সিউড়িতে সাংবাদিক আক্রান্ত, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন — রাজ্যজুড়ে ক্ষোভ সাংবাদিক মহলে বীরভূমের সিউড়িতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন এক সাংবাদিক। শান্তিনিকেতন টিভির সাংবাদিক রাজা হোসেনের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশের সামনেই তাকে মাটিতে ফেলে মারধর করা হয়। ঘটনাটি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও হামলা রুখতে তৎপরতা দেখা যায়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শুধু বীরভূম নয়, মুর্শিদাবাদেও এর আগেই এক মহিলা সাংবাদিকের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল। বিভিন্ন জায়গায় খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের উপর আক্রমণের ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে বলে দাবি করছেন সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা। আরও গুরুতর অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে ঘটনার সঠিক তদন্ত না করেই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে। প্রেসক্লাবের একাধিক সদস্যের মতে, বিশেষ করে নির্বাচনের সময় খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা হামলা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রেসক্লাব যৌথভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানাতে চলেছে বলে জানা গেছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।
সিউড়িতে সাংবাদিক আক্রান্ত, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন — রাজ্যজুড়ে ক্ষোভ সাংবাদিক মহলে বীরভূমের সিউড়িতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন এক সাংবাদিক। শান্তিনিকেতন টিভির সাংবাদিক রাজা হোসেনের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশের সামনেই তাকে মাটিতে ফেলে মারধর করা হয়। ঘটনাটি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও হামলা রুখতে তৎপরতা দেখা যায়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শুধু বীরভূম নয়, মুর্শিদাবাদেও এর আগেই এক মহিলা সাংবাদিকের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল। বিভিন্ন জায়গায় খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের উপর আক্রমণের ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে বলে দাবি করছেন সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা। আরও গুরুতর অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে ঘটনার সঠিক তদন্ত না করেই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে। প্রেসক্লাবের একাধিক সদস্যের মতে, বিশেষ করে নির্বাচনের সময় খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা হামলা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রেসক্লাব যৌথভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানাতে চলেছে বলে জানা গেছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।
- *দিনহাটা যৌ*/নপল্লী*/তে আ*/গ্নেয়া*/স্ত্র হাতে বিশৃঙ্খলা করার অভিযোগ উঠল দিনহাটা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়ের ছায়া সঙ্গীদের বিরুদ্ধে।1
- tranding videos1
- #হরিহর দাসের সমর্থনে বৈরাগীর হাটে তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিল1
- নির্বাচনের প্রাক্কালে ফের রাজনৈতিক সমীকরণে বড়সড় পরিবর্তনের ছবি ধরা পড়ল ৭/১৫০ নং বুথ এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বুথের প্রায় ৩০টি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-তে যোগদান করেছেন। এদিন একটি যোগদান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই পরিবারগুলিকে দলে স্বাগত জানান বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব। উপস্থিত ছিলেন দলের একাধিক ব্লক ও বুথ স্তরের নেতৃবৃন্দ। নতুন সদস্যদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাদের স্বাগত জানানো হয়। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্যের শাসকদলের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ক্রমশ কমছে। উন্নয়নের অভাব, দুর্নীতি ও স্থানীয় স্তরে অসন্তোষের জেরেই মানুষ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন। অন্যদিকে, এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের আগে এই ধরনের দলবদল আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে, যা ভোটের ফলাফলেও প্রভাব ফেলতে পারে। এদিকে এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ালেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।1
- মাথাভাঙ্গা সেন্ট্রাল পার্টি অফিসে সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ তৃণমূল ব্লক সভাপতির ।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে দুদিক আগে মাথাভাঙ্গা শহরে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে স্লোগান যুদ্ধ।এরপর তৃণমূল বিজেপি হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।এই ঘটনার পরই থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ থেকে বিজেপি প্রার্থী সাবিত্রী বর্মনের গাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনার পরই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ধরপাকড় শুরু করে।তৃণমূলের অভিযোগ বেছে বেছে তৃণমূল নেতৃত্ব ও কর্মীদের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি করছে।1
- কোচবিহারে প্রচারের মাঝে হিপ্পির সাথে কানে কানে কথা অভিষেকের1
- দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের ৭/১৫০ নং বুথে তৃনমূল ছেড়ে ৪০টি পরিবার বিজেপিতে যোগদান করলেন। বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়ের হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন তারা।2
- গাজনের শেষে শীতলকুচি ব্লকের পূর্ব ভোগডাবড়িতে চড়ক মেলা1