জঙ্গলমহলের সর্ববৃহৎ উৎসব মকর পরব "আসছে মকর দু'দিন সবুর কর" মকর সংক্রান্তি জঙ্গলমহল এলাকা বা রাঢ় বঙ্গের সর্ববৃহৎ একটি উৎসব। এই মকর সংক্রান্তিকে ঘিরে এতদঞ্চলের মানুষজন চরম উন্মাদনায় মেতে উঠে ৮ থেকে ৮০ বছর বয়সী সকলেই। মকর সংক্রান্তিতে স্নান করে নতুন জামা কাপড় পরার রীতি প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে রাঢ় বঙ্গের আদিবাসীদের মধ্যে। অঘ্রাণ সংক্রান্তিতে শুরু হয় টুসুকে স্থাপনা করে তার আরাধনা, মকর সংক্রান্তিতে সেই আরাধ্য দেবীকে চৌডলে করে নিয়ে গিয়ে নদীতে বিসর্জনের মধ্য দিয়েই শুরু হয় মকর সংক্রান্তির উৎসব। সংক্রান্তির কয়েক দিন আগে থেকেই এলাকার ছোট বড় সমস্ত বাজার এলাকায় সেই চৌডলের ক্রেতা বিক্রেতার ভিড়ে জমজমাট হয়ে থাকে। চৌডল শিল্পী ও বিক্রেতারা সারা বছর ধরে অপেক্ষা করে থাকে এই সময় কিছু বাড়তি রোজগারের আশায়। আর ক্রেতাদের ভিড় তো বলার কথাই নয়। দু'শ থেকে চার-পাঁচ হাজার পর্যন্ত ওঠে চৌডলের দাম। সংক্রান্তির দিন থেকে পরবর্তী বেশ কয়েক দিন ধরে সারা জঙ্গলমহল এলাকা জুড়ে বিভিন্ন নদী তীরে জমে উঠে গ্রামীণ মেলা। আর সংক্রান্তির খাওয়া-দাওয়া মানেই পিঠে ও গুড়। তাইতো মকর সংক্রান্তি আসার কয়েকদিন আগে থেকেই একসময় পুরুলিয়া আকাশে বাতাসে টুসু গানের সুরে ভেসে আসতো "আসছে মকর দুদিন সবুর কর, তরহা বাঁকা পিঠার জোগাড় কর" বাঁকা পিঠা বলতে এখানে খোয়া, নারকেল ও তিলের পুর দেওয়া গুড়ির জলে সেদ্ধ করা পিঠেকে বলা হয়। বছরের অন্যান্য সময় গুড়ের পিঠা সহ তেলে ভাজা অন্যান্য পিঠার আধিক্য থাকলেও মকর পরবে সব থেকে বেশি বাঁকা পিঠারই প্রচলন রয়েছে জঙ্গলমহলে।
জঙ্গলমহলের সর্ববৃহৎ উৎসব মকর পরব "আসছে মকর দু'দিন সবুর কর" মকর সংক্রান্তি জঙ্গলমহল এলাকা বা রাঢ় বঙ্গের সর্ববৃহৎ একটি উৎসব। এই মকর সংক্রান্তিকে ঘিরে এতদঞ্চলের মানুষজন চরম উন্মাদনায় মেতে উঠে ৮ থেকে ৮০ বছর বয়সী সকলেই। মকর সংক্রান্তিতে স্নান করে নতুন জামা কাপড় পরার রীতি প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে রাঢ় বঙ্গের আদিবাসীদের মধ্যে। অঘ্রাণ সংক্রান্তিতে শুরু হয় টুসুকে স্থাপনা করে তার আরাধনা, মকর সংক্রান্তিতে সেই আরাধ্য দেবীকে চৌডলে করে নিয়ে গিয়ে নদীতে বিসর্জনের মধ্য দিয়েই শুরু হয় মকর সংক্রান্তির উৎসব। সংক্রান্তির কয়েক দিন আগে থেকেই এলাকার ছোট বড় সমস্ত বাজার এলাকায় সেই চৌডলের ক্রেতা বিক্রেতার ভিড়ে জমজমাট হয়ে থাকে। চৌডল শিল্পী ও বিক্রেতারা সারা বছর ধরে অপেক্ষা করে থাকে এই
