Shuru
Apke Nagar Ki App…
ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে পঞ্চায়েত সদস্য সনাতন গরাই,দুর্গাপুর: *বিধানসভা নির্বাচনের আগে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। সেই মুহূর্তেই তৃণমূলের হয়ে প্রচার শুরু বিদ বিহার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য স্বপন সূত্রধর। ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিদ বিহারের শিবপুর এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নমূলক কথা তুলে ধরছেন। বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান করছেন।* লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে ভুলভাল মন্তব্য করছে বিজেপির নেতারা বলেও অভিযোগ করছেন। যারা লক্ষীর ভান্ডার পায় তাদেরকে আটকে রাখার কথা জানাচ্ছে নিজেকে নেতারা। সেই জন্য মানুষকে প্রতিবাদ করতে হবে। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের বিজেপি যাতে বাংলা থেকে বিদায় হয় সেজন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করার ডাক দিচ্ছেন স্বপন সূত্রধর।
Sanatan Garai
ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে পঞ্চায়েত সদস্য সনাতন গরাই,দুর্গাপুর: *বিধানসভা নির্বাচনের আগে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। সেই মুহূর্তেই তৃণমূলের হয়ে প্রচার শুরু বিদ বিহার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য স্বপন সূত্রধর। ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিদ বিহারের শিবপুর এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নমূলক কথা তুলে ধরছেন। বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান করছেন।* লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে ভুলভাল মন্তব্য করছে বিজেপির নেতারা বলেও অভিযোগ করছেন। যারা লক্ষীর ভান্ডার পায় তাদেরকে আটকে রাখার কথা জানাচ্ছে নিজেকে নেতারা। সেই জন্য মানুষকে প্রতিবাদ করতে হবে। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের বিজেপি যাতে বাংলা থেকে বিদায় হয় সেজন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করার ডাক দিচ্ছেন স্বপন সূত্রধর।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- প্রতিযোগিতার কঠোর মঞ্চ নয়, বরং তাঁর সহজাত নেতৃত্ব দানের সুললিত প্রতিভাই তাঁকে বারে বারেই তুলে এনেছে পাদপ্রদীপের আলোয়। সুদক্ষ আইনজীবী হিসেবে পরপর মাইল ফলক ছুঁয়ে যাওয়া তরুণ এই অমায়িক হাস্যময় ব্যক্তিটি পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ইতিমধ্যেই তাঁর ধারালো প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষিপ্রতা ও গভীর বিচক্ষণতা বোধই তাঁকে এনে দিয়েছে নেতৃত্ব দানের এক বিস্ময়কর শক্তি। সদা হাস্যময় এই মানুষটির নাম 'সঞ্জীব কুন্ডু'। সর্বসম্মতিক্রমে এবং সর্বোচ্চ অধিনায়িকার আশীর্বাদ পুষ্ট হয়ে এ বছরও তিনি পশ্চিম বর্ধমান জেলা মতুয়া মহাসংঘের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।বয়সে তরুণ হলেও অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ এই আইনজীবী 'অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি মমতা বালা ঠাকুরের অত্যন্ত স্নেহভাজন। তাঁর ওপর জেলা সভাপতির দায়িত্ব অর্পণ করে মমতা বালা দেবী যদিও অত্যন্ত খুশি। পরম নিশ্চিন্তেই তাঁর সংগঠন প্রসারণের দায়িত্ব তিনি সঞ্জীব বাবুর উপর অর্পণ করেছেন। এবং মমতা বালা দেবীর সেই আশীর্বাদকে পাথেয় করেই সঞ্জীববাবু তাঁর সংগঠনকে এক সম্মানজনক উচ্চতায় তুলে নিয়ে গিয়েছেন বিগত দিনগুলিতে। গত বছর নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত দুর্গাপুর মহকুমা আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনেও সভাপতি পদে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছেন সঞ্জীব বাবু। এত কম বয়সে সভাপতির মত ওজনদার পদে বিপুল জয় পাওয়া তাঁর জীবনের আরও এক মাইল ফলক ছুঁয়ে যাওয়া। দুর্গাপুর আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশন' এর সকল আইনজীবী বন্ধুদের জন্য ইতিমধ্যেই তিনি বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডও শুরু করেছেন যা তাঁকে এনে দিয়েছে বাড়তি সম্ভ্রম এবং মর্যাদা। সঞ্জীব বাবু বলেন, অন্য কারো সাথে নয়, প্রতি মুহূর্তে তিনি তাঁর নিজের সঙ্গেই প্রতিযোগিতা করেন। তাঁর কাজের মূল্যায়ন করেন, এবং সেই প্রেরণাতেই তিনি সামনের পথ এগিয়ে চলেন। দ্বিতীয়বারের জন্য পশ্চিম বর্ধমান জেলা মতুয়া মহাসংঘের সভাপতি পদে দায়িত্ব পাওয়ার পর সঞ্জীবাবু বলেন, চলতি বছরেই এ রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনের আগেই তিনি সমগ্র জেলার মতুয়া ভাই-বোনদের সার্বিক বিকাশের লক্ষ্য নিয়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন। সংগঠনের উন্নয়নের জন্য তিনি একনিষ্ঠ ভাবে লড়াই করে যাওয়ার সংকল্পে ব্রতী হয়েছেন। তিনি বলেন, তাঁর সংগঠনের যেসব ভাই-বোনেরা এখনো সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে পিছিয়ে রয়েছেন, তাঁদের সার্বিক উন্নয়নের জন্য তিনি সব রকম ভাবে প্রয়াসী হবেন। দ্বিতীয়বারের জন্য সঞ্জীব বাবু অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের বর্ধমান জেলার সর্বোচ্চ সভাপতি পদে মনোনীত হওয়ায় তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ জানিয়েছেন রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় দপ্তরের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, জেলা তৃণমূল সভাপতি ও পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সহ সমাজের বিভিন্ন অংশের অসংখ্য মানুষ। অগণিত শুভানুধ্যায়ী মানুষের আশীর্বাদ পাথেও করে এক নতুন চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়েই এখন থেকেই তিনি আগামীর পথ পাড়ি দিতে চান বলে জানালেন সদ্য নির্বাচিত জেলা সভাপতি সঞ্জীব কুন্ডু।2
- RANIGANJ : रानीगंज में गूँजा 'वीर संन्यासी' का जयघोष: स्वामी विवेकानंद की 164वीं जयंती पर निकाली गई भव्य शोभायात्रा REPORT : Faizan Siddiqui #Asansol #asansoltoday #RaniganjNews #RaniganjCity #asansolnews #asansolcityofbrotherhood #asansolcity #Raniganj #raniganjbazar #RaniganjVidhansabha1
- सोशल मीडिया पर एक बच्चे का मज़ेदार वीडियो वायरल हो रहा है, जिसमें उसके एक्सप्रेशन पर यूज़र्स ने लिखा, अब होगी पूरी फैमिली की फील्डिंग सेट।वीडियो को ह्यूमर और रिएक्शन मीम के तौर पर खूब शेयर किया जा रहा है। #Viral #TrendingReels #InternetBuzz #FunnyVideo #MemeCulture #Reels1
- "आमार पाड़ा आमार समाधान" योजना के तहत कई सड़कों का उद्घाटन आसासोल : गोपालपुर इलाके में राज्य के मंत्री सह आसासोल उत्तर के विधायक मलय घटक के नेतृत्व में "आमार पाड़ा आमार समाधान" योजना के तहत कई सड़कों का उद्घाटन किया गया। यहां मंत्री के अलावा जिलाशासक एस पोन्नवलम, आसासोल नगर निगम के चेयरमैन अमरनाथ चटर्जी, डिप्टी मेयर वशिमूल हक, एमआईसी गुरदास चटर्जी और अन्य प्रमुख लोग मौजूद थे। मंत्री मलय घटक ने कहा कि मुख्यमंत्री ममता बनर्जी द्वारा शुरू की गई "पथश्री" परियोजना के तहत पश्चिम बंगाल के गांवों और शहरों में सड़कें बनाई जा रही हैं या मरम्मत की जा रही हैं। उन्होंने कहा कि आज यहां से 151 कार्यों का उद्घाटन किया जाएगा, जिसकी कुल लागत लगभग 3 करोड़ 70 लाख रुपये है। इसके अलावा, "पथश्री अर्बन" योजना के तहत 9 और सड़कों का उद्घाटन किया जाएगा, जिसकी लागत लगभग 2 करोड़ रुपये है। मलय घटक ने कहा कि ममता बनर्जी के मुख्यमंत्री बनने के बाद लगभग 100 जनकल्याणकारी योजनाएं शुरू की गई हैं, जिससे लोग घर बैठे सरकारी योजनाओं का लाभ ले रहे हैं। उन्होंने कहा कि "आमार पाड़ा आमार समाधान" एक ऐसी योजना है जहां लोग तय करते हैं कि उनके मोहल्ले में किस तरह के विकास कार्य की आवश्यकता है। पूरे देश में केवल मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने इस योजना की शुरुआत की है।1
