সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হচ্ছে, যেখানে সুপ্রিম কোর্ট চত্বরের ভেতরে কথিত হট্টগোল এবং উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। ভিডিওটির সাথে দাবি করা হচ্ছে যে, দেশের প্রধান বিচারপতিকে (CJI) নিয়ে কয়েকজন আইনজীবী অভদ্র মন্তব্য করেছেন, যার পরেই সেখানকার পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওতে করা দাবিগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি。 এই পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অনেকেই বিচার ব্যবস্থার মর্যাদা বজায় রাখার পক্ষে সওয়াল করছেন, আবার অনেকে গোটা ঘটনার একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এই ধরনের কোনো বিতর্ক বা হট্টগোলের খবর মানুষের মধ্যে গভীর আলোচনার জন্ম দেয়। এখন সবার চোখ এই দিকেই আটকে রয়েছে যে, এই গোটা বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক স্পষ্টীকরণ সামনে আসে কিনা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হচ্ছে, যেখানে সুপ্রিম কোর্ট চত্বরের ভেতরে কথিত হট্টগোল এবং উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। ভিডিওটির সাথে দাবি করা হচ্ছে যে, দেশের প্রধান বিচারপতিকে (CJI) নিয়ে কয়েকজন আইনজীবী অভদ্র মন্তব্য করেছেন, যার পরেই সেখানকার পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওতে করা দাবিগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি。 এই পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অনেকেই বিচার ব্যবস্থার মর্যাদা বজায় রাখার পক্ষে সওয়াল করছেন, আবার অনেকে গোটা ঘটনার একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এই ধরনের কোনো বিতর্ক বা হট্টগোলের খবর মানুষের মধ্যে গভীর আলোচনার জন্ম দেয়। এখন সবার চোখ এই দিকেই আটকে রয়েছে যে, এই গোটা বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক স্পষ্টীকরণ সামনে আসে কিনা।
- মুম্বইয়ের আন্ধেরি পূর্বে অবস্থিত অ্যারো পঞ্জাব (এলপি) অর্কেস্ট্রা বারে গভীর রাত পর্যন্ত চলা কথিত নাচ এবং বিনোদনের আসরের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনার পর অর্কেস্ট্রা বারগুলির কার্যপদ্ধতি নিয়ে আবারও নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে গভীর রাত পর্যন্ত গান ও নাচের পরিবেশ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। এর জেরে স্থানীয় বাসিন্দা ও সামাজিক সংগঠনগুলি প্রশ্ন তুলেছে যে, বারগুলি আদৌ নির্ধারিত নিয়মকানুন এবং লাইসেন্সের শর্তাবলী মেনে চলছে কি না। নিয়ম লঙ্ঘন এবং অশ্লীল প্রদর্শনের অভিযোগে সম্প্রতি মুম্বই পুলিশ একাধিক অর্কেস্ট্রা বারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছে। পূর্বেও মুম্বইয়ের অর্কেস্ট্রা ও ডান্স বারগুলির লাইসেন্স বাতিল এবং পুলিশি অভিযানের মতো ঘটনা ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে 'আপকি জং'-এর পক্ষ থেকে দাবি তোলা হয়েছে যে, যদি কোনও প্রতিষ্ঠানে নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়ে থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট দফতর এবং মুম্বই পুলিশের উচিত কোনও পক্ষপাতিত্ব না করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সত্যকে সাধারণ মানুষের সামনে আনা। আইন সবার জন্য সমান এবং গভীর রাত পর্যন্ত চলা এই ধরনের কার্যকলাপের ওপর কড়া নজরদারি রাখা অত্যন্ত জরুরি।1
- উত্তরবঙ্গে অর্জুন সিংয়ের প্রথম বড় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠক থেকে বন্ধ চা-বাগান, শিল্পনীতি এবং ইউসিসি (UCC) নিয়ে একাধিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন তিনি। উত্তরবঙ্গের মাটিতে আয়োজিত এই প্রথম বড় বৈঠক থেকে চা-বাগান এবং শিল্পনীতির মতো বিষয়ে তাঁর এই বার্তাগুলো বিশেষ নজর কেড়েছে।1
- উত্তরবঙ্গে বন্ধ হয়ে যাওয়া চা-বাগানগুলোর সংকট মোচন এবং সামগ্রিক শিল্পোন্নয়নের লক্ষ্যে সমাধানের বার্তা নিয়ে এসেছেন মন্ত্রী অর্জুন সিং। দার্জিলিং জেলার খড়িবাড়ি সহ উত্তরবঙ্গের এই অঞ্চলের বন্ধ চা-বাগান ও শিল্পের বিকাশে একটি ইতিবাচক সমাধান সূত্র খুঁজে বের করাই তাঁর এই বার্তার মূল উদ্দেশ্য।1
