চন্দননগরের প্রাক্তন মেয়র রাম চক্রবর্তী সম্প্রতি দলীয় নেতৃত্ব, দলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক এবং দলের কিছু নীতির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁর এই মন্তব্য এসেছে গত শুক্রবার তিনি এবং আরও ২৬ জন তৃণমূল কাউন্সিলারের চন্দননগরের মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর, যা পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়ার কারণ হয়েছে। রাম চক্রবর্তীর মতে, সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে দলের অভ্যন্তরীণ ভুলভ্রান্তি এবং কিছু নেতার দম্ভ ও ঔদ্ধত্যের প্রতিফলন দেখা গেছে, যা সাধারণ মানুষ ভালোভাবে গ্রহণ করেননি। হুগলির এই প্রবীণ নেতা আইপ্যাকের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ ব্যক্ত করেছেন। তাঁর অভিযোগ, দলীয় নেতৃত্বের চোখ বুজে আইপ্যাকের উপর ভরসা করাই ছিল একটি মস্ত ভুল। তিনি বলেন যে, আইপ্যাকের প্রকৃত কাজ কী তা এখনও তাঁর কাছে স্পষ্ট নয়, কারণ তারা একই প্রশ্ন বারবার করে এবং অনেক তথ্য সংগ্রহ করলেও সেগুলোর কী ব্যবহার হয়েছে তা অজানা। রাম চক্রবর্তীর মতে, আইপ্যাক প্রার্থীদের নিয়ে মানুষের ক্ষোভের বিষয়গুলি দলীয় নেতৃত্বকে জানায়নি, যার ফলে দল জনগণের ক্ষোভ প্রশমনে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তুলনামূলক খারাপ ফলের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে তৃণমূল আইপ্যাককে পরামর্শদাতা সংস্থা হিসেবে নিয়োগ করেছিল। প্রাথমিক পর্যায়ে দলের পরামর্শ দেওয়া এবং সমাজমাধ্যমে ভাবমূর্তি স্বচ্ছ করার দায়িত্ব তাদের ছিল। কিন্তু রাম চক্রবর্তীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনে তারা সেই কাজ ভালোভাবে করেনি, যার ফলে সমাজমাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি খারাপ হয় এবং মানুষ তৃণমূলকে "চোর চোর" বলে সম্বোধন করা শুরু করে, যা ভোটের ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এছাড়া, তিনি চন্দননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন। রাম চক্রবর্তী জানিয়েছেন যে, প্রাক্তন বিধায়ক ভোটের পর চন্দননগরে আসেননি, তাঁর সঙ্গে দু'বার কথা হলেও তিনি এলাকায় আসেননি এবং তাঁর এলাকা পরিচালনার ধরণও মানুষ ভালোভাবে নেননি।
চন্দননগরের প্রাক্তন মেয়র রাম চক্রবর্তী সম্প্রতি দলীয় নেতৃত্ব, দলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক এবং দলের কিছু নীতির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁর এই মন্তব্য এসেছে গত শুক্রবার তিনি এবং আরও ২৬ জন তৃণমূল কাউন্সিলারের চন্দননগরের মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর, যা পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়ার কারণ হয়েছে। রাম চক্রবর্তীর মতে, সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে দলের অভ্যন্তরীণ ভুলভ্রান্তি এবং কিছু নেতার দম্ভ ও ঔদ্ধত্যের প্রতিফলন দেখা গেছে, যা সাধারণ মানুষ ভালোভাবে গ্রহণ করেননি। হুগলির এই প্রবীণ নেতা আইপ্যাকের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ ব্যক্ত করেছেন। তাঁর অভিযোগ, দলীয় নেতৃত্বের চোখ বুজে আইপ্যাকের উপর ভরসা করাই ছিল একটি মস্ত ভুল। তিনি বলেন যে, আইপ্যাকের প্রকৃত কাজ কী তা এখনও তাঁর কাছে স্পষ্ট নয়, কারণ তারা একই প্রশ্ন বারবার করে এবং অনেক তথ্য সংগ্রহ করলেও সেগুলোর কী ব্যবহার হয়েছে তা অজানা। রাম চক্রবর্তীর মতে, আইপ্যাক প্রার্থীদের নিয়ে মানুষের ক্ষোভের বিষয়গুলি দলীয় নেতৃত্বকে জানায়নি, যার ফলে দল জনগণের ক্ষোভ প্রশমনে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তুলনামূলক খারাপ ফলের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে তৃণমূল আইপ্যাককে পরামর্শদাতা সংস্থা হিসেবে নিয়োগ করেছিল। প্রাথমিক পর্যায়ে দলের পরামর্শ দেওয়া এবং সমাজমাধ্যমে ভাবমূর্তি