ধূপগুড়ি বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন বানভাসি এলাকার মানুষ। শুধু হাত দেখিয়ে আশ্বাস দিলে হবে না করে দেখাতে হবে। বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন বানভাসি এলাকার সাধারণ মানুষ। সামনেই ভোটার আর তার আগেই বানভাসি এলাকায় গিয়েছিলেন খবর নিতে জলপাইগুড়ির তৃণমূল এসি ওবিসি সেলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস। তাকে সামনে পেয়ে বানভাসি সেই এলাকার মানুষ ধূপগুড়ির বিধায়কের বিরুদ্ধে একাধিক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যখন আমরা ঘরবাড়ি সবই হারিয়েছি তখন বিধায়ক এসে শুধু হাত দেখিয়ে বলেছিলেন সব করে দিব আজ ছয় মাস কেটে গেলও দেখা মেলেনি বিধায়কের। এদিন এস সি এসটি ওবিসি সেলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস বলেন, এখানে দ্রুততার সঙ্গে দুটি কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে তবে চিন্তার কিছু নেই তিনি এলাকার বানভাসি মানুষদের পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন।
ধূপগুড়ি বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন বানভাসি এলাকার মানুষ। শুধু হাত দেখিয়ে আশ্বাস দিলে হবে না করে দেখাতে হবে। বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন বানভাসি এলাকার সাধারণ মানুষ। সামনেই ভোটার আর তার আগেই বানভাসি এলাকায় গিয়েছিলেন খবর নিতে জলপাইগুড়ির তৃণমূল এসি ওবিসি সেলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস। তাকে সামনে পেয়ে বানভাসি সেই এলাকার মানুষ ধূপগুড়ির বিধায়কের বিরুদ্ধে একাধিক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যখন আমরা ঘরবাড়ি সবই হারিয়েছি তখন বিধায়ক এসে শুধু হাত দেখিয়ে বলেছিলেন সব করে দিব আজ ছয় মাস কেটে গেলও দেখা মেলেনি বিধায়কের। এদিন এস সি এসটি ওবিসি সেলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস বলেন, এখানে দ্রুততার সঙ্গে দুটি কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে তবে চিন্তার কিছু নেই তিনি এলাকার বানভাসি মানুষদের পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন।
- বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন বানভাসি এলাকার সাধারণ মানুষ। সামনেই ভোটার আর তার আগেই বানভাসি এলাকায় গিয়েছিলেন খবর নিতে জলপাইগুড়ির তৃণমূল এসি ওবিসি সেলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস। তাকে সামনে পেয়ে বানভাসি সেই এলাকার মানুষ ধূপগুড়ির বিধায়কের বিরুদ্ধে একাধিক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যখন আমরা ঘরবাড়ি সবই হারিয়েছি তখন বিধায়ক এসে শুধু হাত দেখিয়ে বলেছিলেন সব করে দিব আজ ছয় মাস কেটে গেলও দেখা মেলেনি বিধায়কের। এদিন এস সি এসটি ওবিসি সেলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস বলেন, এখানে দ্রুততার সঙ্গে দুটি কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে তবে চিন্তার কিছু নেই তিনি এলাকার বানভাসি মানুষদের পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন।2
