*ভোটের ফলের আগে শীতলখুঁচিতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ, আশ্বস্ত গ্রামবাসীরা* আগামীকাল বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা। তার আগে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শীতলখুঁচির বিভিন্ন অঞ্চলে রুট মার্চ শুরু করল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। বৃহস্পতিবার গোলেনাওহাটি মিরাপাড়া এলাকায় রুট মার্চ চালানো হয়। শীতলখুঁচি থানার এএসআই সমীর রায়ের নেতৃত্বে এই রুট মার্চে অংশ নেয় বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। মিরাপাড়া ছাড়াও ভাঐরথানা, ছোট শালবাড়ি সহ ব্লকের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে এদিন টহল দেওয়া হয়। বাহিনী এলাকার অলিগলি, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে টহল দিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। রুট মার্চ দেখে আশ্বস্ত স্থানীয় বাসিন্দারা। মিরাপাড়ার এক বাসিন্দা বলেন, "ফলাফলের আগে এলাকায় একটা চাপা উত্তেজনা ছিল। পুলিশ আর কেন্দ্রীয় বাহিনী এভাবে টহল দিলে আমরা নির্ভয়ে থাকতে পারব। ভোটের পরেও যেন এই টহল জারি থাকে।" অনেকেই জানিয়েছেন, বাহিনীর উপস্থিতিতে তাঁরা আতঙ্কমুক্ত। "উস্কানি বা গোলমালের ভয় আর নেই। বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারবে, দোকানপাট খোলা থাকবে", বললেন আরেক গ্রামবাসী। এ বিষয়ে শীতলখুঁচি থানার ওসি অভিষেক লামা জানান, "নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আমরা সতর্ক। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত রুট মার্চ চালানো হবে। গুজবে কান না দিয়ে সকলকে সংযত থাকার অনুরোধ করছি।" তিনি আরও জানান, ফল ঘোষণার দিন ও তার পরবর্তী কয়েকদিন ব্লকের প্রতিটি স্পর্শকাতর বুথ এলাকায় বাহিনীর নজরদারি থাকবে। কোনও রকম অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, শীতলখুঁচি সহ কোচবিহারের সব বিধানসভা এলাকাতেই অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ড্রোন ও সিসিটিভি-র মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। *ভোটের ফলের আগে শীতলখুঁচিতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ, আশ্বস্ত গ্রামবাসীরা* আগামীকাল বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা। তার আগে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শীতলখুঁচির বিভিন্ন অঞ্চলে রুট মার্চ শুরু করল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। বৃহস্পতিবার গোলেনাওহাটি মিরাপাড়া এলাকায় রুট মার্চ চালানো হয়। শীতলখুঁচি থানার এএসআই সমীর রায়ের নেতৃত্বে এই রুট মার্চে অংশ নেয় বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। মিরাপাড়া ছাড়াও ভাঐরথানা, ছোট শালবাড়ি সহ ব্লকের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে এদিন টহল দেওয়া হয়। বাহিনী এলাকার অলিগলি, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে টহল দিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। রুট মার্চ দেখে আশ্বস্ত স্থানীয় বাসিন্দারা। মিরাপাড়ার এক বাসিন্দা বলেন, "ফলাফলের আগে এলাকায় একটা চাপা উত্তেজনা ছিল। পুলিশ আর কেন্দ্রীয় বাহিনী এভাবে টহল দিলে আমরা নির্ভয়ে থাকতে পারব। ভোটের পরেও যেন এই টহল জারি থাকে।" অনেকেই জানিয়েছেন, বাহিনীর উপস্থিতিতে তাঁরা আতঙ্কমুক্ত। "উস্কানি বা গোলমালের ভয় আর নেই। বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারবে, দোকানপাট খোলা থাকবে", বললেন আরেক গ্রামবাসী। এ বিষয়ে শীতলখুঁচি থানার ওসি অভিষেক লামা জানান, "নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আমরা সতর্ক। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত রুট মার্চ চালানো হবে। গুজবে কান না দিয়ে সকলকে সংযত থাকার অনুরোধ করছি।" তিনি আরও জানান, ফল ঘোষণার দিন ও তার পরবর্তী কয়েকদিন ব্লকের প্রতিটি স্পর্শকাতর বুথ এলাকায় বাহিনীর নজরদারি থাকবে। কোনও রকম অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, শীতলখুঁচি সহ কোচবিহারের সব বিধানসভা এলাকাতেই অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ড্রোন ও সিসিটিভি-র মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হচ্ছে।
