মেখলিগঞ্জ ব্লকের চ্যাংড়াবান্ধা চৌরঙ্গী বাজার এলাকায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে চুরির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, গভীর রাতের সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ঢুকে নগদ অর্থ ও সোনার গয়নাসহ লক্ষাধিক টাকার সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনার সময় বাড়ির কেউই কিছু টের পাননি। তাঁদের সন্দেহ, চুরির আগে বাড়ির আশপাশে বা ঘরের ভিতরে কোনো নেশাজাতীয় পদার্থ স্প্রে করা হয়ে থাকতে পারে। এই সুযোগে দুষ্কৃতীরা বাড়ির চারটি ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে নগদ কয়েক লক্ষ টাকা, সোনার গয়না এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ। সকালে ঘুম থেকে উঠে পরিবারের সদস্যরা ঘরের দরজা ভাঙা ও জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পেয়ে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। খবর পেয়ে মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কীভাবে এই চুরির ঘটনা ঘটল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাড়ির পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার এবং চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
মেখলিগঞ্জ ব্লকের চ্যাংড়াবান্ধা চৌরঙ্গী বাজার এলাকায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে চুরির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, গভীর রাতের সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ঢুকে নগদ অর্থ ও সোনার গয়নাসহ লক্ষাধিক টাকার সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনার সময় বাড়ির কেউই কিছু টের পাননি। তাঁদের সন্দেহ, চুরির আগে বাড়ির আশপাশে বা ঘরের ভিতরে কোনো নেশাজাতীয় পদার্থ স্প্রে করা হয়ে থাকতে পারে। এই সুযোগে দুষ্কৃতীরা বাড়ির চারটি ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে নগদ কয়েক লক্ষ টাকা, সোনার গয়না এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ। সকালে ঘুম থেকে উঠে পরিবারের সদস্যরা ঘরের দরজা ভাঙা ও জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পেয়ে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। খবর পেয়ে মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কীভাবে এই চুরির ঘটনা ঘটল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাড়ির পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার এবং চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
- বুধবার কুচলিবাড়ি ট্রাক মালিক সমিতি জ্বালানি তেল ড্রামে সরবরাহের পুরনো নিয়ম পুনরায় চালু করার দাবিতে একটি বৈঠক করেছে। তাদের অভিযোগ, এলাকার নিকটবর্তী পেট্রোল পাম্প ১৮ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় কৃষিকাজে ব্যবহৃত ট্রাক্টরের জন্য জ্বালানি সংগ্রহ করতে কৃষকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সমিতির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয় যে, অনেক ক্ষেত্রে ড্রামে তেল দেওয়া হলেও ক্যাশ মেমো দেওয়া হয় না। এর ফলে পথে বিএসএফ বা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সমিতির দাবি, এলাকায় নতুন পেট্রোল পাম্প স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত পূর্বে প্রচলিত নিয়মটি বহাল রাখতে হবে। যদি তাদের এই দাবি মানা না হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।1
- বুধবার ধূপগুড়ির পারকুমলাই এলাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে রান্নাঘরে বিষধর সাপের কামড়ে সাঞ্জনা রায় নামে এক ৮ বছর বয়সী শিশুকন্যার মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিনের মতোই পরিবারের সদস্যরা ঘরের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সাঞ্জনা খাবার খাওয়া শেষে থালা রাখতে রান্নাঘরে গেলে সেখানে লুকিয়ে থাকা একটি বিষধর সাপ তাকে কামড়ে দেয়। ঘটনার পর পরই পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সাঞ্জনাকে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। পরিবারের দাবি অনুযায়ী, হাসপাতালে আসার সময়ও শিশুটি সচেতন ছিল এবং কথা বলছিল। চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রেফার করেন। তবে, সেখানে নিয়ে যাওয়ার আগেই ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালেই শিশুটির মৃত্যু হয়। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।1