- নিখোঁজ ছেলে, ১০ মাস পর মায়ের কোলে ফিরল হারিয়ে যাওয়া ছেলে ছেলে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় দশ মাস পেরিয়ে গিয়েছিল। সকলেই ভেবে নিয়েছিল হয়তো আর খুঁজে পাওয়া যাবে না ছেলেকে। কিন্তু বৃদ্ধা মায়ের মন যেন তাকে ফিরে পাওয়ার আশায় দিন গুনছিল। মায়ের সেই আর্তনাদ হয়তো শুনেছেন ভগবান। আর তাইতো দীর্ঘ দশ মাস পরে খুঁজে পেল ছেলেকে। এমনই ঘটনা ঘটলো ময়নাগুড়ি ব্লকে। জানা গিয়েছে বিহারের সমস্তিপুর জেলার মহদি নগরের বাসিন্দা সোনু কুমার। গত প্রায় দুই বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন তিনি । আর সেই সমস্যার কারণেই প্রায় ১০ মাস আগে হঠাৎই বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা নানা জায়গায় খোঁজ চালালেও তার কোনো সন্ধান মিলছিল না। নিখোঁজের অভিযোগ জমা হয় স্থানীয় থানায়। সকল চেষ্টায় যখন বিফল, সকলেই যখন আশাহত। ঠিক সেই সময়েই নতুন সূর্যের উদয়। ভাগ্যের ফেরে ময়নাগুড়ি থানার অন্তর্গত ভোটপট্টি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার একটি গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয় সোনু কুমার নামের সেই নিখোঁজ ছেলেকে। খবর পৌঁছাতেই সুদূর বিহারের সমস্তিপুর থেকে ছুটে আসেন তার বৃদ্ধা মা। দীর্ঘ ১০ মাস পর ছেলেকে সামনে দেখে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরেন ছেলেকে। চোখ বেয়ে নেমে আসে আনন্দ আর স্বস্তির অশ্রুধারা। সেই মুহূর্ত যেন উপস্থিত সকলের মনকেও নাড়া দেয়। ছেলেকে ফিরে পাওয়ার এই অমূল্য মুহূর্তের জন্য তিনি ময়নাগুড়ি থানার অধীন ভোটপত্তি ফাঁড়ির ওসি অরিজিৎ কুণ্ডু সহ সমস্ত পুলিশ কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।1
- চা-শ্রমিকদের যৌথ মঞ্চের ডাকে মঙ্গলবার জলপাইগুড়ির ডেঙ্গুয়াঝাড় চা-বাগানে গেট মিটিং ও বিক্ষোভ সমাবেশ করলেন চা-শ্রমিকরা। এসআইআর প্রকৃয়ার মাধ্যমে শ্রমিকদের অনেকের নাম বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে সরব হন তারা। পাশাপাশি শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, জমির পাট্টা দেওয়ার দাবি সহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে এই বিক্ষোভ সমাবেশ করেন শ্রমিকরা। চা-শ্রমিক মজদুর ইউনিয়নের জয়েন্ট ফোরামের পক্ষ থেকে গেট মিটিংয়ে অংশ নেন কয়েকশো শ্রমিক। অবিলম্বে চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি চালু করার পাশাপাশি বাগানে জমির পাট্টা দেওয়ার দাবিতে দীর্ঘ আন্দোলনের হুমকি দেন চা-শ্রমিকরা।1
- Post by Tapas Roy1
- Post by বাংলা খবর1
- বিজেপির পরিবর্তন রথকে ঘিরে ধুপগুড়ি বিধানসভা জুড়ে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ধুপগুড়ি থেকে শুরু করে পুরো বিধানসভা এলাকাজুড়ে একাধিক জায়গায় পথসভা কার্যত জনসভায় পরিণত হতে দেখা যায়। দলের কর্মী-সমর্থকদের মতে, এই বিপুল জনসমাগমের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বিজেপি নেতা ঈশ্বরচন্দ্র রায়ের। তবে এই কৃতিত্ব নিজের নামে নিতে চান না তিনি। বরং এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তিনি দলের কর্মী ও সমর্থকদেরই দিতে পছন্দ করেন।1
- দ্বিমুখী সংকটে উত্তরবঙ্গের পরিবহন খাত মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। ভারতে রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার পর এবার পেট্রল ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রবল আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ।1
- এসআইআর প্রকৃয়ার মাধ্যমে শ্রমিকদের অনেকের নাম বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে সরব হন তারা। পাশাপাশি শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, জমির পাট্টা দেওয়ার দাবি সহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে এই বিক্ষোভ সমাবেশ করেন শ্রমিকরা। চা-শ্রমিক মজদুর ইউনিয়নের জয়েন্ট ফোরামের পক্ষ থেকে গেট মিটিংয়ে অংশ নেন কয়েকশো শ্রমিক। অবিলম্বে চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি চালু করার পাশাপাশি বাগানে জমির পাট্টা দেওয়ার দাবিতে দীর্ঘ আন্দোলনের হুমকি দেন চা-শ্রমিকরা।1