কানশি রামের আন্দোলনের একটি মূল নীতি ছিল "Pay Back to Society" বা "সমাজকে ফিরিয়ে দাও"। তিনি মনে করতেন যে, যারা সংরক্ষণ, শিক্ষা এবং সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়ে সমাজে এগিয়ে গেছেন, তাদের দায়িত্ব হলো নিজেদের সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষদের উন্নয়নের জন্য কাজ করা। এই উদ্দেশ্যে তিনি শিক্ষিত কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান যে, তারা যেন সমাজের জন্য নিজেদের সময়, শ্রম, জ্ঞান এবং আয়ের একটি অংশ উৎসর্গ করেন। এই "Pay Back to Society" ধারণাই BAMCEF-এর অন্যতম ভিত্তি ছিল। এর লক্ষ্য ছিল শিক্ষিত তফসিলি জাতি (SC), তফসিলি উপজাতি (ST), অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (OBC) এবং সংখ্যালঘু কর্মচারীদের সামাজিক পরিবর্তনের কাজে সংগঠিত করা। কানশি রাম এই কথা বলতেন যে, সমাজকে শুধু সুবিধা গ্রহণকারী হিসেবে নয়, বরং "দেওয়ার সমাজ" হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যা নিজের শক্তিতে অন্যদের উন্নত করতে সক্ষম। সংক্ষেপে, তাঁর মতে, শিক্ষা পেলে অন্যদের শিক্ষিত করতে সাহায্য করা উচিত, চাকরি পেলে সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখা উচিত, সামাজিক সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া উচিত, সংগঠন গড়ে তোলা উচিত এবং বঞ্চিত মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করা উচিত। তাঁর এই ধারণাটিকে বি. আর. আম্বেদকরের "শিক্ষিত হও, সংগঠিত হও, আন্দোলন করো" দর্শনের বাস্তব প্রয়োগ হিসেবে অনেক অনুসারী ব্যাখ্যা করেন।
কানশি রামের আন্দোলনের একটি মূল নীতি ছিল "Pay Back to Society" বা "সমাজকে ফিরিয়ে দাও"। তিনি মনে করতেন যে, যারা সংরক্ষণ, শিক্ষা এবং সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়ে সমাজে এগিয়ে গেছেন, তাদের দায়িত্ব হলো নিজেদের সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষদের উন্নয়নের জন্য কাজ করা। এই উদ্দেশ্যে তিনি শিক্ষিত কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান যে, তারা যেন সমাজের জন্য নিজেদের সময়, শ্রম, জ্ঞান এবং আয়ের একটি অংশ উৎসর্গ করেন। এই "Pay Back to Society" ধারণাই BAMCEF-এর অন্যতম ভিত্তি ছিল। এর লক্ষ্য ছিল শিক্ষিত তফসিলি জাতি (SC), তফসিলি উপজাতি (ST), অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (OBC) এবং সংখ্যালঘু কর্মচারীদের সামাজিক পরিবর্তনের কাজে সংগঠিত করা। কানশি রাম এই কথা বলতেন যে, সমাজকে শুধু সুবিধা গ্রহণকারী হিসেবে নয়, বরং "দেওয়ার সমাজ" হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যা নিজের শক্তিতে অন্যদের উন্নত করতে সক্ষম। সংক্ষেপে, তাঁর মতে, শিক্ষা পেলে অন্যদের শিক্ষিত করতে সাহায্য করা উচিত, চাকরি পেলে সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখা উচিত, সামাজিক সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া উচিত, সংগঠন গড়ে তোলা উচিত এবং বঞ্চিত মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করা উচিত। তাঁর এই ধারণাটিকে বি. আর. আম্বেদকরের "শিক্ষিত হও, সংগঠিত হও, আন্দোলন করো" দর্শনের বাস্তব প্রয়োগ হিসেবে অনেক অনুসারী ব্যাখ্যা করেন।
- ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে 'পুশ-ব্যাক' ইস্যুকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সদস্যদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সীমান্তের কাঁটাতারের দুই পাশে অবস্থানরত বিএসএফ এবং বিজিবির সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করছেন। অভিযোগ উঠেছে যে, এই কথোপকথনের সময় উভয় পক্ষ থেকেই অশালীন ও উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও ভিডিওটির সত্যতা এবং এর ঘটনাস্থল সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। স্থানীয় সূত্রের দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে অনুপ্রবেশকারী এবং অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের 'পুশ-ব্যাক' নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে মতবিরোধ বাড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই মতবিরোধের প্রেক্ষিতেই বর্তমান উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই সীমান্তে সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন। তবে, প্রশাসনিক সূত্র থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো সংঘর্ষ বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্তমান পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে। (উল্লেখ্য, ভাইরাল ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।)1
- অপরাধ দমন ও এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভরতপুর থানার পুলিশ এক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে। গোপন সূত্রে প্রাপ্ত খবরের ভিত্তিতে, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টা নাগাদ ভরতপুর লোহাদহ সড়কের দরগাহ তলা সংলগ্ন এলাকায় এক সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে পুলিশ একজন কুখ্যাত অবৈধ মদ কারবারীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে। ধৃত ওই কারবারীর নাম কিশোর কুমার দাস, তার বয়স ৪৬ বছর এবং সে ভরতপুর থানার গড্ডা গ্রামের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা। পুলিশের এই অতর্কিত অভিযানে তার কাছ থেকে ৩০ বোতল দেশী মদ এবং ৩ কার্টন অবৈধ বিয়ার উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কিশোর কুমার দাস স্বীকার করেছে যে, সে বিগত প্রায় দুই বছর ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এই অবৈধ কারবার চালিয়ে আসছিল। ভরতপুর থানার পুলিশের তীক্ষ্ণ নজরদারি ও তৎপরতার কাছে শেষপর্যন্ত তার এই কারবার বন্ধ হয়। ধৃতের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তাকে শুক্রবারই কান্দি মহকুমা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভরতপুর থানার পুলিশের এমন ক্ষিপ্র ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপের ফলে এলাকায় অবৈধ মাদক কারবারিদের কোমর ভেঙে গেছে এবং সাধারণ মানুষের বুকে পুলিশের প্রতি আস্থা ও সম্মান আরও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।1
- nagin dance song vhhgghjbbbnfvu jci vhhggvbbvccbbbvcvbb nagin dance songs hhhhghjjvuviv9v you go jb hii ig hii u1
- নাকাশিপাড়া থানায় এক ব্যক্তির দেহ আনা হয়েছে, যিনি প্যান্ডেল তৈরির কাজে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।1
- খলিলুর এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন যে, যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জঙ্গিপুর থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তাহলে তিনি তার বর্তমান সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতে প্রস্তুত আছেন। এই শর্তাধীন প্রস্তাবটি খলিলুর নিজেই স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।1
- অভিষেক বলেছেন যে যদি তাঁর নামে কোনো মামলা করা হয়, তাহলে অমিত শাহের নামেও মামলা করতে হবে।1
- মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া লাগোয়া এলাকায় শুক্রবার হুমায়ূনের আমজনতা উন্নয়ন পার্টির এক নেতার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে মজুত করা আগ্নেয় অস্ত্র ও কার্তুজের হদিশ মেলে। ঘটনায় আতর আলী নামের ওই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক হুলুস্থুল ফেলে দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে, আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা জোড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক হুমায়ুন কবির বরাবরই সংবাদের শিরোনামে থাকেন এবং তাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে থাকে। এই অভিযান এবং অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।1