- জলঢাকা নদী সংলগ্ন বগরিবাড়ি এলাকার মানুষের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নদীর জল বাড়তে শুরু করায় তারা আবারও গত বন্যার ভয়াবহ স্মৃতিতে ডুবে যাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে, বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ গভীর উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এবং তাদের মধ্যে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।1
- দর্শক বন্ধুদের জানানো হচ্ছে যে ভারতবর্ষের এক নম্বর চ্যানেল ব্রেকিং নিউজ নিয়ে এসেছে। আপনারা এটি দেখতে পাচ্ছেন।1
- জলপাইগুড়ির বেলাকোবার কলেজ পাড়া এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, যেখানে সাধারণ বাইক চালকদের হেলমেট ও নথিপত্রহীনতার জন্য যিনি নিয়মিত জরিমানা করতেন, সেই হোমগার্ড নিজেই বাইক চালানোর সময় নিয়ম ভাঙায় তীব্র জনরোষের মুখে পড়েন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বেলাকোবা ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। জানা গেছে, ওই হোমগার্ড গতকালই বিবেকানন্দ কলোনির এক বাসিন্দাকে হেলমেট না পরার কারণে জরিমানা করেছিলেন। আজ স্থানীয়রা ওই হোমগার্ডকে কলেজ পাড়া এলাকা দিয়ে বাইক চালিয়ে যেতে দেখেন। সন্দেহ হওয়ায় মোবাইলের মাধ্যমে সরকারি অ্যাপে বাইকের নম্বর দিয়ে সার্চ করতেই ধরা পড়ে যে, হোমগার্ডের নিজের বাইকেরই ট্যাক্স ও ইন্স্যুরেন্সসহ একাধিক কাগজপত্র ফেল রয়েছে। নিয়ম ভঙ্গের এই দ্বিমুখীনতা নজরে আসতেই স্থানীয়রা তাঁকে পথ আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তুমুল উত্তেজনার খবর পেয়ে বেলাকোবা ফাঁড়ির পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, শেষপর্যন্ত সাধারণ মানুষের চাপের মুখেই ওই হোমগার্ডের বাইকের জরিমানা করা হয়। তবে, রক্ষকই ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ায়, পুলিশের এই ধরনের দ্বিমুখী আচরণ নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে।1
- মঙ্গলবার বিকেলে পুরুলিয়া জেলায় বাজ পড়ার ঘটনায় মোট ১০ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহতদের মধ্যে দু'জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি ৮ জন আহত ব্যক্তি বর্তমানে পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো গর্ভমেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।1
- সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ বামনহাট রেলস্টেশনে নিষিদ্ধ কফ সিরাপ পাচারের একটি বড় ছক ভেস্তে দিয়েছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ১১৬ বোতল এসকাফ সিরাপসহ আমিনুর শেখ ওরফে মাফি (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, চৌধুরীহাট এলাকা থেকে বামনহাট রেলস্টেশনে নিষিদ্ধ কফ সিরাপ নিয়ে আসা হচ্ছে বলে গোপন তথ্য আসে পুলিশের কাছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই গত বুধবার বামনহাট রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় নজরদারি ও তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এই অভিযান চলাকালীনই আমিনুর শেখ ওরফে মাফিকে আটক করা হয়। তল্লাশির পর তার কাছ থেকে মোট ১১৬ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়, যা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তি সাহেবগঞ্জ থানার অন্তর্গত আতিয়ালডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা। এই ঘটনায় এনডিপিএস ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ বর্তমানে উদ্ধার হওয়া নিষিদ্ধ কফ সিরাপ কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং এগুলি কোথায় পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল, তা খতিয়ে দেখছে।1
- আগামী ২৬ জুন তিনবিঘা শহীদ দিবস পালনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে, যেখানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা শহীদ বেদী পরিষ্কারের কাজে হাত লাগিয়েছেন। প্রতি বছর এই দিনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়, যা তাঁদের স্মৃতির প্রতি নিবেদিত। ১৯৯২ সালের ২৬ জুন তিনবিঘা করিডর হস্তান্তরের বিরোধিতায় ‘তিনবিঘা হস্তান্তর বিরোধী সংগ্রাম কমিটি’র নেতৃত্বে এক বড় আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। দহগ্রাম-আঙ্গারপোতা এলাকার জন্য জমি হস্তান্তরের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া সেই আন্দোলনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে সুধীর রায়, জীতেন অধিকারী এবং ক্ষিতেন রায় শহীদ হয়েছিলেন। সেই মর্মান্তিক ঘটনার স্মৃতিতে এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতি বছর ২৬ জুন তিনবিঘা শহীদ দিবস পালন করা হয়। এই দিবসটি সামনে রেখে পরিবারের সদস্যরা এখন শহীদ বেদী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন।1