স্বচ্ছ করার দায়িত্ব তাদের ছিল। কিন্তু রাম চক্রবর্তীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনে তারা সেই কাজ ভালোভাবে করেনি, যার ফলে সমাজমাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি খারাপ হয় এবং মানুষ তৃণমূলকে "চোর চোর" বলে সম্বোধন করা শুরু করে, যা ভোটের ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এছাড়া, তিনি চন্দননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন। রাম চক্রবর্তী জানিয়েছেন যে, প্রাক্তন বিধায়ক ভোটের পর চন্দননগরে আসেননি, তাঁর সঙ্গে দু'বার কথা হলেও তিনি এলাকায় আসেননি এবং তাঁর এলাকা পরিচালনার ধরণও মানুষ ভালোভাবে নেননি।
- হুগলির বৈদ্যবাটিতে শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির উদ্যোগে একটি চা-এর আড্ডার আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী, প্রাণিসম্পদ বিকাশ এবং কৃষি বিপণন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ যোগ দেন।1
- 'মেরি কিতাব -২১' সিরিজের অধীনে একটি নতুন উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে যার নাম 'জয় যোগানিয়া মাতা'। এই উপন্যাসটি আরাবল্লীর লোকদেবী মা যোগানিয়ার জীবন ও মহিমাকে কেন্দ্র করে রচিত।1
- কলকাতা নিউজ টাইমস বৈদ্যবাটি হুগলিতে অবস্থিত 'রিদমিক রেভোলিউশন' নামক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের একটি এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ প্রকাশ করেছে। এটি এই সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় অংশ।1
- রাজ্য সভাপতি এম এম বিশ্বাস মহাশয় একটি সভায় সাত দফা তুলে ধরেছেন। এই অনুষ্ঠানে প্রত্যেক জেলার জেলা সভাপতি ছাড়াও বিভিন্ন পদাধিকারীরাও উপস্থিত ছিলেন।4
- পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক উত্তেজনার আবহে এবার শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে, যা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে সরগরম সৃষ্টি করেছে। গতকাল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের একদিন পরই এই ঘটনা ঘটল। রবিবার সকালে হুগলির চণ্ডীতলা থানার সামনে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ করা হয়েছে, নির্বাচনের পর দলীয় নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে থানায় স্মারকলিপি জমা দিতে গিয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর অনুগামী তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। সেই সময় বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডা, ধাক্কাধাক্কি এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তৃণমূলের অভিযোগ, এই উত্তেজনার মধ্যেই সাংসদকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়, যা তাঁর মাথায় আঘাত করে। তাঁকে ঘটনাস্থলে মাথা চেপে ধরে থাকতে দেখা যায় এবং কিছু প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রের দাবি অনুযায়ী, আঘাতের ফলে তাঁর মাথা ফেটে রক্তপাতও হয়। পরে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। ঘটনার পর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি অভিযোগ করেন যে বিজেপি কর্মীরাই পরিকল্পিতভাবে তাঁর উপর হামলা চালিয়েছে। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলা হয়েছে যে, তৃণমূলই অশান্তির পরিবেশ তৈরি করেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয় এবং বর্তমানে এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জারি রেখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। পরপর দুই শীর্ষ তৃণমূল নেতার উপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক ও চাপানউতোর শুরু হয়েছে, যা নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হচ্ছে কিনা, সেই প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে।4