Shuru
Apke Nagar Ki App…
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে হরিরামপুর বিধানসভা থেকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতীকে লড়বেন শুভাশিস পাল ওরফে সোনাপাল।
Hili News Bangla
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে হরিরামপুর বিধানসভা থেকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতীকে লড়বেন শুভাশিস পাল ওরফে সোনাপাল।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তার ভাষণে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে তীব্র আক্রমণ1
- প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পর দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে ভোট প্রচারে নামলেন মালদার হবিবপুর বিধানসভার কংগ্রেস প্রার্থী রাজেন সরেন। মঙ্গলবার তিনি বুলবুলচন্ডী এলাকায় দেওয়াল লিখন কর্মসূচিতে অংশ নেন। এদিন দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে তিনি সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশ্যে আবেদন জানান, আসন্ন নির্বাচনে তাকে বিপুল ভোটে জয়ী করে হবিবপুর বিধানসভায় পাঠানোর জন্য। পাশাপাশি দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে তিনি এলাকায় জনসংযোগও করেন।2
- Post by Ashad Ali1
- পুরাতন মালদার ভাবুক অঞ্চলের যদুপুর গ্রামে ওভারলোড গাড়ি চলাচলকেপুরাতন মালদার ভাবুক অঞ্চলের যদুপুর গ্রামে ওভারলোড গাড়ি চলাচলকে1
- মালদার মোথাবাড়ি বিধানসভায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে চরম উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। মঙ্গলবার কালিয়াচক ২ ভিডিও অফিসের সামনে শান্তিপূর্ণ ধরনাই বসলো জাতীয় কংগ্রেস । মোথাবাড়ি বিধানসভার কংগ্রেসের প্রার্থী সায়েম চৌধুরী র উদ্যোগে এই ধরনার আয়োজন করা হয় । সায়েম চৌধুরীসহ মোথাবাড়ি বিধানসভার কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা এই ধরনায় শামিল হয় । সায়েম চৌধুরী বাবু জানান, আমাদের মোথাবাড়ি বিধানসভার বৈধ ভোটারদের নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী সমস্ত রকম নথি জমা দেওয়ার পরেও কেন ভোট বাতিল করা হয়েছে তারই প্রতিবাদে আজকের এই ধারণা । নির্বাচন কমিশন AI কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে যাচাই করে নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করাচ্ছে । নির্বাচন কমিশনের কথামতো সমস্ত নথি জমা দিলেও কেন ভোটারদের ভোট বাত যাবে । কেন নির্বাচন কমিশন পরিষ্কারভাবে বলছে না কোন ডকুমেন্টস বা নথিটা দিলে ভোটারদের ভোট টিকে থাকবে । একই রকম ডকুমেন্টস দেওয়ার পরেও কারো ভোট টিকে যাচ্ছে আবার কারো ভোট কেটে যাচ্ছে এটা নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে সম্প্রদায়কে টার্গেট করে এরকমটা করছে । যতক্ষণ পর্যন্ত বৈধ ভোটারদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের এই ধারণা চলবে ।1
- প্রণয় ঘটিত সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে এক নাবালকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্য রামপুরের রাহাপাড়ায়৷ ঘটনার তদন্ত শুরু করলো পুলিশ। মঙ্গলবার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিকেলের মর্গে পাঠালো তারা। মৃত ওই নাবালকের নাম হৃদয় মন্ডল,বয়েস আনুমানিক ১৭ বছর, বাড়ি রায়গঞ্জের রামপুর লহন্ডা এলাকার রাহাপাড়ায়। পরিবারের দাবী ওই নাবালকের সাথে প্রণয়ের সম্পর্কে থাকা এক নাবালিকা বহরমপুরের বাড়ি ছেড়ে ওই নাবালকের কাছে চলে আসে৷ সোমবার সন্ধ্যায় নাবালিকার পরিবারের সাথে টেলিফোনিক আলোচনা সাপেক্ষে নাবালিকাকে বহরমপুরের বাসে তুলে দেয় নাবালকের পরিবার। এদিন সকালে তার ঘরে দেখা যায় তার গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মৃতদেহ। খবর দেওয়া হয় পুলিশ কে।1
- সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী ঘোষণা ঘিরে দলের অন্দরে তীব্র অসন্তোষ ও বিক্ষোভের ঘটনা সামনে এল। মঙ্গলবার আশুতোষ বর্মাকে সিতাই বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন দলের একাংশ কর্মী-সমর্থক। এদিন সিতাইয়ের গোসানিমারি বিজেপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভে সামিল হন কর্মীরা। প্রার্থী ঘোষণার প্রতিবাদে স্লোগান তোলেন তারা। পরে সেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে কোচবিহার জেলা বিজেপি কার্যালয়েও, যেখানে কর্মীরা নিজেদের ক্ষোভ উগরে দেন। জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে বিজেপির পক্ষ থেকে কোচবিহার জেলার সিতাই ও নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। সিতাই কেন্দ্রে গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং বংশীবাদনপন্থী নেতা আশুতোষ বর্মার নাম ঘোষণা হতেই দলের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। বিক্ষোভকারী কর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে যারা বিজেপির সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে কাজ করে আসছেন, তাঁদের উপেক্ষা করে বাইরের একজনকে প্রার্থী করা হয়েছে। পাশাপাশি বংশীবাদনপন্থী নেতাকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা। এই প্রসঙ্গে কোচবিহার জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ বর্মন বলেন, “দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। কিছু মানুষের প্রার্থী পছন্দ নাও হতে পারে, তবে সকলকেই দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলতে হবে।”1
- মালদা বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী ভূপেন্দ্রনাথ হালদার মঙ্গলবার হবিবপুর ব্লকের ঋষিপুর এলাকায় জোরকদমে নির্বাচনী প্রচার চালান প্রচার শুরুর আগে ঋষিপুরের একাধিক কালী মন্দিরে ঢাক বাজিয়ে পুজো দেন ভূপেন্দ্রনাথ হালদার। মায়ের কাছে আশীর্বাদ প্রার্থনা করে তিনি নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। এরপর দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঋষিপুর অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে প্রচার চালান।2