সময় কিছু বাড়তি রোজগারের আশায়। আর ক্রেতাদের ভিড় তো বলার কথাই নয়। দু'শ থেকে চার-পাঁচ হাজার পর্যন্ত ওঠে চৌডলের দাম। সংক্রান্তির দিন থেকে পরবর্তী বেশ কয়েক দিন ধরে সারা জঙ্গলমহল এলাকা জুড়ে বিভিন্ন নদী তীরে জমে উঠে গ্রামীণ মেলা। আর সংক্রান্তির খাওয়া-দাওয়া মানেই পিঠে ও গুড়। তাইতো মকর সংক্রান্তি আসার কয়েকদিন আগে থেকেই একসময় পুরুলিয়া আকাশে বাতাসে টুসু গানের সুরে ভেসে আসতো "আসছে মকর দুদিন সবুর কর, তরহা বাঁকা পিঠার জোগাড় কর" বাঁকা পিঠা বলতে এখানে খোয়া, নারকেল ও তিলের পুর দেওয়া গুড়ির জলে সেদ্ধ করা পিঠেকে বলা হয়। বছরের অন্যান্য সময় গুড়ের পিঠা সহ তেলে ভাজা অন্যান্য পিঠার আধিক্য থাকলেও মকর পরবে সব থেকে বেশি বাঁকা পিঠারই প্রচলন রয়েছে জঙ্গলমহলে।
- আদর্শ গ্রাম গড়ে তোলার প্রারম্ভিক কর্মসূচির শুভারম্ভ হলো স্বামী বিবেকানন্দের ১৪১ তম জন্ম বার্ষিকী ও স্বামী, ইসাত্মানন্দজির ঢেলাতবামু গ্রামে পদার্পণের তেত্রিশ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঢেলাতবামু কালী মন্দির প্রাঙ্গনে। সমাজসেবার মাধ্যমে গ্রাম উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে বিবেক বাহিনী ব্রতচারী সখা এবং প্রাণকৃষ্ণ পান্ডে মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন নামক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এদিন সেই সংগঠনের উদ্যোগেই আয়োজিত হয় এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানটি।সকালে প্রভাত ফেরির মাধ্যমে শুভ সূচনা হয় অনুষ্ঠানের। স্বামীজীর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করতে এ'দিন উপস্থিত ছিলেন বরাবাজার সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সমিত রঞ্জন মন্ডল, বরাবাজার প্রাণিসম্পদ বিকাশ আধিকারিক, সহ কলকাতা থেকে আগত বিশিষ্ট গুণীজনেরা। অনুষ্ঠান শেষে গ্রামের প্রতিটি পরিবারের হাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয় একটি করে কম্বল। আদর্শ গ্রাম গঠনের লক্ষ্য নিয়ে, বিবেকানন্দ ত্রিশূল সেবা নামক প্রকল্পের মাধ্যমে একটি আদর্শ গ্রাম তৈরি করতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে কর্মসূচিতে এগিয়ে যেতে বিভিন্ন বিষয়ে যুব ও মহিলাদের সঙ্গে এক বিশেষ আলোচনারও আয়োজন হয় এদিন।1
- পুরুলিয়া RPF পোষ্টের ও সি সঞ্জয় কুমার তেওয়ারি দিল্লিতে বিশেষ রেল সেবা পুরস্কার নিয়ে অফিসে ফিরতেই সম্মর্দ্ধনা দিলেন স্টাফেরা।1
- মানবাজার:মানবাজারে ২৩ বছর ধরে চলছে অনুষ্ঠান1
- মকরসংক্রান্তির প্রাক্কালে মুখে হাসি ফুটলো লোধাশুলী অঞ্চলের ডালকাটি গ্রামের ৪৫টি লোধাশবর পরিবারের1