*ভোটের ফলের আগে শীতলখুঁচিতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ, আশ্বস্ত গ্রামবাসীরা* আগামীকাল বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা। তার আগে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শীতলখুঁচির বিভিন্ন অঞ্চলে রুট মার্চ শুরু করল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। বৃহস্পতিবার গোলেনাওহাটি মিরাপাড়া এলাকায় রুট মার্চ চালানো হয়। শীতলখুঁচি থানার এএসআই সমীর রায়ের নেতৃত্বে এই রুট মার্চে অংশ নেয় বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। মিরাপাড়া ছাড়াও ভাঐরথানা, ছোট শালবাড়ি সহ ব্লকের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে এদিন টহল দেওয়া হয়। বাহিনী এলাকার অলিগলি, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে টহল দিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। রুট মার্চ দেখে আশ্বস্ত স্থানীয় বাসিন্দারা। মিরাপাড়ার এক বাসিন্দা বলেন, "ফলাফলের আগে এলাকায় একটা চাপা উত্তেজনা ছিল। পুলিশ আর কেন্দ্রীয় বাহিনী এভাবে টহল দিলে আমরা নির্ভয়ে থাকতে পারব। ভোটের পরেও যেন এই টহল জারি থাকে।" অনেকেই জানিয়েছেন, বাহিনীর উপস্থিতিতে তাঁরা আতঙ্কমুক্ত। "উস্কানি বা গোলমালের ভয় আর নেই। বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারবে, দোকানপাট খোলা থাকবে", বললেন আরেক গ্রামবাসী। এ বিষয়ে শীতলখুঁচি থানার ওসি অভিষেক লামা জানান, "নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আমরা সতর্ক। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত রুট মার্চ চালানো হবে। গুজবে কান না দিয়ে সকলকে সংযত থাকার অনুরোধ করছি।" তিনি আরও জানান, ফল ঘোষণার দিন ও তার পরবর্তী কয়েকদিন ব্লকের প্রতিটি স্পর্শকাতর বুথ এলাকায় বাহিনীর নজরদারি থাকবে। কোনও রকম অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, শীতলখুঁচি সহ কোচবিহারের সব বিধানসভা এলাকাতেই অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ড্রোন ও সিসিটিভি-র মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। *ভোটের ফলের আগে শীতলখুঁচিতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ, আশ্বস্ত গ্রামবাসীরা* আগামীকাল বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা। তার আগে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শীতলখুঁচির বিভিন্ন অঞ্চলে রুট মার্চ শুরু করল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। বৃহস্পতিবার গোলেনাওহাটি মিরাপাড়া এলাকায় রুট মার্চ চালানো হয়। শীতলখুঁচি থানার এএসআই সমীর রায়ের নেতৃত্বে এই রুট মার্চে অংশ নেয় বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। মিরাপাড়া ছাড়াও ভাঐরথানা, ছোট শালবাড়ি সহ ব্লকের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে এদিন টহল দেওয়া হয়। বাহিনী এলাকার অলিগলি, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে টহল দিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। রুট মার্চ দেখে আশ্বস্ত স্থানীয় বাসিন্দারা। মিরাপাড়ার এক বাসিন্দা বলেন, "ফলাফলের আগে এলাকায় একটা চাপা উত্তেজনা ছিল। পুলিশ আর কেন্দ্রীয় বাহিনী এভাবে টহল দিলে আমরা নির্ভয়ে থাকতে পারব। ভোটের পরেও যেন এই টহল জারি থাকে।" অনেকেই জানিয়েছেন, বাহিনীর উপস্থিতিতে তাঁরা আতঙ্কমুক্ত। "উস্কানি বা গোলমালের ভয় আর নেই। বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারবে, দোকানপাট খোলা থাকবে", বললেন আরেক গ্রামবাসী। এ বিষয়ে শীতলখুঁচি থানার ওসি অভিষেক লামা জানান, "নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আমরা সতর্ক। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত রুট মার্চ চালানো হবে। গুজবে কান না দিয়ে সকলকে সংযত থাকার অনুরোধ করছি।" তিনি আরও জানান, ফল ঘোষণার দিন ও তার পরবর্তী কয়েকদিন ব্লকের প্রতিটি স্পর্শকাতর বুথ এলাকায় বাহিনীর নজরদারি থাকবে। কোনও রকম অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, শীতলখুঁচি সহ কোচবিহারের সব বিধানসভা এলাকাতেই অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ড্রোন ও সিসিটিভি-র মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হচ্ছে।