- জাতীয় যুব দিবস পালন স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম দিবস উপলক্ষে। বাঁকুড়া, জয়পুর, ইনামূল ভূঁইয়া: আজ ১২ ই জানুয়ারি বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের হিজলডিহা বিবেকানন্দ সেবা সমিতির উদ্যোগে পালিত হলো স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৩ তম জন্মদিন। সকালে প্রভাত ফেরীর মাধ্যমেই শুরু হলো আজকের এই দিনটি। আশ্রম পরিচালিত শ্রী মা সারদা শিশু নিকেতনের শতাধিক পড়ুয়া পায়ে পা মিলিয়ে প্রভাত ফেরী সম্পন্ন করেছে। আগে আশ্রম প্রাঙ্গণে থাকা স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তিতে পুষ্প ভরা শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদন করেন আশ্রমের সম্পাদক বিকাশ পালোধী।তারপর বাজার সংলগ্ন স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তিতে পুষ্প ও সম্মান প্রদর্শন করা হয়েছে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে বলেই খবর। স্বামী বিবেকানন্দের বাণী ও আদর্শ সম্পর্কে একাধিক বিশিষ্ট গুণীজন ব্যক্তি বক্তব্য রাখেন সুনিপুণ দক্ষতার সঙ্গে। চলে উদ্বোধনী সঙ্গীত, কবিতা,বানী ও আদর্শের অটুট বন্ধনে সেজে ওঠে আশ্রমের ভাব প্রচারের কার্যক্রম। হঠাৎ করেই উপস্থিত হলেন বিষ্ণুপুর SDO প্রসেনজিৎ ঘোষ ও জয়পুরের BDO দেবজ্যোতি পাত্র। তাদের আশ্রমের তরফে বরণ করে নেওয়া হয় পুষ্প স্তবক সহযোগে।সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিকাশ পালোধী ও চয়ন পালোধী এবং তুষার কান্তি চক্রবর্তী সহ আশ্রমের আরো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। চলে আলাপ আলোচনা প্রায় ৩০ মিনিটের মতো।1
- বি পি আই গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও স্বামীজীর বিশেষ পুজো পাঠ ও মহা ভোগের মধ্য দিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৪ তম জন্মদিন পালন করা হলো স্বামী বিবেকানন্দ ১২ জানুয়ারি ১৮৬৩ জন্মগ্রহণ করেন জন্মনাম নরেন্দ্রনাথ দত্ত তিনি ছিলেন একজন হিন্দু সন্ন্যাসী, দার্শনিক, লেখক, সংগীতজ্ঞ এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর ভারতীয় অতীন্দ্রিয়বাদী রামকৃষ্ণ পরমহংসের প্রধান শিষ্য। তাঁর পূর্বাশ্রমের নাম ছিল নরেন্দ্রনাথ দত্ত। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে হিন্দুধর্ম তথা ভারতীয় বেদান্ত ও যোগ দর্শনের প্রচারে প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে বিভিন্ন ধর্মমতের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক স্থাপন এবং হিন্দুধর্মকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান ধর্ম হিসেবে প্রচার করার কৃতিত্ব স্বামী বিবেকানন্দের। ভারতে হিন্দু পুনর্জাগরণের তিনি ছিলেন অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। সেই সঙ্গে ব্রিটিশ ভারতে তিনি ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ধারণাটি প্রবর্তন করেন।