- স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ঝাড়গ্রাম শহরে সচেতনতার বার্তা দিলেন কাউন্সিলার অজিত মাহাত1
- स्वामी विवेकानंद की 164वीं जयंती के अवसर पर निकाली गई बाइक रैली आसनसोल : स्वामी विवेकानंद की 164वीं जयंती के अवसर पर आसनसोल के विशिष्ट समाजसेवी कृष्णा प्रसाद की तरफ से मां घाघरबूढ़ी मंदिर प्रांगण से एक बाइक रैली निकाली गई। यह बाइक रैली काली पहाड़ी आसनसोल जीटी रोड होते हुए आसनसोल रामकृष्ण मिशन तक गई। इसमें बड़ी संख्या में स्थानीय निवासी उपस्थित थे। जिन्होंने हाथों में तिरंगा और बजरंगबली का झंडा धाम रखा था। सबसे पहले कृष्णा प्रसाद ने मां घाघर बुड़ी मंदिर में पूजा अर्चना कर कार्यक्रम की शुरुआत की। इस मौके पर उनके साथ बड़ी संख्या में स्थानीय निवासी उपस्थित थे। इसके उपरांत उन्होंने बाइक रैली की शुरुआत की। इस बारे में कृष्णा प्रसाद ने बताया क्या आज भारत के महान सपूतों में से एक स्वामी विवेकानंद की जयंती है। स्वामी विवेकानंद वह व्यक्ति हैं, जिन्होंने भारत से के आध्यात्मिक धरोहर को विश्व के सामने प्रस्तुत किया था। शिकागो धर्म महासम्मेलन में स्वामी विवेकानंद ने जो भाषण दिया था उसे पूरा विश्व आज भी नहीं भूल है और ना कभी भूल पाएगा। यही वह समय था जिसमें पूरी दुनिया को यह दिखा दिया कि भारत की असली ताकत क्या है। स्वामी विवेकानंद ने हमेशा धार्मिक भेदभाव और जातिगत दूरियों को मिटाने की बात कही थी और आज के परिपेक्ष में स्वामी विवेकानंद की प्रासंगिकता और बढ़ जाती है किसी को ध्यान में रखते हुए और नई पीढ़ी तक स्वामी विवेकानंद की वाणी को पहुंचाने के लिए आज उन्होंने इस बाइक रैली का आयोजन किया है ताकि लोग स्वामी विवेकानंद को जाने पहचाने और उनके आदर्शों पर चलने का प्रयास करें।1
- " যুব দিবসে " বার্নপুরের সাঁওতাল পাড়ায় " ইওর অর্গানাইজেশন" / বাঁদনা পরবের আগে মহিলাদের উপহার........... বার্নপুর, ১২ জানুয়ারিঃ সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মানুষজনদের সর্বশ্রেষ্ঠ পবিত্র উৎসব হলো " বাঁদনা পরব" । এই পরব উপলক্ষে প্রতিবারের মত এইবছরও সামাজিক সংগঠন " ইওর অর্গানাইজেশনে" র তরফ থেকে সোমবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের হিরাপুর থানার বার্নপুরে শ্যামডিহি সাঁওতাল পাড়ায় ৮৯ জন মহিলাকে নতুন শাড়ি দেওয়া হল। একদিকে, পরবের আগে উপহার পেয়ে মুখের হাসির ঝলক, অন্যদিকে, ধামসা মাদলের তালে তাল মিলিয়ে নৃত্যের সাথে সংগঠনের মহিলা সদস্যদের পা মেলানো এক অপূর্ব পরিবেশ সৃষ্টি করে দামোদর নদের ধারে এই ছায়াবৃত