- পশ্চিমবঙ্গে এক মহিলার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বিপুল পরিমাণ টাকা। ওই মহিলার অ্যাকাউন্টে একবারে ৭৫৯ কোটি টাকা ঢুকে যাওয়ার খবর মিলেছে। নিজের অ্যাকাউন্টে আচমকা এই বিপুল অঙ্কের টাকা ঢোকার খবর জানতে পেরে স্বাভাবিকভাবেই ওই মহিলার চক্ষু চড়কগাছ হয়ে গিয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা তুলতে গিয়ে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেখে চরম হতবাক হয়ে গেছেন এক মহিলা। ব্যাংকে গিয়ে তিনি নিজের অ্যাকাউন্টে ৭৪০ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা দেখতে পান, যা তাকে রাতারাতি কোটিপতি বানিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কাউকে ভাড়া না দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের হলদিবাড়িতে এক স্কুলছাত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আচমকাই ৭৫৯ কোটি টাকারও বেশি ভুতুড়ে টাকা ঢুকে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওই ছাত্রীর নাম সুপর্না রায়। সে দক্ষিণবড় হলদিবাড়ির খালপাড়ার বাসিন্দা এবং হলদিবাড়ি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। শনিবার স্কুলের কেসজুতো কেনার জন্য স্কলারশিপের ৯০০ টাকা তুলতে গিয়েই এই বিপুল অঙ্কের টাকার হদিশ মেলে। শনিবার ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকায় সুপর্না অনলাইনে একটি দোকানে টাকা তুলতে যায়। সেখানে নিজের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স চেক করার সময় সে দেখতে পায় যে তার অ্যাকাউন্টে মোট ৭৫৯ কোটি ৬৯ লক্ষ ৫১ হাজার ৯৫১ টাকা জমা রয়েছে। এই খবর বাড়িতে এসে পরিবারের লোকজনকে বলতেই তাঁরা চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এই ঘটনা নিয়ে গোটা হলদিবাড়ি জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।1
- সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি কবি সম্মেলনের ভিডিও নিয়ে দার্জিলিং জেলা তথা দেশজুড়ে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। ভিডিওটিতে মঞ্চ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে— "মেলোডির চেয়ে কি মূল্যবৃদ্ধি বেশি জরুরি নয়?" কবির এই একটি লাইনেই পুরো সভাগৃহ করতালিতে ফেটে পড়ে। এই কবিতাটি কেবল কয়েকটি লাইন নয়, বরং সাধারণ মানুষের পকেটে আঘাত করা মূল্যবৃদ্ধির চরম যন্ত্রণাকেই ফুটিয়ে তুলেছে। দেশে ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি, রান্নার গ্যাস, পেট্রোল-ডিজেল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের লাগামহীন দামের কারণে সাধারণ মানুষ এমনিতেই জেরবার হয়ে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে কবি তাঁর ব্যঙ্গাত্মক শব্দবাণের মাধ্যমে শাসক ও ব্যবস্থার দিকে তীব্র প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এবং নেটিজেনরা এটিকে সাধারণ জনগণের কণ্ঠস্বর বলে অভিহিত করছেন। অনেকেরই মতে, বিনোদন এবং রাজনৈতিক তরজার মাঝে আসল বড় সমস্যাটি হলো মূল্যবৃদ্ধি, যা দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে। যখন রান্নার বাজেট বিগড়ে যায় এবং বাচ্চাদের পড়াশোনা থেকে শুরু করে সংসারের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়ে, তখন জনগণের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এটাই হয়ে দাঁড়ায়— সত্যিই কি মূল্যবৃদ্ধির চেয়ে জরুরি অন্য কিছু আছে? কবির এই প্রশ্নটি বর্তমানে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।1
- জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে একটি লরি থেকে প্রায় ৩১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ। রবিবার সাত সকালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন খবরের ভিত্তিতে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ আগে থেকেই এলাকায় বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছিল। তাদের কাছে খবর ছিল যে, কোচবিহার থেকে শিলিগুড়ি হয়ে মালদার দিকে একটি লরিতে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা পাচার করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী পুলিশ ময়নাগুড়ির ভূষ্কারডাঙ্গা এলাকায় ওত পেতে থাকে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লরি চালক গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তৎক্ষণাৎ তার পিছু ধাওয়া করে। বেগতিক দেখে চালক ময়নাগুড়ির আসাম মোড় সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার পাশে লরিটিকে দাঁড় করিয়ে রেখে চম্পট দেয়। এরপর পুলিশ ওই লরিটিতে তল্লাশি চালালে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে চালকের আসনের নিচ থেকে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা প্রায় ৩১ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়। গাঁজা সহ পাচারে ব্যবহৃত লরিটি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে এবং পলাতক পাচারকারীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।1