গ্রামীণ জনগণ মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং বিদ্যুৎ-এর মতো অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবাগুলিতে গুরুতর এবং অবিরাম বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন, এই প্রশ্ন তুলে যে কেন তাদের সারা জীবন বঞ্চিত থাকতে হয়। এই পোস্টে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, যেখানে শহরের নাগরিকরা যে টাকা খরচ করে মোবাইল রিচার্জ করেন, গ্রামের মানুষও ঠিক সেই সমপরিমাণ খরচ করেন, অথচ তারা ঘরে বসে ঠিকঠাক ফোনে কথা বলতে পারেন না বা নেট চালাতে পারেন না। এয়ারটেল, জিও-র ইন্টারনেট ও ডেটা পরিষেবাতে এই বৈষম্য প্রকট। বিদ্যুৎ পরিষেবার ক্ষেত্রেও একই ধরনের অসমতা দেখা যায়। গ্রামের মানুষ এবং শহরের মানুষ উভয়ই প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য একই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেন। কিন্তু শহরে বিদ্যুৎ চলে গেলে দ্রুত তা মেরামত করে আলো জ্বালানোর ব্যবস্থা করা হয়, যেখানে গ্রামে বিদ্যুৎ গেলে ধীরগতিতে কাজ করা হয়। এমনকি শহরে ঝড় হলেও বিদ্যুৎ সহজে যায় না, কিন্তু গ্রামে গাছের পাতা নড়তে না নড়তেই বিদ্যুৎ চলে যায়। এই পরিস্থিতি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর প্রতি গভীর বঞ্চনা ও অবিচারের অনুভূতি প্রকাশ করে, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলিতে ক্রমাগত উপেক্ষা এবং অন্যায়ের শিকার করে রাখছে বলে দাবি করা হয়েছে।
গ্রামীণ জনগণ মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং বিদ্যুৎ-এর মতো অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবাগুলিতে গুরুতর এবং অবিরাম বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন, এই প্রশ্ন তুলে যে কেন তাদের সারা জীবন বঞ্চিত থাকতে হয়। এই পোস্টে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, যেখানে শহরের নাগরিকরা যে টাকা খরচ করে মোবাইল রিচার্জ করেন, গ্রামের মানুষও ঠিক সেই সমপরিমাণ খরচ করেন, অথচ তারা ঘরে বসে ঠিকঠাক ফোনে কথা বলতে পারেন না বা নেট চালাতে পারেন না। এয়ারটেল, জিও-র ইন্টারনেট ও ডেটা পরিষেবাতে এই বৈষম্য প্রকট। বিদ্যুৎ পরিষেবার ক্ষেত্রেও একই ধরনের অসমতা দেখা যায়। গ্রামের মানুষ এবং শহরের মানুষ উভয়ই প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য একই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেন। কিন্তু শহরে বিদ্যুৎ চলে গেলে দ্রুত তা মেরামত করে আলো জ্বালানোর ব্যবস্থা করা হয়, যেখানে গ্রামে বিদ্যুৎ গেলে ধীরগতিতে কাজ করা হয়। এমনকি শহরে ঝড় হলেও বিদ্যুৎ সহজে যায় না, কিন্তু গ্রামে গাছের পাতা নড়তে না নড়তেই বিদ্যুৎ চলে যায়। এই পরিস্থিতি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর প্রতি গভীর বঞ্চনা ও অবিচারের অনুভূতি প্রকাশ করে, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলিতে ক্রমাগত উপেক্ষা এবং অন্যায়ের শিকার করে রাখছে বলে দাবি করা হয়েছে।
- মাল ব্লকের ওদলাবাড়ি বিধান পল্লী এবং হাসপাতাল পাড়া এলাকায় একটি পাগলা গরুর তাণ্ডবে রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই ঘটনায় মহিলা সহ অন্তত আট থেকে দশ জন গ্রামবাসী গুরুতর জখম হয়েছেন। গরুটি যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই গুঁতো মেরেছে বলে জানা গেছে, যার ফলে জখমদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।1
- জটামারী ১৫৬ নং বুথে একটি বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আমাদের স্থানীয় বিধায়ক উপস্থিত হন। এই বিজয় উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি সকলের উদ্দেশ্যে কিছু বক্তব্য রাখেন।1
- কালচিনি ব্লকের হ্যামিল্টনগঞ্জ বৈশাখী মেলায় একনাগাড়ে বৃষ্টির কারণে ব্যবসায়ীরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মেলায় মানুষের ভিড় বাড়াতে নাগরদোলা ব্যবসায়ীরা একটি অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আগে যেখানে একটি নাগরদোলায় চড়তে ৫০ টাকার বেশি খরচ করতে হতো, সেখানে এখন অগ্রগামী সংঘের আয়োজিত এই বৈশাখী মেলায় মাত্র ৫০ টাকায় একসঙ্গে তিনটি নাগরদোলায় চড়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন যে, এই বিশেষ অফারের ফলে মেলায় আবারও দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়বে।1
- কোচবিহার দক্ষিণ বিধান সভা এলাকার পুঁটিমারী ফুলেশ্বরী গ্রাম পঞ্চায়েতের 79 নম্বর বুথের শিবপুর গ্রামে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে একটি বিজয় অভিনন্দন যাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল।1
