যমন্ত্রী করতে সকলকে সম্মিলিত ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান৷ পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের বিষয়ে আলোকপাত করেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মন সহ তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী চৈতালী ঘোষ সাহা।1
- বাংলা-বিহার নাকা চেক পয়েন্ট গুলিতে নিরাপত্তা এবং নজরদারির দায়িত্বে শুধুমাত্র সিভিক ভলেন্টিয়াররা1
- কুরুমগ্রাম এলাকার যুবকদের উদ্যোগে আয়োজিত KPL (কুরুমগ্রাম প্রিমিয়াম লীগ) ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ফাইনাল ম্যাচ আজ অনুষ্ঠিত হলো কুরুমগ্রাম হাই স্কুল মাঠে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় মোট ৮টি দল অংশগ্রহণ করে। ফাইনাল ম্যাচে নির্ধারিত ছিল ১২ ওভারের খেলা। প্রথমে ব্যাট করে কুরুমগ্রাম হেরিটেজ রিটার্নস দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ৩ উইকেট হারিয়ে ২১৮ রান তোলে। জবাবে কুরুমগ্রাম বেঙ্গল টিম লড়াই করেও ১২ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৭১ রানে থেমে যায়। ফলস্বরূপ কুরুমগ্রাম হেরিটেজ রিটার্নস চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলা শেষে বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ও ম্যান অফ দ্য সিরিজ পুরস্কার প্রদান করা হয়। রানার্স দলকেও ট্রফি দিয়ে সম্মানিত করা হয়।1
- অবস্থান সোনভদ্র l খাজা খানের প্রতিবেদন রাস্তা নির্মাণে খারাপ কাজের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। অ্যাঙ্কর: সোনভদ্র l ব্লক বাভনীর 15 কিলোমিটার রাস্তার কাজ অসনাহার মেইন রোড থেকে কারিদাদ হয়ে চলছে, যেখানে গ্রামবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা মান উপেক্ষা করে মানহীন রাস্তার নির্মাণ কাজের প্রতিবাদ করেছেন এবং মান অনুযায়ী কাজ করার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দাবি জানিয়েছেন এবং কাজ বন্ধ করার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দাবি জানিয়েছেন। আমরা আপনাকে বলি যে গণপূর্ত বিভাগ অর্থাৎ PWD-এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রায় 56 কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত 15 কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তার মান নিয়ে গুরুতর অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীদের দাবি, রাস্তাটি এতটাই খারাপ যে পা দিয়ে আঁচড় দিলেই ভেঙে পড়তে শুরু করে। বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ঠিকাদার ও জেই-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। VO-1: বিষয়টি বাবনি থানা এলাকার আসনাহার মোড় থেকে বানভাসি সেবাকুঞ্জ আশ্রম করারিদাদ হয়ে ছত্তিশগড় সীমান্ত পর্যন্ত রাস্তা তৈরির সঙ্গে সম্পর্কিত। 15 কিলোমিটার দীর্ঘ এই রাস্তায় রং করার কাজ চলছিল, যখন গ্রামবাসীরা মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রতিবাদ শুরু করে। নির্মাণ কাজে মান উপেক্ষা করা হচ্ছে এবং রোলার ঠিকমতো না চালিয়ে ব্যালাস্ট-সোলিংয়ে রং করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। VO-2: গ্রামবাসীরা বলছেন, এত বড় বাজেটের রাস্তার কাজ শুধু মেঠ ও মুন্সির উপস্থিতিতেই হচ্ছে অথচ বিভাগীয় কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান না পরিদর্শনে। বিক্ষোভের সময়, গ্রামবাসীরা তাদের পা দিয়ে রাস্তার স্তরটি আঁচড়েছিল, যা সহজেই ভেঙে যেতে দেখা যায়। এতে জনগণের ক্ষোভ আরও বেড়ে যায় এবং দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। ঘটনাস্থলে গ্রামপ্রধানসহ বহু গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন। বাইট: ব্যাস চন্দ্র বিশ্বকর্মা (প্রতিনিধি, জেলা পঞ্চায়েত বাবনি) — বাইট আব্দুল রহিম পল্লী4