পুরুলিয়ায় ফের এসটিএফের হানা: দশেরবাঁধের বন্ধ বন্দুক দোকান থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার! শহর পুরুলিয়ার দশেরবাঁধ এলাকায় রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (STF) অভিযানে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার একটি পুরনো বন্দুক দোকানে হানা দিয়ে সেখান থেকে সমস্ত আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করল এসটিএফের প্রতিনিধি দল। সূত্রের খবর, দশেরবাঁধ এলাকায় সুশীলা আধিয়া নামে এক ব্যক্তির একটি পুরনো বন্দুকের দোকান ছিল। কয়েক মাস আগেই অবৈধ অস্ত্র কেনাবেচার অভিযোগে এসটিএফ ওই দোকানে অভিযান চালিয়েছিল। সেই সময় দোকানের মালিক সুশীলা আধিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং দোকানটি তখন থেকেই বন্ধ ছিল। পুরনো সেই মামলার সূত্র ধরেই আজ ফের ওই বন্ধ দোকানে হানা দেয় বেঙ্গল এসটিএফ। দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানোর পর দোকানের ভেতরে মজুত থাকা সমস্ত বন্দুক উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। অভিযানের সময় বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে দোকানের মালিককেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জনবহুল দশেরবাঁধ এলাকায় এই অতর্কিত পুলিশি অভিযানের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রগুলি লাইসেন্সপ্রাপ্ত নাকি অবৈধভাবে মজুত করা ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।
পুরুলিয়ায় ফের এসটিএফের হানা: দশেরবাঁধের বন্ধ বন্দুক দোকান থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার! শহর পুরুলিয়ার দশেরবাঁধ এলাকায় রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (STF) অভিযানে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার একটি পুরনো বন্দুক দোকানে হানা দিয়ে সেখান থেকে সমস্ত আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করল এসটিএফের প্রতিনিধি দল। সূত্রের খবর, দশেরবাঁধ এলাকায় সুশীলা আধিয়া নামে এক ব্যক্তির একটি পুরনো বন্দুকের দোকান ছিল। কয়েক মাস আগেই অবৈধ অস্ত্র কেনাবেচার অভিযোগে এসটিএফ ওই দোকানে অভিযান চালিয়েছিল। সেই সময় দোকানের মালিক সুশীলা আধিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং
দোকানটি তখন থেকেই বন্ধ ছিল। পুরনো সেই মামলার সূত্র ধরেই আজ ফের ওই বন্ধ দোকানে হানা দেয় বেঙ্গল এসটিএফ। দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানোর পর দোকানের ভেতরে মজুত থাকা সমস্ত বন্দুক উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। অভিযানের সময় বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে দোকানের মালিককেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জনবহুল দশেরবাঁধ এলাকায় এই অতর্কিত পুলিশি অভিযানের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রগুলি লাইসেন্সপ্রাপ্ত নাকি অবৈধভাবে মজুত করা ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।
- নববর্ষে সাধারণের সেবায় অগ্রসেন সভা ও আগরওয়াল সম্মেলন! পুরুলিয়ায় জলছত্রের উদ্বোধন।1
- চৈত্রের তীব্র দাবদাহকে উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার হুড়া ব্লক এলাকায় দাপিয়ে নির্বাচনি প্রচার সারলেন বিজেপির দুই প্রার্থী কমলা কান্ত হাঁসদা ও ময়না মুর্মু।1
- Post by Amjad Khan1
- ভোক্তা ঘোড়া বাবার ভক্ত 🕉️🙏 পুরুলিয়া নিউ ভিডিও1
- টাইগারের দলে যোগ দিলেন কংগ্রেস নেতা। ঝাড়খণ্ডের টাইগার জয়রাম মাহাতোর দল প্রথমবার লড়ছে বাংলার নির্বাচনে। আর প্রথমবারেই ছাপ ফেলছে তারা। ঝাড়খণ্ড লাগোয়া জয়পুর বিধানসভার জেএলকেএম প্রার্থী দিব্যজ্যোতি সিং দেও এবারের নির্বাচনে দিচ্ছেন জোর টক্কর।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বলরামপুরে জোরকদমে শুরু হয়েছে দলবদলের রাজনীতি। যতই ভোট এগিয়ে আসছে, ততই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি যোগদানের প্রবণতা চোখে পড়ছে। কয়েকদিন আগেই দড়দা অঞ্চলের লায়াডি বুথ থেকে ২৭টি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিল। আর তারই মধ্যে ফের একই অঞ্চলে বড়সড় পরিবর্তনের দাবি সামনে এলো। কংগ্রেসের দাবি, দড়দা অঞ্চলের দেউলী বুথ থেকে প্রায় দেড়শটি পরিবার তাদের দলে যোগদান করেছেন। জানা গেছে, প্রচার কর্মসূচির মধ্য দিয়েই এই যোগদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। উপস্থিত ছিলেন বলরামপুর বিধানসভার কংগ্রেস প্রার্থী সুকান্ত মাহাতো। তিনি জানান, শুধু দেউলী বুথই নয়, আরও একাধিক এলাকায় বহু মানুষ কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন। ভোটের আগে এভাবে ঘন ঘন দলবদল ঘিরে বলরামপুরের রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে উঠেছে।1
- চৈত্র সংক্রান্তির তপ্ত রোদকে উপেক্ষা করেই পুরোদমে চলছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রচার কার্য। পিছিয়ে নেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস, বলরামপুর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শান্তিরাম মাহাতো সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত চষে বেড়াচ্ছে এ গ্রাম থেকে সে গ্রাম। মঙ্গলবার দুপুরের ছড়া রোদে বিভিন্ন গ্রামে প্রচার সেরে উপস্থিত হন পুয়ারা গ্রামে, সেখানে প্রচার কাজ সমাপ্ত করে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে, তিনি জানান তাঁর জয় যায় ১১০ শতাংশ।1
- আজ ১৪ই এপ্রিল বাবা সাহেব ডঃ বি আর আম্বেদকর এর জন্য জয়ন্তী, দিনটিকে জেলা জুড়ে মর্যাদায় সহিত পালন করা হলো, স্মৃতিচারণ করলেন পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সুজয় বন্দোপাধ্যায়।1