বিবেকানন্দ রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোয় বিশ্ব ধর্ম মহাসভায় প্রদত্ত চিকাগো বক্তৃতা, যার মাধ্যমেই তিনি পাশ্চাত্য সমাজে প্রথম হিন্দুধর্ম প্রচার করেন। সেই স্বামী বিবেকানন্দের আজ ১৬৪ তম জন্মজয়ন্তী। গৌরবের ও মর্যাদার সাথে বিষ্ণুপুর বি পি আই গ্লোবাল ফাউন্ডেশন তার জন্মজয়ন্তী পালন করলেন। সকালেই গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের সকল ছাত্রছাত্রী শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং পার্শ্ববর্তী গ্রামের মানুষজনের উপস্থিতিতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করা হয়। সাথে চলে বিবেকানন্দের ভক্তিমূলক গান এবং তার বাণী প্রচার । এরপরেই বিষ্ণুপুর বন কামারপুকুর সংলগ্ন মাঠে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিশিষ্ট অতিথিদের মূল্যবান বক্তব্য এবং স্বামীজীর বিশেষ পুজোপাঠ ও সব শেষে এলাকার কয়েক হাজার মানুষকে নিয়ে মহা ভোগের মধ্য দিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম জয়ন্তী পালন করা হয়।1
- Post by Ritesh Kumar1
- সুপার স্পেশালিটি ধাঁচে এগোচ্ছে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল। জুড়লো আরো একটি নয়া পরিষেবা। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার মধ্যে এই প্রথম দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে চালু হচ্ছে অত্যাধুনিক ব্লাড কম্পোনেন্ট সেপারেশন ইউনিট। চার কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে রাজ্য সরকারের তহবিল থেকে। সোমবার দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের ব্লাড সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার ও রোগী কল্যাণ সমিতির সভাপতি কবি দত্ত। উপস্থিত ছিলেন মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডা. ধীমান মন্ডল সহ চিকিৎসকরা। মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, "দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে বছরে দশ হাজার ইউনিটের বেশি রক্ত সংগ্রহ হয়। ব্লাড কম্পনেন্ট সেপারসেন ইউনিট না থাকার জন্য অনেক রক্ত নষ্ট হয়ে যায়।এই ইউনিট চালু হলে দুর্গাপুর সহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার রোগীরা আরও উন্নত ও আধুনিক রক্ত পরিষেবা পাবেন। এই ব্লাড কম্পোনেন্ট সেপারেশন ইউনিটে এক ইউনিট রক্তকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে ভাগ করা হবে। রক্ত থেকে রেড সেল, প্লাজমা ও প্লেটলেট আলাদা করে রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা সম্ভব হবে। এর ফলে এক ব্যাগ রক্ত থেকেই একাধিক রোগী উপকৃত হতে পারবেন। রেড সেল ব্যবহার করা হবে রক্তাল্পতা, দুর্ঘটনা ও অস্ত্রোপচারের রোগীদের চিকিৎসায়। প্লাজমা কাজে লাগবে জন্ডিস, লিভারের সমস্যা, পোড়া রোগী ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে। অন্যদিকে প্লেটলেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডেঙ্গু আক্রান্ত, ক্যান্সারের চিকিৎসাধীন ও গুরুতর সংক্রমণে ভোগা রোগীদের জন্য। প্রয়োজনে এই ইউনিটে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যায় ব্যবহৃত ক্রায়োপ্রেসিপিটেটও প্রস্তুত করা যাবে। এই ইউনিট চালু হওয়ায় রক্তের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে। অপচয় কমবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট রক্ত উপাদান দ্রুত সরবরাহ করা সম্ভব হবে।" স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের এই উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান তথা রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান কবি দত্ত বলেন,"রাজ্যের মধ্যে অন্যতম হাসপাতালে পরিণত হচ্ছে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল। মহকুমা হাসপাতলে এইরকম পরিষেবা খুব কম হাসপাতালেই পাওয়া যায়। বেসরকারি হাসপাতাল গুলিকে টেক্কা দিয়ে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে সরকারি হাসপাতাল।"1