প্রান্তিক অঞ্চলে। এই নতুন শাড়ি দেওয়ার ব্যয়ভার সমস্তটাই বহন করেছেন সংগঠনের সদস্যরা। এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের চিফ পেট্রোন ডাঃ মহাদেব মাজি। এছাড়া ছিলেন ডাঃ ধারা মাজি, শিক্ষক বিশ্বনাথ মিত্র, শিক্ষিকা সুনন্দা পাল দত্ত, শিক্ষক সন্দীপ মুখোপাধ্যায় , শিক্ষক সৌরভ লায়েক, অতনু চক্রবর্তী, প্রসেনজিৎ দাস, সঙ্গীতশিল্পী সংঘমিত্রা মুখোপাধ্যায়, শিক্ষিকা প্রগতি মন্ডল ও প্রাক্তন শিক্ষক জে কে পট্টনায়ক। এদিনের এই অনুষ্ঠান নিয়ে সূদুর আমেরিকা থেকে প্রবাসী বাঙালি দেবযানী সরকার বলেন, প্রতিবছর বাঁদনা পরবের সময়, ঐ এলাকার মহিলাদের আমরা শাড়ি দিয়ে থাকি। আগামী দিনেও ওদের পাশে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করবো। ইওর অর্গানাইজেশনের আর এক অন্যতম সদস্যা কলকাতা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডাঃ ধারা মাজি বলেন, বাঁদনা পরবে ওদের আনন্দে আমরা শরিক হতে পেরেছি, এটাই আমাদের পরম প্রাপ্তি। শিক্ষিক সৌরভ লায়েক বলেন, ইওর অর্গানাইজেশনের কাছে সাঁওতালদের এই পরব দুর্গাপুজোর মতো গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষিকা ও আবৃত্তিকার সুনন্দা পাল দত্ত বলেন, এই এলাকায় আমরা দুর্গাপুজোর সময়েও সমস্ত ছোট বড় বাচ্চাকে নতুন পোশাক দিয়ে থাকি। সন্দীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ সারা ভারত ঘুরে প্রত্যক্ষ করেছিলেন যে মানুষের মধ্যে দেবত্বের রূপ আছে। তাদের দুঃখ যন্ত্রণাও আছে। সেই মহাপুরুষের জন্ম তিথিতে আমরা শ্যামডিহি সাঁওতাল পাড়ার মতো সুযোগবঞ্চিত জনজাতির আনন্দে একাত্ম হতে পেরেছি, এটাই সবচেয়ে বড় সৌভাগ্যর বিষয়। রেস্টুরেন্ট-ব্যবসায়ী অতনু চক্রবর্তী বলেন, এই সাঁওতাল পাড়ার মানুষেরা আমাদের সংগঠনকে যেরকম ভালোবাসেন, তার তুলনায় আমরা তেমন কিছুই করতে পারি না। বিশ্বনাথ মিত্রর মতে, প্রতিবছর একদিকে এই সরল জনজাতির মহিলাদের সাঁওতালি নাচ ও পুরুষদের বাদ্যযন্ত্রের দ্রিমি দ্রিমি আওয়াজ, অন্যদিকে, ওদের জন্য আমাদের এই সামান্য উপহার এক অপূর্ব মেলবন্ধন সৃষ্টি করে। স্বাভাবিক ভাবেই পরবের আগে একটা উপহার পেয়ে খুবই খুশি সাতমনি হাঁসদা, মঙ্গলি হেমব্রম, মঞ্জু হাঁসদা, বিন্দা সোরেন, সোনামনি মুর্মু ও মালতী মুর্মুরা। তারা বলেন, এই মানুষগুলো সময়ে সময়ে আমাদের কাছে আসেন, খোঁজ খবর এটাই অনেক। তার সঙ্গে উপহার তো বাড়তি পাওনা।1
- হুড়া থানা এলাকায় খেজুর রস থেকে গুড় তৈরির করতে আসা এক ব্যক্তি ধর্ষনের অভিযোগে গ্রেফতার, ঐ ব্যক্তির বাড়ি বাঁকুড়া জেলার ইঁদপুর থানা এলাকায়।1