- দিনহাটা থানার অন্তর্গত গোসানিমারির চকীয়া পাড়া প্রথম খন্ডে এক বিশাল বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে প্রায় ১০০০ মানুষের সমাগম ঘটে। দুপুর ১২:৩০ মিনিটে শুরু হয়ে এই মিছিল দুপুর ২:০০টার মধ্যে সময়মতো শেষ হয়। চকীয়া পাড়ার ১১৫ নম্বর বুথে সঞ্জয় বর্মনের সিদ্ধান্তে অত্যন্ত সুস্থ ও শান্তিপূর্ণভাবে এই বিজয় উল্লাস সম্পন্ন হয়, কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই। এই উদযাপনের অংশ হিসেবে, বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য খাবারের সুব্যবস্থা করা হয়েছিল। খাবারের মেনুতে ছিল মাছ, ডাল মুড়ি ঘণ্ট, রসা, চিপস এবং চাটনি।1
- সিতাই থানার পুলিশ বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিলসহ মহম্মদ মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। বালাপুখুরি এলাকার বাসিন্দা এই ব্যক্তিকে শনিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর কাছ থেকে প্রায় ১৫০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় সিতাই থানার পুলিশ এনডিপিএস আইনে একটি মামলা রুজু করেছে। রবিবার ধৃত মহম্মদ মিয়াকে আদালতে তোলা হলে পুলিশ তাঁর হেফাজতের আবেদন জানায়। পুলিশের অনুমান, তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই পাচারচক্রের সঙ্গে যুক্ত আরও লোকজনের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে।1
- ২৫শে মে, ময়নাগুড়ি ব্লকের আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ধওলাগুড়ি গ্রামের ডাকুর বাড়ি এলাকার বাসিন্দারা জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের পানীয় জলের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। দ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে তারা এই বিক্ষোভে সামিল হন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তীব্র গরমে ধওলাগুড়ি গ্রামের ডাকুর বাড়ি, দাফাদারের বাড়ি এবং নিমের বাড়ি সহ বেশ কয়েকটি পাড়ার প্রায় ৭০টি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলের তীব্র সমস্যায় ভুগছে। তাদের দাবি, জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের পক্ষ থেকে পাইপলাইন বসানো হলেও তারা দীর্ঘদিন ধরে জল পাচ্ছেন না। পূর্বে টেন্ডার হলেও কিছু অংশে কাজ হলেও এই নির্দিষ্ট পাড়াগুলি বঞ্চিত থেকে গেছে। এছাড়াও, বাড়ির কুয়ো বা নলকূপের জলও অত্যন্ত নোংরা হওয়ায় বাধ্য হয়ে পার্শ্ববর্তী প্রায় দুই থেকে তিন কিলোমিটার দূর থেকে পানীয় জল সংগ্রহ করতে হচ্ছে তাদের। দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে দাবি জানানো হলেও কোনো সুরাহা মেলেনি। দ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ফাঁকা বালতি নিয়ে এদিন তারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং নতুন সরকারের কাছে এই সমস্যার সমাধানে আবেদন জানান।1
- তুফানগঞ্জের বিধায়িকা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের পথে আরও একধাপ এগিয়েছেন। সোমবার তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে তুফানগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের জালধোয়া এলাকায় রায়ডাক নদীর উপর বহুদিনের দাবিকৃত সেতু নির্মাণের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে যান। স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, প্রতি বর্ষাকালে রায়ডাক নদীর জলস্তর বাড়লে এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এর ফলে স্কুল-কলেজের পড়ুয়া থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ এবং রোগীরাও চরম দুর্ভোগের শিকার হন। এই সমস্যার সমাধানের জন্য এলাকাবাসী দীর্ঘকাল ধরে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বিধায়িকা মালতি রাভা রায় এদিন এলাকাবাসীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন। এরপর তিনি সেতু নির্মাণের সম্ভাব্য স্থানগুলি পরিদর্শন করেন এবং দ্রুত প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন। এই পরিদর্শনে তাঁর সঙ্গে পূর্ত দপ্তরের আধিকারিক, ব্লক প্রশাসনের প্রতিনিধি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বিধায়িকা জানান, মানুষের এই দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় রিপোর্ট তৈরি করে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এদিনের এই পরিদর্শনের ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, সেতুটি নির্মিত হলে জালধোয়া সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটাই উন্নত হবে এবং বর্ষাকালীন দুর্ভোগ থেকে মানুষ মুক্তি পাবে।1
- পুলিশ অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে একটি টিভি নিয়ে গেছে।1