- Post by Pankaj paul1
- Post by Raj roy1
- দিনহাটার বামনহাটের দক্ষিণ লাউচাপরা এলাকায় পারিবারিক বিবাদের জেরে শাশুড়ির উপর কুড়ুল দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বৌমার বিরুদ্ধে। গুরুতর জখম অবস্থায় মহিলাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত বৌমাকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১৫-১৬ বছর আগে ওই এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণ বর্মনের সঙ্গে আবুতারা এলাকার এক মহিলার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই শাশুড়ি ও বৌমার মধ্যে প্রায়শই অশান্তি লেগে থাকত। কয়েকদিন আগে অসুস্থতার সময় শাশুড়ি বৌমাকে চিকিৎসার জন্য চার হাজার টাকা দেন বলে অভিযোগ। রবিবার দুপুর প্রায় ২টা নাগাদ ওই টাকার বিষয়কে কেন্দ্র করে ফের বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই বচসা চরম আকার নিলে বৌমা কুড়ুল দিয়ে শাশুড়ির মাথায় পরপর কয়েকটি কোপ মারেন। ঘটনায় রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন ওই মহিলা। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। ঘটনার খবর পেয়ে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত বৌমাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ1
- রাত পোহালে আগামীকাল সকাল থেকে ঘোষনা হতে চলেছে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল, এদিকে তার আগে নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের সুভাষ নগর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মাঠে বিপুল পরিমাণ ভিভিপ্যাট (VVPAT) স্লিপ পড়ে থাকতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। রবিবার স্থানীয় বাসিন্দারা মাঠে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এই স্লিপগুলি দেখতে পান। অভিযোগ, স্লিপগুলির মধ্যে সিপিএম ও বিজেপির প্রতীকযুক্ত ভিভিপ্যাট রয়েছে, যার মধ্যে অধিকাংশই সিপিএমের বলে দাবি স্থানীয়দের। ঘটনার খবর দ্রুত পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং স্লিপগুলি কীভাবে সেখানে এল, তা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে—এত সংখ্যক ভিভিপ্যাট স্লিপ বাইরে এল কীভাবে, এবং এগুলি আসল নাকি নকল। উল্লেখযোগ্যভাবে, সুভাষ নগর বাসস্ট্যান্ডটি নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের একেবারে সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। ফলে এই ঘটনাকে ঘিরে নিরাপত্তা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি, তবে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি উঠছে, যাতে প্রকৃত সত্য সামনে আসে।1
- 📍ভোট গণনার আগের দিন মাথাভাঙা শহরের বিভিন্ন মন্দিরে পুজো দিলেন মাথাভাঙা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক1
- ঘটনাটি ঘটেছে বামনহাট দক্ষিণ লাউচাপরা এলাকায়। ঘটনা প্রসঙ্গে জানা যায় ১৫-১৬ বছর আগে ওই এলাকার কৃষ্ণ বর্মনের বিয়ে হয় আবুতারা এলাকার এক মেয়ের সাথে বিয়ের পর থেকেই শাশুড়ি বৌমায় ঝামেলা লেগেই থাকতো তবে কিছুদিন আগে বৌমা অসুস্থ হওয়ায় শাশুড়ি চার হাজার টাকা দিয়েছিল চিকিৎসা করানোর জন্য। আজ দুপুর আনুমানিক 2 টা নাগাদ আলোচনা প্রসঙ্গে উঠে আসে ওই চার হাজার টাকার কথা শাশুড়ি নাকি বৌমার কাছেও চার হাজার টাকা দাবি করেছিল আর এতেই শুরু হয়ে যায় বচসা সেই বচসা একটা সময় রূপ নেয় তীব্র আক্রমণের, যার ফলস্বরূপ শাশুড়ির মাথায় একে একে তিন থেকে চারবার কুড়ুলের কোপ মারে বৌমা এমনটাই অভিযোগ আহত মহিলার ছেলে এবং বোনের। এরপর তৎক্ষণাৎ আহত ওই মহিলাকে বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসে আহত মহিলার ছেলে এবং বোন। এই ঘটনার খবর যায় সাহেবগঞ্জ থানায় তড়িঘড়ি অভিযুক্ত বৌমাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আসুন এই বিষয়ে আহত মহিলার ছেলে এবং বোনের বক্তব্য শুনে নেওয়া যাক।1
- কড়া তল্লাশিতে মোড়া কাউন্টিং সেন্টার, নিরাপত্তায় জিরো টলারেন্স, কোচবিহার পলিটেকনিকে মেটাল ডিটেক্টর নজরদারি1
- *আগামীকাল ফল ঘোষণা আগে গোসানিমারি গরকাটা মাসান মন্দিরে প্রার্থনা ও পূজো দিয়ে, আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়।1
- Post by Mansai News1